Categories
দেশ

আচ্ছে দিনের বিকাশ, দেশে চরম আর্থিক মন্দা: চার দশকে রেকর্ড! মাইনাস ২৩.৯ শতাংশ দেশের GDP

আচ্ছে দিনের বিকাশ, দেশে চরম আর্থিক মন্দা: চার দশকে রেকর্ড! মাইনাস ২৩.৯ শতাংশ দেশের GDP

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: মাইনাসে চলে গেল দেশের জিডিপি! চলতি অর্থবর্ষে প্রথম ত্রৈমাসিক জিডিপি পড়ল নজিরবিহীনভাবে। বলা যায়, এমন অভূতপূর্ব ঘটনা ৪০ বছরে দেখা যায়নি। সোমবার জাতীয় পরিসংখ্যান অফিস (এনএসও) এই রিপোর্ট প্রকাশ করে জানিয়েছে মাইনাস ২৩.৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে এই মুহূর্তে দেশের জিডিপি।

চলতি অর্থবর্ষের প্রথম তিন মাস কেটেছে সম্পূর্ণ লকডাউনে। জিডিপির পতন হওয়াটাই স্বাভাবিক বলে অনুমান করে আসছিলেন অর্থনীতিবিদরা। ব্লুমবার্গ একটি সমীক্ষায় জানিয়েছিল, মাইনাস ১৮ শতাংশে নেমে আসতে পারে জিডিপি। সেটাও ছাপিয়ে গেল!

করোনার প্রকোপ বাড়তেই প্রথম মার্চ মাসের ২৪ তারিখে ২১ দিনের জন্য সম্পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। দেশের যানবাহন থেকে কলকারখানা একেবারে স্তব্ধ হয়ে যায়। এরপর ধাপে ধাপে বাড়ানো হয় লকডাউনের মেয়াদ। এক ঝটকায় কাজ হারান লক্ষাধিক মানুষ। পেটের টানে ঘরের দিকে রওনা দেন ভিন রাজ্য থেকে আসা পরিযায়ী শ্রমিকরা। এই মহামারী পরিস্থিতি সামলাতে সরকারের তরফে একাধিক পদক্ষেপ করা হলেও, গত ৩ মাসে আমজনতাকে  কাজে ফেরানো সম্ভব হয়নি।

এ দিনের রিপোর্ট বলছে, সব থেকে বেশি যেখানে কর্মসংস্থান তৈরি হয়, উত্পাদন ক্ষেত্রের বৃদ্ধি নেমেছে মাইনাস ৪০ শতাংশে। পরিকাঠামো ক্ষেত্রে মাইনাস ৫১ শতাংশ, রেস্তোরাঁ-হোটেল ইন্ডাস্ট্রি মাইনাস ৪৭ শতাংশে নেমেছে। একমাত্র কৃষিক্ষেত্রই মাথা তুলে দাঁড়াতে পেরেছে।

উল্লেখ্য, লকডাউনের আগের থেকেই ঘনিয়ে আসে আর্থিক মন্দা। গত অর্থবর্ষ যেখানে ৭.৯৫ শতাংশ বৃদ্ধি দিয়ে শুরু করেছিল, তারপর থেকে ক্রমশ অধোগতি হতে দেখা গিয়েছে জিডিপি। শেষ ত্রৈমাসিক বৃদ্ধির হার ছিল ৩.১। লকডাউনের পর অধিকাংশ রেটিং সংস্থা পূর্বাভাস দিয়েছিল মাইনাসে নেমে যেতে পারে জিডিপি। এমনকী এসবিআইও সেই আশঙ্কা করেছিল। সবার আশঙ্কাই সত্যিই করে ছাড়ল জুনের জি়ডিপি!

Categories
দেশ

করোনায় মৃত পুণের বিখ্যাত ডাঃ রমাকান্তের শেষকৃত্যে এল না কোন আত্মীয়: মুসলিম যুবকদের কাঁধে চড়েই শ্মশান যাত্রা

করোনায় মৃত পুণের বিখ্যাত ডাক্তারের শেষকৃত্যে এল না কোন আত্মীয়: মুসলিম যুবকদের কাঁধে চড়েই শ্মশান যাত্রা

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: এমবিবিএস ডাঃ রমাকান্ত যোশি আজ (রবিবার) পুনে মহারাষ্ট্রতে করোনায় মারা গেছেন। তার একটি ছেলে রয়েছে, তবে তিনি আমেরিকাতে থাকেন এবং তাঁর স্ত্রীর বয়স ৭৪ বছর এবং ডাঃ চেয়েছিলেন যে তিনি ৪ জন ব্যক্তির কাঁধে চেপে যাবেন।
কিন্তু করোনার কারণে কোনও পরিবার তাঁর কাছে আসতে প্রস্তুত ছিল না। এই ঘটনাটি তাবলীগ জামায়াতভুক্ত মুসলিম যুবকদের কাছে এসেছিল যারা ধর্মীয় খুতবা দেওয়ার কাজে নিয়োজিত রয়েছে এবং তারপরে তারা সমস্ত ব্যবস্থা করে দেহকে কাঁধে তুলে শ্মশানে নিয়ে যায় এবং শেষ সমাধি সম্পন্ন করে।

এই ঘটনার বিষয়ে লেখক রাজেন্দ্র পাওর বলেছিলেন, ‘মুসলিম সমাজকে খারাপ বলে বিবেচনা করা হয় তবে আপনি একবার মুসলমানদের প্রতি স্নেহ প্রদর্শন করে দেখুন তারা আপনার জন্য প্রাণ দিয়ে দেবে। মুসলিম সম্প্রদায়কে মন্দ হিসাবে বিবেচনা করা হয় তবে করোনার সময়কালে যারা সবচেয়ে বেশি সাহায্যের জন্য দৌড়েছিলেন তারা হলেন মুসলিম সম্প্রদায়।

Categories
রাজ্য

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান: প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করল মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান: প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করল মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান। অবশেষে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে চলেছে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন। রাজ্যের সরকার পোষিত এডেড মাদ্রাসাগুলিতে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। আগামী অক্টোবর থেকে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে। যার বিস্তারিত তথ্য আগামী ৬ সেপ্টম্বর কমিশনের ওয়েবসাইটে দেওয়া হবে বলে খবর।

এমনিতেই মাদ্রাসাগুলিতে শিক্ষকের ব্যাপক শূন্যপদ রয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে পঠনপাঠনের উপর। কিন্তু মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থায় সব থেকে ক্ষতির দিক হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী প্রধান শিক্ষক না থাকা। বর্তমানে রাজ্যের অর্ধেকের বেশি মাদ্রাসায় স্থায়ী প্রধান শিক্ষক নেই। যার ফলে মাদ্রাসাগুলি পরিচালনার ক্ষেত্রে তীব্র সমস্যা দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে স্থায়ী প্রধান শিক্ষক না থাকার ফলে মাদ্রাসার পরিকাঠামো উন্নয়ন থেকে পঠনপাঠনে বিরূপ প্রভাব পড়েছে।

এই সুযোগ পরিচালন সমিতি’র অসাধু ব্যক্তিরা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে দিয়ে একের পর এক বেনিয়ম করে চলেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই সব কারণেই বহু দিন ধরে মাদ্রাসায় স্থায়ী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের দাবি উঠেছে। এবার সেই পথে হাঁটতে চলেছে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন।
উলেখ্য, রজ্যে মাদ্রাসা শিক্ষা পর্যদের অনুমোদিত ৬১৪টি সরকার পোষিত এডেড মাদ্রাসা রয়েছে। যার মধ্যে ১৭টি মাদ্রাসা সরকারি অনুমোদন পেলেও, এখনও তা চালু করা হয়নি।ওই ১৭টি মাদ্রাসা বাদ দিলে, এই মুহুর্তে ৫৯৭টি মাদ্রাসা চালু হয়েছে। তার মধ্যে স্থায়ী প্রধান শিক্ষক নেই ৩৩৭টি মাদ্রাসায়।

এর মধ্যে ২০৪টি হাইমাদ্রাসায় প্রধানশিক্ষক শূন্য। রাজ্যের ১০২টি সিনিয়ার মাদ্রাসার মধ্যে ৭২টি’তে স্থায়ী প্রধান শিক্ষক নেই। স্থায়ী প্রধান শিক্ষক নেই ৬১টি জুনিয়ার হাইমাদ্রাসাতেও। অর্থাৎ রাজ্যের অর্ধেকের বেশি মাদ্রাসাতেই নেই স্থায়ী অভিভাবক। যার ফলে অভিভাবকহীন ভাবেই চলছে মাদ্রাসাগুলি। এবার স্থায়ী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ করে মাদ্রাসা শিক্ষার মান আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Categories
দেশ

আমাদের মার্গদর্শক ছিলেন প্রণব মুখার্জি: শোকজ্ঞাপন করে মন্তব্য আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের

আমাদের মার্গদর্শক ছিলেন প্রণব মুখার্জি: শোকজ্ঞাপন করে মন্তব্য আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: আজীবন কংগ্রেস রাজনীতি করে আসা ব্যক্তিত্ব প্রণব মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণের পর রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত একটি বড় বিবৃতি করে বসলেন। ভাগবত অকপটেই জানালেন, “সঙ্ঘের প্রতি ওঁর প্রেম ও সদ্ভাবের কারণে উনি আমাদের কাছে এক জন মার্গদর্শক ছিলেন।”

২০১৮ সালের মে মাসে নাগপুরে সঙ্ঘের সদর দফতরে গিয়েছিলেন প্রণব মুখোপাধ্যায়। তখনও দেশের রাষ্ট্রপতি তিনি। তাঁর নাগপুর সফর নিয়ে তখন কম বিতর্ক হয়নি সর্বভারতীয় রাজনীতিতে। ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা সমালোচনা করেছিলেন প্রণববাবুর। এমনকি তাঁর মেয়ে তথা দিল্লি কংগ্রেসের তৎকালীন মুখপাত্র শর্মিষ্ঠা মুখোপাধ্যায়ও হতাশা প্রকাশ করেছিলেন।

 

বিপরীতে অত্যন্ত আহ্লাদিত ছিল গেরুয়া শিবির তথা বিজেপি ও সঙ্ঘ পরিবার। কারণ, জাতীয় রাজনীতিকে যে সঙ্ঘ পরিবারকে নিয়ে কংগ্রেস ও বামপন্থীরা বরাবর নেতিবাচক মন্তব্য করেন, এক প্রকার অস্পৃশ্য হিসেবে জ্ঞান করেন অনেকে, সেই আরএসএসের সদর দফতরে গিয়ে তাঁদের এক প্রকার স্বীকৃতি তথা লেজিটিমিসি দিয়েছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি। ঘরোয়া আলোচনায় পরে সাংবাদিকদের প্রণববাবু জানান, মোহন ভাগবত পরে তাঁকে একবার বলেছিলেন, “আপনার জন্য আমরা গোটা বিশ্বে যে এ বার প্রচার গেয়ে গেলাম, অতীতে কখনও তা হয়নি।”

প্রণববাবুর মৃত্যুর পর এদিন সঙ্ঘ প্রধান যে বিবৃতি দিয়েছেন, তাতেও পরিষ্কার তাঁর প্রতি কতটা কৃতজ্ঞ আরএসএস। বিবৃতিতে মোহন ভাগবত ও সহ কার্যবাহ সুরেশ জোশী লিখেছেন, “কুশল প্রশাসক, রাষ্ট্রহিতকে সর্বোপরি জ্ঞান করে, অস্পৃশ্যতার উর্ধ্বে সব দলের থেকে সম্মান পেয়ে, মিতভাষী, লোকপ্রিয় প্রণব মুখোপাধ্যায় আজ তাঁর জীবনযাত্রা শেষ করে পরম তত্ত্বে বিলীন হয়ে গিয়েছেন। ভারতের রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনে তৈরি হওয়া এই শূন্যতা পূরণ করা সহজ হবে না। ওঁর মৃত্যুতে সঙ্ঘের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অনেকের মতে, শুধু ব্যক্তিগত সম্পর্কে প্রণবের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানো নয়, তাঁকে সেই পরম মর্যাদাও দিয়েছিলেন মোদী। কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদী সরকারের আমলেই ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত হয়েছিলেন প্রণববাবু। হয়তো এর নেপথ্যে সঙ্ঘ পরিবারেরও দাবি ও আগ্রহ ছিল।

Categories
দেশ

প্রণব মুখার্জির প্রয়াণে ৭ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক দেশে: আগামীকাল রাজ্যে সরকারি ছুটি ঘোষণা

প্রণব মুখার্জির প্রয়াণে ৭ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক দেশে: আগামীকাল রাজ্যে সরকারি ছুটি ঘোষণা

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: ‘ভারতরত্ন’ তথা দেশের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে গোটা দেশে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। তাঁর মৃত্যুতে এদিন ৭ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালনের কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। অন্যদিকে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে আগামীকাল রাজ্য সরকারের সমস্ত প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হবে। এদিন টুইট করে এমনটাই জানিয়েছেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

মাসখানেক আগে বাথরুমে পড়ে গিয়ে মাথায় চোট পেয়েছিলেন প্রণববাবু। এরপর দিল্লির আর্মি হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়, সেখানেই চলে অস্ত্রোপচার। কিন্তু তারপর থেকেই শারীরিক অবস্থার অবনতি হয় তাঁর। ভেন্টিলেশন থেকে ক্রমশ কোমায় চলে যায় প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি। ধরা পড়ে করোনাও। সোমবার বিকেলে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিকবারের একাধিক মন্ত্রকের মন্ত্রী। তাঁর প্রয়াণে আগামীকাল থেকে ৬ অগাস্ট পর্যন্ত দেশজুড়ে রাষ্ট্রীয় শোক পালন হবে। সমস্ত সরকারি দপ্তরে অর্ধনমিত রাখা হবে দেশের জাতীয় পতাকা।

অন্যদিকে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, আগামীকাল রাজ্যের সমস্ত সরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, কোনও কারণে যদি আগামীকাল প্রণববাবুর শেষকৃত্য না হয়, তবে যেদিন হবে সেদিনও সমস্ত সরকারি দপ্তর ছুটি থাকবে।

প্রয়াত হলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪

Categories
বিশ্ব

প্রণব মুখার্জি ছিলেন আমাদের অভিভাবক ও পারিবারিক বন্ধু: শোকপ্রকাশ করে মন্তব্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার

প্রণব মুখার্জি ছিলেন আমাদের অভিভাবক ও পারিবারিক বন্ধু: শোকপ্রকাশ করে মন্তব্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, উপমহাদেশের বরেণ্য রাজনীতিক, বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু প্রণব মুখার্জির মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

প্রণব মুখার্জির মৃত্যুতে শোকে মুহ্যমান ও স্মৃতিকাতর হন শেখ হাসিনা। প্রণব মুখার্জির সাথে বঙ্গবন্ধু পরিবার ও শেখ হাসিনার নিজের বহু স্মৃতি স্মরণ করেন।

সোমবার (৩১ আগস্ট) এক শোকবার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে একজন রাজনীতিবিদ ও আমাদের পরম সুহৃদ হিসেবে প্রণব মুখার্জির অনন্য অবদান কখনও বিস্মৃত হবার নয়। আমি সবসময় মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অসামান্য অবদান শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি।

তিনি আরো বলেন, ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর ভারতে নির্বাসিত থাকাকালীন প্রণব মুখার্জি আমাদের সবসময় সহযোগিতা করেছেন। এমন দুঃসময়ে তিনি আমার পরিবারের খোঁজখবর রাখতেন এবং যেকোনো প্রয়োজনে আমার ছোট বোন শেখ রেহানা ও আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। দেশের ফেরার পরও প্রণব মুখার্জির সহযোগিতা এবং উৎসাহ দিয়েছেন। তিনি আমাদের অভিভাবক ও পারিবারিক বন্ধু। যেকোনো সংকটে তিনি সাহস যুগিয়েছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, প্রণব মুখার্জির মৃত্যুতে ভারত হারালো একজন বিজ্ঞ ও দেশপ্রেমিক নেতাকে আর বাংলাদেশ হারালো একজন আপনজনকে। তিনি উপমহাদেশের রাজনীতিতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে বেঁচে থাকবেন।

শেখ হাসিনা তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

প্রয়াত হলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪

Categories
রাজ্য

আপনার কথা খুব মনে পড়বে: প্রণব মুখার্জির পরিবারের প্রতি শোকজ্ঞাপন করে টুইট মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির

আপনার কথা খুব মনে পড়বে: প্রণব মুখার্জির পরিবারের প্রতি শোকজ্ঞাপন করে টুইট মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে স্মৃতির সাগরে ডুব দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লিখলেন, আপনার কথা খুব মনে পড়বে। সঙ্গে সমবেদনা জানালেন প্রণববাবুর পুত্র অভিজিৎ ও কন্যা শর্মিষ্ঠা মুখোপাধ্যায়কে।

সোমবার সন্ধ্যায় এক টুইটে প্রণববাবুকে শ্রদ্ধা জানান মমতা। লেখেন, ‘গভীর দুঃখের সঙ্গে এটা লিখছি। ভারতরত্ন প্রণব মুখোপাধ্যায় আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছেন। একটা যুগের অবসান হল। দশকের পর দশক ধরে তিনি পিতৃতুল্য ছিলেন। আমার প্রথম সাংসদ হওয়া থেকে মন্ত্রিসভায় প্রথম জায়গা পাওয়া, সব সময় অগ্রজ হিসাবে তাঁকে পেয়েছি। আমি মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন তিনি রাষ্ট্রপতি হন…’

স্মৃতিচারণায় মমতা আরও লেখেন, ‘অনেক স্মৃতি। দিল্লি গিয়ে প্রণবদার সঙ্গে দেখা না করে ফেরার কথা কল্পনা করা যেত না। রাজনীতি ও অর্থনীতিতে তিনি কিংবদন্তী। তাঁর কাছে সব সময় কৃতজ্ঞ থাকব। তাঁর কথা মনে পড়বে। অভিজিৎ ও শর্মিষ্ঠার প্রতি আমার সমবেদনা রইল।‘

সোমবার বিকেলে দিল্লির আরআর সেনা হাসপাতালে মৃত্যু হয় প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ভারতরত্ন প্রণব মুখোপাধ্যায়ের। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল ৮৪ বছর। প্রণববাবুর মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ গোটা রাজনৈতিক মহল।

প্রয়াত হলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪

Categories
দেশ

প্রণব মুখার্জির দিক নির্দেশনায় আমি ধন্য হয়েছি: শোকপ্রকাশ করে মন্তব্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর

প্রণব মুখার্জির দিক নির্দেশনায় আমি ধন্য হয়েছি: শোকপ্রকাশ করে মন্তব্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: ভারতরত্ন প্রণব মুখোপাধ্যায় প্রয়াত হলেন দীর্ঘ লড়াইয়ের পর। থেমে গেল একটা চলমান ইতিহাস। একটা যুগের অবসান হল। ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ভারতরত্ন প্রণব মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে গভীর শোকপ্রকাশ করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একের পর এক টুইট করে নরেন্দ্র মোদী স্মৃতিচারণা করলেন প্রণব মুখোপাধ্যায়ের।

প্রধানমন্ত্রী টুইটারে লেখেন, ভারতরত্ন প্রণব মুখোপাধ্যায় আমাদের জাতির উন্নয়নের গতিপ্রকৃতিতে একটি অলঙ্ঘনীয় চিহ্ন রেখে গেছেন। একজন পণ্ডিত সমান ছিলেন তিনি। প্রবল উৎসাহী এক গৌরবময় রাষ্ট্রনায়ক প্রণব মুখোপাধ্যায়। তিনি রাজনীতি এবং সমাজের সমস্ত অংশ দ্বারা প্রশংসিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও লেখেন- কয়েক দশক ব্যাপী তাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ারে প্রণব মুখোপাধ্যায় অর্থ, বিদেশ, বাণিজ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রনালয়ে দীর্ঘস্থায়ী অবদান রেখেছিলেন। তিনি ছিলেন একজন অসামান্য সংসদ সদস্য। সর্বদা প্রস্তুত, অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষী প্রণব মুখোপাধ্যায় ছিলেন মজাদার এক ব্যক্তিও।

ভারতের রাষ্ট্রপতি হিসাবে প্রণব মুখোপাধ্যায় সাধারণ নাগরিকদের জন্য রাষ্ট্রপতি ভবনকে আরও বেশি অ্যাক্সেসযোগ্য করে তুলেছিলেন। তিনি রাষ্ট্রপতির বাড়িটিকে শিক্ষার, উদ্ভাবনার, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান এবং সাহিত্যের কেন্দ্র করে তুলেছিলেন। মূল নীতিগত বিষয়গুলির উপর তাঁর জ্ঞান ছিল অপরিসীম। তাঁর পরামর্শটি আমি কখনই ভুলে যাব না।

আমি ২০১৪ সালে দিল্লিতে নতুন ছিলাম। প্রথম দিন থেকে, আমি শ্রী প্রণব মুখোপাধ্যায়ের দিকনির্দেশনা, সমর্থন এবং আশীর্বাদ পেয়ে ধন্য হয়েছি। আমি তাঁর সাথে আমার কথাবার্তাটি সর্বদা লালন করব। তাঁর পরিবার, বন্ধুবান্ধব, প্রশংসক এবং ভারত জুড়ে সমর্থকদের প্রতি সমবেদনা জানাব। ওম শান্তি।

 

প্রয়াত হলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪

 

Categories
দেশ

প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের

প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: প্রণব মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ গোটা দেশ। ভাররত্ন এই বাঙালি রাজনীতিবিদকে হারিয়ে শোকসন্তপ্ত দিল্লির রাজনীতির আঙিনাও। এদিন নিজের শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ জানিয়েছেন, দেশের সুপুত্রের প্রয়াণে গোটা রাষ্ট্র শোকস্তব্ধ।

https://twitter.com/rashtrapatibhvn/status/1300409308933316608?s=19

‘অসাধারণ বিবেকের অধিকারী, ভারতরত্ন প্রণব মুখোপাধ্যায় ব্যক্তিগতভাবে আধুনিকতা ও পরম্পরার অসামান্য সংযোগ ছিলেন। ‘ এভাবেই মনের কথা টুইটে ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রপতি।

প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির প্রতি বর্তমান রাষ্ট্রপতির শোকপ্রকাশের বার্তায় লেখা রয়েছে,’ ৫ দশক নিজের দারুন সার্বজনিক জীবনে উনি উচ্চপদে আসীন থেকেএ মাটির সঙ্গে জুড়ে ছিলেন। নিজের সৌম্য ও মিশুকে স্বভাবের জন্য তিনি রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সর্বপ্রিয় ছিলেন। ‘

এর আগে আরও এক টুইটে তিনি লেখেন, ‘ সার্বজননিক জীবনে বিরাট কিছু অর্জনকারী প্রণবদা ভারত মাতার সেবায় যেন একজন সন্ন্যাসী ছিলেন।’ এরপর প্রবী রাজনীতিবিদের স্মৃতিচারণায় রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ লেখেন, রাষ্ট্রপতি ভবনের সঙ্গে সাধারণ মানুষের যোগসূত্র বেঁধেছেন প্রণব মুখোপাধ্যায়। এই প্রয়াণ বার্তায় তিনি গভীরভাবে শোকাহত বলে জানান কোবিন্দ।

প্রয়াত হলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪

https://bangareport.com/former-president-pranab-mukherjee-died-in-84-years/

Categories
ইতিহাস ও ঐতিহ্য দেশ

প্রফেসর থেকে সাংবাদিক- মন্ত্রী থেকে রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়: ভারতীয় রাজনীতির একযুগের অবসান

প্রফেসর থেকে সাংবাদিক- মন্ত্রী থেকে রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়: ভারতীয় রাজনীতির একযুগের অবসান

বঙ্গ রিপোর্ট ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতীয় রাজনীতিতে প্রণব মুখার্জির পরিচয় চাণক্য হিসাবে। স্বাধীনতা পরবর্তী ভারতের রাজনীতিতে তিনি ছিলেন এক উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব। রাজনৈতিক বিচক্ষণতা ও সরকার পরিচালনার দক্ষতা তাকে ভারতীয় রাজনীতিতে দিয়েছে বিশিষ্ট স্থান। ইন্দিরা গান্ধীর হাত ধরে তাঁর উত্থান হয় ভারতীয় রাজনীতিতে। ইন্দিরা গান্ধীর সময়ে কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থমন্ত্রী পদে কখনও মনমোহন সিংয়ের সময় বিদেশ মন্ত্রকের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। পৌঁছেছেন ভারতীয় গণতন্ত্রের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রপতি পদে।


১৯৬৯ সালে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী তাকে কংগ্ৰেসের টিকিটে রাজ্য সভায় নিয়ে আসেন। খুব দ্রুত তিনি ইন্দিরা গান্ধীর বিশ্বস্ত ‘কিচেন ক্যাবিনেটের’ সদস্য হয়ে উঠে মন্ত্রীত্ব পান ১৯৭৩ সালে। ইন্দিরা গান্ধীর ডাকা জরুরী অবস্থার সময় (১৯৭৫-৭৭) ইন্দিরা গান্ধীর চূড়ান্ত সমর্থক হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৮৩-৮৪ সাল পর্যন্ত তিনি অর্থমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। সেই সঙ্গে ১৯৮০ থেকে ১৯৮৫ পর্যন্ত রাজ্যসভার নেতা হিসাবে দায়িত্বভার পালন করেন।

১৯৮৪ সালে ইন্দিরা গান্ধীর হ’ত্যা হলে কংগ্ৰেস দলে ক্ষমতায় আসেন রাজীব গান্ধী। রাজীব গান্ধীর সঙ্গে মতোবিরোধ তাকে কংগ্ৰেসের দলীয় ক্ষমতার মূল কেন্দ্র থেকে সরিয়ে দেয়। তিনি রাষ্ট্রীয় সমাজবাদী কংগ্ৰেস নামে একটি দল গঠন করেন। যদিও তা সাফল্য লাভ করেনি। ১৯৮৯ সালে প্রণব মুখার্জি তাঁর দলকে আবার কংগ্ৰেসের সঙ্গে মিশিয়ে দেন রাজীব গান্ধীর সঙ্গে বোঝাপড়ায় আসার পর।

১৯৯১ সালে রাজীব গান্ধীর হ’ত্যা হলে কংগ্ৰেসের রাজনীতিতে পুনরায় শক্তিশালী নেতা হিসাবে তাঁর আত্মপ্রকাশ ঘটে। প্রধানমন্ত্রী পি. ভি. নরসিমা রাও ১৯৯১ সালে প্ল্যানিং কমিশনের প্রধান হিসাবে তাকে নির্বাচন করেন। এবং বিদেশ মন্ত্রকের দায়িত্ব পান ১৯৯৫ সালে। এই সময়কালে সনিয়া গান্ধী কংগ্ৰেসের হাল ধরলে কংগ্ৰেস পরিচালনায় তিনি হয়ে প্রধান ব্যক্তি।

২০০৪ সালে প্রণব মুখার্জির রাজনৈতিক জীবনে শীর্ষ বিন্দুতে পৌঁছায়। কারণ এতদিন ধরে তিনি কোন নির্বাচনে জয়লাভ করে সংসদে আসতে পারেন নি। যে জন্য জনসমর্থনহীন বড় নেতা বলে বিরোধীদের তির্যকের পাত্র ছিলেন। এই প্রথম জঙ্গিপুর লোকসভা থেকে ভোটে জয়ী হয়ে লোকসভাতে প্রবেশ করেন। তখন ২০১২ সালে পদত্যাগ পর্যন্ত মনমোহন সিং সরকারের সর্বোচ্চ দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসাবে দায়িত্বভার পালন করেন।

২০০৪ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দায়িত্ব সামলান। ২০০৬ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত পররাষ্ট্র দপ্তর ও ২০০৯ থেকে ২০১২ সাল অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব গুরুত্বের সঙ্গে পালন করেন। ছিলেন লোকসভায় প্রধান নেতার ভূমিকাতেও। ২০১২ সালে পি. এ. সাংমাকে পরাজিত করে ভারতের ১৩ তম রাষ্ট্রপতি হন। ২০১৯ সালে তিনি ভারতরত্ন সম্মানে সম্মানিত হন।

পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার মিরাটি গ্ৰামে ১৯৩৫ সালে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্ৰহণ করেন। বাবা কামদাকিঙ্ক্ষর মুখার্জি ছিলেন কংগ্ৰেসের বড় নেতা ও সুভাষ চন্দ্র বসুর সহযোগী। ছিলেন কংগ্ৰেসের এআইসিসির সদস্য। মা রাজলক্ষ্মী মুখার্জি। স্ত্রী শুভ্রা মুখার্জি মারা গেছেন কয়েক বছর আগে। বর্তমানে আছেন দুই পুত্র ও এক কন্যা। বিদ্যালয়ের পড়াশোনা কীর্ণাহার শিবচন্দ্র হাইস্কুলে। গ্ৰাজুয়েট হন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। মাস্টার ডিগ্ৰি করেন পলিটিকাল সায়েন্স ও ইতিহাসে। সেই সঙ্গে এলএলবিও করেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১৯৬৩ সালে তিনি বিদ্যাসাগর কলেজে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর হিসাবে কাজে যোগ দেন। রাজনীতিতে প্রবেশ করার আগে তিনি ‘দেশের ডাক’ পত্রিকায় সাংবাদিক হিসাবেও কাজ করেন।

ভারতে যে ক’জন ব্যক্তির হাত ধরে নতুন অর্থনৈতিক যুগের সূচনা হয়েছিল তিনি তাদের মধ্যে অগ্ৰগণ্য। অনুপ্রাণিত হয়েছেন ডেং জিয়াং পিয়াংয়ের দ্বারা। ভারতের দীর্ঘ ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতির তিনি যেমন সমর্থক তেমনি ভারতীয় সংস্কৃতির মূল ধারাকেও তিনি অস্বীকার করেন নি। নাগপুরে আরএসএসের কার্যালয়ে তাঁর উপস্থিতি ভারতীয় রাজনীতির এক নতুন পদক্ষেপের স্বীকৃতি দেয়।