Categories
দেশ

CAA বিরোধী বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী শারজিল উসমানিকে জামিনে মুক্তি দিল আলিগড় আদালত

CAA বিরোধী বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী শারজিল উসমানিকে জামিনে মুক্তি দিল আলিগড় আদালত

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ)   বিরোধী বিক্ষোভ সমাবেশে অংশগ্রহণে করায় চারটি মামলার অভিযোগে ৯ জুলাই উত্তরপ্রদেশ পুলিশ গ্রেপ্তার করে রিসার্চ স্কলার শারজিল উসমানিকে। এদিন তার জামিন মঞ্জুর করে আলিগড় দায়রা আদালত।

সোমবার কারাগার থেকে বেরিয়ে আসা উসমানী ফোনে সাংবাদিকদের বলেন, “যারা সবচেয়ে কঠিন সময়ে আমার পাশে এসেছেন তাদের প্রতি আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আরো বলেন “মুক্ত হওয়ার পর ভাল আছি, গত দুই মাস বেশ অভিজ্ঞতা ছিল।

উসমানির ভাই আরিব উসমানী টুইট করেছেন। “আলহামদুলিল্লাহ (আল্লাহকে ধন্যবাদ), শারজিল ভাই আলীগড় জেল থেকে মুক্তি পেয়ে নিরাপদে তার বাড়িতে পৌঁছেছেন,”

Link:

Sharjeel Usmani booked for anti-CAA protests, released on bail

 

Categories
দেশ

হাইকোর্টের রায়ের পরেও মথুরা জেল থেকে মুক্তি পেল না ডাঃ কাফিল খান: টুইটারে জানাল সাবিস্তা খান

হাইকোর্টের রায়ের পরেও মথুরা জেল থেকে মুক্তি পেল না ডাঃ কাফিল খান: টুইটারে জানাল সাবিস্তা খান

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায়ের পরেও তারা ( রাজ্য সরকার) ডাঃ কাফিল খানকে মথুরা জেল থেকে ছাড়তে নারাজ টুইটারে জানাল ডাঃ কাফিল খানের স্ত্রী সাবিস্তা খান।

জননিরাপত্তা আইনে উত্তরপ্রদেশের চিকিৎসক ডাঃ কাফিল খানের গ্রেপ্তারি অনৈতিক। তাঁকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হোক। আজ দুপুরেই নির্দেশ এলাহাবাদ হাই কোর্টের। যার ফলে নৈতিক দিক থেকে বড়সড় ধাক্কা খেল উত্তরপ্রদেশ সরকার। হাইকোর্টের এই নির্দেশের পরও মুক্তি পেল না ডাঃ কাফিল খান।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুর বিআরডি হাসপাতালে একদিনে অক্সিজেনের অভাবে প্রাণ গিয়েছিল ৬০ শিশুর। ক্ষমতায় আসার চার মাসের মাথায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটায় চরম অস্বস্তিতে পড়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

সঙ্গে সঙ্গে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল ওই হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. কাফিল খানকে। কিছুদিন বাদে তাঁকে গ্রেপ্তার করে ন’মাসের জন্য জেল হেফাজতেও পাঠায় প্রশাসন। যদিও পরে কাফিলের বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। কাফিলের পালটা দাবি ছিল, প্রশাসনিক স্তরে দুর্নীতিকে আড়াল করতেই তাঁকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তারপর থেকেই লাগাতার উত্তরপ্রদেশ তথা কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে প্রচার চালিয়ে আসছেন কাফিল। কেন্দ্র সরকার সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন পাশ করালে, এর প্রতিবাদে ঝাঁপিয়ে পড়েন ওই চিকিৎসক।

একাধিক কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে CAA’র বিরুদ্ধে ভাষণ দিতে শোনা যায় তাঁকে। আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ধরনের বক্তৃতা দেওয়ার জেরেই তাঁর উপর জাতীয় নিরাপত্তা আইন প্রয়োগ করা হয়। গত ২৯ জানুয়ারি মুম্বই থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তখন থেকেই জেলে বন্দি তিনি।

Categories
বিশ্ব

পুনরায় মহানবীর ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ করেছে ফ্রান্সের বিতর্কিত পত্রিকা শার্লি হেবদো

পুনরায় মহানবীর ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ করেছে ফ্রান্সের বিতর্কিত পত্রিকা শার্লি হেবদো

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: ধর্মভিত্তিক দ্বন্দ্বে আগুনে ঘৃতাহুতির মত ফ্রান্সের রম্য ম্যাগাজিন শার্লি হেবদো আবারো মহানবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ব্যঙ্গচিত্র পুনঃপ্রকাশ করেছে। ২০১৫ সালে ওই ম্যাগাজিনটির কার্যালয়ে বন্দুক হামলার বিচার চলতি সপ্তাহে শুরু হচ্ছে। একে সামনে রেখে এগুলো প্রকাশ করা হয়েছে বলে বিবিসির খবরে জানানো হয়েছে।

এমন ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ করায় ২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারি ম্যাগাজিনটির কার্যালয়ে হামলা চালায়। এতে ম্যাগাজিনটির সম্পাদক ও নামকরা তিনজন কার্টুনিস্টসহ ১২ জন নিহত হয়। আর দুই হামলাকারী নিহত হন। এর কয়েকদিন পর প্যারিসে আরেকটি হামলায় ৫ জন নিহত হয়। সেই হামলার সঙ্গে আগের হামলার যোগসূত্র রয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

শার্লি হেবদো অফিসে হামলার ঘটনায় ১৪ জনকে বিচারের মুখোমুখি করা হচ্ছে। এর মধ্যে তিনজনের অনুপস্থিতে বিচার হবে। এ মামলাটির বিচার মার্চে শুরু হলেও করোনা মহামারীর কারণে আটকে যায়।

ম্যাগাজিনটির সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, ২০১৫ সালের হত্যাকাণ্ডের পর থেকে প্রায়শই নবীর অন্যান্য ব্যঙ্গচিত্রগুলো প্রকাশ করার অনুরোধ করা হয়েছিল।

তারা বলছে, আমরা সবসময়ই তা প্রত্যাখ্যান করেছি। এটা নিষিদ্ধ বলে নয়- আইন আমাদের এটি করার অনুমতি দিয়েছে। তবে এটি প্রকাশ করার ভালো কারণের প্রয়োজন ছিল, যে কারণটি তাৎপর্যপূর্ণ এবং যেটি একধরনের বিতর্ক তৈরি করবে।

২০১৫ সালের জানুয়ারির সন্ত্রাসী হামলার বিচারের আগে এ ব্যঙ্গচিত্র চলতি সপ্তাহে পুনঃপ্রকাশ আমাদের কাছে অপরিহার্য বলে মনে হয়েছিল।

Categories
দেশ

সিএএ বিরোধী আন্দোলনের নেত্রী জেএনইউ ছাত্রী দেবাঙ্গনা কলিতাকে মুক্তি দিল দিল্লি হাইকোর্ট

একই দিনে দুটি খুশির খবর: সিএএ বিরোধী আন্দোলনের নেত্রী জেএনইউ ছাত্রী দেবাঙ্গনা কলিতাকে মুক্তি দিল দিল্লি হাইকোর্ট

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: সিএএ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম মুখ দেবাঙ্গনা কলিতাকে মুক্তি দিল দিল্লি হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার দিল্লি হাইকোর্ট ২৫ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে দেবাঙ্গনাকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করে। এদিন বিচারপতি সুরেম কুমার কাইট দিল্লির জওহরলাল নেহরুর ছাত্রী দেবাঙ্গনা কলিতাকে ২৫ হাজার টাকার ব্যক্তিগত জামিনে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেন।

সিএএ আন্দোলনকারীদের কাছে আজকের দিনটি বড় খুশির দিন। কেননা আজই এলাহাবাদ হাইকোর্ট সি এ এ বিরোধী আন্দোলনে বক্তব্য রাখার দায়ে বন্দি করে রাখা ডাক্তার কাফিল খানের মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন।

তবে কোর্টের নির্দেশ দেবাঙ্গনা কোনওভাবেই সাক্ষীদের প্রভাবিত করতে পারবেন না। কিংবা প্রমাণ লোপাটও করতে পারবেন না। উল্লেখ করা যেতে পারে, চলতি বছরের মে মাসে ‘পিঞ্জর তোড়’ নামক গোষ্ঠীর সদস্য দেবাঙ্গনা কলিতা ও নাতাশা নারওয়ালকে গ্রেফতার করা হয়।

Categories
দেশ

মহিলাকে যৌনতার প্রস্তাব রানাঘাটের সাংসদের, ওনাকে সতর্ক করা হয়েছে এবং ডেকে পাঠানো হয়েছে: দিলীপ ঘোষ

মহিলাকে যৌনতার প্রস্তাব রানাঘাটের সাংসদের, ওনাকে সতর্ক করা হয়েছে এবং ডেকে পাঠানো হয়েছে: দিলীপ ঘোষ

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল চল্লিশোর্ধ্ব এক মহিলা ও রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারের চ্যাট। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে কানাঘুষো। ঘটনা প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “ওই সাংসদকে সতর্ক করা হয়েছে। ওনাকে ডেকে পাঠানো হয়েছে।”

ওই চ্যাট ভাইরাল হওয়ার পর বিভিন্ন মহলে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে নানারকম মন্তব্য। একাংশের কথায়, সাংসদ জগন্নাথবাবু নাকি বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন ওই  মহিলার সঙ্গে।

এমনকী ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনাটি জানিয়ে সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বলেই জানান তিনি। বলেন, “আমার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করুক পুলিশ, আমি চাইছি।  আমি সাইবার ক্রাইম থানায়ও অভিযোগ দায়ের করেছি।”

তবে এবিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি সাইবার ক্রাইম থানার আইসি রাজেশ কুমার গুপ্তা। জেলার এক পদস্থ পুলিশ আধিকারিক মঙ্গলবার সন্ধের পর স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, “জগন্নাথ সরকার সাইবার ক্রাইম থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের করেননি।”

এ প্রসঙ্গে জগন্নাথ সরকার বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের পরিচালিত পুলিশ অভিযোগের কথা স্বীকার করতে চাইছে না। এটা একটা গভীর চক্রান্ত। ষড়যন্ত্র করে আমার বিরুদ্ধে এই বদনাম ছড়ানো হচ্ছে।

ভাইরাল মেসেজ প্রসঙ্গে সাংসদ আরও বলেন, “অনেক রকমভাবে আমাকে অপমান অপদস্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। একাধিক মানুষ আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে চান, করেনও। যা তৃণমূলের কাছে গাত্রদাহের কারণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ একটি সংস্থাকে কাজে লাগিয়ে তৃণমূলের লোকজন ফেক চ্যাট ব্যবহার করে আমাকে অপদস্ত করার চেষ্টা করছে।”

মহিলাকে যৌনতার প্রস্তাব দিয়ে হোটেলে নিয়ে যেতে চাইলেন রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ

 

Categories
দেশ

লাদাখে প্রায় ১ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকা দখল করে রেখেছে চিন: গোয়েন্দা রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য

লাদাখে প্রায় ১ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকা দখল করে রেখেছে চিন: গোয়েন্দা রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: ছয়ের দশক থেকেই সীমান্তে জমি মাফিয়ার মতো আচরণ করছে চিন। নেহেরুর ‘হিন্দি-চিনি ভাই ভাই’ থেকে মমল্লপুরমের সমুদ্র সৈকতে মোদি-জিনপিং আলাপচারিতা, কিছুতেই কাটেনি জট। ‘দুই পা এগিয়ে এক পা পিছনোর’ নীতিতে অটল থেকেছে বেজিং। দেশটির উদ্দেশ্য স্পষ্ট করে সম্প্রতি এক রিপোর্টে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি জানিয়েছে, লাদাখে প্রায় ১ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকা দখল করে রেখেছে চিন।

সর্বভারতীয় সংবাদপত্র ‘The Hindu’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি কেন্দ্রের কাছে একটি রিপোর্ট জমা দিয়েছেন গোয়েন্দারা। সেখানে বলা হয়েছে, লাদাখ সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (LAC) বরাবর লাগাতার আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে চিন। এপর্যন্ত প্রায় ১ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকা দখল করে ফেলেছে দেশটি। গত এপ্রিল মাস থেকেই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর সৈন্য ও হাতিয়ার মজুত করা শুরু করেছে লালফৌজ।

বিশেষ করে, দেপসাং প্লেন অঞ্চলে পেট্রোলিং পয়েন্ট ১০ থেকে ১৩ পর্যন্ত প্রায় ৯০০ বর্গ কিলোমিটার দখল করেছে চিন। গালওয়ান উপত্যকায় ১২ ও হট স্প্রিং এলাকায় ১২ বর্গ কিলোমিটার এলাকা দখল করেছে চিনা বাহিনী। শুধু তাই নয়, প্যাংগং লেক বরাবর ফিঙ্গার ১ থেকে ফিঙ্গার ৮ পর্যন্ত বরাবর টহল দিয়ে এসেছে ভারতীয় ফৌজ। তবে চিনের দাবি, ফিঙ্গার ৮ থেকে ফিঙ্গার ৪ পর্যন্ত তাদের এলাকা। ফলে সংঘাত বাড়ছে দুই বাহিনীর মধ্যে।

গত মে মাসে ওই এলাকায় আচমকাই ভারতীয় জওয়ানদের উপর লাঠি ও পাথর নিয়ে হামলা চালিয়েছিল চিনা বাহিনী। সেনা সূত্রে খবর, ওই ঘটনার পর থেকেই প্রচুর সেনা মোতায়েন করেছে লালফৌজ। শুধু তাই নয়, ফিঙ্গার ৪ থেকে আর ভারতীয় জওয়ানদের টহল দিতে দিচ্ছে না চিনারা। বর্তমানে ওই ফিঙ্গার ৪-ই কার্যত সীমান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এহেন পরিস্থিতিতে গত ২৯ আগস্ট ও ৩০ আগস্ট রাতে প্যাংগং লেকের (Pangong Tso lake) দক্ষিণ প্রান্ত দিয়ে ভারতের জমিতে ঢোকার চেষ্টা করে লালফৌজ। ফলে ওই এলাকার পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এদিকে, সংঘাত থামাতে ওই ঘটনার পর চুশুল বর্ডার মিটিং পয়েন্টে ব্রিগেড কম্যান্ডার স্তরে বৈঠক হয় দু’দেশের মধ্যে।

Categories
দেশ

কোথায় ২০ লক্ষ কোটির আর্থিক প্যাকেজ, ভগবানকে দোষ দিয়ে লাভ নেই: দেশের চরম আর্থিক মন্দা নিয়ে আক্রমণ চিদম্বরমের

কোথায় ২০ লক্ষ কোটির আর্থিক প্যাকেজ, ভগবানকে দোষ দিয়ে লাভ নেই: দেশের চরম আর্থিক মন্দা নিয়ে আক্রমণ চিদম্বরমের

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: ভগবানকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। মহামারী প্রাকৃতিক বিপর্যয় হলেও এই পরিস্থিতি মানুষই তৈরি করেছে। বর্তমান অর্থমন্ত্রীকে এভাবেই একহাত নিলেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী। একটি সর্বভারতীয় চ্যানেলে সাক্ষাতকারে প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম বলেন, এই করোনা পরিস্থিতি একটি প্রাকৃতিক বিপর্যয়। ভগবানের উপর দোষ চাপিয়ে লাভ নেই। উল্টে ভগবানকে ধন্যবাদ জানানো উচিত দেশের কৃষকদের উপর আশীর্বাদ করার জন্য।

উল্লেখ্য, রাজ্যগুলিকে জিএসটি ক্ষতিপূরণ দিতে অক্ষম জানিয়ে নির্মলা সীতারামনের সাফাই ছিল, ভগবানের মার। সে কারণে এই মুহূর্তে রাজ্যগুলিকে জিএসটি ক্ষতিপূরণ দেওয়া সম্ভব নয়। প্রয়োজনে হকের টাকা পেতে রাজ্যগুলিকে ধার করার পরামর্শ দেন তিনি। যা নিয়ে কেন্দ্র-রাজ্যের সংঘাত চরমে উঠেছে। অসন্তোষ প্রকাশ করেছে বেশ কয়েকটি বিজেপি শাসিত রাজ্যও। নির্মলার এই দাওয়াই প্রসঙ্গে এ রাজ্যের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র বলেছেন, নির্মলা যে ‘অ্যাক্ট অব গডের’ কথা বলছেন, আসলে তা ‘অ্যাক্ট অব ফ্রড’। যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামো ভেঙে ফেলার চেষ্টা চলছে বলে তোপ দাগেন তিনি।

একই সুরে এ দিন সুর চড়ালেন কংগ্রেস সাংসদ পি চিদম্বরমও। তাঁর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী যে ২০ লক্ষ কোটি টাকার আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করে আত্মনির্ভর ভারতে বার্তা দিয়েছেন, আসলে তিনি সোমবার চলতি বছরের ত্রৈমাসিক জিডিপির রিপোর্ট আসে। গত ৪০ বছরে এই প্রথম জিডিপি সঙ্কুচিত হলো। তা-ও আবার এক ধাক্কায় প্রায় ২৪ শতাংশ।

উতপাদন, পরিকাঠামো, আবাসন, হোটেল-সহ একাধিক ক্ষেত্র সঙ্কুচিত হয়েছে। শুধুমাত্র কৃষিক্ষেত্র বৃদ্ধি পেয়েছে ৩.৪ শতাংশ। কেন্দ্রের মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা কে ভি সুব্রহ্মণ্যনের যুক্তি লকডাউনের জেরে জিডিপি মুখ থুবড়ে পড়েছে। আগামী দিনে ‘ভি আকৃতি পুনরুদ্ধারের’ দিকে এগোবে দেশের জিডিপি। সুব্রহ্মণ্যনের যুক্তি উড়িয়ে চিদম্বরম বলেন, তাঁর কথাকে কেউ গম্ভীরভাবে নিচ্ছেন কিনা সন্দেহ আছে! দেশবাসীর সঙ্গে তামাসা করছেন। তিনি মনে করেন, সত্যি সত্যিই এই মুহূর্তে গরিবের হাতে টাকা দেওয়া প্রয়োজন। দরকার হলে ধার করে বাজারে নগদের জোগান দিক সরকার। খাদের কিনারা থেকে ফিরে আসার এটাই একমাত্র পথ বলে মনে করেন তিনি।

Categories
দেশ

চাকরি দিন, ফাঁকা স্লোগান নয়- সরকার দেশের ভবিষ্যতকে নষ্ট করছে: মোদি সরকারকে আক্রমণ রাহুল গান্ধীর

চাকরি দিন, ফাঁকা স্লোগান নয়- সরকার দেশের ভবিষ্যতকে নষ্ট করছে: মোদি সরকারকে আক্রমণ রাহুল গান্ধীর

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: আজ থেকে শুরু হয়েছে আইআইটিতে ভর্তি হওয়ার প্রবেশিকা পরীক্ষা জয়েন্ট এন্ট্রাস৷ যা নিয়ে মোদী সরকারের ফের সমালোচনা করলেন প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী৷ টুইট করে মোদী সরকারকে আক্রমণ করলেন রাহুল গান্ধী৷ টুইটে তিনি লেখেন, ‘মোদী সরকার ভারতের ভবিষ্যতকে বিপন্ন করছে৷’ কেন্দ্রীয় সরকারের জয়েন্ট ও নিট পরীক্ষার বাতিল না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে একাধিকবার সরব হয়েছে কংগ্রেস৷ একের পর এক টুইট করে কেন্দ্রকে তোপও দেগেছেন রাহুল৷ মঙ্গলবার ফের টুইট করে বোমা ফাটালেন কংগ্রেস সাংসদ৷

টুইট করে রাহুল গান্ধী লেখেন, ‘দেশের ভবিষ্যতকে বিপন্ন করছে মোদী সরকার৷ তাদের অহংকারের ফলে JEE-NEET পরীক্ষার্থী ও এএসসি পরীক্ষার্থীদের উদ্বেগকে তারা এড়িয়ে যাচ্ছে৷’ এরপরই মোদী সরকারকে বিঁধে তিনি লেখেন, ‘চাকরি দিন, ফাঁকা স্লোগান নয়’৷

উল্লেখ্য, চলতি বছরের অক্টোবর- নভেন্বরে স্টাফ সিলেকশন কমিশনের আটটি কর্মী নিয়োগের পরীক্ষা রয়েছে৷ এর মধ্যে রয়েছে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের পরীক্ষা, জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার বাছাই পরীক্ষা, সম্মিলিত স্নাতক স্তরের পরীক্ষা৷ এদিনের টুইটে মোদী সরকারকে কর্মসংস্থানের কঙ্কালসার চিত্রের কথা তুলে আক্রমণ করেন রাহুল গান্ধী৷

Categories
রাজ্য

বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পালের মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বহুমুখী কর্মসূচি ‘ঐক্য বাংলা’র 

বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পালের মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বহুমুখী কর্মসূচি ‘ঐক্য বাংলা’র 

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট : এর আগেই বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বেলাগাম মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল। তখন বিশ্বভারতীর উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে একটি গণ ইমেইল কর্মসূচির আয়োজন করে ‘ঐক্য বাংলা’ ।

এবারও বিজেপি নেত্রী তথা বিজেপি মহিলা মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পালের , ” পৌষ মেলার মাঠে ‘sex racket’ ও বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপ চলে” মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। আপামর বাঙালি সমাজ তাঁর মন্তব্যের নিন্দা করেছেন।
এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে অগ্নিমিত্রা পালের মন্তব্যের বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যমে বহুমুখী অনলাইন কর্মসূচির আয়োজন করল বাংলার প্রথম মুক্তপন্থী বাঙালি জাতীয়তাবাদী সংগঠন ‘ঐক্য বাংলা’।

ঠিক কি কি কর্মসূচির আয়োজন করল ‘ঐক্য বাংলা’ ?

ঐক্য বাংলা সংগঠনের প্রধান মুখ ও সাধারণ সম্পাদিকা শ্রীমতী সুলগ্না দাশগুপ্ত জানান , ” বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল পৌষ মেলার মাঠে বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপের বিষয়ে আলোকপাত করেছেন , একজন বাঙালি হিসেবে নিশ্চয়ই তাঁর কাছে উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ রয়েছে। তাই বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের কাছে আমরা গণ ইমেইল কর্মসূচির মাধ্যমে জানতে চাই আদৌ এই ঘটনার কোনো সত্যতা রয়েছে কি না কিন্তু কোনো সংবাদমাধ্যমই তাঁর অভিযোগ সম্পর্কে কোনো আলোকপাত করতে পারেননি। সুতরাং ধরেই নিতে হচ্ছে তাঁর অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। ”

এখানেই না থেমে সুলগ্না দেবী আরো যোগ করেন , ” পৌষ মেলার মাঠ সম্পর্কে এই ধরনের অভিযোগ আনার পরেও যেহেতু উনি উনার সপক্ষে কোনো তথ্যপ্রমাণ পেশ করতে পারেননি, বাঙালির ঐতিহ্যবাহী বিশ্বভারতী সম্পর্কে এইধরনের মন্তব্য করার কারণে আমরা তাঁর মন্তব্যের বিষয়টি একটি গণ ইমেইল কর্মসূচির মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছি।”

তবে কি শুধুই গণ ইমেইল কর্মসূচিই আয়োজন করছে ঐক্য বাংলা ?

মাথা নেড়ে ঐক্য বাংলা সংগঠনের সহ সম্পাদক দেবায়ন সিংহ বলেন , “একেবারেই নয়। গণ ইমেইল কর্মসূচি একটি কার্যকর পদ্ধতি মাত্র। এছাড়াও অগ্নিমিত্রা পালের মন্তব্যের বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যমে #BoycottAgnimitraPaul অনলাইন ক্যাম্পেইন করছি। এই অনলাইন ক্যাম্পেইনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে তাঁর এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে বাংলার ভূমিসন্তানরা যাতে সমবেতভাবে , সুশৃঙ্খল ও সুষ্ঠুভাবে প্রতিবাদ করতে পারে।”

কিন্তু এত কিছুর পরেও যদি অগ্নিমিত্রা পাল তাঁর মন্তব্যের জন্য ক্ষমা না চান তখন ‘ ঐক্য বাংলা’ কি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে ?

মৃদু হেসে ঐক্য বাংলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য অভিজিৎ গুহ নিয়োগী বলেন , ” আগে এই ধরনের মন্তব্য করেও রেহাই পাওয়া যেত। এখন অন্ততঃ প্রতিবাদ তো হচ্ছে , সেটাই বা কম কি ?”
কার্যতঃ একই সুরে ঐক্য বাংলা সংগঠনের অন্য একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ঐক্যযোদ্ধা সৌম্য চৌধুরী জানান ,” প্রতিবাদ ও জনমত গঠন করা গুরুত্বপূর্ণ । বাংলার ভূমিসন্তানদের স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদকে সঠিক আকার দেওয়া আমাদের কর্তব্য।”

অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে অগ্নিমিত্রা পালের এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন অভিনব অনলাইন কর্মসূচির মাধ্যমে জনমত গঠন করছে ‘ঐক্য বাংলা’। এখন দেখার এটাই যে মাত্র ছ’মাস বয়সী বাংলার প্রথম মুক্তপন্থী বাংলা জাতীয়তাবাদী সংগঠনটি তাঁদের কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জনে সফল হয় কি না।

Categories
দেশ

জাতীয় শিক্ষা নীতি ও NEET-JEE পরীক্ষার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে হবে : জোরালো দাবি এসআইওর

জাতীয় শিক্ষা নীতি ও NEET-JEE পরীক্ষার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে হবে : জোরালো দাবি এসআইওর

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: করোনা আবহে এবং বহু রাজ্যে বন্যার পরিস্থিতির মধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে NEET এবং JEE পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে পরীক্ষা গ্রহনের সিদ্ধান্ত কতটা যুক্তিযুক্ত সেই প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে। স্টুডেন্টস ইসলামিক অর্গানাইজেশন অফ ইন্ডিয়া, পশ্চিমবঙ্গ শাখার পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করা হয়। সংগঠন মনে করে, বর্তমান করোনা ও বন্যার প্রকোপের মুখে পড়ুয়াদের পরীক্ষা দিতে বাধ্য করা সম্পূর্ণ অমানবিক সিদ্ধান্ত।পরীক্ষা গ্রহনের এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানায় সংগঠন।

NEET এবং JEE পরিক্ষা গ্রহনের সরকারি সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবিতে ধর্মতলায় আয়োজিত প্রতিবাদ কর্মসূচীতে সংগঠনের রাজ্য সভাপতি ওসমান বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, “বর্তমানে আমাদের দেশে কোরোনা মহামারি এবং বন্যার ভয়াবহতা অতিক্রম করছে। এই সময়ে NEET এবং JEE পরীক্ষা নেওয়ার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকার লক্ষ লক্ষ পড়ুয়াদের জীবনকে বিপদগ্রস্ত করছে।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের রাজ্যসহ সারা দেশে এখনও যাতায়াত ব্যবস্থা স্বাভাবিক নয়। রাস্তায় পর্যাপ্ত পরিমানে যানবাহন নেই। সুতরাং পড়ুয়া এবং অভিভাবকদের চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হবে।” সংগঠনের পক্ষ থেকে সারা রাজ্য জুড়ে চলমান শিক্ষা অভিযান উপলক্ষ্যে বারো দফা দাবি নিয়ে এই প্রতিবাদ কর্মসূচী নেওয়া হয়। ওসমান গনি বলেন, “আমরা জাতীয় শিক্ষা নীতি সহ আরও এগারোটি দাবি সরকারের সামনে পেশ করতে চাই। জাতীয় শিক্ষা নীতির পুনর্মূল্যায়নের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, “জাতীয় শিক্ষা নীতির মাধ্যমে সরকার শিক্ষা ব্যবস্থার গৈরিকীকরণ, কেন্দ্রীকরণ এবং বানিজ্যিকীকরণ করতে চাইছে।” রাজ্য সভাপতি ওসমান গনি রাজ্যের আপামর ছাত্র-যুবকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষা অভিযান সফল করার আহ্বান জানান।

শিক্ষা আন্দোলনের দাবী সমূহঃ-

১) কেন্দ্রীয় সরকারকে JEE এবং NEET পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে হবে।

২) জাতীয় শিক্ষা নীতি-২০২০ পুনর্মূল্যায়ন করতে হবে।

৩) বর্তমান পরিস্থিতিকে সামনে রেখে বিকল্প শিক্ষণ পদ্ধতির প্রচলন করতে হবে।

৪) স্কুলছুট নিয়ন্ত্রনে গঠনমূলক পরিকল্পনা ও প্রকল্প তৈরি করতে হবে।

৫) মুর্শিদাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় সহ অন্যান্য ঘোষিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলি অবিলম্বে বাস্তবায়ন করতে হবে।

৬) স্কুল ও কলেজের লাগামহীন ফী নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

৭) SSC ও প্রাইমারিসহ অন্যান্য চাকরির পরীক্ষাগুলিতে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

৮) মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের (MSC) নিয়োগ প্রক্রিয়া দুর্নীতিমুক্ত ও দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে।

৯) ঐতিহাসিক হুগলি মাদ্রাসাকে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় কলেজ হিসাবে ঘোষণা করতে হবে।

১০) মিল্লি আল-আমীন কলেজের মাইনোরিটি স্ট্যাটাস অবিলম্বে ফিরিয়ে দিতে হবে।

১১) কলকাতা ইউনানি মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটালকে আইন মেনে সরকারি আওতাভুক্ত করতে হবে।

১২) পূর্ব ভারতে ইসলামী শিক্ষার স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামী শিক্ষার প্রস্তাবিত পাঠক্রমগুলির সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন করতে হবে।

১৩) চাকরির ক্ষেত্রে শূন্যপদ পূরণের জন্য নিয়মিত পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে এবং বেকারত্ব দূরীকরণে যোগ্যতানুযায়ী উপযুক্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে।