Categories
ইতিহাস ও ঐতিহ্য

গেরুয়া চক্রান্তে সেলুলার জেলের ফলক থেকে ‘উধাও’ তিন শতাধিক বাঙালি বিপ্লবীর নাম! শীর্ষে এল সাভারকর

গেরুয়া চক্রান্তে সেলুলার জেলের ফলক থেকে ‘উধাও’ তিন শতাধিক বাঙালি বিপ্লবী? শীর্ষে এল সাভারকর

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: আন্দামানের সেলুলার জেল একসময় ঠিকানা হয়ে উঠেছিল ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামীদের। ১৮৯৬ সালে এই জেল নির্মাণের কাজ শুরু হলেও তার বহু আগে থেকে (সিপাহী বিদ্রীহের সময় থেকেই) আন্দামানকে বন্দিখানা হিসাবেই ব্যবহার করত ব্রিটিশ শাসকরা। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে যাঁদের, বেশ কয়েকটি পাথর ফলকে তাঁদের নাম খোদাই করেই বসানো হয়েছিল এই জেলে। তবে সম্প্রতি নজরে এল সংকুচিত হয়ে গেছে সেই তালিকা।

দীপক রায় নামের জনৈক ব্যক্তি সম্প্রতি ফেসবুকে সেলুলার জেলের নয়া তালিকার ছবি তুলে ধরেন। সেই নতুন ফলকগুলিতে রয়েছে মাত্র ৫১৩ জন বিপ্লবীর নাম। তাঁর মন্তব্যেই উঠে আসে, এই নতুন তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে চার শতাধিক স্বাধীনতা সংগ্রামীর নাম। এই তালিকা প্রকাশ্যে আসার পরেই রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাঁর এই অভিযোগ কি সত্যি? কী বলছেন তিনি?

দীপকবাবু জানালেন, “এখনও অবধি নিশ্চিত হতে পারছি না। তবে সংখ্যা যে কমেছে তাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। কারণ রমেশচন্দ্র মজুমদারের বইতে পড়েছি সেখানে ৯৬৬ জন স্বাধীনতা সংগ্রামীর নামের তালিকা ছিল। সেই তালিকাও আমি সোশ্যাল মিডিয়ায় দিয়েছি। তবে এই বদলে কাদের নাম বাদ দেওয়া হল, সেটা নিয়ে আরও অনুসন্ধান প্রয়োজন।”

দীপকবাবুর মতে, তালিকা থেকে বাদ পড়া স্বাধীনতা সংগ্রামীদের অধিকাংশই বাঙালি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। সারা ভারত থেকেই সেলুলার জেলে সংগ্রামীদের যে বন্দি করা হত, তাতে সন্দেহ নেই কোনো। কিন্তু বাংলা, বিহার এবং আন্দামানের বিচার ব্যবস্থা অনেকটা বেশি করেই নির্ভরশীল ছিল কলকাতা হাইকোর্টের ওপরে। ফলে বাঙালিদের এই জেলে দ্বীপান্তর করার প্রবণতাও সেই সূত্রেই বেশি থেকেই যায়।

নিশ্চিত না হতে পারলেও খানিকটা সংশয়ের সঙ্গেই বলছেন তিনি, “রমেশ মজুমদারের বইয়ের তালিকার পুরো পর্যালোচনা না করে ওঠা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। তবে আপাতভাবে প্রায় ছ’শো-সাতশো’র মতো বাঙালি বিপ্লবীদের নাম ছিল। সেটাই এখন দাঁড়িয়েছে ৩৮৪ জনে। ফলে বাঙালিদের নাম যে বাদ গেছে বেশি তা বলাই বাহুল্য। তবে পাশাপাশি অন্যান্য রাজ্যের বিপ্লবীদের নাম বাদ যাওয়ারও সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে।”

আরও একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই পুরনো তালিকায় প্রতি বিপ্লবীদের নামের পাশে উল্লেখিত ছিল তাঁরা কত সালে এই জেলে বন্দি হয়ে এসেছিলেন। নতুন তালিকায় এই ধরণের কোনো উল্লেখ নেই। বরং ১৯০৯-১৯২১, ১৯২২-১৯৩১ এবং ১৯৩২-১৯৩৮ সাল; এই তিনটি পর্যায়ে ভাগ করে নেওয়া হয়েছে পুরো সময়সীমাকে। বাদ গেছে ১৯০৯ সালের আগের বিপ্লবীদের নামও? উঠে আসছে এমনটাই। ঐতিহাসিক ও লেখক হামাদ সুবানিও তাঁর একটি প্রবন্ধে এই বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

কিন্তু কবে হল এই বদল? লোকচক্ষুর আড়ালে এই লকডাউনেই? তার উত্তর অবশ্যই নয়। আনুমানিক ২০১৫ সাল বা তার আগেই আগেই এই বদল ঘটেছে। কারণ হামাদি সুবানির সেই প্রবন্ধটি প্রকাশিত হয়েছিল ২০১৫ সালে। অর্থাৎ সেই সময়ে কিংবা তার আগেই হয়েছে এই পরিবর্তন। তবে এতগুলো বছর তা চোখ এড়িয়ে গেল কীভাবে, সন্দেহ থেকে যাচ্ছে সে ব্যাপারেই।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালেই এই সেলুলার জেলের পুনর্নবীকরণের কাজ হয়। সেলুলার জেলের নামকরণ করা হয় দামোদর সাভারকারের নামে। প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে, তখনই কি এই তালিকায় বদল আনা হল? যদিও বিষয়টি স্পষ্ট নয় এখনও। বদল হওয়া নতুন তালিকাতেও প্রথমেই রয়েছে দামোদর সাভারকারের নাম। তবে রমেশ মজুমদারের বইয়ে বিবরণ থেকেই উঠে আসে পুরনো তালিকাটি সাজানো হয়েছিল নামের আদ্যাক্ষর দিয়েই। সেক্ষেত্রে দামোদর সাভারকারের নাম তালিকার প্রথমে তুলে আনা হল কেন, সে বিষয়েও কোনো যুক্তি খুঁজে পাচ্ছেন না অনেকেই।

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন যাঁরা, তাঁদের নাম এইভাবে বাদ দেওয়া হল কেন, তারই বা যুক্তি কি? কোথাও গিয়ে কি তাঁরা কম প্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছিলেন? নাকি তাঁদের গুরুত্ব কম বলেই মনে করল প্রশাসন? জানা নেই। আবার অধিকাংশ বাঙালি বিপ্লবীদের নাম বাদ যাওয়ার সম্ভাবনা উসকে দিচ্ছে হিন্দি আগ্রাসনের সম্ভাবনাও। ইতিহাস বদলে ফেলতে চাওয়ার এই প্রচেষ্টায় বহু মানুষ সরব হয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

কী হবে এর পরিণতি? যদি সত্যিই বিচ্যুতি ঘটে থাকে, বাঙালিরা কি প্রতিবাদে দলবদ্ধ হবেন? নাকি অন্য অনেক বিতর্কের মতোই ধামাচাপা পড়ে যাবে এইভাবেই? দীপকবাবু চান, শীঘ্র এই সত্যতাটুকু যাচাই করে দেখা হোক। এই চাহিদা সকলেরই। প্রকৃত সত্য সামনে আসুক। আর যদি দেখা যায়, সত্যিই এক মস্ত ‘গোলমাল’ থেকে গেছে, কে নেবে সেই দায়? প্রশ্ন অনেক। উত্তরের অপেক্ষায় সকলেই।

Categories
বিশ্ব

জমজমের পানি দিয়ে আগামীকাল ধোয়া হবে পবিত্র কাবা শরীফ

জমজমের পানি দিয়ে আগামীকাল ধোয়া হবে পবিত্র কাবা শরীফ

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: জমজমের পানির সঙ্গে গোলাপজল মিশিয়ে আগামীকাল ধোয়া হবে পবিত্র কাবা শরীফ। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি বছর দুইবার কাবা শরীফ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ করা হয়।

সে হিসেবে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) আরবী ১৪৪২ হিজরী সালের প্রথমবার মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে পবিত্রতম এই ঘর ধৌত করা হবে।

সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজের পক্ষে মক্কা নগরীর গভর্নর প্রিন্স খালেদ ফয়সাল ধৌতকার্জের নেতৃত্ব দিবেন।

সৌদি সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়া জানিয়েছে, করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর অত্যন্ত ভালো করে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

পবিত্র মক্কা মোকাররমা ও মদিনা মুনাওয়ারাহর প্রতি বিশেষ যত্নশীল হওয়ায় বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ ও ক্রাউন প্রিন্স মুহাম্মাাদ বিন সালমানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন আল হারামাইনিশ শারিফাইনের প্রধান তত্ত্বাবধায়ক শায়খ আব্দুর রহমান আস সুদাইস।

গত বছর ১৪৪১ হিজরি সালে কাবাঘরের সম্প্রসারণ পরিকল্পনার বাস্তবায়ন চলমান থাকায় এই পবিত্র স্থাপনা ১৫ মুহাররমে শুধু একবার ধৌত করা হয়।

প্রসঙ্গত, কাবাঘর গোসলের এই ধারাবাহিকতা মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকেই শুরু হয়েছে। মক্কা বিজয়ের পরে কাবাঘর থেকে মূর্তি অপসারণ শেষে তিনি সর্বপ্রথম তা ধৌত করেন। পরে খোলাফায়ে রাশেদা থেকে শুরু করে ইসলামী খেলাফতের খলিফাগণ এই ধারা অব্যাহত রাখেন।

Categories
রাজ্য

প্রতিটি বাঙালি বাড়িতে ‘বাংলা সংবিধান’ পৌঁছে দেবার লক্ষ্যে বাঙালি যুবকের উদ্যোগ ‘ঘরে ঘরে আম্বেদকর’

প্রতিটি বাঙালি বাড়িতে ‘বাংলা সংবিধান’ পৌঁছে দেবার লক্ষ্যে বাঙালি যুবকের উদ্যোগ ‘ঘরে ঘরে আম্বেদকর’

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: আর ঠিক এক বছর দেশজুড়ে উৎযাপিত হবে পঁচাত্তরতম স্বাধীনতা দিবস। স্বাধীনতার প্ল্যাটিনাম জুবিলিকে সামনে রেখে দেশের নাগরিকদের স্বাধীনতা ও স্বাধীনতার দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করতে এক অভিনব উদ্যোগ নিলেন দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা জেলার মহেশতলা অঞ্চলে বড় হওয়া শুভজিৎ নস্কর।

পঁচিশ বছরের শুভজিৎ জানান “বেশ কয়েক বছর থেকেই স্বাধীনতার দিন সোশ্যাল নেটওয়ার্কে দেখি নানা প্রশ্ন ‘আমরা কি স্বাধীন? আমারা কি সত্যিই স্বাধীন? আমাদের কি স্বাধীনতা আছে?’ ইত্যাদি নানান প্রশ্ন আর সেখান থেকেই আমার মাথায় আসে আমরা কি সত্যিই নিজেরা জানি আমাদের স্বাধীনতার অধিকার? স্বাধীনতার দায়িত্ব? ইত্যাদি। জানিনা! আসলে স্বাধীনতার চুয়াত্তর বছর পরেও দেশের বেশিরভাগ মানুষ, সে শিক্ষিত-অশিক্ষিত, ধনী-গরীব, অফিসার থেকে শ্রমজীবী যাঁদের বড় অংশই জানে না তাঁদের সাংবিধানিক অধিকার, এমনকি দেশের সংবিধান দেখতে কেমন হয়? ফলত শাসকগোষ্ঠী নিজেদের হাতে ক্ষমতা রেখে মানুষকে শোষণ করে আসছে এবং মানুষও সেই শোষন হতে দিচ্ছে কারণ তারা জানে না যে সংবিধান তাকে কি কি অধিকার দিয়েছে এবং এটা কিছুটা উদ্দ্যেশ্যপ্রনোদিত ভাবেই এতদিন জানতে দেওয়া হয়নি।” আর সেই জায়গা থেকেই তিনি গত পঁচিশে আগস্ট থেকে শুরু করেন তার এই উদ্যোগে ‘ঘরে ঘরে আম্বেদকর’।

এক সপ্তাহেই তিনি প্রায় নয় হাজার মানুষকে বাংলা সংবিধানের পিডিএফ পাঠাতে পেরেছেন যাঁদের মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মী সদস্যরাও আছেন। এই সচেতনতার লক্ষ্যে তিনি আরো বলেন যে “হয়তো আগামী পাঁচ বা দশ বছর যদি আমরা এটা চালিয়ে যেতে পারি তাহলে দুর্নীতি অনেকখানি কমে যাবে। এবং প্রতিটা রাজনৈতিক দলও বাধ্য হবে সংবিধানকে মান্যতা দিয়ে চলতে। যদিও এখন অবদি এরাজ্যে আমি কোনো বাঁধা পাইনি।”

তাঁর এই কাজে তিনি কোনো বাঁধা পাননি বিনিময়ে এ রাজ্যের বেশিরভাগ রাজনৈতিক দলের কর্মীরা তাঁর এই উদ্যোগে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু সমস্যা যেটা হচ্ছে সেটা আমাদের বাইশটি অনুমোদিত ভাষা থাকা সত্ত্বেও ইংরেজি বা হিন্দি ছাড়া সেভাবে বাকী ভাষাগুলোই সংবিধানে প্রায় নেই এবং থাকলেও বিশেষত বাংলা সংবিধানে ব্যবহৃত শব্দও প্রচলিত নয় ফলত দূরত্ব রয়েই গেছে। আর দেশের সংবিধান না জানা মানেই দেশকে না জানা। বিশেষত এই সময়ে দাঁড়িয়ে যে অবক্ষয় চারপাশে চলছে তাতে এই প্রয়োজনীয়তা আরো বেশি আর তাই খুব সরল বাংলায় সংবিধান মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ায় আপাতত তাঁর লক্ষ্য।

আশা রাখা যায় যে তিনি সরকারের কাছে সাহায্য পাবেন যাতে হয়তো আগামীতে পাঠ্যসূচীতে সংবিধান আবশ্যিক করা হবে। এবং এই বিষয়ে সব থেকে বেশি তিনি সাড়া পেয়েছেন শিক্ষিত যুব সমাজের কাছ থেকে, তারা নিজেরা তাঁর থেকে পিডিএফ কপি নিয়ে পাঠিয়েছেন নাহলে তাঁর একার পক্ষে সম্ভব ছিল না এতো মানুষের কাছে পৌঁছানো।

আর এই উদ্যোগে তিনি সব থেকে বেশি সাহায্য এবং অনুপ্রেরণা পেয়েছেন ‘বামসেফ’ এর থেকে, তাঁরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বইপত্তর, তথ্যাদি দিয়ে এবং মানসিক ভাবেও তাঁর পাশে থেকেছেন। এবং তিনি আশা রেখেছেন আগামীতেও এভাবেই তাঁদের পাশে পাবেন কারণ প্রকৃত দেশপ্রেমীরা কখনো দেশের ‘সংবিধান’ ও সংবিধানের প্রণীতা বাবা সাহেবের অবমাননা করবে না বা হতে দেবে না। তাঁর এই উদ্যোগ সম্পূর্ণভাবে অরাজনৈতিক একটি ভাবনা, আগামীতেও তিনি সেই নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে চান।

প্রতিবেদন- লিটারেসি প্যারাডাইস ইনফরমেশন ডেস্ক

Categories
বিশ্ব

তুরস্ক ভ্রমণের পর ব্রিটেনের জনপ্রিয় ইউটিউবার ইসলাম গ্রহণ করেছেন

তুরস্ক ভ্রমণের পর ব্রিটেনের জনপ্রিয় ইউটিউবার ইসলাম গ্রহণ করেছেন

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট:তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অবস্থিত সুলাইমানিয়্যাহ মসজিদ পরিদর্শন শেষে ব্রিটেনের সুপরিচিত ও জনপ্রিয় ইউটিউবার জে প্লাফি ইসলাম গ্রহণ করেছেন।জে প্লাফি ইসলাম গ্রহণ করেছেন মর্মে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে দৈনিক পত্রিকা রোজে জাঙ্গে।

ব্রিটেনের জনপ্রিয় ইউটিউবার জে প্লাফির পুরো নাম জর্জ উইলিয়াম প্লাফি। তবে তিনি জে প্লাফি নামে অধিক পরিচিত।নওমুসলিম এই ইউটিউবার নিজের ইউটিউব চ্যানেলে ‘আমি মুসলমান হয়ে গিয়েছি’ শিরোনামে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন।

ভিডিও পোস্টটিতে তিনি বলেন,আমি কারো সাথে এই বিষয়টি শেয়ার করতে ইচ্ছুক ছিলাম না। কিন্তু আমার ইসলামের গণ্ডিতে প্রবেশের এই সফর থেকে অনেকেই অনেক কিছু শিখতে পারবেন,তাই আমি এটা শেয়ার করছি।

জে প্লাফি আরো বলেন,ইসলামের পয়গাম সবার সামনে উপস্থাপন করা আমার কর্তব্য। কেননা ইসলাম হল,একত্ববাদ, ভালবাসা ও শান্তির পয়গাম।

ইসলাম গ্রহণের প্রাক কালীন মুহুর্ত শেয়ার করতে গিয়ে তিনি বলেন, আমি কিছুদিন আগে তুরস্কের মসজিদে সুলাইমানিয়্যাহ পরিদর্শনে গিয়েছিলাম এবং পরবর্তীতে নিজের জীবনের সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।

জে প্লাফির ৭ মিনিট ২৫ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের ভিডিওটিতে তাকে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অবস্থিত সুলাইমানিয়্যাহ মসজিদে কালিমায়ে শাহাদাত পাঠ করে শান্তির ধর্ম ইসলামে প্রবেশ করতে দেখা যায়।

তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে ভ্রমণের সুবাদে চমৎকার সব মানুষের সাথে আমার সাক্ষাতের সুযোগ হয়েছে। এই সংক্ষিপ্ত সফরে আমার অনেক কিছু শিখার এবং অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ হয়েছে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল,আমার আধ্যাত্মিকতা বুঝারও সুযোগ হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ইসলামী রাষ্ট্রগুলোতে থাকার সুবাদে আমি অত্যন্ত সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ ধর্ম ইসলামের সত্যতা উপলব্ধি করতে পেরেছি। আর এটাও বুঝতে পেরেছি যে এটি এমন এক ধর্ম যা পৃথিবীজুড়ে সবচাইতে বেশি বিভ্রান্তির শিকার।

ইসলামকে জানা ও বুঝার পর আমার এই উপলব্ধি হয়েছে যে ইসলামই সেই ধর্ম, যার অনুসন্ধান আমি বছরের পর বছর করে যাচ্ছিলাম।বিশ্বের বহু মানুষ এই ধর্ম সম্বন্ধে ভ্রান্তিতে আছে অথচ ইসলাম হল ভালবাসার শিক্ষাদানকারী একটি ধর্ম।

Categories
দেশ

করোনার দোহাই দিয়ে সংসদে বিরোধীদের প্রশ্ন করার অধিকার ছিনিয়ে নিচ্ছে মোদি সরকার

করোনার দোহাই দিয়ে সংসদে বিরোধীদের প্রশ্ন করার অধিকার ছিনিয়ে নিচ্ছে মোদি সরকার

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে এমনিতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। তার মধ্যেই ডিজিপির সঙ্কোচন। আবার সীমান্তে রক্তচক্ষু দেখাচ্ছে চিনও। তা নিয়ে বিরোধীদের লাগাতার আক্রমণ। সেই পরিস্থিতিতেই সংসদে বাদল অধিবেশন শুরু হতে চলেছে। কিন্তু সেখানে প্রশ্নোত্তরের জন্য বরাদ্দ সময় বাতিল করে দেওয়া হল। অর্থাৎ সেখানে সরকারকে প্রশ্ন করার সুযোগ পাবেন না বিরোধীরা।

কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংহ সম্প্রতি ফোন করে সমস্ত সাংসদকে এই কথা জানিয়েছেন। প্রশ্নোত্তর পর্ব থাকলে, যে মন্ত্রীকে প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে, তাঁর পরামর্শদাতা আধিকারিকদেরও সংসদে উপস্থিত থাকতে হয়। তাতে সংসদ ভবনে লোকসংখ্যা অনেক বেড়ে যাবে, করোনা পরিস্থিতিতে যা একেবারেই কাম্য নয়। তাই প্রশ্নোত্তর পর্ব বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বিরোধীদের জানিয়েছেন রাজনাথ।

প্রশ্নোত্তর পর্ব বাতিল করা হলেও, জিরো আওয়ার থাকবে বলে বিরোধী নেতাদের আশ্বস্ত করেন রাজনাথ। আগে থেকে স্পিকারকে নোটিস দিয়ে সেখানে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলি তুলে ধরতে পারবেন বিরোধীরা। কিন্তু সেই জিরো আওয়ারের সময়সীমা কমিয়ে ৩০ মিনিট করা হয়েছে। অর্থাৎ বিরোধী নেতাদের ওই ৩০ মিনিটের মধ্যেই যা বলার বলে ফেলতে হবে।

Categories
দেশ

করোনা অতিমারির প্রকোপে অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে গেল জনগননা ও এনপিআরের কাজ

করোনা অতিমারির প্রকোপে অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে গেল জনগননা ও এনপিআরের কাজ

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: করোনা ভাইরাসের মহামারীর কারণে সরকারকে জনগণনা ২০২১ এর প্রথম পর্ব ও জাতীয় জনসংখ্যা নিবন্ধন (এনপিআর) অনুশীলনের সমাপ্তির তারিখ পেছানো ছাড়া আর কোনও বিকল্প খুঁজে পাচ্ছে না । সূত্র জানিয়েছে যে উভয় অনুশীলনের প্রথম পর্যায়টি ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল, তবে এখন এটি এক বছর পিছিয়ে যেতে পারে।তারা বলেছে যে নতুন তারিখ নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি, তবে নিশ্চিত যে দেশে কোভিড -১৯ এ ক্রমবর্ধমান আক্রান্তের সংখ্যার পরিপ্রেক্ষিতে ২০২০ সালে এগুলি গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন প্রবীণ কর্মকর্তা (এমএইচএ) অবশ্য বলেছেন: “কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এই মুহূর্তে এনপিআর নয়, বরং কোভিড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করাই অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে।। জনগণনা ও এনপিআর পরিচালনায় এক বছরেরও বেশি বিলম্বের কোনও বিরূপ প্রভাব পড়বে না।

ভারতীয় জনগণনা বিশ্বের বৃহত্তম প্রশাসনিক ও পরিসংখ্যানমূলক অনুশীলনগুলির মধ্যে একটি, যেখানে ৩০ লক্ষেরও বেশি কর্মকর্তা জড়িত, যারা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত জুড়ে প্রতিটি পরিবার পরিদর্শন করে।আদমশুমারির তালিকাভুক্তির পর্ব এবং এনপিআর আপডেট করার মহড়াটি ১ এপ্রিল থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০ পর্যন্ত দেশজুড়ে পরিচালিত হওয়ার কথা ছিল, তবে মহামারীজনিত কারণে এটিকে স্থগিত করা হয়েছিল।

Categories
দেশ

প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ মোদী সরকার: জিএসটি-বকেয়ার দাবিতে কড়া চিঠি মমতা সহ ৫ মুখ্যমন্ত্রীর

প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ মোদী সরকার: জিএসটি-বকেয়ার দাবিতে কড়া চিঠি মমতা সহ ৫ মুখ্যমন্ত্রীর

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট:করোনা মহামারী চলছে ছ-মাসেরও বেশি সময় ধরে। এই সংকটজনক অবস্থায় রাজ্যেগুলির জিএসটি বাবদ বকেয়া মেটায়নি কেন্দ্র। বারবার আবেদন-নিবেদন করার পরও লাভ না হওয়ায় এবার প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অবিলম্বে জিএসটি বাবদ বকেয়া মেটামোর আর্জি জানালেন তিনি।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিয়েছে চারটি অবিজেপি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী ইকে পলানিস্বামী, কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন এবং ছত্তিশগড়়ের ভূপেশ বাঘেল।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, জিএসটি নিয়ে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র, তাতে আমরা গভীরভাবে মর্মাহত। কেন্দ্রের সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজেদের দেওয়া প্রতিশ্রুতিই ভঙ্গ করছে। এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর পরিপন্থী। তৎকালীন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি জিএসটি রূপায়ণ করে বলেছিলেন জিএসটি ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকবে কেন্দ্রীয় সরকার।

মমতা বলেন, কিন্তু নিজেদের সরকারের দেওয়া সেই প্রতিশ্রুতিই রাখতে পারছে না। এখন দেশের অর্থব্যবস্থা ভেঙে পড়ার দোহাই দিয়ে জিএসটি দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। এরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিদ্ধান্ত নেন প্রধানমন্ত্রী মোদীকে চিঠি লেখার। সেইমতো তিনি চিঠি লেখেন জিএসটি বাবদ বকেয়া দেওয়ার আর্জি জানিয়ে।

মমতা লেখেন, মোদী সরকারের পূর্বতন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলিই বলেছিলেন, ২০১৩ সালে তৎকালীন কেন্দ্রীয় সরাকার রাজ্যগুলিকে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ দেবে না বলে জিএসটি রূপায়ণে বিরোধিতা করেছিলাম। আমরা জিএসটি রূপায়ণ করছি এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে যে সমস্ত রাজ্যকে ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকবে কেন্দ্র।

কিন্তু এখন কেন্দ্রের সেই মোদী সরকারই জিএসটি বাবদ ক্ষতিপূরণ একেবারেই দেবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধা্ন্ত যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামো বিরোধী। এখন কঠিন পরিস্থিতিতে রাজ্য চালাতে গেলে কোটি কোটি টাকা দেনার দায়ে পড়তে হবে। রাজ্যগুলির অবস্থা করুণ হবে। কেন্দ্র এখন ঋণ নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে, কিন্তু রাজ্য না মানতে নারাজ।

Categories
বিশ্ব

ইসরাইলকে আকাশসীমা ব্যবহারের সুযোগ দেবে না কুয়েত

ইসরাইলকে আকাশসীমা ব্যবহারের সুযোগ দেবে না কুয়েত

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: দখলদার ইহুদীবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের কোনো বিমানকে আকাশসীমা ব্যবহারের সুযোগ দেবে না কুয়েত। সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে সেদেশের প্রভাবশালী দৈনিক ‘আলকাবাস’ এ খবর দিয়েছে।

ইসরাইলী বিমান সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাওয়ার সময় কুয়েতের আকাশসীমা ব্যবহার করেছে বলে খবর প্রকাশিত হওয়ার পর দেশটি তা প্রত্যাখ্যান করল।

কুয়েত সরকার বলেছে, ইসরাইলী বিমান কুয়েতি আকাশ ব্যবহার করেছে বলে যে খবর বেরিয়েছে তা ভিত্তিহীন এবং গুজব। কুয়েত কোনো দিনই ইসরাইলের বিমানকে আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে না।

এছাড়া পত্রিকাটির খবরে বলা হয়েছে, কুয়েত ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।মজলুম ফিলিস্তিনি তথা গোটা মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে গত ১৩ আগস্ট ইহুদীবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয় সংযুক্ত আরব আমিরাত। এরপর বিমান চলাচল শুরু হয়। প্রথম ফ্লাইটে যাত্রী হিসেবে ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইহুদী জামাতা ও উপদেষ্টা জারেড কুশনার। এছাড়া তার সঙ্গে ছিলেন ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মিইর বেন শাবাত ও মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা রবার্ট ও’ব্রায়ান৷

Categories
রাজ্য

মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে ধর্মীয় উসকানি মূলক টুইট: বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে পুলিশ

মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে ধর্মীয় উসকানি মূলক টুইট: বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে পুলিশ

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: বিজেপি সাংসদের অর্জুন সিংয়ের ধর্মীয় উসকানি মূলক টুইটকে কেন্দ্র করে এবার উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। অর্জুন সিংয়ের টুইটের ছবি পোস্ট করে পুলিশ জানিয়েছে, “এই পোস্ট বা দাবি বিভ্রান্তিকর।” পাশাপাশি, যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।

১ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার সকালে কালীপ্রতিমা পুড়িয়ে দেওয়ার কিছু ছবি দিয়ে একটি টুইট করেন সাংসদ অর্জুন সিং। লেখেন, “দিদির জিহাদি রাজনীতি এখন হিন্দু ধর্ম ও সংস্কৃতিকে ধ্বংস করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। দেখুন মুর্শিদাবাদে কীভাবে মন্দিরের ওপর হামলা চালিয়ে কালীপ্রতিমা পুড়িয়ে দিয়েছে বিশেষ একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষ।”

টুইটটি ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় বিতর্ক। এরপরই বিজেপি সাংসদের টুইটের ছবি দিয়ে একটি টুইট করে রাজ্যপুলিশ। সেখানে বলা হয়, “এই পোস্ট বা দাবি বিভ্রান্তিকর। এর বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিভ্রান্তিকর এবং উস্কানিমূলক এই পোস্ট এড়িয়ে চলুন।”

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল একটি চিঠি মারফত জানা গিয়েছে যে, সাংসদের টুইটের ওই কালীপ্রতিমাটি মুর্শিদাবাদের নওদার। ৩১ আগস্ট রাতে ওই প্রতিমায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। তবে কোনও সামগ্রী খোওয়া যায়নি। এপ্রসঙ্গে মন্দির কমিটি বলেন, ওই এলাকায় হিন্দু-সম্প্রদায়ের মধ্যে কোনও দ্বন্দ্ব নেই। তাই এই ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক রূপ দেওয়ার কোনও কারণ বা যুক্তি নেই।

Categories
রাজ্য

এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে গঠিত হলো খড়িবাড়ি বাজার ব্যবসায়ী সমিতি

এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে গঠিত হলো খড়িবাড়ি বাজার ব্যবসায়ী সমিতি

নিজস্ব প্রতিনিধি, বঙ্গ রিপোর্ট, শাসন: যে কোন বাজারের ব্যবসায়ীদের নিয়ে নিয়ম অনুসারে বাজারের ব্যবসায়ী সমিতি গঠন করা হয়ে থাকে। ঠিক তেমনই খড়িবাড়ি বাজারের ব্যবসায়ী সমিতি দীর্ঘদিন যাবৎ না থাকায় খড়িবাড়ির ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হত। ঠিক এই কারণেই বাজারের ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিন যাবৎ দাবি ছিল যে বাজারের ব্যবসায়ী সমিতির একটি কমিটি গঠন করা হোক। আর সেই দাবিকে মান্যতা দিয়েই স্থানীয় কৃত্তিপুর এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রবিউল ইসলামের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এবং উদ্যোগে খড়িবাড়ি বাজারের ব্যবসায়ী সমিতির কমিটি গঠন করা হয়।

উত্তর 24 পরগনার শাসনের খড়িবাড়ি দীর্ঘ বাম আমল থেকেই রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বিভিন্ন সময় খবরের শিরোনামে থেকেছে। পরিবর্তনের সরকার আসার পর থেকে এখানকার রাজনৈতিক মানচিত্রে আমূল পরিবর্তন ঘটেছে। সার্বিকভাবে এলাকায় উন্নয়নের ছোঁয়া দেখা দিয়েছে। এলাকার বিধায়ক থেকে স্থানীয় বারাসাত দু নম্বর পঞ্চায়েত সমিতি বা কৃত্তিপুর এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের থেকেও বিভিন্ন রকম উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড একের পর এক হয়ে চলেছে।

কিন্তু খড়িবাড়ি বাজারের ব্যবসায়ী সমিতি পরিবর্তনের সরকারের আগের থেকেই ছিলনা। পরিবর্তনের সরকার আসার পরেও বিভিন্ন কারণে বাজারের ব্যবসায়ী সমিতি গঠন করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান রবিউল ইসলামের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় নিজস্ব উদ্যোগে পাকাপাকিভাবে এই কমিটি গঠন করে দিলেন। কয়েকদিন পূর্বে বাজারের ব্যবসায়ীদের নিয়ে একটি রেজুলেশনের মধ্য দিয়ে 17 জনের একটি কমিটি সাব্যস্ত করা হয়। কমিটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বাবর হোসেন, সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত হন স্থানীয় সমাজসেবী হিসেবে পরিচিত ব্যবসায়ী মাহমুদুল হাসান, কোষাধক্ষ্য হন বাবলু চৌধুরী। এই তিন জন সহ আরো 14 জনকে নিয়ে এই কমিটি গঠন করা হয়। এদিন পঞ্চায়েত প্রধান রবিউল ইসলামের পক্ষ থেকে সেই কমিটির স্বীকৃতি পত্র প্রদান করা হয়।

এ বিষয়ে স্থানীয় কীর্তিপুর এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রবিউল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন বাজারের কমিটি না থাকায় বাজারের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করার জন্য পঞ্চায়েত কে এগিয়ে আসতে হত। বাজারের উন্নয়নমূলক কাজের জন্য বা বাজারের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য একটি স্থায়ী কমিটির আবশ্যিকতা ছিল। আমি ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নিয়ে আমাদের স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও প্রশাসনিক স্তরে আলোচনা করে এবং বাজারের ব্যবসায়ীদের মতামতের ভিত্তিতে এই কমিটি গঠন করে দিয়েছি।

তিনি বলেন আমি আশা করব নতুন কমিটি নিরপেক্ষভাবে বাজারের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান এবং উন্নয়নমূলক কাজকে ত্বরান্বিত করবে। আমি এই বাজারের ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধি কমিটির সাফল্য কামনা করি।