Categories
দেশ

নয়া সচিবালয় কমপ্লেক্সে মন্দির, মসজিদ, গির্জা গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত তেলঙ্গানা সরকারের

নয়া সচিবালয় কমপ্লেক্সে মন্দির, মসজিদ, গির্জা গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত তেলঙ্গানা সরকারের

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: নয়া সচিবালয় কমপ্লেক্সে একটি মন্দির, একটি গির্জা, দুটি মসসিদ গড়বে তেলঙ্গানা সরকার। মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের দপ্তর প্রকাশিত সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে আসন্ন বিধান পরিষদ অধিবেশন শেষেই নতুন সচিবালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে বলে জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, পুরানো সচিবালয় ভবন ভাঙার সময় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া মন্দির, দুটি মসজিদ সরকারি খরচে পুনর্নির্মাণ করা হবে।

যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা, পরিষেবার বন্দোবস্ত সমেত ধর্মস্থান তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছে। খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের তরফেও দাবি ওঠায় নতুন সচিবালয়ে সরকার একটি গির্জাও তৈরি করবে। এআইএমআইএম প্রধান আসাদুদ্দিন ওয়েইসি আবার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপি পেশ করে মসজিদ গড়ার দাবি জানিয়েছেন।

রাজ্য সরকার আন্তর্জাতিক মানের ইসলামিক কেন্দ্র তৈরি করবে, সেজন্য জমিও বরাদ্দ হয়েছে। যদিও কোভিড-১৯ সংক্রমণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কাজ শুরু হতে কিছুটা দেরি হচ্ছে। খুব শীঘ্রই জোর গতিতে কাজ শুরু হবে। প্রস্তাবিত দুটি মসজিদ তৈরি হবে একেকটি ৭৫০ বর্গফুট জমির ওপর। সেখানে থাকবে ইমামদের কোয়ার্টার। মন্দির তৈরি হবে ১৫০০ বর্গফুট জমিতে।

গত জুলাইয়ে পুরানো সচিবালয় ভাঙার সময় ধর্মস্থানগুলির ক্ষতি হওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই দুঃখ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী, বলেছেন, নতুনগুলি তৈরি হবে আরও বড় জায়গা নিয়ে। এদিকে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তেলঙ্গানা শাখা মুখ্য়মন্ত্রীকে লেখা খোলা চিঠিতে দাবি করেছেন, সরকার পুরানো সচিবালয় ভাঙার সময় মন্দিরের ক্ষতি হওয়া নিয়ে স্পষ্ট বিবৃতি দিয়ে জানাক, কী ঘটেছে, ধর্মস্থান ‘ধ্বংস করার’ জন্য দোষী লোকজনের বিরুদ্ধেও ব্য়বস্থা নিক।

তাদের আরও দাবি, মন্দির তৈরির ব্যাপারে সরকার ধর্মীয় নেতা, পূজারী, স্বামীজী ও হিন্দু ধর্মীয় সংগঠনগুলিকে নিয়ে বৈঠক করুক, নয়তো মন্দির গড়তে করসেবা করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে পরিষদ।

Categories
দেশ

কানাইয়া কুমারের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার আবেদন করায় মামলকারীকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা আদালতের

কানাইয়া কুমারের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার আবেদন করায় মামলকারীকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা আদালতের

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: দেশবিরোধী বলে তার বিরুদ্ধে একাধিকবার অভিযোগ তুলেছে শাসক দলের বহু নেতারা। আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছিল দেশদ্রোহিতার মামলাও। যদিও সমস্ত ষড়যন্ত্রকে পিছনে ফেলে সরকারের বিরুদ্ধে বারবার সরব হয়ে উঠেছেন বিহারের সিপিআই নেতা কানহাইয়া কুমার।

এহেন কানহাইয়ার নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার দাবিতে সম্প্রতি আদালতে দায়ের হয়েছিল একটি মামলা। তবে কানহাইয়ার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে গিয়ে বিপাকে পড়লেন খোদ মামলাকারী। নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার আবেদন খারিজ করার পাশাপাশি মামলা কাদের বিরুদ্ধে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করল আদালত। সম্প্রতি ঘটনাটি ঘটেছে এলাহাবাদ হাইকোর্টে।

সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, সম্প্রতি এলাহাবাদ হাইকোর্টে কানাইয়া কুমারের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন নাগেশ্বর মিশ্র নামে বারাণসীর বাসিন্দা এক ব্যক্তি। আদালতের কাছে তারা আবেদন ছিল সিপিআই নেতা কানহাইয়া কুমারের ভারতীয় নাগরিকত্ব বাতিল করুক আদালত। এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি শশীকান্ত গুপ্তা ও বিচারপতি শামীম আহমেদের ডিভিশন বেঞ্চে ওঠে এই মামলা।

মামলার শুনানিতে বিচারপতি জানান, ভারতীয় সংবিধানের বিন্দুমাত্র অধ্যায়ন না করে নোংরা পাবলিসিটির জন্য এই মামলা করা হয়েছে। এই ধরনের মামলা আইনি প্রক্রিয়ার দুর্ব্যবহার। এরপর কানহাইয়া কুমারকে ছেড়ে মামলা কাদের বিরুদ্ধে রায় দেন এলাহাবাদ হাইকোর্টের দুই বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। আরও তথ্য জানানো হয় আদালতের সময় নষ্ট করা ও নোংরা প্রচারের সুবিধা নিতে যে মামলা দায়ের করা হয়েছে তার জন্য মামলাকারীকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। ৩০ দিনের মধ্যে এই জরিমানার টাকা আদায়ের বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, আদালতে দায়ের করা ওই মামলায় মামলাকারীর পক্ষে জানানো হয়েছিল, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ তে জহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দেশ বিরোধী স্লোগান দিয়েছিলেন কানহাইয়া কুমার। যার ফলে ওই ছাত্র নেতার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলাও চলছে। যদিও কেন্দ্রীয় সরকার তার নাগরিকত্ব বাতিল করছে না।

কানহাইয়ার মত লোক ও তাঁর দলবল পাকিস্তানের উস্কানিতে দেশবিরোধী কাজে লিপ্ত লোকদের স্বাধীনতা সংগ্রামী আখ্যা দেয়। এই ধরনের লোক দেশের শান্তি নষ্ট করতে উঠে পড়ে লেগেছে। যদিও আদালত তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, ফৌজদারি মামলার প্রেক্ষিতে কোন ব্যক্তির নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া যায় না।

Categories
রাজ্য

কেন্দ্রের পথেই রাজ্য: বিধানসভার অধিবেশনেও থাকছে না প্রশ্নোত্তর পর্ব-জিরো আওয়ার

কেন্দ্রের পথেই রাজ্য: বিধানসভার অধিবেশনেও থাকছে না প্রশ্নোত্তর পর্ব-জিরো আওয়ার

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: করোনা পরিস্থিতিতেই সংসদে বাদল অধিবেশন শুরু হতে চলেছে। কিন্তু সেখানে প্রশ্নোত্তরের জন্য বরাদ্দ সময় বাতিল করে দেওয়া হল। অর্থাৎ সেখানে সরকারকে প্রশ্ন করার সুযোগ পাবেন না বিরোধীরা। এবার কেন্দ্রের দেখানো একি পথে হাঁটছে রাজ্য।

করোনা আবহে বঙ্গ বিধানসভাতেও বাদল অধিবেশনে বাদ দেওয়া হল প্রশ্নোত্তরপর্ব। জিরো আওয়ারও বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় কংগ্রেস ও বামেরা জানিয়েছে, সরকার বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতে চাইছে। শুক্রবার তিন সপ্তাহের বিধানসভার অধিবেশন দাবি করে শুক্রবার চিঠি দেয় তারা।

বাম-কংগ্রেসের দাবি, মাত্র দুদিনে মানুষের সমস্যার কথা নিয়ে আলোচনা করা যাবে না। তাই অন্তত সাতদিনের অধিবেশন চাই। এছাড়া প্রশ্নোত্তর পর্ব ও জিরো আওয়ারকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতে হবে। কিন্তু সেই দাবি খারিজ করে ৯ ও ১০ সেপ্টেোম্বর শুধু বাদ অধিবেশন চলবে বলে জানিয়ে দেওয়া হল।

বৃহস্পতিবার সর্বদল বৈঠক করে অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় করোনা সংক্রান্ত সমস্ত বিধিনিষেধ জারি করে দেওয়া হয়। অধিবেনের দিনআরও বাড়ানোর দাবি জানায় বিরোধীরা। শুক্রবার তা খারিজ করে জানিয়ে দেওয়া হয় এবার করোনার জন্য সংক্ষিপ্ত অধিবেশন। কোনও প্রশ্নোত্তর পর্ব বা জিরো আওয়ার রাখা হচ্ছে না।

বাম ও কংগ্রেসের পক্ষে দাবি জানানো হয়, ছ-মাস পরে অধিবেশন বসছে, অথচ মানুষের সমস্যার কথা কিছুই আলাপ-আলোচনা হবে না। এই পরিস্থিতিতে মানুষ খুবই কষ্টে আছেন, তাঁদের কথা আলোচনা করা জরুরি ছিল। তাঁদের সমস্যার কথা তুলে না ধরলে, কী করে সমাধান হবে? মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং এই বিষয়গুলি চিন্তা করে কোনও পদক্ষেপ করবেন বলে আশাবাদী বিরোধীরা।

Categories
দেশ

‘আত্মনির্ভর’ এর নামে দেশকে ‘আত্ম সমর্পন’ এর দিকে নিয়ে যাচ্ছে মোদী সরকার: আক্রমণ সীতারাম ইয়েচুরির

‘আত্মনির্ভর’ এর নামে দেশকে ‘আত্ম সমর্পন’ এর দিকে নিয়ে যাচ্ছে মোদী সরকার: আক্রমণ সীতারাম ইয়েচুরির

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট:গোটা দেশকে বিক্রি করে দিেত চাইছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেকারণেই একাধিক সরকারি ক্ষেত্রে বেসরকারি করণের পথে হাঁটতে শুরু করেছেন তিনি। আসলে আত্ম নির্ভর ভারতের নামে আত্মসমর্পন ভারত চান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র। এমনই আক্রমণ শানালেন সিপিএম নেতা সীতারাম ইয়েচুরি।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আত্ম নির্ভর ভারত গড়ার নাম করে গোটা দেশকে বিক্রি করে দিচ্ছে। সরাসরি আক্রমণ শানালেন সিপিএম নেতা সীতারাম ইয়েচুরি। তিনি অভিযোগ করেছেন গোটা দেশের বেসরকারি করণ করে দিতে চাইছেন মোদী। একেরপর এক সরকারি ক্ষেত্রের বেসরকারি করণ। সাদারণ মানুষের কর্মসংস্থানের নিরাপত্তা বিপন্ন হতে চলেছে।

শুক্রবার সিপিএম রাজ্য কমিটির ভার্চুয়াল বৈঠকে মোদী সরকারের শাসন নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। সীতারাম ইয়েচুকরি অভিযোগ করেছেন আরএসএস প্রভাবিত এনডিএ সরকারের শাসনে দেশের সংবিধান বিপন্ন হয়ে পড়েছে। একাধিক অর্ডিন্যান্স জারি করে সাধারণ মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।

মোদী সরকার আমেরিকার তাবেদারে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ইয়েচুরি। যাঁরাই মোদী সরকারের বিরোধিতা করছেন তাদেরই দেশবিরোধী তকমা দিয়ে জেলে ভরা হচ্ছে। চরম রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে দেশে এমনই মন্তব্য করেছেন ইয়েচুরি।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর লাদাখ নিয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে একমাত্র তাদের বিদেশনীতির। কূটনৈতির পথে সমস্যা সমাধানের কথা বারবার সর্বদল বৈঠকে বলা হলেও মোদী সরকার অন্য পথে হাঁটতে শুরু করেছে।

Categories
দেশ

সরকারি মাদ্রাসা বন্ধ করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শিক্ষক দিবসে আসাম জুড়ে কালো দিবস পালন

সরকারি মাদ্রাসা বন্ধ করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শিক্ষক দিবসে আসাম জুড়ে কালো দিবস পালন

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: আসামে বিজেপি সরকারের মাদ্রাসা ও টোল বন্ধ করার ঘোষণার প্রতিবাদে শিক্ষক দিবসকে কালো দিবস হিসেবে পালন করেছে আসাম মাদ্রসা সমন্বয়রক্ষী সমিতি৷ গত কয়েকদিন আগে শিক্ষামন্ত্রী ঘোষণা করেছেন নভেম্বরের মধ্যেই রাজ্যের সরকারি মাদ্রাসা এবং সংস্কৃতির বন্ধ করা হবে। তারই অঙ্গ হিসাবে আজ আছিমিয়া সিনিয়ার মাদ্রাসায় কালো দিবস পালন করেন শিক্ষক ও ছাত্র ছাত্রীরা৷ এই দিন উপস্থিত ছিলেন আছিমিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধীক্ষক মাওলানা ফখরুল ইসলাম, মাওলানা এটিএম জাকারিয়া, মাওলানা আব্দুল খালেক, শিক্ষক খসরুজ্জামান, মুফতি নুরুল হক সহ অন্যান্য শিক্ষকরা৷

সাংবাদিকদের সাক্ষাৎকারে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ফখরুল ইসলাম বলেন শিক্ষামন্ত্রীর বিধানসভা অধিবেশনে মাদ্রাসা শিক্ষা বন্ধ করার যে ঘোষনা দিয়েছেন এটি সংবিধান বিরোধী,এর তীব্র নিন্দা জানাই৷ ১৯৯৫ সালে আসাম বিধানসভা থেকেই আইন পাশ করে মাদ্রাসা গুলিকে সরকারি করা হয়েছে তাহলে এখন কেন শিক্ষামন্ত্রী মাদ্রাসা গুলি কে বন্ধ করতে চান?

তিনি আরো বলেন আজ আমার এই মাদ্রাসা বন্ধের বিরোধিতা করে কালো দিবস পালন করেছি৷ আগামী দিন যদি তিনি এই মাদ্রাসা বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না করেন তাহলে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আন্দোলন করব৷

Categories
দেশ

শিক্ষক দিবসের দিনেই কালো দিবস পালন করলেন চাকরিচ্যুত ১০৩২৩ শিক্ষক

শিক্ষক দিবসের দিনেই কালো দিবস পালন করলেন চাকরিচ্যুত ১০৩২৩ শিক্ষক

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: ত্রিপুরা রাজ্যের চাকরি হারানো ১০৩২৩ জন শিক্ষক বর্তমানে দিশেহারা। তারা জানে না আগামী দিনের ভবিষ্যৎ কি? তাদের দাবি- ১০৩২৩ শিক্ষকদের প্রতি প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি গুলো সরকারকে রক্ষা করতে হবে। চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের চাকরির স্থায়ী ব্যবস্থা করতে হবে। ১০৩২৩ শিক্ষকদের মধ্যে প্রয়াত শিক্ষক পরিবারে একটি করে সরকারি চাকরি প্রদান করতে হবে। কিন্তু নির্বাচনের প্রাক মুহূর্তে প্রতিশ্রুতি দিলেও এখন তাঁদের দাবিগুলো কর্ণপাত করছে না রাজ্যের বিজেপি সরকার।

এই অবস্থায় চাকরি ফিরে পাওয়ার জন্য তারা নিত্য নতুন কর্মসূচি হাতে নিচ্ছে। এইসব কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে শিক্ষক দিবসের দিনেই ‘কালো দিবস’ পালন করলেন ত্রিপুরার চাকরিচ্যুত ১০৩২৩ শিক্ষক। ৫ সেপ্টেম্বর গোটা দেশ জুড়ে পালিত হচ্ছে শিক্ষক দিবস। কিন্তু আজকের এই দিনটাতেই আগরতলায় কালো দিবস হিসেবে পালন করছেন চাকরিচ্যুত শিক্ষকরা। এদিন ১০৩২৩ জন শিক্ষক হাতে হাতে সরকার বিরোধী নানান প্লেকার্ড নিয়ে আগরতলা প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে রবীন্দ্রভবন পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল করলেন। মুখে কালো কাপড় বেঁধে বহিষ্কৃত শিক্ষকরা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তাদের প্রতিবাদ জানালেন। প্রতিবাদে তাঁরা এক মিনিট নীরবতাও পালন করেন।

উল্লেখ্য, গত ৩১ মার্চ সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর ত্রিপুরার ১০,৩২৩ জন শিক্ষককে তাঁদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। বহিষ্কৃত শিক্ষকরা সরকারের কাছে বিকল্প আয়ের ব্যবস্থার দাবি জানাচ্ছেন। ত্রিপুরার বর্তমান বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, মানবতার খাতিরে তারা বরখাস্ত শিক্ষকদের সমস্যার সমাধান করবে। কিন্তু এতদিন হয়ে গেলেও তাদের বিকল্প কর্মসংস্থান করেনি।

আজকের বিক্ষোভ মিছিলে সাংবাদিকদের বহিষ্কৃত শিক্ষকরা বলেন, ” আজকের দিনটা আমাদের শিক্ষকদের জন্য ভীষণ গুরুত্ত্বপূর্ণ একটা দিন। কিন্তু, এই বছর রাজ্যের ১০৩২৩ জন শিক্ষক তাঁদের চাকরি হারিয়েছেন। হারিয়ে গেছে শিক্ষকদের পরিচয় এবং সম্মান।”

শিক্ষকদের আরো অভিযোগ, যখন বহিষ্কৃত এতজন শিক্ষক চাকরি হারিয়ে না খেতে পেয়ে মরছেন তখন ত্রিপুরা সরকার চুপ করে আছে। শিক্ষকদের এই দুর্দশা ঘোচানোর কোনো চেষ্টাও করছে না।

তাই আজকের শিক্ষক দিবসের দিনটা কালো দিবস হিসেবে পালন করতে তাঁরা বাধ্য হয়েছেন। চাকরিচ্যুত শিক্ষকরা সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের উপর ত্রিপুরার বিপ্লব কুমার দেবের সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। বিজেপি সরকার যেন তাদের প্রতিশ্রুতি ভুলে না যায়। চাকরি হারানোর পর ১০৩২৩ জন শিক্ষকের পরিবার খুবই দুর্দশায় দিন কাটাচ্ছে। অবিলম্ব তাদের বিকল্প চাকরির ব্যবস্থা করে দেয়।

Categories
রাজ্য

গ্রামীন সম্পদ কর্মীদের সাংগঠনিক সভা আমডাঙায়

গ্রামীন সম্পদ কর্মীদের সাংগঠনিক সভা আমডাঙায়

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: সারা বাংলা গ্রামীন সম্পদ কর্মী সংগঠনের রাজ্য কনভেনশন কে সামনে রেখে শনিবার শিক্ষক দিবসে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বারাসাতের আমডাঙা ভিআরপি সংগঠনের সাংগঠনিক অনুষ্ঠান ও রাজ্য আন্দোলনের প্রস্তুতিপর্ব।  মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া পূর্ব প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দিতে ও ছয় দফা দাবি  আদায়ের লক্ষ্যে সারা রাজ্যব্যাপী আন্দোলন সংগঠিত করার লক্ষ্যে এ সমাবেশ বলে জানা যায়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন VRP  সংগঠনের রাজ্য সভাপতি মিজানুর রহমান। উত্তর 24 পরগনা জেলা সংগঠনের সহ-সম্পাদক কৌশিক মন্ডল।

আমডাঙা ব্লক কমিটির তুহীন ঘোষ,নবনীতা দাস, আজহারউদ্দিন সহ বিভিন্ন পঞ্চায়েতের  ৬০ জন ভিআরপি কর্মী। সংগঠনের রাজ্য সভাপতি দাবি তারা দীর্ঘদিন ধরে সরকারের কাছে অবহেলিত রাজ্যে ডেঙ্গু রোধে ভিআরপিরা কাজ করলেও অজ্ঞাত কারণে নাম নেওয়া হচ্ছে অন্য কারোর।  মাত্র সাড়ে তিন হাজার টাকা সম্মানিক নিয়ে করোনার আবহে বিনা প্রটেকশনে সারা রাজ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধ সহ কভিড ১৯   কাজ করে চলেছে এই সমস্ত সম্পদ কর্মীরা।

পাশাপাশি তারা আরও 10 থেকে 12 টা সরকারী প্রকল্পে কাজ করেন। সরকারি কর্মচারী স্বীকৃতি 15000 টাকা মাসিক বেতন স্বাস্থ্যসাথী সহ সচিত্র পরিচয় পত্র আদায় ও মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি পূরণ না হলে আগামী 13 তারিখ মুর্শিদাবাদের লালবাগে ভিআরপি রাজ্য মিটিং ও সাংবাদিক সম্মেলনের মধ্য দিয়ে রাজ্যব্যাপী ভি আর পি রা আন্দোলনের পথে নামবে বলে জানা যায়।

Categories
রাজ্য

রেকগনাইজ আন এডেড মাদ্রাসার সমস্যা নিয়ে সাংসদ অধীর চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ

রেকগনাইজ আন এডেড মাদ্রাসার সমস্যা নিয়ে সাংসদ অধীর চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: ওয়েস্টবেঙ্গল রেকগনাইজ আন এডেড মাদ্রাসা টিচার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে শনিবার মুর্শিদাবাদের প্রতিনিধি দল তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি দাওয়া নিয়ে বহরমপুরের সাংসদ মাননীয় অধীর রঞ্জন চৌধুরীর সাথে সাক্ষাৎ করেন। আন এডেড মাদ্রাসার চরম দুরবস্থার বিষয়টি তুলে ধরেন এবং আন এডেড মাদ্রাসা বিষয়ক স্মারকলিপি ওনার হাতে তুলে দেওয়া হয়।

তিনি আন এডেড মাদ্রাসার বঞ্চনার বিষয়ে মর্মাহত। দীর্ঘ ৯ বছর বঞ্চিত মাদ্রাসাগুলি পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং বিধানসভায় এই প্রস্তাবটি নিয়ে আলোচনা হয় সেই ব্যাপারে উনি দলের MLA দের সঙ্গে কথা বলবেন বলে আশ্বাস দেন। এই মাদ্রাসার শিক্ষক শিক্ষিকারা যে দীর্ঘ ছয় বছর ধরে তিন জন শিক্ষকের SPQM এর টাকা পাচ্ছে না সেই ব্যাপারে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে কথা বলবেন বলে আশ্বাস দেন।

সর্বোপরি আন এডেড মাদ্রাসার শিক্ষকদের নবান্ন অভিযানের সময় অধীর বাবু নিজে সশরীরে উপস্থিত থাকবেন বলে আশ্বাস দেন। তাঁর এই আশ্বাস আন এডেড মাদ্রাসার শিক্ষকদের আন্দোলনে নতুন করে অক্সিজেন যোগাবে বলে মনে করেন ওয়েস্টবেঙ্গল রিকগনাইজড আন এডেড মাদ্রাসা টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন ।

সংগঠনের রাজ্য সভাপতি সেখ জাভেদ মিঞাদাদ বলেন,” আমরা যে নবান্ন অভিযান করতে চলেছি সেই নবান্ন অভিমানের আগে আমরা সমস্ত রাজনৈতিক এবং অরাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে কথা বলবো আমাদের আন্দোলনে সর্বতভাবে সহযোগিতা করার জন্য।” সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক শ্রী পলাশ রোম বলেন,”রাজ্য সরকার সংখ্যালঘুদের সঙ্গে যে বঞ্চনা প্রতারনা করছে তার একমাত্র উদাহরণ হলো এই আন এডেড মাদ্রাসা গুলো।”

Categories
রাজ্য

বাংলার ভূমিসন্তানদের করের অর্থে IISER Kolkata তে চলছে হিন্দি ভাষার প্রসার

বাংলার ভূমিসন্তানদের করের অর্থে IISER Kolkata তে চলছে হিন্দি ভাষার প্রসার

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: IISER কলকাতা। বাংলার অত্যন্ত গৌরবময় প্রতিষ্ঠানের একটি।
বাংলার গৌরবময় সেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাঙালি সহ বাংলার ভূমিসন্তানদের করের অর্থে চলছে হিন্দি ভাষার প্রসার, পালিত হচ্ছে ‘রাজভাষা কার্যশালা’।

নীচের ছবিটি দেখুন।
কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাংলা ভাষা যে ব্রাত্য থাকবে , সেটা নতুন করে বলার কিছু নেই।

কিন্তু সমস্যা দুটি জায়গায়:

১. হিন্দি ভাষায় লেখা রয়েছে যে আজকে ‘রাজভাষা কার্যশালা’ পালিত হবে।
সাংবিধানিক ভাবে হিন্দিকে রাজভাষার তকমা দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু ইংরেজি ভাষায় ‘Official Language Workshop’ বলা হল।
এবার প্রশ্ন হচ্ছে ভারতের তো ২২টি অফিশিয়াল ভাষা, কেন্দ্রীয় সরকারের দাপ্তরিক ভাষা হচ্ছে উভয় ইংরেজী ও হিন্দি।

সেখানে ‘Official Language Workshop’ কথার মধ্যে দিয়ে যে হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে ?
এইধরনের একটা মানসিকতা কি তৈরির চেষ্টা চলছে যে হিন্দি ভারতের রাষ্ট্রভাষা ?
আপনারা বিচার করুন ।

২. এখানে লেখা রয়েছে যে ‘Importance of Hindi in India’s renaissance’ , অর্থাৎ ভারতের নবজাগরণে হিন্দি ভাষার গুরুত্ব ।

রেনেসাঁস বা নবজাগরণ ইতিহাসচর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা যার নির্দিষ্ট সঙ্গা রয়েছে। “ভারতীয় রেনেসাঁস” বলে কোন ইতিহাসচর্চা-স্বীকৃত সময়কাল নেই। সেই পরিপ্রেক্ষিতে এই কথার মাধ্যমে তাহলে কি ভুল বোঝানোর চেষ্টা চলছে?
এবার প্রশ্ন হচ্ছে ‘ভারতের নবজাগরণ’ এই শব্দবন্ধটির ঐতিহাসিক সত্যতা কি ?

অর্থাৎ ‘ভারতীয় রেনেসাঁ’ একটা নির্দিষ্ট টেকনিকাল টার্ম যেটাকে এইভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে , এটা কার্যতঃ ভুল ইতিহাস শিক্ষা দেওয়ারই শামিল, এটা খুবই সুস্পষ্ট ।

এছাড়াও এর সঙ্গে হিন্দি ভাষার গুরুত্ব জুড়ে দেওয়ার সঙ্গে হিন্দি আগ্রাসনের ছাপ সুস্পষ্ট।

সর্বশেষে এটাই বলার বারংবার হিন্দি ভাষার প্রচার , প্রসার , হিন্দি ভাষাকে তুলে ধরার মধ্যে কি আপনার মনে হয় না এটা ভারতের সার্বভৌমত্ব তথা ঐক্যের ওপর আঘাত ?

এরপরেও কি আপনার মনে হয় না ভারতের বুকে হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আগ্রাসনের সামনে বাংলার ভূমিসন্তানরা সহ সকল অহিন্দি জাতির নাগরিকরা দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকে পরিণত হয়েছে ?

Categories
বিশ্ব

বাংলাদেশে মসজিদে বিস্ফোরণে ১৭ জন নিহত: বাকীদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক

বাংলাদেশে মসজিদে বিস্ফোরণে ১৭ জন নিহত: বাকীদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: সকাল পর্যন্ত মারা গেছে ১৭ জন। কিন্তু যারা এখনো বেঁচে আছে তাদের অবস্থাও খুব জটিল। অনেকেরই শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি। প্রধানমন্ত্রীও কিছুক্ষণ আগে খোঁজ নিয়েছেন ও নির্দেশ দিয়েছেন সম্ভাব্য সব কিছু করতে। আমরা সেটাই চেষ্টা করছি,” মিস্টার সেন বলছিলেন বিবিসি বাংলাকে।

ঢাকার কাছের শিল্প শহর নারায়ণগঞ্জের একটি মসজিদে শুক্রবার রাত সাড়ে আটটার দিকে বিস্ফোরণের পর আগুন ধরে গেলে এসব মানুষ গুরুতর অগ্নিদগ্ধ হন।

স্থানীয় একজন পুলিশ কর্মকর্তা বিবিসি বাংলাকে জানান, নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম তল্লা এলাকার বায়তুস সালাত মসজিদে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

বিস্ফোরণে অন্তত দুটি এসি পুড়ে গেছে ও জানালার কাঁচ উড়ে যায়। এরপর মসজিদে আগুন ধরে যায়।

এশার নামাজ পড়ার জন্য মসজিদে রাতে শতাধিক মুসল্লি এসেছিলেন। নামাজ শেষে তাদের অনেকে তখনো মসজিদেই ছিলেন। ঠিক তখনই বিস্ফোরণ হয়।

মসজিদটির ইমাম ও মুয়াজ্জিনসহ গুরুতর অগ্নিদগ্ধ ৩৭ জনকে জরুরী ভিত্তিতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইন্সটিটিউটে নিয়ে আসা হয়।

নারায়ণগঞ্জের দমকল বাহিনীর উপ পরিচালক আবদুল্লাহ আল আরেফিন বিবিসিকে জানিয়েছেন, মসজিদের ভেতরে গ্যাস জমে গিয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে তারা সন্দেহ করছেন।

বিবিসি বাংলাকে তিনি জানিয়েছিলেন যে, মসজিদটির মেঝের নিচ দিয়ে গ্যাসের পাইপ গেছে। সেই পাইপে ফুটো হয়ে মসজিদের ভেতরে হয়তো অনেক গ্যাস জমে ছিল। এই অবস্থায় কেউ ভেতরে ইলেকট্রিক সুইচ অন করার সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরণ ঘটেছে। সেখান থেকে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে গেছে। তারপর মসজিদের এয়ার কন্ডিশনারগুলোও বিস্ফোরিত হয়েছে।

তিনি বলেন, মসজিদের মেঝের নিচ দিয়ে কীভাবে গ্যাসের পাইপ গেল, সেটা একটা বড় প্রশ্ন। এগুলো তদন্ত করে দেখা হবে।

তিনি বলেন, স্থানীয় অনেক মানুষ জানিয়েছেন, মসজিদের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তারা প্রায়ই গ্যাসের গন্ধ পেতেন।

দমকল কর্মীরা গিয়ে মসজিদের মেঝের নীচ দিয়ে যাওয়া গ্যাস লাইন থেকে গ্যাস বেরুতে দেখেন। তারা গ্যাস লাইনটি বন্ধ করে দেন।বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কাছের শিল্প শহর নারায়ণগঞ্জের একটি মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় আজ সকাল পর্যন্ত এগার জন মারা গেছে।

এদিকেএ ঘটনা তদন্তের জন্য আলাদা করে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ফায়ার সার্ভিস, তিতাস গ্যাস ও জেলা প্রশাসন।