Categories
রাজ্য

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হলেন সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হলেন সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট:সোমেন মিত্রের মৃত্যুর পর ফের প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি হলেন লোকসভায় কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। বুধবার রাতে বিবৃতিতে তা ঘোষণা করল সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটি।

এআইসিসি সূত্রে বলা হচ্ছে, সোমেনবাবুর মৃত্যুর পর পরই অধীরবাবুর সঙ্গে দেখা করেছিলেন সর্বভারতীয় কংগ্রেসের তরফে বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সম্পাদক গৌরব গগৈ। কিন্তু অধীরবাবু তাঁকে বলেন, লোকসভায় দলের দায়িত্ব আমার উপরে রয়েছে। বরং তুলনায় নবীন কাউকে রাজ্যে দায়িত্ব দেওয়া হোক। এ প্রসঙ্গে দু’জনের নাম প্রস্তাব করেছিলেন তিনি। বহরমপুরের বিধায়ক মনোজ চক্রবর্তী এবং পুরুলিয়ার বাগমুন্ডির বিধায়ক নেপাল মাহাতো।

দলীয় সূত্রে খবর, অধীরবাবু যখন কোনও তুলনায় নবীনকে দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলছেন, তখন অশীতিপর কংগ্রেস নেতা তথা রাজ্যসভার সদস্য প্রদীপ ভট্টাচার্য প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করতে শুরু করে দেন দলের মধ্যে। কিন্তু তাতে আপত্তি জানান বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান। তিনি সনিয়া গান্ধীকে চিঠি দিয়ে বলেন, অধীর চৌধুরীকেই প্রদেশ কংগ্রেসের দায়িত্ব দেওয়া হোক।

শেষমেশ হলও তাই। ঘরোয়া আলোচনায় গৌরব জানিয়েছেন, আসলে অধীরবাবু ছাড়া বিকল্প নেই। রাজ্য কংগ্রেসের নেতাদের মধ্যে তাঁর গ্রহণযোগ্যতাই সবথেকে বেশি।

Categories
রাজ্য

করোনা চলে গিয়েছে, দিদিমনি ঢং করে লকডাউন করছেন: ভিড়ে ঠাসা জনসভায় বললেন দিলীপ ঘোষ

করোনা চলে গিয়েছে, দিদিমনি ঢং করে লকডাউন করছেন: ভিড়ে ঠাসা জনসভায় বললেন দিলীপ ঘোষ

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: কোনও ভাবেই লাগাম টানা যাচ্ছে না করোনা সংক্রমণে। গোটা দেশে প্রতিদিন আক্রান্তের পাশাপাশি মৃত্যুর ঘটনাও উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়ছে। এই মাসে বেশ কয়েকদিন মৃত্যু ও আক্রান্ত নিরিখে বিশ্বের মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করছে ভারত। দেশের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ তার বাইরে নয়। এখানেও আক্রান্তের পাশাপাশি মৃত্যুর ঘটনায় লাগাম টানা যাচ্ছে না।

এখনও ভ্যাকসিনের দেখা নেই। তবে কবে করোনা বাগে আসবে তার নিশ্চয়তা দিতে পারছেন না বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। এমন পরিস্থিতির মধ্যে এবার আজব দাবি করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বুধবার হুগলির ধনিয়াখালি একটি জনসভায় প্রকাশ্যে তিনি দাবি করেন, করোনা চলে গিয়েছে। তাঁর এই দাবি নিয়ে শুরু হয়ে যায় সোরগোল। প্রতিদিন নিয়ম করে যেভাবে আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা বাড়ছে, তাতে কীভাবে দিলীপ ঘোষ করোনা চলে গিয়েছেন বলে দাবি করলেন তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।

বুধবার ধনিয়াখালি জনসভায় দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘করোনা চলে গিয়েছে। দিদিমণি শুধু শুধু ঢং করছেন, লকডাউন করছেন যাতে বিজেপি মিটিং-মিছিল না করতে পারে। কিন্তু, আমরা যেখানে বেরিয়ে পড়ব, সেখানেই মিছিল হয়ে যাবে। যেখানে দাঁড়িয়ে পড়ব সেখানেই মিটিং হয়ে যাবে। কেউ আটকাতে পারবে না। আমাদের মিটিংয়ে এত ভিড় দেখে দিদির ভাইদের শরীর খারাপ। করোনাতে নয়, বিজেপির ভয়ে তাদের শরীর খারাপ হয়ে পড়ছে।‘

Categories
দেশ

করোনা আবহে মধ্যপ্রদেশে বিজেপির কলস যাত্রায় সামাজিক দূরত্বের বালাই নেই

করোনা আবহে মধ্যপ্রদেশে বিজেপির কলস যাত্রায় সামাজিক দূরত্বের বালাই নেই

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: প্রতিদিন করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন প্রায় ৯০ হাজার জন। মারা যাচ্ছেন হাজারের ওপর। কিন্তু তারমধ্যেই সোশ্যাল ডিস্টেন্সিংকে শিকেয় তুলে রাজনৈতক কর্মসূচি নিচ্ছে বিজেপি। ইন্দোরে বিজেপির উদ্যোগে হল কলস যাত্রা আসন্ন উপনির্বাচনে প্রার্থী তুলসী সিলাওয়াতের সমর্থনে।

সানওয়ের বিধানসভা থেকে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন তিনি। কিছুদিনের মধ্যে ২৭টি আসনে উপনির্বাচন। এই ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে মধ্যপ্রদেশে শিবরাজ সরকারের অস্তিত্ব। ফলে স্বাভাবিকভাবেই জনসমর্থন জোগাড় করতে মরিয়া বিজেপি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী যখন নিজে বারবার দুই গজের দূরত্ব বজায় রাখতে বলছেন, তখন তাঁর কথাকে উপেক্ষা করে এমন রাজনৈতিক অনুষ্ঠান করা কতটা যুক্তিযুক্ত, সেই প্রশ্ন থেকেই যায়।

Categories
দেশ

করোনা ভাইরাস নয়, সরকারের অপরিকল্পিত লকডাউন দেশের গরীব মানুষকে বেশি ক্ষতি করেছে : রাহুল গান্ধী

করোনা ভাইরাস নয়, সরকারের অপরিকল্পিত লকডাউন দেশের গরীব মানুষকে বেশি ক্ষতি করেছে : রাহুল গান্ধী

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: করোনা মোকাবিলায় সরকারের নীতি নিয়ে শুরু থেকেই আক্রমণ করে আসছে কংগ্রেস। তবে বুধবার কার্যত উলটো কথা শোনা গেল রাহুল গান্ধীর মুখে। সরকার করোনা রুখতে প্রথম যে পদক্ষেপ নিয়েছিল, সেই লকডাউনের সমালোচনায় এবার সরব হলেন রাহুল। তাঁর অভিযোগ, সরকারের লকডাউন ছিল অপরিকল্পিত। যা কিনা আসলে করোনার উপর নয়, বরং গরিব এবং খেটে খাওয়া মানুষের উপর আক্রমণ।

দিন কয়েক আগেই করোনা পরিস্থিতি এবং ভারত চিন সীমান্ত নিয়ে কয়েকটি ভিডিওর মাধ্যমে মোদি সরকারের ব্যর্থতার খতিয়ান তুলে ধরতে দেখা গিয়েছিল রাহুলকে । সেই ভিডিও সিরিজে এবার নতুন সংযোজন হয়েছে অর্থনীতি। বুধবার নিজের নতুন ভিডিও সিরিজ ‘অর্থব্যবস্থা কি বাত’-এর শেষ পর্ব প্রকাশ করেছেন রাহুল। আর সেখানেই লকডাউন নিয়ে মোদি সরকারকে নতুন করে তোপ দেগেছেন এই কংগ্রেস নেতা। রাহুলের দাবি, মোদি সরকারের এই হটকারি সিদ্ধান্ত দেশের অসংগঠিত ক্ষেত্রের কোমর ভেঙে দিয়েছে। লকডাউন আসলে অসংগঠিত ক্ষেত্রের উপর সংগঠিত আক্রমণ।

‘অর্থব্যবস্থা কি বাত’ সিরিজের শেষ ভিডিওতে প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি বলছেন,”করোনার নামে মোদি যেটা করেছেন, সেটা অসংগঠিত ক্ষেত্রের উপর তৃতীয় আক্রমণ। দেশের গরিবেরা দৈনিক রোজগারের উপর নির্ভরশীল। আপনি কোনও নোটিস ছাড়াই লকডাউন করছেন মানে, এদের বিপদে ফেলেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলছিলেন, এটা নাকি ২১ দিনের লড়াই। কিন্তু এই ২১ দিনেই অসংগঠিত ক্ষেত্রের শিরদাঁড়া ভেঙে গিয়েছে।”

রাহুলের দাবি, কংগ্রেস বারবার প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করেছে, যাতে সরাসরি অর্থ দিয়ে সাধারণ মানুষ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে সাহায্য করা হয়। কিন্তু সরকার সেকথা শোনেনি। কংগ্রেস নেতার অভিযোগ,”আমরা সরকারকে বারবার বলেছি গরিবদের সাহায্য করুন। কিন্তু সরকার তা না করে ১০-১৫ জন কর্পোরেটের কর মকুব করেছে। লকডাউন আসলে করোনার উপর আক্রমণ নয়, আক্রমণ গরিবদের উপর।”

Categories
দেশ

এধরনের ব্যক্তিকে এত গুরুত্ব দেওয়া উচিত নয়: কঙ্গনা নিয়ে মন্তব্য শরদ পাওয়ারের

এধরনের ব্যক্তিকে এত গুরুত্ব দেওয়া উচিত নয়: কঙ্গনা নিয়ে মন্তব্য শরদ পাওয়ারের

 

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: করোনাভাইরাস পরিস্থিতি এবং হালে সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুকে ঘিরে উত্তাল হয়েছে মুম্বই। এবার অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াতের কারণে আরও একবার উত্তপ্ত হল বাণিজ্য নগরী। বেশকিছু দিন ধরেই শিবসেনা সাংসদ সঞ্জয় রাউত এর সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েছেন অভিনেত্রী।

মুম্বাই তথা মহারাষ্ট্রকে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের সঙ্গে তুলনা করার পর উত্তেজনা আরও চড়েছে। এবার মুম্বইয়ে কঙ্গনার অফিস ভেঙে দেওয়া নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। এই প্রেক্ষিতে এবার মুখ খুললেন এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ার। মন্তব্য করলেন, হয়তো বিএমসি আধিকারিকরা পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন মনে করেছেন।

শরদের কথায়, এই ধরনের মানুষদের একটু বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কঙ্গনা প্রসঙ্গে তাঁর মত, এই ধরনের মানুষকে বুঝতে হবে তাদের একটা মন্তব্য মানুষের উপর কি প্রভাব ফেলে।

এনসিপি সুপ্রিমো বলছেন, মানুষ হয়তো এই ধরনের মন্তব্য এত গুরুত্ব দিয়ে দেখে না, তারা পুলিশ ফোর্সের ওপর দীর্ঘদিন ভরসা করে আসছে এবং জানে তারা কতটা দায়িত্ববান। মানুষের হয়তো এই ধরনের মন্তব্য বা এধরনের ব্যক্তিকে এত গুরুত্ব দেওয়া উচিত নয়।

Categories
বিশ্ব রাজ্য

রাষ্ট্রসংঘে ফের সেরার স্বীকৃতি পেল মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির ‘সবুজ সাথী’ ও ‘উৎকর্ষ বাংলা’

রাষ্ট্রসংঘে ফের সেরার স্বীকৃতি পেল মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির ‘সবুজ সাথী’ ও ‘উৎকর্ষ বাংলা’

 

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে রীতিমতো অক্সিজেন হয়ে দেখা দিল রাষ্ট্রসংঘের পুরস্কার। রাষ্ট্রসংঘে সেরার পুরস্কার পেল রাজ্য সরকারের ‘সবুজ সাথী’ প্রকল্প। শুধু তাই নয়, স্কিল ডেভেলপমেন্টে সেরার শিরোপা ছিনিয়ে নিয়েছে বাংলারই ‘উৎকর্ষ বাংলা’ প্রকল্প। সারা বিশ্বের ১৬০টি দেশের বিভিন্ন প্রকল্পের মধ্যে বাংলার দুই প্রকল্প পেল সেরার তকমা। যা রাজ্যের জন্যে রীতিমতো সম্মানের।

উল্লেখ্য, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যে-সব সরকারি প্রকল্প চালু রয়েছে, তার মধ্যে থেকে সেরা প্রকল্পগুলিকে বেছে নিয়ে পুরস্কৃত করে রাষ্ট্রসংঘ। সেটা ওয়ার্ল্ড সামিট অন দ্য ইনফরমেশন সোসাইটি অ্যাওয়ার্ড নামে পরিচিত। এই সম্মান প্রশাসনিক সাফল্যের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সম্মান হিসাবে ধরা হয়। স্বভাবতই বিধানসভা ভোটের কয়েক মাস আগে এই সেরার শিরোপা পাওয়াকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের অন্যতম বড় সাফল্য হিসাবে মনে করা হচ্ছে।

গত ৭ সেপ্টেম্বর ১৬০টি দেশের তরফে মোট ১৬০০টি প্রকল্পের মধ্যে প্রতিযোগিতার ভার্চুয়ালি ফলাফল প্রকাশ করা হয়। সেখানেই সেরার শিরোপা জিতে নিয়েছে বাংলার এই দুই প্রকল্প।

উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগেই নবান্নের প্রশাসনিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ‘আমরা এ রাজ্যে সাইকেল কারখানা করতে চাই। আমাদের এখানে ‘সবুজ সাথী’ প্রকল্পে যখন এত বেশি সাইকেল দেওয়া হচ্ছে, তাহলে কেন এখানে সাইকেল কারখানা তৈরি হবে না? এতে তো আমাদের এখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পেতে পারে। এই বিষয়টি দেখতে হবে।’ গত বছরও রাষ্ট্রসংঘে পুরস্কার জিতেছিল ‘সবুজ সাথী’।

অপরদিকে, ‘উৎকর্ষ বাংলা’ প্রকল্পে রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য নানা ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। টেলারিং, থেকে ফোন রিপেয়ারিং, টিভি-ফ্রিজ সারানো-সহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে রাজ্য সরকার। বেকারত্ব দূর করার লক্ষ্যে ফি-বছর রাজ্যের প্রায় ৬ লক্ষ যুবক-যুবতীকে হাতের কাজ শেখানো হয়। এই কাজের স্বীকৃতি হিসাবেই রাষ্ট্রসঙ্ঘের সেরা পুরস্কার জিতে নিয়েছে ‘উৎকর্ষ বাংলা’। এই প্রকল্পটিও গতবছর রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে ক্যাপাসিটি বিল্ডিং বিভাগে প্রথম পুরস্কার জিতে নিয়েছিল। এবার পুনরায় আবার এই দুটি প্রকল্প বিশ্ব দরবারে পুরস্কৃত হওয়ায় নিঃসন্দেহে রাজ্যের কাছে একটি গর্বের মুহূর্ত তৈরি হল।

Categories
রাজ্য

NEET পরীক্ষার্থীদের কথা ভেবে ১১-১২ই সেপ্টেম্বর ঘোষিত লকডাউন প্রত্যাহার করার দাবি ফ্র্যাটারনিটি মুভমেন্টের

NEET পরীক্ষার্থীদের কথা ভেবে ১১-১২ই সেপ্টেম্বর ঘোষিত লকডাউন প্রত্যাহার করার দাবি ফ্র্যাটারনিটি মুভমেন্টের

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: দেশে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে NEET এবং JEE পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহন সম্পূর্ণ অমানবিক মনে করে পুনর্বিবেচনার দাবি জানায় ছাত্র ও যুব সংগঠন ফ্র্যাটারনিটি মুভমেন্টের কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নেতৃত্ব । কিন্তু পরীক্ষার্থীদের আপত্তিকে অগ্রাহ্য করে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে আগামী ১৩ই সেপ্টেম্বর সর্বভারতীয় পর্যায়ে NEET পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকারের পূর্বঘোষিত ১১ ও ১২ই সেপ্টেম্বরের লকডাউন পরীক্ষার্থীদের সেন্টারে পৌঁছানো নিয়ে হয়রানি ও আশঙ্কা আরো বাড়ল বলে মনে করে ফ্র্যাটারনিটি মুভমেন্ট।

রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে যে সমস্ত পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেবে তাদের অনেককেই পরীক্ষার দুইদিন আগে কলকাতা বা শিলিগুড়িতে আসতে হয়। ফলে অভিভাবকদেরকে যাতায়াত ও শহরে থাকার ব্যবস্থা করতে চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হবে। তাই ছাত্র সমাজের কথা ভেবে অবিলম্বে ১১ ও ১২ই সেপ্টেম্বরের লকডাউন প্রত্যাহার করা উচিত বলে মনে করে সংগঠন ।

সংগঠনের রাজ্য সভাপতি মোঃআরাফাত আলী বলেন “দেশের সরকার লক্ষ লক্ষ ছাত্রদের জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে ঠেলে দিয়েছে , এই অবস্থায় পরীক্ষার আগের দুই দিন রাজ্য সরকারের পূর্বঘোষিত লকডাউন অসংখ্য শিক্ষার্থীর মনে সেন্টারে পৌঁছানো নিয়ে ভীতি কাজ করবে । তাই রাজ্য সরকারকে অবিলম্বে এই লকডাউন প্রত্যাহার করে রাজ্যের পরীক্ষার্থীদের মনের দুশ্চিন্তা মুক্ত করতে হবে। রাজ্য সরকারের উচিত এই সংকটময় পরিস্থিতিতে রাজ্যের পরীক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো ।

Categories
দেশ

আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় জঙ্গিদের শ্রেণিকক্ষ বলায় গ্রেফতার হিন্দু মহাসভার মুখপাত্র অশোক পাণ্ডে

আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় জঙ্গিদের শ্রেণিকক্ষ বলায় গ্রেফতার হিন্দু মহাসভার মুখপাত্র অশোক পাণ্ডে

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়কে জঙ্গিদের শ্রেণিকক্ষ বললেন হিন্দু মহাসভার মুখপাত্র অশোক পাণ্ডে। শুধু তাই নয়, আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা স্যার সৈয়দ আহমেদকে অনুপ্রবেশকারীও বললেন। এক নিউজ চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অশোক পাণ্ডে এই মন্তব্য করায় তার বিরুদ্ধে এফআইআর হয়। তার ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

উল্লেখ্য, গত আগস্ট মাসে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল নিশাঙ্ক আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন পরীক্ষার উদ্বোধনী উপলক্ষে প্রশংসা করে বলেছিলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা, শিক্ষক, ছাত্র সবাই জাতীয়তাবাদী। তার পরই হিন্দু মহাসভার নেতার এই মন্তব্য বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

জানা গেছে টিভি নিউজ চ্যানেলে হিন্দু মহাসভার মুখপাত্র অশোক পাণ্ডে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে মন্তব্য করায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। তার ভিত্তিতে সিভিল লাইন্স পুলিশ পাণ্ডেকে ১৫৩এ, ১৫৩বি ও ৫০৫(২) ধারায় তাকে গ্রেফতার করে। এফআইআর-এ বলা হয়েছে এই ধরনের মন্তব্য দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্বেষ সৃষ্টি করতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র শফি কিদয়াই জানিয়েছেন, পুলিশ তাদের অভিযোগ নথিবদ্ধ করেছে। পুলিশের কাছে অনুরোধ করা হয়েছে এএমইউ সম্পর্কে হিন্দু মহাসভার নেতার বিরূপ মন্তব্যের ভিডিও যেন সোশ্যাল মিডিয়া থেকে মুছে ফেলা হয়।

Categories
রাজ্য

নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত: NEET পরীক্ষার্থীদের থাকার ব্যবস্থা রাজ্যের হজ ভবনে

নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত: NEET পরীক্ষার্থীদের থাকার ব্যবস্থা রাজ্যের হজ ভবনে

সাইফুদ্দিন মল্লিক : সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা ‘নিট'(NEET) হবে আগামি ১৩ই সেপ্টেম্বর রবিবার। করোনা আবহাওয়াতে পরীক্ষা নিয়ে সুপ্রিমকোর্ট শুনানি হয়েছিল কয়েকবার, অবশেষে কেন্দ্রের মোদি সরকার তারিখ পরিবর্তন করলেন না। সমগ্র ভারতে ১৬ লাখের অধিক পরীক্ষার্থী চলছি বছরে নিট দিবেন।

রাজের ২০২০ বর্ষে ৭৭০৬১ জন নিট পরীক্ষা দিবেন। মেডিক্যাল প্রবেশিকার পরীক্ষার কেন্দ্র বা সেন্টার গুলি মূলত শহর ভিত্তিক, দূরদূরান্ত থেকে কয়েকশো কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের শহরে এসে পরীক্ষা দিতে হবে। রাজ্যের কলকাতা ও কলকাতার পার্শ্ববর্তী এলাকাতে সমস্ত পরীক্ষার সেন্টার। অল্প কয়েকটি সেন্টার আছে জলপাইগুড়িতে। মূল সমস্যা করোনা, ট্রেন চলছে না সাথে পর্যাপ্ত বাস নাই। এমন পরিস্থিতিতে পরীক্ষার আগের দিনে এসে কলকাতাতে থাকতে হবে অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীকে। এদিকে করোনার জন্য ১১ ও ১২ই সেপ্টেম্ব রাজ্যে লকডাউনে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের কপালে ভাঁজ তৈরি করেছে। উক্ত অবস্থাতে কলকাতাতে থাকার ব্যবস্থা করেছেন রাজ্য হজ কমিটি।

কাভিড পরিস্থিতি, ট্রেন বন্ধ, পর্যাপ্ত বাস নাই, এই পরিস্থিতিতে পরীক্ষার্থীদের সমস্যা দূর করতে পাশে দাঁড়িয়েছেন রাজ্য হজ কমিটি। কলকাতাতে তাদের দুটি ভবন মেডিক্যাল ছাত্রছাত্রীদের থাকার ব্যবস্থা করেছেন। কৈখালি হজ বিল্ডিং, পার্কসার্কাস হজ বিল্ডিং। সকল ধর্মের ছাত্রছাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে হজ হাউস। এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন রাজ্য হজ কমিটি।

কৈখালির ঠিকানা, কৈখালি VIP রোড, কলকাতা – ৫২, এটি কলকাতা বিমানবন্দরের নিকটবর্তী( এক কিমি দূরত্ব)। পার্সসার্কাসের ঠিকান, ২৬ -বি দিলখুশা স্ট্রীট, পার্কসার্কাস , কলকাতা – ১৩, এটি পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্ট এবং ট্রাম ডিপোর পাশে। রাজ্য হজ কমিটি সাথে যোগাযোগ – 9804522343 ( সৈয়দ নাইয়ার ইকবাল হাসমি), 8334991111 ( হোয়াটস অ্যাপ)।

পরীক্ষা সম্পর্কিত বিভন্ন সাহায্যে পাশে আছেন BASE সংগঠন। সংগঠনটি থাকা ও পথ নির্দেশিকা সম্পর্কিত বিভন্ন রকম সাহায্যে হেল্প লাইন চালু করেছেন, 8296418300 এবং 8876415415, উক্ত নম্বর ২৪ ঘন্টা খোলা।

Categories
রাজ্য

নিট পরীক্ষার্থীদের হয়রানির আশঙ্কা, লকডাউন প্রত্যাহারের আর্জি জামাআতের

নিট পরীক্ষার্থীদের হয়রানির আশঙ্কা, লকডাউন প্রত্যাহারের আর্জি জামাআতের

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: নিট পরীক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখে ১১ ও ১২ ই সেপ্টেম্বর রাজ্য সরকার ঘোষিত লকডাউন প্রত্যাহার করার আর্জি জানিয়েছেন জামাআতে ইসলামি হিন্দের পশ্চিমবঙ্গ শাখার সভাপতি মাওলানা আব্দুর রফিক সাহেব।

তিনি এক বিবৃতি বলেন, বিভিন্ন রাজ্যের আপত্তি থাকলেও শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে আগামী ১৩ ই সেপ্টেম্বর সর্বভারতীয় পর্যায়ে নিট পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। রাজ্যের রাজধানী কলকাতা ও শিলিগুড়ি শহরে নিট পরীক্ষা গ্রহণ করা হচ্ছে। কিন্তু পরীক্ষা নিয়ে নিট পরীক্ষার্থীরা হয়রানির আশঙ্কা করছে। কারন পরীক্ষার আগের দুদিন রাজ্যে লকডাউন ঘোষিত হয়েছে। ফলে দূরদূরান্ত থেকে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছানো দুরূহ ব্যাপার হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

বিশেষ করে বিভিন্ন জেলা থেকে যে সমস্ত পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবে তাদের অনেককেই পরীক্ষার দুইদিন আগে কলকাতা বা শিলিগুড়িতে আসতে হচ্ছে। ফলে যানবাহনে আসা, শহরে থাকা, খাওয়া – দাওয়ার ব্যবস্থাপনা করতে হচ্ছে যা খুবই কষ্টকর। তিনি আরো বলেন, এই ধরনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার কথা মাথায় রেখে আমি রাজ্য সরকারের কাছে আর্জি জানাচ্ছি পরীক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য ঘোষিত লকডাউন প্রত্যাহার করা হোক। যাতে করে নির্বিঘ্নে পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে পারে এবং অভিভাবক বা অভিভাবিকারা নিশ্চিন্ত হতে পারেন।