Categories
দেশ

এ কোন শাসন! মুসলিম যুবক বলে গনপিটুনি: হাতে ৭৮৬ লেখা থাকায় মেশিন করাত দিয়ে কেটে দেওয়া হল হাত

এ কোন শাসন! মুসলিম যুবক বলে গনপিটুনি: হাতে ৭৮৬ লেখা থাকায় মেশিন করাত দিয়ে কেটে দেওয়া হল হাত

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: উগ্র সাম্প্রদায়িক হিন্দুত্ববাদের নৃশংস হিংসার শিকার হলেন আরও এক আখলাক। এবার হরিয়ানায়। কাজের খোঁজে বেরিয়ে উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের আক্রমণের শিকার হয়ে নিজের হাত খোয়ালেন হরিয়ানার নানাউতার বাসিন্দা পেশায় ক্ষৌরকার ২৮ বছরের আখলাক।

তাঁর ভাই ইকরাম জানালেন পানিপতে পৌঁছনোর পর দু’জন এসে তাঁর নাম জানতে চায়। নাম জানার পরই তারা বেধড়ক মারতে শুরু করে। আধমরা করে তাঁকে রাস্তার ধারে ফেলে দেওয়া হয়। পিপাসায় বুক ফেটে যাচ্ছিল। পাশের একটি বাড়িতে জল চাইতে যান আখলাক। কিন্তু তাদের অবাক হওয়ার আরও বাকি ছিল। সেই বাড়ি থেকে একজন বেরিয়ে এসে আখলাককে ভিতরে টেনে নিয়ে যান এবং লাঠি দিয়ে পেটাতে শুরু করেন।

আখলাক বুঝতে পারেন যে এরা সেই লোক যারা কয়েক মিনিট আগে তাঁকে মারছিলেন। সেই বাড়িতে চারজন পুরুষ ও দু’জন মহিলা ছিলেন। যখন তারা দেখতে পেলেন যে আখলাকের হাতে ‘৭৮৬’ উল্কি করা আছে, তখন চেন করাত দিয়ে আখলাকের ডান হাত কেটে ফেলে।

আখলাকের ভাই ইকরামের বক্তব্য– ‘আখলাকের যখন ১৫ বছর বয়স তখন সে এই উল্কি করিয়েছিল। আমরা ‘৭৮৬’-তে বিশ্বাস করি। আমরা আল্লাহকে বিশ্বাস করি।’ এটাই তাঁদের অপরাধ! সকাল ৫টা নাগাদ আখলাকে জ্ঞান ফেরে। দেখেন যে এক রেল স্টেশনের ধারে পড়ে আছেন। এক অজ্ঞাত পরিচয় লোক ইকরামকে গোটা ঘটনাটা জানায়।

ইকরাম বলেন যে আখলাককে রেল স্টেশনের কাছে ফেলে দেওয়া হয় যাতে ট্রেন দুর্ঘটনার ফলে আখলাকের হাত কাটা গেছে সেটা প্রমাণ করা যায়। তারপর তাঁকে পানিপত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে ইকরাম গিয়ে দেখেন সেখানে এক জিআরপি আধিকারিক উপস্থিত আছেন।

এসআই তাঁকে বলেন যে সেটা একটা দুর্ঘটনা। হিংসার ঘটনাকে নস্যাৎ করে দিতে এসআই শুরুতেই একে দুর্ঘটনা বলে দাগিয়ে দেন। যেখানে আখলাকে হাত কাটা হয়েছিল সেখানে গিয়ে খোঁজ নিয়ে ইকরাম জানতে পারেন যে অপরাধীরা সাইনি সম্প্রদায়ের।

তাঁর কথা অনুযায়ী এসআই তাঁদের পানিপতের চাঁদনি বাগ থানায় নিয়ে যান এবং এফআইআর জমা নেন। আখলাককে পরে রোহতাক হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয় কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁকে ভর্তি নিতে চাননি। আখলাকের এখন চিকিৎসা চলছে নানাউতায়। এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ।

Categories
দেশ

দেশের ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শের অনুসারী সমাজকর্মী স্বামী অগ্নিবেশের জীবনাবসান

দেশের ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শের অনুসারী সমাজকর্মী স্বামী অগ্নিবেশের জীবনাবসান

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: প্রয়াত সমাজকর্মী স্বামী অগ্নিবেশ । দিল্লির লিভার অ্যান্ড বিলিয়ারি সায়েন্সেস ইনস্টিটিউটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তিনি লিভার সিরোসিসে ভুগছিলেন এবং গুরুতর অসুস্থ ছিলেন।

হাসপাতালের তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “১১ সেপ্টেম্বর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সন্ধ্যা ৬টায় তাঁর কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়। তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়েছিল কিন্তু লাভ হয়নি। সাড়ে ৬টায় তিনি প্রয়াত হন। আইএলবিএস এই প্রিয় নেতার মৃত্যুকে শোকপ্রকাশ করছে।”

হরিয়ানার প্রাক্তন বিধায়ক স্বামী অগ্নিবশের বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি আর্য সভা নামে একটি রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যা ১৯৭০ সালে আর্য সমাজের নীতিগুলির ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তিনি ধর্মের মধ্যে সংলাপের পক্ষেও ছিলেন। হরিয়ানার শিক্ষামন্ত্রীর পদে বসেন তিনি। ২০১১ সালে জন লোকপাল বিল বাস্তবায়নের জন্য আন্না হাজারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন সহ বেশ কয়েকটি সামাজিক আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। আর্য সমাজ নেতা মহিলা ভ্রূণ হত্যার বিরুদ্ধে অভিযান এবং নারী মুক্তি সহ বিভিন্ন সামাজিক ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে কাজ করেছিলেন।

তিনি দেশে বিজেপির বিভাজনের রাজনীতির তীব্র বিরোধী ছিলেন এবং বারবার দেশজুড়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাতাবরণ তৈরি করার জন্য বিভিন্ন রাজ্যে গিয়ে সভা-সমিতির সেমিনারে বক্তব্য প্রদান করতেন। তিনি হিন্দুত্ববাদীদের চক্ষুশূল থাকলেও দেশের শান্তিপ্রিয় ধর্মনিরপেক্ষ মানুষের কাছে একজন প্রকৃত দেশ প্রেমিক ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে ক্ষতি হলো দেশের সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের আন্দোলন মনে করছে বুদ্ধিজীবীমহল।

Categories
দেশ

গো-রাজনীতিতে এগিয়ে যোগী: জাতীয় সুরক্ষা আইনে গ্রেফতার করা অধিকাংশের ঘাড়ে দেওয়া হল গো হত্যার মামলা

গো-রাজনীতিতে এগিয়ে যোগী: জাতীয় সুরক্ষা আইনে গ্রেফতার করা অধিকাংশের ঘাড়ে দেওয়া হল গো হত্যার মামলা

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: গো-রাজানীতি নতুন মাত্র পাচ্ছে গোটা উত্তরপ্রদেশেই। অগাস্ট পর্যন্ত যোগী জাতীয় সুরক্ষা আইনের (এনএসএ) আওতায় যে ১৩৯ জন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে তার মধ্যেই ৭৬ জনের বিরুদ্ধেই গো হত্যার অভিযোগ রয়েছে। অতিরিক্ত মুখ্য সচিব (স্বরাষ্ট্র) অবনীশ কুমার অবস্তির শেষ জারি করা বিবৃতি অনুসারে এটাই জানা যাচ্ছে। এদিকে ইতিমধ্যেই গো হত্যার অভিযোগে ১০ বছরের জেল ও ৫ লক্ষ টাকা জরিমানার জন্য নতুন আইনও এনেছে যোগী সরকার।

অন্যদিকে ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত যে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে সেখানে দেখা যাচ্ছে গো হত্যার অভিযোগে যে সমস্ত ব্যক্তিদের উপর জাতীয় সুরক্ষা আইনের অভিযোগ আনা হয়েছে তার মধ্যে ৪৪টি মামলাই বরেলি পুলিশ জোনের অধীনেই করা হয়েছে। এদিকে ৬ই সেপ্টেম্বর উত্তরপ্রদেশের বাহরাইচে গো হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে আরও একজনের বিরুদ্ধে র বিরুদ্ধে জাতীয় সুরক্ষা আইন (এনএসএ) বলে মামা রুজু করা হয় বলে খবর।

এদিকে গত কয়েকমাসে যোগীরাজ্যে যেখানে নারী নির্যাতন, খুন, জখম, ধর্ষণের মতো ঘটনা আশঙ্কাজনক ভাবে বেড়েই চলেছে। সেখানে এই ধরণের অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পুলিশের তরফে এনএসএ দেওয়ার পরিসংখ্যান দেখে অবাক হচ্ছেন অনেকেই। সূত্রের খবর, মহিলা ও শিশুদের বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগে মাত্র ৬ জনের বিরুদ্ধে জাতীয় সুরক্ষা আইন বলে মামলা রুজু করা হয়েছে বলে অভিযোগ। পাশাপাশি অন্যান্য হিংসাত্মক ও জঘন্যতম অপরাধের জন্য ৩৭ জবের বিরুদ্ধে এনএসএ দেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

Categories
দেশ

কোথায় আচ্ছে দিন! বিশ্ব আর্থিক স্বাধীনতা সূচকে ২৬ ধাপ পিছিয়ে নেমে ১০৫ তম স্থানে গেল মোদির ভারত

কোথায় আচ্ছে দিন! বিশ্ব আর্থিক স্বাধীনতা সূচকে ২৬ ধাপ পিছিয়ে নেমে ১০৫ তম স্থানে গেল মোদির ভারত

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: আন্তর্জাতিক আর্থিক স্বাধীনতা সূচক ২০২০-র তালিকায় ভারত গত বছরের তুলনায় ২৬ ধাপ পিছিয়ে নেমে এসেছে ১০৫ তম স্থানে। এই রিপোর্ট যৌথভাবে প্রকাশ করেছে কানাডার ক্যাটো ইনস্টিটিউট ও ফ্রেজার ইনস্টিটিউট । ভারতে এই সূচক প্রকাশিত হয়েছে দিল্লির থিঙ্ক ট্যাঙ্ক সেন্টার ফর সিভিল সোসাইটির সঙ্গে হাত মিলিয়ে।
কোনও দেশে আর্থিক স্বাধীনতা কতটা তার পরিমাপই এই রিপোর্টের উদ্দেশ্য। ১৬২ দেশ ও অঞ্চলের সঙ্গে তুলনার ভিত্তিতে কোনও দেশের আর্থিক স্বাধীনতার পরিমাপ করা হয় বিভিন্ন নীতি ও প্রতিষ্ঠানগুলির কার্যকলাপ বিশ্লেষণের মাধ্যমে। রিপোর্টে ব্যক্তিগত পছন্দের পর্যায়, বাজারে প্রবেশের দক্ষতা, ব্যক্তিগত মালিকানাধীন সম্পত্তির নিরাপত্তা, আইন-শৃঙ্খলা সহ কিছু বিষয় বিবেচনায় রাখা হয়।
১০-র মাপকাঠিতে এই বিশ্লেষণ করা হয়। ১০-র কাছাকাছি নম্বর থাকলে সংশ্লিষ্ট দেশে আর্থিক স্বাধীনতার পর্যায় উঁচুতে রয়েছে বলে ধরে নেওয়া হয়।
গত বছরের আর্থিক স্বাধীনতা সূচকে ভারতের স্থান ছিল ৭৯ তম। এবার ২৬ ধাপ নেমে গিয়েছে ভারত।
২০১৮-র তথ্যভিত্তিক এই রিপোর্ট অনুসারে, সরকারের আয়তন, বিচার ব্যবস্থা , ব্যবসা. সম্পত্তির অধিকার, বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য সংক্রান্ত স্বাধীনতা, আর্থিক নিয়ন্ত্রণ ও শ্রমের মতো মাপকাঠিগুলিতে ভারতের পরিস্থিতির সামান্য অবনতি ঘটেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতে আর্থিক স্বাধীনতার বৃদ্ধির বিষয়টি বাজার সংক্রান্ত বিষয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে আরও বেশি উদারীকরণ সহ পরবর্তী প্রজন্মের সংস্কারের ওপর নির্ভর করেছে।

সূচকে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে হংকং ও সিঙ্গাপুর। তাদের স্কোর যথাক্রমে ৮.৯১ ও ৮.৭১। এছাড়াও সামনের সারিতে রয়েছে নিউজিল্যান্ড, সুইতজারল্যান্ড, আমেরিকা, আয়ারল্যান্ড, ব্রিটেন, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও মরিশাসের মতো দেশ। তালিকায় সর্বনিম্ন দশটি স্থানে যে দেশগুলি রয়েছে, সেগুলি হল ইরাক, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, মিশর, সিরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, আলজেরিয়া, সুদান, লিবিয়া ও সবার শেষে ভেনেজুয়েলা।

Categories
দেশ

শিবসেনা সাংসদকে হুমকির অভিযোগে কলকাতা থেকে গ্রেফতার এক কঙ্গনা ভক্ত

শিবসেনা সাংসদকে হুমকির অভিযোগে কলকাতা থেকে গ্রেফতার এক কঙ্গনা ভক্ত

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: কলকাতা: গত কয়েক দিন ধরেই অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত বনাম মহারাষ্ট্রের শাসকদল শিবসেনা বিতর্ক তুঙ্গে। এরই মধ্যে অভিনেত্রীর জন্য শিবসেনা সাংসদ সঞ্জয় রাউতকে ফোনে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ মুম্বই পুলিশ টালিগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করল এক জিম প্রশিক্ষককে।

টালিগঞ্জের বাসিন্দা পলাশ বসু পেশাগত ভাবে মাল্টিজিমের প্রশিক্ষক। কঙ্গনা রানাউতকে নিয়ে শিবসেনা মুখপাত্র সঞ্জয় রাউতকে হুমকি ফোন করার অভিযোগে কলকাতা থেকে গ্রেফতার করা হয় বছর চল্লিশের পলাশকে।

জানা গিয়েছে, গত ২-৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল প্রযুক্তি ব্যবহার করে সঞ্জয় রাউতকে ফোনে হুমকি দেওয়া হয়। তবে ওই ফোনের আইপি অ্যাড্রেস খতিয়ে দেখার পরই পলাশকে শনাক্ত করা হয়।

শুক্রবারই তাঁকে আলিপুর আদালতে তোলার কথা। সেখানে ট্রানজিট রিমান্ডে তাঁকে মুম্বই নিয়ে যাওয়ার আবেদন জানাবে মুম্বই পুলিশ।

Categories
দেশ

রাজ্যসভায় ডেপুটি চেয়ারম্যান নির্বাচনে বিজেপি ও বিরোধী কোন পক্ষেই ভোট দেবে না তৃণমূল কংগ্রেস

রাজ্যসভায় ডেপুটি চেয়ারম্যান নির্বাচনে বিজেপি ও বিরোধী কোন পক্ষেই ভোট দেবে না তৃণমূল কংগ্রেস

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: বিহার ভোটের আগেই রাজ্যসভায় বিহারের ‘মিনি ভোট’। রাজ্যসভায় ডেপুটি চেয়ারম্যান পদের নির্বাচনে এনডিএ-জোটের প্রার্থী জেডি-ইউ নেতা হরিবংশের বিরুদ্ধে বিরোধী জোটের প্রার্থী হচ্ছেন আরজেডি-র মনোজ ঝা। তৃণমূল নেতৃত্ব অবশ্য একে কংগ্রেসের ‘ভুল রাজনৈতিক পদক্ষেপ’ হিসেবে দেখছে। তাই তৃণমূল সোমবার ওই ভোট প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের মতে, কংগ্রেস নেতৃত্ব তৃণমূলের সঙ্গে দলীয় স্তরে আলোচনা না করেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রাজ্যসভায় সংখ্যার হিসেবে এনডিএ জোটের প্রার্থীই জিতবেন। তা জেনেও বিহারের দল জেডি-ইউর প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিরোধী শিবিরের বিহারের দল আরজেডি-র সাংসদকে প্রার্থী করা ভুল রাজনৈতিক পদক্ষেপ। এর ফলে রাজ্যসভার একটি আপাত ভাবে গুরুত্বহীন নির্বাচনে জিতেও বিহারে বিজেপি, জেডি-ইউ জোটকে ‘অ্যাডভান্টেজ’ পাইয়ে দেওয়া হচ্ছে।

কাল সকালে মনোজ ঝা মনোনয়ন জমা দেবেন। কিন্তু তৃণমূলের কোনও সাংসদই থাকবেন না। রাজনৈতিক সূত্রের খবর, কংগ্রেস নেতৃত্বের তরফে তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েনকে ফোন করে মনোনয়ন জমার সময় হাজির থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। মনোজ নিজেও ডেরেককে ফোন করেন। কিন্তু তৃণমূলের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, কাল তৃণমূলের কোনও সাংসদই দিল্লিতে হাজির থাকছেন না।

কংগ্রেস নেতৃত্বই রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান পদে বিজেপি-র বিরুদ্ধে প্রতীকী লড়াইয়ে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কংগ্রেস প্রথমে ডিএমকে-র তিরুচি শিবাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব দেয়। ডিএমকে পিছিয়ে যাওয়ায় এনসিপি থেকে প্রার্থী করানোর চেষ্টা হয়। শেষে আরজেডি। কংগ্রেস সূত্রের দাবি, তৃণমূলকেও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

সোমবার সংসদের বাদল অধিবেশনের প্রথম দিনেই ডেপুটি চেয়ারম্যান পদের নির্বাচন। দিনের প্রথমার্ধে রাজ্যসভা, দ্বিতীয়ার্ধে লোকসভার অধিবেশন বসবে। শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য দু’টি কক্ষেই সাংসদেরা বসবেন। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা বলেন, লোকসভার অধিবেশনের সময় ২৫৭ জন লোকসভার হলেই বসবেন। ১৭২ জন লোকসভার গ্যালারিতে, ৬০ জন রাজ্যসভায় ও ৫১ জন রাজ্যসভার গ্যালারিতে বসবেন। সেখান থেকে ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে তাঁরা অধিবেশনে যোগ দেবেন।

Categories
দেশ

চিন আমাদের ভূমি দখল করল, সেটাও কি ভগবানের কাজ বলা হবে? কেন্দ্রকে প্রশ্ন রাহুল গান্ধীর

চিন আমাদের ভূমি দখল করল, সেটাও কি ভগবানের কাজ বলা হবে? কেন্দ্রকে প্রশ্ন রাহুল গান্ধীর

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: লাদাখ সীমান্তে চিন সেনাবাহিনীর একাধিক অনুপ্রবেশ নিয়ে বহুবার কেন্দ্রীয় সরকারকে নিশানায় নিয়েছেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। মূলত অর্থনীতি এবং দেশের নিরাপত্তা এই দুই তাঁর প্রধান অস্ত্র হয়ে উঠেছে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে। এদিন ফের একবার কেন্দ্রকে লাদাখ ইস্যুতে কোণঠাসা করার চেষ্টা করেছেন রাহুল গান্ধী।

এদিন টুইটে তিনি লেখেন, ‘চিন আমাদের ভূখণ্ড দখল করে নিল। ভারত সরকার ঠিক কখন এটা ফিরে পাওয়ার পরিকল্পনা করবে? নাকি এই ক্ষেত্রেও ‘অ্যাক্ট অফ গড’ আখ্যা দেওয়া হবে?’

রাহুল গান্ধী ইতিমধ্যেই একাধিকবার কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে মিথ্যে কথা বলার অভিযোগ তুলেছেন। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে সংসদে শুরু হতে চলা বাদল অধিবেশনে সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে মোদীকে আক্রমণ করার পরিকল্পনা নিয়েছে কংগ্রেস। এছাড়াও দেশজুড়ে লাগাতার বেড়ে চলা করোনা সংক্রমণ, জাতীয় শিক্ষানীতি, এবং বেকারত্বের ইস্যুকে হাতিয়ার করে কেন্দ্রকে কংগ্রেস নিশানায় নেওয়ার ছক কষেছে বাদল অধিবেশনে।

Categories
রাজ্য

সামসেরগঞ্জের নদী ভাঙন কবলিত ধানঘরায় মানুষের পাশে কবি সাহিত্যিকরা

সামসেরগঞ্জের নদী ভাঙন কবলিত ধানঘরায় মানুষের পাশে কবি সাহিত্যিকরা

 

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: মুর্শিদাবাদ জেলার সামসেরগঞ্জের নদী ভাঙন কবলিত ধানঘরাতে নদীভাঙন প্রতিরোধ করতে এবং নিঃস্ব, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে ও সরকারি সহায়তার দাবি তুলে বুধবার স্থানীয় কবি, সাহিত্যিকগণ বিডিওর কাছে আর্জি জানায় ও সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

তাঁরা সরকারকে এই পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে ও তাদের পূনর্বাসনের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানান। উপস্থিত ছিলেন কবি মোঃ তোহা সেখ, কবি মোঃ ইজাজ আহামেদ,কবি স্বাগতা সান্যাল, সাহিত্যিক আনোয়ার হোসেন সিদ্দিকী, শিক্ষক আনসার সেখ, মোঃ সালাউদ্দিন প্রমুখ।

 

Categories
রাজ্য

মন্ত্রী হয়েও কাজের সুযোগ মেলেনি: বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে লড়বে কিনা, সিদ্ধান্ত নেবে জমিয়ত

মন্ত্রী হয়েও কাজের সুযোগ পাননি: বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে লড়বে কিনা, সিদ্ধান্ত নেবে জমিয়ত

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: বিধানসভা ভোটের দিকে তাকিয়ে নানা অঙ্ক কষা শুরু হয়েছে সব শিবিরেই। তার মধ্যেই রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর ফের প্রার্থী হওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে শাসক শিবিরে। সিদ্দিকুল্লা আদৌ আবার ভোটে দাঁড়াবেন কি না বা দাঁড়ালেও তৃণমূলের টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন কি না, এই সব প্রশ্নই মাথাচাড়া দিয়েছে। তৃণমূল এখনও এই বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত না নিলেও সংশয় তৈরি করেছে সিদ্দিকুল্লার মূল সংগঠন জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ। তৃণমূলের বিধায়ক হওয়ার পরে তাঁর সঙ্গে এলাকায় শাসক দলের ‘অসহযোগিতা’ই সিদ্দিকুল্লাদের মূল অভিযোগ এবং তা নিয়েই সমস্যা।

সামাজিক সংগঠন জমিয়তে ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে না। তাদের কোনও পদাধিকারী রাজনীতির ময়দানে নামলে বা সাংসদ-বিধায়ক হতে গেলে সংগঠনের ওয়ার্কিং কমিটির সম্মতি লাগে। তৃণমূলের বিধায়ক এবং রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী হওয়ার পাশাপাশি সিদ্দিকুল্লা এখন জমিয়তের রাজ্য সভাপতি। সেই জমিয়তের রাজ্য ওয়ার্কিং কমিটি আলোচনা করে এ বার ৭ সদস্যের বিশেষ কমিটি গড়েছে সিদ্দিকুল্লার ‘ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক গতিপথ’ নির্ধারণের জন্য। কমিটির আহ্বায়ক জমিয়তের রাজ্য সম্পাদক আব্দুস সালাম। ওয়ার্কিং কমিটির প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ‘রাজ্য পর্যায়ে সভাপতি শীর্ষ পদ হলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সর্বোচ্চ মঞ্চ ওয়ার্কিং কমিটিই। তাই জমিয়তের এই সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ’।

সিদ্দিকুল্লা তৃণমূলের ‘আদি নেতা’ নন, শাসক দলে তাঁর সাংগঠনিক প্রভাবও উল্লেখযোগ্য নয়। তবে জমিয়তের প্রভাব যে হেতু রাজ্যের নানা জায়গায় সংখ্যালঘু মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে আছে, তাই বিজেপি-বিরোধিতার ময়দানে তাঁর উপস্থিতি তৃণমূলের পক্ষে লাভজনক। সিদ্দিকুল্লা সরে দাঁড়ালে সেই অঙ্কেই তৃণমূলের অস্বস্তির কারণ হতে পারে। শাসক দলের এক শীর্ষ নেতা অবশ্য বলছেন, ‘‘কারা প্রার্থী হবেন, গত বারের বিজয়ীদের মধ্যে কোথাও কাউকে বাদ দেওয়া হবে কি না, এই সব বিষয়ে সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। দলনেত্রী যথাসময়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। সিদ্দিকুল্লার এলাকায় কিছু সমস্যা আছে। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে দেখতে হবে।’’

সমস্যা কোথায়? সিদ্দিকুল্লা ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের অভিযোগ, তৃণমূলের টিকিটে ২০১৬ সালে মঙ্গলকোট থেকে বিধায়ক হলেও সেখানে শাসক দলের স্থানীয় নেতৃত্ব তার পরে তাঁর সঙ্গে কোনও সহযোগিতাই করেননি। বরং, পদে পদে সমস্যা তৈরি করেছেন। ওই কেন্দ্রের প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক শাজাহান চৌধুরীরও দাবি, গ্রন্থাগারমন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাকে এলাকার একটি লাইব্রেরি ছাড়া অন্য কোথাও কোনও কর্মসূচিতেই দেখা যায় না। করোনা এবং আমপান-পরবর্তী পরিস্থিতিতে সিদ্দিকুল্লারা রাজ্যের নানা জায়গায় প্রায় তিন কোটি টাকার ত্রাণসামগ্রী বিলি করেছেন জমিয়তের তরফেই। এমতাবস্থায় সিদ্দিকুল্লার বক্তব্য, ‘‘যে পরিস্থিতির মুখোমুখি আমাকে হতে হয়েছে, তার সুরাহা চেয়ে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে বারবার আর্জি জানিয়েছি। এখন জমিয়তের কমিটি গোটা বিষয়টি বিবেচনা করবে।’’

Categories
দেশ

তলানিতে দেশের GDP: মোদি সরকারের অবহেলায় গত ৫ মাসে চাকরি হারিয়েছেন ২ কোটির বেশি মানুষ

তলানিতে দেশের GDP: মোদি সরকারের অবহেলায় গত ৫ মাসে চাকরি হারিয়েছেন ২ কোটির বেশি মানুষ

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: :করোনা মহামারির মধ্যে গত এপ্রিল থেকে আগস্ট, এই পাঁচ মাসের মধ্যে ভারতের প্রায় ২ কোটি ১০ লাখ মাসিক বেতনভূক্ত চাকরিজীবী তাদের কাজ হারিয়েছেন। বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মহীন হয়ে পড়ার এই চিত্র উঠে এসেছে সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি (সিএমআইই) নামের একটি পরামর্শক সংস্থার পরিসংখ্যানে।

সিএমআইই-এর সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০১৯-২০ অর্থবছর শেষে যেখানে বেতনভূক্ত চাকরিজীবীর সংখ্যা ছিল ৮ কোটি ৬০ লাখ, সেখানে আগস্টে তা নেমে এসেছে ৬ কোটি ৫০ লাখে। অর্থাৎ, কমেছে ২.১ কোটি। লকডাউনে এপ্রিল, মে মাসে তো অনেকে কাজ হারিয়েছেন, জুলাই ও আগস্টেও সেই সংখ্যা যথাক্রমে ৪৮ এবং ৩৩ লাখ।

তবে দেশের চাকরির বাজারে এই ধস শুধু মহামারির কারণে নয়। করোনা প্রাদুর্ভাব শুরুর আগে থেকেই দেশটির অর্থনীতির অবস্থা ছিল খারাপ। করোনায় তা নাজেহাল হয়ে পড়েছে। জিডিপির আকার চার দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ সংকুচিত হয়েছে। ফলে দেশটির আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে কর্মহীন মানুষের সংখ্যা।

করোনার বছরে ভারতে গড় বেতন বৃদ্ধির হার কোন তলানিতে ঠেকেছে, সে বিষয়ে সম্প্রতি একটি সমীক্ষা প্রকাশ করেছে ডেলয়েট-তুশ। সংস্থাটির অংশীদার আনন্দরূপ ঘোষ বলছেন, ‘গত কয়েক বছর ধরেই অর্থনীতির রেখচিত্র এবং মুনাফার হার নিম্নমুখী হওয়ার কারণে ভারতে গড় বেতন বৃদ্ধির গতির এই ঢিমেতাল।’

তিনি আরও বলেন, ‘যদিও এ বছরে করোনা বিশ্ব অর্থনীতিকে মন্দার মুখে ঠেলে দেয়ার পরে বেতন বৃদ্ধি স্থগিত রাখা কিংবা একেবারে সামান্য হারে তা দেয়া ছাড়া অন্য পথ তেমন খোলা ছিল না নিয়োগকারীদের সামনে।’

অর্থাৎ, করোনার কারণে এ বছর চাকরিজীবীদের ভুগতে হচ্ছে ঠিকই। কিন্তু বেহাল অর্থনীতির খেসারত গত কয়েক বছর ধরেই দিচ্ছেন তারা। অথচ চাকরিজীবীদের কেনাকাটার ওপরে যেহেতু বহু পণ্য-পরিষেবার চাহিদা অনেকখানি নির্ভরশীল, তাতে টান পড়ার মাসুল গুনে ঘুরে দাঁড়াতে খাবি খাচ্ছে দেশের অর্থনীতিও।

লকডাউন শিথিল হতে শুরু করার পরে অসংগঠিত ক্ষেত্রে কিছুটা গতি ফিরেছে। মূলত পরিযায়ী শ্রমিকদের কথা মাথায় রেখে চালু হওয়া সরকারি প্রকল্পে রোজগারের জন্য নাম লিখিয়েছেন কাজ খোয়ানো অনেকে। ফলে সব মিলিয়ে, ওই ক্ষেত্রে কর্মরতের সংখ্যা বরং কিছুটা বেড়েছে। অথচ তার ঠিক উল্টো ছবি চাকরির ক্ষেত্রে।

সিএমআইই পরিচালিত সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, ভারতে ২০১৯-২০ অর্থবছরের শেষের তুলনায় গত জুলাইয়ে অসংগঠিত ক্ষেত্রে কাজের সংখ্যা যেখানে নিট ৮০ লক্ষ (২ দশমিক ৫ শতায়) বেড়েছে, সেখানে শুধু লকডাউনের সময়েই বেতনভূক্ত চাকরির সংখ্যা কমেছে ১ কোটি ৮৯ লাখ বা ২২ শতাংশ!

২০১৭-১৮ অর্থবছরে ভারতে বেতনভূক্ত চাকরি বেড়েছিল মাত্র ১.৬ শতাংশ। ২০১৮-১৯ সালে ০.০১ শতাংশ। ২০১৯-২০ সালে উল্টো চাকরির সংখ্যা সরাসরি কমেছে ১.৮ শতাংশ। যে কারণে, ২০১৬-১৭ সালে দেশে যেখানে ৮.৬৩ কোটি চাকরি ছিল, সেখানে লকডাউনের আগেই ২০১৯-২০ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৮.৬১ কোটি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, তিন বছরের ব্যবধানে যদি ভারতের মতো বিপুল জনসংখ্যার দেশে চাকরির সংখ্যা কমে যায়, তা হলে অর্থনীতি চট করে চাঙ্গা হওয়া কঠিন। কারণ, দেশে নির্দিষ্ট বেতনভূক্ত চাকরিতেই মূলত মাসিক আয় তুলনায় বেশি। কিছুটা বেশি চাকরির স্থায়িত্ব এবং সুযোগ-সুবিধাও।

তাই অসংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীদের তুলনায় এদের ক্রয় ক্ষমতা বেশি। ভরসা করে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ নিয়ে কেনার চেষ্টা করেন বাড়ি-গাড়ি। চেষ্টা করেন বাড়তি সঞ্চয়েরও। তাই সেই চাকরির সংখ্যা কিংবা বেতন বৃদ্ধির হারেই যদি বছরের পর বছর টান থাকে, তবে কীভাবে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে, সে বিষয়ে সংশয় যথেষ্ট।

তবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতীন গডকড়ীর দাবি, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পাঁচ কোটি নতুন কাজের সুযোগ তৈরি হবে শুধু ছোট ও মাঝারি শিল্পেই। আর কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর কটাক্ষ, ‘কমবয়সীরা হাতে কাজ চান। আর সরকার দিচ্ছে শুধু ফাঁকা বুলি।’