Categories
দেশ

কাঁদা মেখে শাঁখ বাজিয়েও কাজ হল না: এবার করোনা আক্রান্ত সেই বিজেপি সাংসদ সুখবীর সিং

কাঁদা মেখে শাঁখ বাজিয়েও কাজ হল না: এবার করোনা আক্রান্ত সেই বিজেপি সাংসদ সুখবীর সিং

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: করোনা রুখতে মারাত্মক পরিস্থিতিতেও একের পর এক বিজেপি নেতা-মন্ত্রীরা নানান সব নিদান দিয়ে চলেছেন লাগাতার, যা অবৈজ্ঞানিক শুধু নয়, মানুষের জীবন নিয়ে যা ছেলেখেলা করার মতোই অপরাধ। বাদ ছিলেন না বিজেপি সাংসদ সুখবীর সিং জৌনপুরিয়াও। বলেছিলেন, কাদায় গড়াগড়ি খেলে আর শাঁখ বাজালেই হবে না করোনা। নিজে তেমন করেও দেখিয়েছিলেন। কিন্তু কাজ হল না তাতে, সুখবীর সিং নিজেই এবার করোনা আক্রান্ত হলেন।

করোনা পরিস্থিতির মাঝেই নিজের একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করেন সুখবীর সিং জৌনপুরিয়া। তাতে দেখা যায়, রীতিমতো কাদায় গড়াগড়ি খাচ্ছেন তিনি। সঙ্গে শাঁখও বাজাচ্ছিলেন নাগাড়ে। সেগুলো করেই তিনি দাবি করেন, এই পদ্ধতি মেনে চললে মারণ ভাইরাস করোনা কোনওভাবেই কাছে আসতে পারবে না। অথচ সেই ভিডিয়ো সামনে আসার কিছুদিনের মধ্যেই এবার আক্রান্ত হলেন তিনি নিজেই। যদিও তাঁর করোনা আক্রান্ত হওয়ার পরই সেই পুরনো ভিডিয়ো আবার ভাইরাল হয়েছে।

উল্লেখ্য, সোমবার থেকেই শুরু হয়েছে সংসদের বাদল অধিবেশন। সেখানে ঢোকার আগেই সমস্ত সাংসদের করোনা টেস্ট হয়। তাতেই ৩০ সাংসদের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। আর ওই ৩০ সাংসদের মধ্যে ছিলেন সুখবীর সিং জৌনপুরিয়াও। তাঁর করোনা আক্রান্ত হওয়ার পরই অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, কাদা মেখে আর শাঁখ বাজিয়ে তবে কী লাভ হল?

Categories
দেশ

চার্জশিটে নাম থাকছে সীতারাম যোগেন্দ্রদের, গ্রেফতার হচ্ছে উমর খালিদ: দিল্লি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সরব হলেন প্রশান্ত ভূষণ

চার্জশিটে নাম থাকছে সীতারাম যোগেন্দ্রদের, গ্রেফতার হচ্ছে উমর খালিদ: দিল্লি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সরব হলেন প্রশান্ত ভূষণ

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: ছাত্র নেতা উমর খালিদের গ্রেপ্তারের পর মুখ খুলেছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব। এবার সরব হলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও বিজেপির সরকারের ফ্যাসিবাদী নীতির প্রবল সমালোচক প্রশান্ত ভূষণ।

তিনি টুইট করে লেখেন ট্যুইট করে লেখেন, দিল্লী পুলিশ সীতারাম ইয়েচুরি, যোগেন্দ্র যাদব, জয়তি ঘোষ আর অপুর্বানন্দের নাম চার্জশিটে নেওয়ার পর যেভাবে উমর খালিদকে গ্রেফতার করেছে, তারপর দিল্লী দাঙ্গায় হওয়া তদন্ত নিয়ে সন্দেহ হচ্ছে। এটা তদন্তের নামে নিরীহ প্রদর্শনকারীদের ফাঁসিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে মাত্র।

Categories
দেশ

কার জেল হবে, সেটা তাঁর অপরাধ দেখে বিচার হয় না, তাঁর ধর্ম দেখে বিচার হয়: উমর খালিদের গ্রেফতার নিয়ে বিস্ফোরক মেহবুবা মুফতি

কার জেল হবে, সেটা তাঁর অপরাধ দেখে বিচার হয় না, তাঁর ধর্ম দেখে বিচার হয়: উমর খালিদের গ্রেফতার নিয়ে বিস্ফোরক মেহবুবা মুফতি

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট:  জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র নেতা উমর খালিদের গ্রেফতারির পর রাজনৈতিক মহল সরগরম। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বুদ্ধিজীবী থেকে নেতা নেত্রী এই গ্রেফতারির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন।

জম্মু কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা PDP এর প্রধান মেহবুবা মুফতিরও প্রতিক্রিয়া সামনে এসেছে। মেহবুবা মুফতি এও পর্যন্ত বলেছেন যে, কপিল মিশ্রা বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে, আর উমর খালিদ সফুরা’র মতো মানুষ জেলের সাজা কাটছে।

মেহবুবা মুফতি নিজের ট্যুইটার অ্যাকাউন্টে লেখেন, ভারতে কার জেল হবে, সেটা তাঁর অপরাধ দেখে বিচার হয় না। তাঁর ধর্ম দেখে বিচার হয়, তাঁর জেল হবে কি না। এটা কোন অবাক করা জিনিশ না যে, উমর আর সফুরা জেলে আছে। আর কপিল মিশ্রা এবং কোমল বাইরে অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

Categories
রাজ্য

ইমাম মুয়াজ্জিন ভাতায় সংখ্যালঘু তোষণ! এবার পুরোহিতদেরও ভাতা দেবে রাজ্য: ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

ইমাম মুয়াজ্জিন ভাতায় সংখ্যালঘু তোষণ! এবার পুরোহিতদেরও ভাতা দেবে রাজ্য: ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: এবার পুরোহিতদেরও ভাতা দেবে রাজ্য সরকার। তাঁদের জন্য ‘বাংলা আবাস যোজনা’য় বাড়ি করে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে রাজ্য। সোমবার সাংবাদিক বৈঠক করে এমনটাই ঘোষণা করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । যা দেখে রাজনৈতিক মহলের দাবি, বিধানসভা নির্বাচনের আগে মাস্টারস্ট্রোক দিলেন তৃণমূল নেত্রী।

ইমাম মুয়াজ্জিন ভাতা নিয়ে সরকারকে সংখ্যালঘু তোষণের সরকার বলে বারবার আক্রমণ শানায় বিজেপি। যদিও ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা দেওয়া হয় রাজ্যের ওয়াকফ সম্পত্তির আয় থেকে।

এদিন নবান্ন সভাঘরে সাংবাদিক বৈঠক করেন মমতা। সেখান থেকে হিন্দি অ্যাকাডেমির দায়িত্ববৃদ্ধি-সহ একাধিক ঘোষণা করেন তিনি। পুরোহিত ভাতা তার মধ্যে অন্যতম।

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, দুর্গাপুজোর সময় থেকেই রাজ্যের আট হাজার পুরোহিত প্রতি মাসে ১০০০ টাকা করে ভাতা পাবেন। পরবর্তী সময় এই সংখ্যাটা আরও বাড়বে। শুধু ভাতাই নয়, আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পুরোহিতদের ‘বাংলা আবাস যোজনা’য় ঘর করে দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ওয়াকফ বোর্ডের তরফে ইমাম মোয়াজ্জেনদের ভাতা দেওয়া হয়। হিন্দু ধর্মের পুরোহিতদেরও পাশে দাঁড়াচ্ছে রাজ্য। তাঁদের সঙ্গে চারবার বৈঠক করেছি আমরা। তাঁদের দুরবস্থার কথা আমাকে জানিয়েছেন।”

তবে এর পিছনে গূঢ় রাজনৈতিক কারণ দেখছে ওয়াকিবহাল মহল। কিন্তু এ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সাফ কথা, “এর পিছনে কেউ অন্য কারণ দেখবেন না। খ্রিষ্ট ধর্মের যাজক, পাদরিরা চাইলে তাঁদের পাশেও দাঁড়াবে রাজ্য সরকার।”

Categories
দেশ

উমর খালিদের গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে তাঁর মুক্তির দাবি তুললেন অভিনেত্রী স্বরা ভাস্কর

উমর খালিদের গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে তাঁর মুক্তির দাবি তুললেন অভিনেত্রী স্বরা ভাস্কর

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: উমর খালিদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে সরব হয়েছেন দেশের বিভিন্ন স্তরের নাগরিক। সেই তালিকায় বাদ যাননি বলিউডের সাহসী অভিনেত্রী স্বরা ভাস্কর।

প্রায়শই প্রতিবাদী মন্তব্যের জন্য খবরের শিরোনামে থাকেন স্বরা ভাস্কর। এর আগে ডক্টর কাফিল খান এর মুক্তির দাবীতে সোচ্চার হয়েছিলেন তিনি। এবং জাতীয় নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে বারবার ছাত্রদের আন্দোলনের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এবার ছাত্রনেতা ওমর খালিদের গ্রেফতারির বিরুদ্ধে নিজের অফিসিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে প্রতিবাদ জানালেন বলিউডের এই সাহসী অভিনেত্রী। তিনি এদিন একটি টুইটে হ্যাশট্যাগ স্ট্যান্ড উইথ উমর খালিদ এবং হ্যাশট্যাগ ফ্রী উমর খালিদ লিখে দিল্লি পুলিশের পদক্ষেপের তীব্র প্রতিবাদ জানান।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে হওয়া দিল্লি দাঙ্গার ঘটনায় ষড়যন্ত্রকারী হওয়ার অভিযোগে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র নেতা ও জাতীয় নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক আন্দোলনকারী উমর খালিদকে রবিবার দিনভর ১১ ঘন্টা জেরার পর গভীর রাতে গ্রেফতার করেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন স্তরের মানুষেরা একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়

হ্যাশট্যাগ স্ট্যান্ড আপ উইথ উমর খালিদ লিখে একের পর এক প্রতিবাদী কন্ঠস্বর ফুটে উঠছে দেশের বিশিষ্ট মানুষদের।

Categories
দেশ

উমর খালিদ দেশের একজন সাহসী বুদ্ধিমান নেতা; গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা করলেন প্রাক্তন আইএএস অফিসার কান্নান গোপিনাথন

উমর খালিদ দেশের একজন সাহসী বুদ্ধিমান নেতা; গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা করলেন প্রাক্তন আইএএস অফিসার কান্নান গোপিনাথন

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে হওয়া দিল্লি দাঙ্গার ঘটনায় ষড়যন্ত্রকারী হওয়ার অভিযোগে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র নেতা ও জাতীয় নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক আন্দোলনকারী উমর খালিদকে রবিবার দিনভর ১১ ঘন্টা জেরার পর গভীর রাতে গ্রেফতার করেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন স্তরের মানুষেরা একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়

হ্যাশট্যাগ স্ট্যান্ড আপ উইথ উমর খালিদ লিখে একের পর এক প্রতিবাদী কন্ঠস্বর ফুটে উঠছে দেশের বিশিষ্ট মানুষদের। সেই তালিকায় বাদ যাননি প্রাক্তন আইএএস অফিসার তথা বামপন্থী নেতা কান্নান গোপিনাথন।

এই ঘটনার প্রতিবাদে টুইট করে তিনি লিখেছেন, উমর খালিদ একজন বুদ্ধিমান, সাহসী এবং শক্তিশালী মানুষ। আগামীর ভারতের একজন ব্যক্তিত্বপূর্ণ নেতা। শাসকদলের কথায় মাথা নাড়ানো দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন তিনি, যারা উমর খালিদের বুদ্ধিমত্তা বা তার মেরুদণ্ডের শক্তির ধারেকাছে আসেন না। তারা নিজেদের কর্তব্যের সম্মানহানি করছেন।

Categories
দেশ

অনুরাগ,কপিল মিশ্ররা বুক ফুলিয়ে ঘুরছে আর উমর খালিদ জেলে! এখন অপরাধ নয়, নাম দেখে বিচার হচ্ছে

অনুরাগ,কপিল মিশ্ররা বুক ফুলিয়ে ঘুরছে আর উমর খালিদ জেলে! এখন অপরাধ নয়, নাম দেখে বিচার হচ্ছে

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: রবিবার গভীর রাতে জহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র নেতা ওমর খালিদকে ১১ ঘণ্টা ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর ইউএপিএ অ্যাক্টের আওতায় দিল্লি দাঙ্গা মামলায় সরাসরি যোগাসাযোগের অভিযোগে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন সমাজকর্মী, লেখক-লেখিকা, ছাত্র-ছাত্রী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। টুইটারে ওমার খালিদের মুক্তির দাবিতে শুরু করা হয়েছে হ্যাশট্যাগ স্ট্যান্ড উইথ উমর খালিদ ট্রেন্ড।

দিল্লির দাঙ্গার সময় বিজেপি নেতা কপিল মিশ্র ও অনুরাগ ঠাকুর সহ আরও অনেক বিজেপি নেতা উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে এক সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে লাগাতার বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দিয়েছেন এবং সেই ভিডিওগুলো নিমিষেই সোশ্যাল-মিডিয়ায় ভাইরাল হয়।

তবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগতভাবে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। কারণ তারা শাসক দল বিজেপির সাথে যুক্ত। বরং তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে যারা সাংবিধানিক পদ্ধতিতে নিজ অধিকারের জন্য লড়াই করছে।

এই ক্ষেত্রে কংগ্রেস নেতা শ্রীবাস্তব টুইট করে বলেন, ” ইউএপিএর অপব্যবহার করে ভীতু ও সাম্প্রদায়িক সরকার ওমর খালিদ কে গ্রেফতার করেছে। দিল্লী হিংসার জন্য যাদের গ্রেফতার হওয়ার কথা ছিল তারা বুক ফুলিয়ে নির্দ্বিধায় ঘোরাঘুরি করছেন। অনুরাগ ঠাকুর, কপিল মিশ্র, কোমল শর্মারা গ্রেফতার হননি এমনকি তাদের বিরুদ্ধে একটিও এফআইআর হয়নি! আমি বারবার বলেছি, অপরাধ নয় নামটাই অপরাধ। “

Categories
বিশ্ব

মিয়ানমারের জাতীয় নির্বাচনে রোহিঙ্গাদের ভোটাধিকার নিশ্চিতের আহ্বান জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে

মিয়ানমারের জাতীয় নির্বাচনে রোহিঙ্গাদের ভোটাধিকার নিশ্চিতের আহ্বান জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: আগামী ৮ নভেম্বর মিয়ানমারের জাতীয় নির্বাচনে রোহিঙ্গাসহ সব জাতিগোষ্ঠীর মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের আট সদস্য রাষ্ট্র। নিরাপত্তা পরিষদে মিয়ানমারের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠকে এই আহ্বান জানানো হয়।

বৈঠকে দেশটিতে ৮ নভেম্বরের নির্বাচন, রাখাইনে সহিংস পরিস্থিতি, কোভিড-১৯ পরিস্থিতি, কফি আনান কমিশনের রিপোর্টের পূর্ণ বাস্তবায়ন, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থবহ সংলাপ করার জন্য মিয়ানমারকে আহ্বান, দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা এবং এ সংক্রান্ত সব ধরনের আন্তর্জাতিক উদ্যোগকে সমর্থন করার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকের পরে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ডমিনিকান রিপাবলিক, বেলজিয়াম, এস্তোনিয়া, জার্মানি, ফ্রান্স ও তিউনিশিয়া এক যৌথ বিবৃতি দিয়ে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা ও সহায়তা দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ও এর জনগণের প্রতি সমর্থন ও প্রশংসা পুনর্ব্যক্ত করেন। তবে চীন, রাশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, নাইজার, দক্ষিণ আফ্রিকা ও সেইন্ট ভিনসেন্ট এই বিবৃতিতে অংশ নেয়নি।
এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘মিয়ানমারের নির্বাচনের আগে নিরাপত্তা পরিষদে রুদ্ধদ্বার বৈঠক অর্থবহ। কারণ, এর ফলে এই নির্বাচন ও এর ফলাফল নিয়ে সবাই যে আগ্রহী সেটি প্রকাশ পায়।’

আগস্টে নিরাপত্তা পরিষদে ইন্দোনেশিয়া প্রেসিডেন্ট হিসেবে ভূমিকা পালন করছিল, কিন্তু তখন এই বৈঠক করা সম্ভব হয়নি। সেপ্টেম্বরে নাইজার প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে তিনি জানান।

উল্লেখ্য, নিরাপত্তা পরিষদে প্রতিমাসে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পরিবর্তিত হয় এবং নতুন একজন সদস্য দায়িত্ব নেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘ওই বৈঠকে জাতিসংঘের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন এবং তারা মিয়ানমারের পরিস্থিতি সম্পর্কে নিরাপত্তা পরিষদকে অবহিত করেন।’

বৈঠকে জাতিসংঘ উদ্বাস্তু সংস্থার প্রধান ফিলিপো গ্র্যান্ডি, মিয়ানমার বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত ক্রিস্টিনা শ্রেনার বার্গেনার ও জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি কানি উইগনারাজা উপস্থিত ছিলেন।

আদালত তার ৭ দিন করে ২৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরবর্তীতে গত ১০ আগস্ট পদ্মা ব্যাংকের দুই কোটি ৭১ লাখ।

Categories
রাজ্য

স্বাধীনতার পর থেকে সংখ্যালুঘুরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের দাসত্বের শিকার

স্বাধীনতার পর থেকে সংখ্যালুঘুরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের দাসত্বের শিকার

ডাঃ নাসিদুল ইসলাম, বঙ্গ রিপোর্ট: স্বাধীনতার ৭৩ বছর পরেও সংখ্যালঘুদের বঞ্চনার অবসান হয়নি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল শোষণ ও তোষনের মধ্যে দিয়ে মুসলিমদের সময় ভোট ব্যাংক হিসাবে ব্যবহার করেছে। সাচার কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতের মোট জনসংখ্যার ১৬% এর মধ্যে কেবল ২.০৫% সরকারি চাকরিতে ছিল, সেটাও বার্তামানে ১% এসে দাঁড়িয়েছে, স্বাধীনতার পর থেকে সংখ্যালঘুরা সব সময় বঞ্চিত হয়ে এসেছে, কোনো রাজনৈতিক দলই তাদের কে গুরুত্ব দেয়নি, অনেক দিন কংগ্রেসের বঞ্চনার শিকার হয়েছে, একই ভাবে বিজেপি ও তৃনমুল কংগ্রেসের সরকারি চাকরিতে সংখ্যালঘুরা বঞ্চনার শিকার হচ্ছে।

।যার ফলে বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী, সমাজ সেবক, শিক্ষক ও ছাত্র, গবেষক, কৃষক, শ্রমিক শ্রেণীর প্ররিশ্রমিকগন, অভিজ্ঞ ব্যাক্তিবর্গ এবং অন্যান্য সন্মানীয় স্বদেশ প্রেমিক নতুন রাজনৈতিক দল তৈরিতে গুরুত্ব পূর্ণ উদ্ধত হয়েছেন এবং মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন,শিক্ষা, স্বাস্থ্য,ন্যায়বিচার ও সামাজিক সুরক্ষার জন্য স্বইচ্ছুক রাজনৈতিক চিন্তাভাবনা নিয়ে প্রতাখ্য ভাবে রাজনীতিতে অংশ গ্রহণ করতে চলেছেন। স্বাধীনতার পর থেকে ভারতের রাজনৈতিক প্রকৃতি ধীরে ধীরে ক্ষুন্ন হয়েছে যেমন সাম্প্রদায়িক আস্ফালন বৃদ্ধি পেয়েছে, স্বাধীন ভারতের সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র এবং সমাজতন্ত্রের অস্তিত্ব বর্তমানে ক্ষুন্ন এবং চারিদিকে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা, অন্যায় নিপীড়ন, শোষণ, নির্যাতন, নির্বিচার, ও বর্বরতার, উন্নয়নের নামে মিথ্যা রাজনীতি যা ভারতে বিভিন্ন ধর্মের লোকদের মধ্যে ভ্রাতৃত্বকে ধ্বংস করে দিচ্ছে এবং সমগ্র বঙ্গ জুড়ে মিথ্যা রাজনীতির বিষাক্ত ছোবল, সমগ্র পর্যায়ে দুর্নীতি, শোষণ ও তোষণ, সাম্প্রদায়িক বিভাজন এবং অরাজনৈতিক আস্ফালন ব্যাপক ভাবে মাথা চাড়া দিয়েছে, যার ফলে স্বাধীন ভারতের সর্বভামত্ব, গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র বিঘ্নিত হচ্ছে।

চারিদিকে হিংসার অগ্নিবীণা, দৈনিক মানবের রক্তে কুলসিত হচ্ছে পবিত্র ধরণী ।রাজনীতির নামে সাম্প্রদায়িক বিভাজন, ধর্ম যুদ্ধ ও অসহিষুনতা, অন্যায় অত্যাচার, শোষণ তোষন, মাত্রাহীন বারবাড়াত্ব ও গুণ্ডারাজ সাধারণ মানুষের জীবনকে করে তুলেছে বিষন্ন, ফলে ভারতের বসবাসকারী ভিন্ন ধর্মীলম্বী মানুষদের সম্প্রীতির ভার্তৃত্ববোধ বিনষ্ট হচ্ছে, এবং এর সঙ্গে সাধরন মানুষের মৌলিক অধিকার, ধর্মীয় স্বাধীনতা, বাকস্বাধীনতা ও গণতন্ত্র অধিকার এবং ভারতের সংবিধানের অস্তিত্বও আজ বিপন্ন হচ্ছে, সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে মানুষের মধ্যে চাপা অসন্তোষ দাঙ্গা বাধঁছে, দেখা যাচ্ছে সাম্প্রদায়িক বিভাজনের রাজনৌতিক ধর্ম যুদ্ধ । মিথ্যা রাজনীতির আড়ালে মানুষ খুন, অপহরণ, নারীদের ধর্ষণ ও তোলাবাজি বর্তমান ভারতের নিত্য নতুন ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে, নারীদের অস্তিত্ব আজ প্রায় বিপন্ন । ধর্মনিরপেক্ষতার নামে এক ধরণের শোষণ চালানো হচ্ছে, এমনকি জনসাধারণের বিকাশ, চাকরি এবং সামাজিক সুরক্ষার জন্য সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে ভারতের অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলির ব্যর্থতা কেবলমাত্র তাচ্ছিল্য যা জনস্বার্থের পক্ষে অন্যায় এবং জাতীয় উন্নয়নের জন্য মারাত্মক বিপদ।

এক দিকে যেমন শিক্ষিত বুদ্ধিজীবীরা মিথ্যার রাজনীতি থেকে নিজেদের দুরুত্ব বজায় রেখে চলছেন তেমনি অন্য দিকে সমাজ বিরোধী, অনাভিজ্ঞ, অশিক্ষিত, গুন্ডা মাস্তানরা রাজীনীতির পরিস্থিতিকে করে তুলেছে বিষাক্ত, এমন ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি থেকে মানব সমাজ কে বাঁচাতে, মানুষের অস্তিত্ব রক্ষা ও মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে আন্তে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে জাস্টিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি জন্ম নিয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিকে মোকাবিলা করতে মানবতার স্বার্থে এবং বিশেষত পশ্চিমবঙ্গ ও ভারতবর্ষের এই সংকটময় মুহুর্তে সর্বাত্মক উন্নয়নের জন্য জিডিপির মত পার্টি তৈরি হয়েছে । জেডিপি পার্টি মানব সমাজ, জনসাধারণের সুবিধার্থে এবং জাতীয় স্বার্থের সুরক্ষার জন্য বাস্তববাদী পরিকল্পনায় নিয়ে এগিয়ে চলতে চাই।

পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতবাসীর উন্নয়নের কথা চিন্তা করে জাস্টিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি, ইস্তেহার পত্রে লিখিত প্রতিশ্রুতি মধ্যদিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যমাত্রা ইস্থির করেছে এগুলো হলো –

বেকারত্ব আমাদের দেশে মহা চ্যালেঞ্জ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি অর্থনীতির সর্বাধিক অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। গত ৫ বছরে বেকারত্বের নাটকীয় বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারের নিজস্ব পরিসংখ্যান অনুসারে আজ বেকারত্ব ৪১ বছরের সর্বোচ্চ ৬ .১ শতাংশে ছুঁয়ে যাচ্ছে। ভারতীয় অর্থনীতি পর্যবেক্ষণের কেন্দ্রটি এই সংখ্যাটি ২ .২ শতাংশে ফেলেছে। এই ফেব্রুয়ারির শেষে, ৩.১ কোটি মানুষ সক্রিয়ভাবে চাকরির সন্ধান করছিল। ডেটা নির্দেশ করে যে মোট কর্মসংস্থান হ্রাস পেয়েছে, শ্রমের অংশগ্রহণের হার হ্রাস পেয়েছে, এবং বিদ্যমান কাজগুলি ধ্বংস হয়েছে। সমাজের প্রতিটি অংশ বর্ধমান বেকারত্ব এবং বিদ্যমান চাকুরী ধ্বংসের ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে: যুবক, পরিবার, মহিলা, ছোট ব্যবসায়ী, কৃষক, দিনমজুর, শ্রমিক এবং কৃষি শ্রমিক। জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি বিদ্যমান চাকরি রক্ষায় এবং নতুন চাকরি সৃষ্টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিবে ।

১. সবার জন্য উন্নততর শিক্ষা প্রদান এবং আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতি করা। ২. ভারতে প্রতিটি মানুষের উন্নত চিকিৎস্যা সহ উন্নততর স্বাস্থ্য সুবিধা প্রদান করা।৩. মহিলা সুরক্ষা এবং মহিলা ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করা । ৪. বেকারত্ব ও দারিদ্র্য বিমোচনের বিরুদ্ধে লড়াই করবে জিডিপি । ৫. পণ্য মূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং মূল্যস্ফীতি হ্রাস। ৬. গ্রাসরুট পর্যায় থেকে দুর্নীতি ও অরাজকতা দূরীকর। ৭. কৃষকদের জন্য উন্নত প্রযুক্তি এবং ফসলের ন্যায্য মূল্য সরবরাহ করা। ৮. প্রতিটি বেকার জন্য মাথাপিছু আয় নির্ধারণ করা।৯. সমাজের প্রতিটি মানুষের জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সার্বিক উন্নয়ন সাধিত করা। ১০. সর্বস্তরে সরকারী প্রকল্পগুলির যথাযথ প্রয়োগ করা । ১১. সমাজের পিছিয়ে পড়া প্রতিটি মানুষ যেমন – কামার, কুমুর, তাঁতি, চুতুর, অটো ও গাড়ি চালক, রাজমিস্ত্রি ও দিনমজুর প্রকের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা ও আয় নিধারণ, ১২. প্রতিটি গরিব মানুষের জন্য ফ্রি ইলেক্ট্রিসিটি ব্যবস্থা ১৩. প্রতিটি পরিবারের জন্য ফ্রি সচ্ছ পানীয় জালের সরবরাহ করা ১৪. দুর্নীতি মুক্ত সচ্ছ মাবন কল্যাণকর সরকার গড়া। এছাড়াও জিডিপির অন্যান্য লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য গুলি হলো :

১. ন্যায়বিচার ও উন্নয়ন দলটি দুর্নীতিমুক্ত সচ্ছ ভারতবর্ষের কল্পনা করে, যা সার্বভৌম, সমাজতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক, প্রজাতন্ত্র হবে ২. জাস্টিস অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট পার্টি সকল নাগরিকের সুরক্ষার জন্য কাজ করবে। ন্যায় বিচার, সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সমাজের সর্বশেষ ব্যক্তির অধিকারের জন্য সর্বদাই লড়াই চালিয়ে যাবে । ৩. জীবিকার অধিকার এবং অন্যান্য মৌলিক মানবাধিকারকে স্বীকৃতি ও উপলব্ধি করে একটি ন্যায়বিচারের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা । ৪. দেশের প্রবৃদ্ধি এবং উন্নয়ন উন্নয়নের ফলের ন্যায়সঙ্গত ও ন্যায়বিচার বিতরণকে কেন্দ্র করে এবং বৃদ্ধির সুফল সমাজের প্রতিটি বিভাগে পৌঁছেছে এবং সুদমুক্ত অর্থনীতির প্রচার করে তা নিশ্চিত করে। ৫. সংবিধান এবং আন্তর্জাতিক সম্মেলনে স্বীকৃত সংখ্যালঘুদের অধিকার পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ। ৬.নারীদের বৃদ্ধি ও বিকাশের সুযোগগুলি নিশ্চিত করে যা তাদের নারীত্বকে সত্যিকার চেতনায় সম্মানিত এবং সুরক্ষিত করা হবে। ৭. সামাজিক ন্যায়বিচারের আদর্শগুলি উপলব্ধি করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা এবং ইতিবাচক পদক্ষেপের মাধ্যমে সমাজ এবং সংখ্যালঘুদের দুর্বল ও নিপীড়িত শ্রেণীর ক্ষমতায়ন। ৮. সমাজের সুস্থ বিকাশের জন্য যুবসমাজের শক্তি প্রয়োগ করা। ৯. বিভিন্ন সংস্কৃতিকে বিকশিত হওয়ার পূর্ণ সুযোগ দিয়ে এবং সাংস্কৃতিক ফেডারালিজমের ধারণা উপলব্ধি করে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য রক্ষা করা। ১০.পরিবেশ রক্ষায় যথাযথ মনযোগ দিয়ে দেশে শিল্প, প্রযুক্তি, বাণিজ্য ও কৃষিক্ষেত্রে উন্নয়নে কাজ করা ।

লেখক
সভাপতি, জাস্টিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (মুর্শিদাবাদ) পশ্চিমবঙ্গ।

Categories
দেশ

উমর খালিদ সব সময় অহিংসা ও গান্ধীবাদের কথা বলেছেন: গ্রেফতারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন সমাজকর্মী হর্ষ মান্ধার

উমর খালিদ সব সময় অহিংসা এবং গান্ধীবাদের কথা বলেছেন: গ্রেফতারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন সমাজকর্মী হর্ষ মান্ধার

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: রবিবার গভীর রাতে জহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র নেতা উমর খালিদকে দানবীয় ইউএপিএ অ্যাক্টের আওতায় দিল্লি দাঙ্গা মামলায় সরাসরি যোগাসাযোগের অভিযোগে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বহু মানুষ।

টুইটারে উমর খালিদের সত্ত্বর মুক্তির দাবিতে শুরু করা হয়েছে হ্যাশট্যাগ স্ট্যান্ড উইথ উমর খালিদ ট্রেন্ড। এবার ওই ট্রেনটি নিজের মন্তব্য প্রকাশ করলেন বিশিষ্ট সমাজকর্মী হর্ষ মান্ধার।

উমর খালিদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে তিনি তাঁর অফিসিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্টে লেখেন,”তিনি এই দেশের এমন একজন আদর্শবাদী, প্রগতিশীল এবং সাহসী যুবক ছিলেন যার ওপর গর্ব হওয়া উচিত। আমরা একসাথে সিএএ আইনের বিরুদ্ধে কথা বলেছি: তিনি সব সময় অহিংসা এবং গান্ধীবাদের কথা বলেছেন। আজ চক্রান্ত করে সাজানো অভিযোগের ভিত্তিতে দানবিক ইউএপিএ অ্যাক্টের আওতায় গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। আমার দেশ, সোচ্চার হও।”