Categories
দেশ

সিএএ বিরোধী আন্দোলনকারীদের সাহস ও মনোবল ভেঙে দিতেই এই গ্রেফতার: উমর খালিদের মা

সিএএ বিরোধী আন্দোলনকারীদের সাহস ও মনোবল ভেঙে দিতেই এই গ্রেফতার: উমর খালিদের মা

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: নাগরিক সমাজের একদল কর্মী বুধবার দিল্লি পুলিশকে অবৈধ কার্যক্রম (প্রতিরোধ) সংশোধন আইন (ইউএপিএএ) আইন, ২০১৯ এর অধীনে ছাত্র কর্মী উমর খালিদকে গ্রেপ্তারের নিন্দা জানিয়ে এটিকে “নাগরিকত্ববিরোধী (সংশোধন) আইন (সিএএ) ২০১৯-র প্রতিবাদের অনুসন্ধান” হিসাবে অভিহিত করেছে এবং”তরুণ মনের বিরুদ্ধে জাদুকরী শিকার”হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে হওয়া উত্তর-পূর্ব দিল্লি দাঙ্গায় প্ররোচনা দেওয়ার দায়ে অভিযুক্ত করে উমর খালিদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দিল্লি দাঙ্গার ওই ঘটনায় সরকারি নথি অনুসারে ৫৩ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন ও ৪০০ জন গুরুতর আহত হয়েছিলেন।

এদিন দিল্লি প্রেসক্লাবে আয়োজিত একটি সাংবাদিক সম্মেলনে দিল্লি দাঙ্গার ওই ঘটনার সঙ্গে উমর খালিদকে যুক্ত করে গ্রেফতারির পদক্ষেপের তীব্র বিরোধীতা করতে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা কমিশনের প্রাক্তন সদস্য সৈয়দা হামিদ, সুপ্রিম কোর্টের বড়িষ্ঠ আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ, ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী –লেনিনবাদী) লিবারেশন তথা সিপিআই (এমএল) নেতা কবিতা কৃষ্ণান, প্রবীণ সাংবাদিক পামেলা ফিলিপোজ এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (ডুটা)-র সভাপতি নন্দিতা নারায়ণ। উপস্থিত ছিলেন জহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র নেতা ধৃত উমর খালিদের মা।

উমর খালিদের মা এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে বলেন,”এই গ্রেফতার করা হচ্ছে, সিএএ বিরোধীদের সাহস এবং মনোবল ভেঙ্গে দেওয়ার জন্য, যাদের সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস রয়েছে। যদি তারা মনে করেন যে তারা জয়ী হয়েছেন তাহলে তারা খুব ভুল করছেন।”

কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়া (সিপিআই)-র নেতা কানহাইয়া কুমারেরও এদিনের সভায় বক্তৃতা দেওয়ার কথা ছিল। ২০১৬ সালে উমর খালিদের সঙ্গে জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় (জেএনইউ) রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেপ্তার হন। তিনি এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেননি। তবে, সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছেন। ওই বিবৃতিতে কানাইয়া কুমার বলেছেন,”দিল্লির দাঙ্গার তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করতে হবে কারণ এই তদন্তের উদ্দেশ্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা নয় বরং রাজনৈতিক প্রতিশোধ নেওয়া।” তিনি ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সেই সমস্ত নেতাদের জিজ্ঞাসাবাদ করার দাবি জানিয়েছেন, যারা এই “দাঙ্গা উস্কে দিয়েছিল”।

এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে উমর খালিদের মা ও নাগরিক সমাজকর্মী হর্ষ মান্দার সহ সমাবেশে উপস্থিত ব্যক্তিরা সংহতি প্রকাশের জন্য গ্রেপ্তার হওয়া অন্যান্য ছাত্র-কর্মীদের নামাঙ্কিত মাস্ক পরেছিলেন এবং তাদের নামের ফলকও হতে ধরে রেখেছিলেন। আয়োজকরা খালিদের গ্রেফতারের ঠিক আগে রেকর্ড করা একটি ভিডিও দেখান। যেখানে ওমর খালিদ বলেছেন,”এই ভিডিওটা আপনারা দেখছেন তার মানে আমায় গ্রেফতার করা হয়ে গেছে।” ওই ভিডিওতে তিনি অভিযোগ করেছেন,”আমি একটি ১৭ মিনিটের বক্তৃতা দিয়েছিলাম, যার মধ্যে ২০-৩০ সেকেন্ড ভাইরাল করে বলা হয় যে, আমি উত্তর-পূর্ব দিল্লির দাঙ্গায় ষড়যন্ত্র করেছি। যে অংশে আমি অহিংসা সত্যাগ্রহ এবং গান্ধীজীর কথা বলেছি তা শোনানো হয়নি। যারাই বিরুদ্ধে কথা বলেছিল তাদের কারাগারে আটকানো হচ্ছে তবে সবার কাছে আমার বার্তা হ’ল যে কেউ ভয় পাবেননা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হবেন”।

কপি: টিডিএন

Categories
দেশ

উমর খালিদের গ্রেফতার নিয়ে নীরব কেন কানহাইয়া কুমার ? সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্নের ঝড়

উমর খালিদের গ্রেফতার নিয়ে নীরব কেন কানহাইয়া কুমার ? সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্নের ঝড়

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: জেএনইউ প্রাক্তন ছাত্র নেতা ও ঝারখন্ড আদিবাসীদের নিয়ে গবেষণা করা একমাত্র মুসলিম ছাত্র ও এনআরসি আন্দোলনের অন্যতম মুখ উমর খালিদের গ্রেফতার নিয়ে এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেনি তারই সহকর্মী, সহযোদ্ধা ও বন্ধু কানহাইয়া কুমার! এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুরিভুরি প্রশ্ন। কানাইয়া কুমার সিএ বিরোধী আন্দোলনে সারাদেশে অংশগ্রহণ করেছিল। অভিযোগ আগেও ডাক্তার কাফিল খানের গ্রেফতার নিয়ে বা তার মুক্তির দাবিতে কোন মুখ খোলেননি কানাইয়া কুমার।

কেন্দ্র সরকারের সমস্ত কাজের সমালোচনা করে বারবার শিরোনামে উঠে এসেছেন বামপন্থী যুবনেতা কানহাইয়া কুমার। কারো প্রতি অন্যায় হলে সবসময় প্রতিবাদে মুখর হতেন এই বামপন্থী যুবনেতা। সম্প্রতি কিছুদিন আগে তারই সহকর্মী উমর খালিদের গ্রেপ্তারের ব্যাপারে পক্ষে-বিপক্ষে কোন বিষয়ে মুখ খোলেননি কানহাইয়া কুমার।

কিন্তু কেন উমর খালিদের ব্যাপারে নীরব রয়েছেন প্রতিবাদী বামপন্থী নেতা কানহাইয়া কুমার। এনিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। মির্জা ইসাক বেগ নামে এক ব্যক্তি তার ফেসবুক ওয়ালে আক্ষেপের সুরে লিখেছেন, ‘RIP কানহাইয়া কুমার’।

মুসলিম যুব সমাজের কাছে প্রিয় পাত্র হয়ে উঠেছিলেন কানহাইয়া কুমার। সেই মুসলিম যুবক এবং তার সহকর্মী উমর খালিদের ব্যাপারে নিরব থাকায় শাহনাজ আলী নামে এক যুবক তার ফেসবুক ওয়ালে কানাইয়া কুমার কে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি লিখেছেন, “উমর খালিদ নিয়ে নিশ্চুপ কেন মোল্লাদের মসীহা কানাইয়া কুমার?”

আকাশ খান নামে একব্যক্তি কানহাইয়া কুমারের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
যে কানহাইয়া কুমারের উপর হামলার প্রতিবাদে সরব হয়েছিলেন উমর খালিদ। সেই উমর খালিদের গ্রেপ্তারের পর কানাইয়া কুমারের নীরবতা সত্যিই প্রশ্ন তোলে!

Categories
রাজ্য

পুরোহিতদের পাশাপাশি সব ধর্মের ধর্মগুরুদের সরকারি তহবিল থেকে ভাতা ও গৃহের দাবি সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের

পুরোহিতদের পাশাপাশি সব ধর্মের ধর্মগুরুদের সরকারি তহবিল থেকে ভাতা ও গৃহের দাবি সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: সংখ্যাগুরু ও সংখ্যালঘু উভয় সম্প্রদায়ের ধর্মগুরুদের সমান ভাতা, সম্মান ও স্বীকৃতি দেওয়ার আবেদন জানিয়ে সারা বাংলা সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মহঃ কামরুজ্জামান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে এক চিঠি লেখেন।

চিঠিতে তিনি বলেন আপনি সরকারি তহবিল থেকে হিন্দু ধর্মের পুরোহিতদের মাসিক এক হাজার টাকা ভাতা দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন, সেজন্য আমরা আপনাকে স্বাগত ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।

একইসঙ্গে ইসলাম ধর্মের মসজিদের ইমাম, খ্রিস্টান ধর্মের গির্জার ফাদার, বৌদ্ধ মন্দিরের ভিক্ষু, শিখ ধর্মের গুরুদুয়ারার প্রধান পরিচালককেও সরকারি তহবিল থেকে মাসিক এক হাজার টাকা ভাতা ও আবাস যোজনা থেকে বাড়ির ব্যবস্থা করার দাবি জানাচ্ছি।

সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের পুরোহিতরা এই সুযোগ পেলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ইমাম, ফাদার, ভিক্ষুও পাওয়ার ন্যায্য দাবীদার, আশা করি এ বিষয়ে আপনি সহমত হবেন।

মুসলমানদের কল্যাণে মুসলমানদের নিজস্ব দান করা সম্পত্তি ওয়াকফ বোর্ডের তহবিল থেকে মসজিদের ইমামরা যে ভাতা পান তার সঙ্গে সরকারি তহবিল থেকে এক হাজার টাকা ও আবাস যোজনার ঘর পেলে আমরা খুশি হবো।

অতএব মহাশয়া, আশা করি আপনি সহানুভূতির সঙ্গে আমাদের এই দাবী বিবেচনা করে সংখ্যাগুরু ও সংখ্যালঘু উভয় সম্প্রদায়ের ধর্মগুরুদের সমান ভাতা, সম্মান ও স্বীকৃতি দেবেন।

Categories
রাজ্য

বেলডাঙার ১১০ বিঘা ওয়াকফ সম্পত্তি বেদখল: প্রশাসনের উদাসীনতার অভিযোগ

বেলডাঙার ১১০ বিঘা ওয়াকফ সম্পত্তি বেদখল: প্রশাসনের উদাসীনতার অভিযোগ

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: গোটা দেশেই ওয়াকফ সম্পত্তি বেদখল ও ওয়াকফ সম্পত্তির উপর অবৈধ নির্মাণ কাজের ঘটনা প্রায় শোনা যায় ।বিভিন্ন জায়গায় ওয়াকফ সম্পত্তি উদ্ধারে প্রশাসনিক উদাসীনতাও লক্ষ্য করা যায় । বেলডাঙা ২ নম্বর ব্লকের মিলকি গ্রামের নবাবী আমলের ১১০ বিঘা মিলকি মসজিদের জমিকে অবৈধ ভাবে জমি রেকর্ডের অভিযোগ উঠলো প্রাক্তন ৩ মোতাওয়াল্লীদের বিরুদ্ধে ।ওয়াকফ সম্পত্তি উদ্ধারে বোর্ডের নির্দেশ থাকা স্বত্বেও প্রশাসনের অসহযোগিতার ফলে তা সম্ভব হচ্চেনা ।এদিকে মুর্শিদাবাদ জেলার সর্বস্তরের প্রশাসনিক আধিকারিকরা জড়িত আছে বলে অভিযোগ উঠছে ।স্থানীয় বিডিও সমীর রঞ্জন মান্নার সঙ্গে যোগাযোগ করলে দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন ।

শেখ আফসার হোসেন ওয়াকফ এস্টেট মিলকি মসজিদ ।নবাবী আমলে দানবীর আফসার হোসেন এই সম্পত্তি ওয়াকফ করেন ।যার মোট ১১০ বিঘার সম্পত্তির বেশিরভাগটাই চাষের জমি ।তাছাড়া রয়েছে বড়ো বড়ো পুকুর ও ডোবা ।একই সঙ্গে রয়েছে ঐতিহ্যশালী মসজিদ যার ইসি নাম্বার ১২০৭ ।যেটা ওয়াকফলিল্লাহ অর্থাৎ এই জমির উপর আফসার হোসেনের পরিবারের কোন অধিকার থাকবে না এটি সম্পূর্ণ রূপে মুসলিমদের সম্পত্তি ।এই সম্পত্তি দেখভাল করার জন্য ওয়াকফ বোর্ডের তরফ থেকে মোতোওয়াল্লী নিয়োগ করা হয় সব কিছু ঠিকঠাক চললেও সমস্যা দেখা দেয় ১৯৫৮ সাল থেকে ।সেই সময় মোতোওয়াল্লির দায়িত্ব দেওয়া হয় গোলামপির নামক এক ব্যাক্তিকে ।তখন থেকে জমি বেদখল হতে শুরু হয় একের পর এক জমি নিজের নামে রেকর্ড করতে শুরু করে গোলামপির ।পরবর্তীতে তার তিন ছেলে বাকবুল মঞ্জুর ,ইকবাল মঞ্জুর ,কবির মঞ্জুর পরবর্তীতে মোতওয়াল্লী নিয়োগ করা হয় ।তাদের আমলে বেশিরভাগ সম্পত্তি নিজেদের নামে রেকর্ড করে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ ।তার পর তারা এই সম্পত্তি বিক্রি করে গ্রাম ছেড়ে বহরমপুর শহরে এসে বসবাস শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা ।

পরবর্তীতে বিষয়টি গ্রামের কিছু শিক্ষিত যুবকদের নজরে আসতেই জমি উদ্ধারে তৎপর হয়ে উঠে গ্রামবাসীরা ।গ্রামবাসীরা ওয়াকফ বোর্ডের দ্বারস্থ হোন ।ওয়াকফ বোর্ড গোলামপিরের তিন ছেলেকে মোতাওয়াল্লির পদ থেকে সরিয়ে একটি কমিটি গঠন করে সেই সঙ্গে জমির রেকর্ড সংশোধন করে সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়। বোর্ডের নির্দেশে বিএলআরও অফিসের দ্বারস্থ হলেও কাজ হচ্ছে না বলে অভিযোগ গ্রামবাসীদের ।

বর্তমান কমিটির সভাপতি আনোয়ার হোসেন বলেন, সম্পত্তি ১১০ বিঘা হলেও সম্পত্তির কোন আয় পাচ্ছেনা ওয়াকফ বোর্ড ।অন্যদিকে অবৈধ ভাবে জমি দখল করে গ্রাম ছেড়ে পালিয়েছে বাকবুল ,কবির ,ইকবালরা ।বহরমপুরে গিয়ে প্রশাসনকে প্রভাবিত করছে ও প্রশাসন সম্পত্তি উদ্ধারে সদর্থক ভূমিকা পালন করছে না বলে অভিযোগ।

প্রশাসনের উদাসীনতার ফলে কমিটির পক্ষ থেকে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান ।
ওয়াকফ সম্পত্তি উদ্ধারে আইনি সহযোগিতা করছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিশিষ্ঠ আইনজীবী আব্দুল মোমিন হালদার ।ওয়াকফ বোর্ডের নির্দেশ থাকা স্বত্বেও ১৪ বছর কেটে যাওয়ার পরও রেকর্ড সংশোধন হয়নি ।এবার হাইকোর্টে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি তাহলে প্রশাসনের অনীহার কারণটিও প্রকাশ পাবে বলে জানান ।

এই সম্পত্তি উদ্ধারে গ্রামবাসীর পাশে দাঁড়িয়েছেন এসডিপিআই এর রাজ্য সভাপতি তায়েদুল ইসলাম ।তিনি বলেন অন্যায় ভাবে জমি দখল করে আছে পূর্ববর্তী মোতোওয়াল্লীরা ।আমরা দলগতভাবে গ্রামবাসীদের পাশে থেকে এই সম্পত্তি উদ্ধার করার চেষ্টা করছি ।তিনি আরও বলেন রেকর্ড সংশোধনের বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগ নিতে চান বলে আমাদের জানিয়েছেন বেলডাঙ্গা ২ নম্বর ব্লকের বিডিও সমীর রঞ্জন মান্না ।তিনি আরও বলেন আমাকে দুই দিন সময় দিলে বিএলআরও’র সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি মিটিয়ে দিতে চায় ।এটা অনেক দিনের সমস্যা ঠিক কি কারণে সমাধান হচ্চে না সেটা জানিনা ।গ্রামবাসীরা আমার কাছে আগেও এসেছে ।

Categories
দেশ

দিল্লি হিংসার ১৫ জনের বিরুদ্ধে ১৭ হাজার পাতার চার্জশিট: টার্গেট CAA আন্দোলন, নাম নেই উমর খালিদ, সার্জিল ইমামের

দিল্লি হিংসার ১৫ জনের বিরুদ্ধে ১৭ হাজার পাতার চার্জশিট: টার্গেট CAA আন্দোলন, নাম নেই উমর খালিদ, সার্জিল ইমামের

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: সংশোধিত নাগরিত্ব আইন (CAA) -এর বিরোধিতার জন্য যে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপগুলি তৈরি হয়েছিল। সেগুলিকে ব্যবহার করেই দিল্লিতে অশান্তি ছড়ানো হয়েছিল। বুধবার দিল্লির কারকারডোমা আদালতে জমা দেওয়া ১৭ হাজার ৫০০ পাতার চার্জশিটে এই দাবিই করা হয়েছে পুলিশের স্পেশাল সেলের তরফে।

আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকালে ১৭ হাজার ৫০০ পাতার ওই চার্জশিটটি দুটি ট্রাঙ্কে করে আদালতে নিয়ে আসে দিল্লি পুলিশ। ওই চার্জশিটের ২৬০০টি পাতায় ১৫ জন অভিযুক্তের বিষয়ে বিশদে বর্ণনা করার পাশাপাশি বাকি পাতাগুলিতে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে হওয়া অশান্তির বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে। পাশাপাশি দিল্লি পুলিশের তরফে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে তদন্ত চলছে। এখনও পর্যন্ত যে অভিযুক্তদের নাম ওই চার্জশিটে নেই পরবর্তীকালে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে তাদের নাম ঢোকানো হবে।

ওই চার্জশিট আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ষড়যন্ত্রকারীরা অশান্তি যুক্ত মানুষদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখত। সেলিমপুর ও জাফরাবাদে ভয়ানক অশান্তি ছড়ানোর জন্য দুটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপকে কাজে লাগানোর প্রমাণও পাওয়া গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত দু তরফে ২৫টি করে হোয়াটসগ্রুপ এই অশান্তি লাগানোর কাজে সাহায্য করেছিল বলে তদন্ত জানা গিয়েছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আজকে আদালতে জমা দেওয়া চার্জশিট নাম নেই দিল্লি হিংসার মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া জেএনইউয়ের ছাত্রনেতা উমর খালিদ ও সার্জিল ইমামের। অতিরিক্ত চার্জশিট তাঁদের নাম থাকবে বলে জানা গিয়েছে দিল্লি পুলিশ সূত্রে।

Categories
দেশ

দিল্লি হিংসায় চারদিনে ১৩ হাজার ২০০ ফোন পেয়েও নিষ্ক্রিয় ছিল দিল্লি পুলিশ! প্রকাশ্যে এল নতুন তথ্য

দিল্লি হিংসায় চারদিনে ১৩ হাজার ২০০ ফোন পেয়েও নিষ্ক্রিয় ছিল দিল্লি পুলিশ! প্রকাশ্যে এল নতুন তথ্য

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: রাজধানীতে চার দিনব্যাপী সংঘর্ষ চলাকালীন দিল্লি পুলিশের কাছে ১৩ হাজার ২০০টি ফোন গিয়েছিল। কোথাও গুলি চলছে, কোথাও গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ আসছিল। তা সত্ত্বেও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ। রাজধানীর পরিস্থিতি নিয়ে এক দিকে দিল্লি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে যখন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, ঠিক তখনই একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে এমন তথ্য সামনে আনল।

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ)-এর বিরোধী ও সমর্থকদের সংঘর্ষে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দফায় দফায় তেতে উঠেছে রাজধানী দিল্লি। তাতে এখনও পর্যন্ত ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন ২০০-র বেশি মানুষ। পুলিশ-প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার জন্যই হিংসা এমন চরম আকার ধারণ করে বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, ফোনে বার বার অভিযোগ করা সত্ত্বেও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ।

সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ কন্ট্রোল রুমের কল লগ খতিয়ে দেখে একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম। তাতে দেখা গিয়েছে, ২৩ তারিখ, রবিবার বিক্ষোভের প্রথম দিন সন্ধ্যাতেই ৭০০ ফোন গিয়েছিল পুলিশের কাছে। ২৪ তারিখে একধাক্কায় তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩ হাজার ৫০০। ২৫ ফেব্রুয়ারি ৭ হাজার ৫০০ ফোন পায় পুলিশ। ওই দিন রাত থেকেই এলাকা পরিদর্শনে বার হন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। তার পর দিন অর্থাৎ ২৬ ফেব্রুয়ারি ১ হাজার ৫০০টি ফোন পায় পুলিশ।

 

শুধুমাত্র যমুনা বিহার থেকেই ভজনপুরা থানায় ২৪-২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার ফোন এসেছিল বলে জানিয়েছে ওই সংবাদমাধ্যম। ভজনপুরা থানার আট পাতার কল রেজিস্টার খতিয়ে দেখে তারা জানিয়েছে, কোন নম্বর থেকে ফোন আসছে, কী অভিযোগ এবং তার প্রেক্ষিতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তার জন্য রেজিস্টারের পাতায় আলাদা আলাদা কলাম থাকলেও, শুধুমাত্র কোথা থেকে ফোন এসেছিল, কী অভিযোগ তা-ই লেখা রয়েছে। এমনকি গুলি চলা এবং আগুন লাগানোর অভিযোগও লেখা রয়েছে তাতে। কিন্তু অভিযোগের প্রেক্ষিতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তার উল্লেখ নেই সে ভাবে। অর্থাৎ অভিযোগ পেয়েও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কোনও ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ।

শুধু সাধারণ মানুষই নন, তাঁর অভিযোগের প্রেক্ষিতেও পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ করেছেন যমুনা বিহারের বিজেপি কাউন্সিলর প্রমোদ গুপ্ত। পুলিশ তাঁর ফোনই ধরেনি বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। সংবাদমাধ্যমে প্রমোদ গুপ্ত বলেন, ‘‘পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেনি। পুলিশ যদি ব্যবস্থা নিত, পরিস্থিতি এতটা খারাপ দিকে মোড় নিত না।’’

একই অভিযোগ শিববিহারের ‘রাজধানী পাবলিক স্কুল’-এর মালিক ফয়জল ফারুখ। তিনি জানান, সোমবার স্কুলে হামলা চালায় তাণ্ডবকারীরা। সমস্ত পড়ুয়া এবং শিক্ষক-শিক্ষিকারা বেরিয়ে গেলে বার বার পুলিশকে ফোন করেন তিনি। ফোনে তাঁদের আশ্বাস দিলেও, স্কুল চত্বরে পুলিশ এসেই পৌঁছয়নি।

দিল্লি দাঙ্গায় পুলিশেরও হাত ছিল: বলছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল

দিল্লি দাঙ্গায় পুলিশেরও হাত ছিল: বলছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল

Categories
দেশ

৩০ সেপ্টেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলার রায়: অভিযুক্তদের আদালতে হাজিরার নির্দেশ

৩০ সেপ্টেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলার রায়: অভিযুক্তদের আদালতে হাজিরার নির্দেশ

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: ৩০ সেপ্টেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলার রায় দিতে চলেছে বিশেষ সিবিআই আদালত। সেদিন এই মামলার সব অভিযুক্তকেই আদালতে হাজির থাকার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি এস কে যাদব।

এর আগে গত মাসে সুপ্রিম কোর্ট এই মামলার বিচার প্রক্রিয়া শেষ করার জন্য এক মাস সময় দেয়। তার আগে ৮ মে শীর্ষ আদালত বলেছিল, তিন মাসের মধ্যে বিচার শেষ করে ৩১ অগাস্টের মধ্যে রায় দিতে হবে। তবে এরপর আরও কিছুটা সময় দেওয়া হয়। তারও আগে গত বছরের ১৯ জুলাই সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল, ৯ মাসের মধ্যে বিচার শেষ করতে হবে। সেই সময়সীমা শেষ হয় এ বছরের এপ্রিলে। তারপর আরও পাঁচ মাস বাড়ল সময়সীমা।

১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর ধ্বংস হয় বাবরি মসজিদ। এই মামলায় অভিযুক্ত প্রবীণ বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আডবাণী, মুরলী মনোহর জোশী, উমা ভারতীরা।

 

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের মামলার শুনানি ২ বছরের মধ্যে শেষ করে রায় দিতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট । প্রতিদিন শুনানিও শুরু করতে নির্দেশ দেয়। CBI আদালতকে আগস্ট মাসেই এই মামলার রায় দিতে নির্দেশ দিয়েছিলে সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু আরও এক মাস সময় চান বিচারক। এরপর চলতি মাসর শুরুতে ৩২ জন অভিযুক্তের জবাববন্দি রেকর্ড করে আদালত। অবশেষে সেই মামলার রায়দান হবে চলতি মাসের শেষে। সেই রায়ের দিকেই তাকিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব।

প্রসঙ্গত, ২০০১ -এ এলাহাবাদ হাই কোর্ট আডবানী-সহ অন্যান্য নেতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার অভিযোগ প্রত্যাহার করে । কিন্তু এই রায়কে ভুল বলে চিহ্নিত করে  নতুন করে ফৌজদারি মামলা চালুর জন্য সিবিআইয়ের আরজিতে সায় দেয় সুপ্রিম কোর্ট। তারা একথাও বলে যে দেশের ধর্মনিরপেক্ষতায় বড় ধাক্কা বাবরি মসজিদের পতন।

Categories
রাজ্য

বাংলায় যেন যোগী রাজ্যের ছায়া: বোরখা পরে ঢুকতে দেওয়া হল না শপিং মলে

বাংলায় যেন যোগী রাজ্যের ছায়া: বোরখা পরে ঢুকতে দেওয়া হল না শপিং মলে

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: বোরখা পরায় এক শপিং মলে ঢুকতে বাধা দেওয়া হল এক মুসলিম মহিলা ও তার মেয়েকে। ঘটনার জেরে অপমানিত হয়ে রামপুরহাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই মহিলা।

জানা গেছে, রামপুরহাট পুরসভার ১১ নং ওয়ার্ড তথা ভাড়শালার মুসলিম পাড়ার বাসিন্দা সামিনা বেগম তাঁর মেয়ে সহ চার আত্মীয় মিলে সোমবার রাত ৮ নাগাদ রামপুরহাট দেশ বন্ধু রোডের একটি অত্যাধুনিক শপিং মলে যান।

কিন্তু অন্যান্য আত্মীয়দের ঢুকতে দেওয়া হলেও, অভিযোগকারিণী ও তাঁর মেয়েকে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় শপিং মলের তরফে। তাঁদের জানানো হয়, বোরখা এলাও নেই। তাঁরা বাড়ি ফিরে যাওয়ার পর ওই ভদ্র মহিলার স্বামী কাউসার সেখ তাঁদের ফের শপিং মলে পাঠান। ফের তাঁদের একইভাবে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

বলা হয় মাস্ক পরে আসতে হবে।। মহিলার অভিযোগ, বোরকা মুসলিম মহিলাদের ধর্মীয় লেবাস। তাই তাদের এভাবে বাধা দেওয়া যায় না। তাহলে বোরকা পরলে শপিং মলে যাওয়া যাবে না? আমি চাই, এভাবে যেন কাউকে অপমানিত হতে না হয়। উনি কি করে জানলেন যে বোরকার নিচে মাস্ক নেই? আর বোরকা থাকলে মাস্কের কী দরকার?

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা গেছে, শপিং মলের ম্যানেজারকে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

ছবি প্রতিকী

Categories
দেশ

এক শ্রেণীর সংবাদমাধ্যমই দেশে সাম্প্রদায়িকতার বিষ ছড়াচ্ছে: সুদর্শন টিভি প্রসঙ্গে মন্তব্য বিচারপতি কে এম জোসেফের

এক শ্রেণীর সংবাদমাধ্যমই দেশে সাম্প্রদায়িকতার বিষ ছড়াচ্ছে: সুদর্শন টিভি প্রসঙ্গে মন্তব্য বিচারপতি কে এম জোসেফের

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: সুদর্শন টিভির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হওয়া মামলার শুনানি চলাকালে বিচারপতি কে এম জোসেফ বলেন, তিনি লক্ষ্য করেছেন এই সুদর্শন টিভি প্রকারান্তরে সাম্প্রদায়িকতা প্রচার করে। যা সংবাদমাধ্যমের কাজ নয়।

বিচারপতি কে এম জোসেফ, বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচুড় ও বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রা এই তিন সদস্যের বেঞ্চে, বিচারপতি জোসেফ উল্লেখ করেন তথ্য সম্প্রচার আইন ১৯৯৪ এর প্রোগ্রাম কোডের প্রসঙ্গ। এই আইনের ৬(গ) ধারায় উল্লেখ করা আছে, এমন কোনও অনুষ্ঠান যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার পরিপন্থী তেমন কিছু প্রচার করা যাবে না।

সুদর্শন টিভির পক্ষে বর্ষীয়ান আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান এই অভিযোগ অস্বীকার করেন। তাঁর দাবি এই ইউপিএসসি জিহাদ সংবাদটি সুদর্শন টিভির এক তদন্তমূলক সংবাদ। বিচারপতি জোসেফ মনে করিয়ে দেন তথ্য ও সম্প্রচার আইনের কথা। দীর্ঘ শুনানির পর আদালত সুদর্শন টিভির এই বিতর্কিত বোল বিন্দাস শো’টির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

Categories
বিশ্ব

শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন পেলেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ড. রুহুল আবিদ

শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন পেলেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ড. রুহুল আবিদ

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: বর্তমানে তিনি ব্রাউন ইউনিভার্সিটির ওয়ারেন আলপার্ট মেডিক্যাল স্কুলের সহযোগী অধ্যাপক, রড আইল্যান্ড হসপিটালের প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর ও ব্রাউন গ্লোবাল হেলথ ইনিশিয়েটিভের এক্সিকিউটিভ ফ্যাকাল্টি মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ব্রাউন ইউনিভার্সিটির গ্লোবাল হেলথ ইনিশিয়েটিভ ও সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপ্রোসফটের সঙ্গে যৌথভাবে সহজে বহনযোগ্য ইলেক্ট্রনিক মেডিক্যাল রেকর্ড (ইএমআর) নির্মাণ করেন। এটির নামকরণ করেছেন ‘নিরোগ’।

মঙ্গলবার এই বিষয়ে বাংলাদেশের ইংরেজি দৈনিক পত্রিকা ঢাকা ট্রিবিউনের পক্ষ থেকে বোস্টনের ইউনিভার্সিটির অব ম্যাসাচুসেটসের কলেজ অব লিবারেল আর্টসের নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জ্যেন-ফিলিপ বেলিউ এর সঙ্গে ইমেইলে যোগাযোগ করা হয়। জবাবে তিনি ড. রুহুল আবিদ ও তার প্রতিষ্ঠানের শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আমেরিকান প্রেসিডেন্টও আরব ইসরাইল সম্পর্ক তৈরির জন্য এই বিভাগে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন পেয়েছেন।

জ্যেন-ফিলিপ বেলিউ লিখেছেন, নৃবিজ্ঞান বিভাগ থেকে এই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

ড. রুহুল আবিদের প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুসারে, চিকিৎসা বিজ্ঞানী হিসেবে ড. আবিদ বাংলাদেশে বিভিন্ন কমিউনিটি স্বাস্থ্য প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছেন। ২০১৩ সাল থেকে স্বেচ্ছাসেবীভিত্তিক গার্মেন্ট ফ্যাক্টরির শ্রমিক ও ২০১৭ সালে কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছেন। এসব প্রকল্পের মাধ্যমে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধসহ স্বাস্থ্যশিক্ষা, পুষ্টি ও ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।