Categories
দেশ

প্রখ্যাত কন্নড় অভিনেত্রী সানজানা গালরানির ইসলাম গ্রহণ: নাম হল মাহিরা

প্রখ্যাত কন্নড় অভিনেত্রী সানজানা গালরানির ইসলাম গ্রহণ: নাম হল মাহিরা

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: কন্নড় চলচ্চিত্রে এক পরিচিত নাম অভিনেত্রী সানজানা গালরানি। কর্নাটকে বহুল চর্চিত অভিনেত্রী সম্পর্কে এক চাঞ্চল্যকর খবর প্রকাশ করেছে কন্নড় ভাষার নিউজ চ্যানেল সুবর্ণ চ্যানেল।

এই কন্নড় ভাষার আঞ্চলিক চ্যানেলটি জানিয়েছে, টিনসেল টাউনের বাসিন্দা সানজানা গালরানি হিসেবে পরিচিত হলেও তার আসল নাম অর্চনা মনোহর গালরানি। দু বছর আগে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তার নাম পালটে নাম গ্রহণ করেন মাহিরা।

সুবর্ণ নিউজ চ্যানেল জানায় আজিজ পাশা নামে পেশায় এক চিকিৎসকের সঙ্গে বিয়ে করে সানজানা নাম পালটে মাহিরা রেখেছেন। বেঙ্গালুরু দারুল উলুম শাহ ওয়ালিউল্লাহ মসজিদের দেওয়ার সার্টিফিকেটে সানজানার বিয়ে ও নাম পরিবর্তনের কথা উল্লেখ থাকা নথি প্রকাশ করেছে। ওই নথি বলছে, ২০১৮ সালের ৯ অক্টোবর এফিডেভিট অনুযায়ী সানজানা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। তারপর নাম নিয়েছেন মাহিরা। ১০ বছর ধরে ইসলাম চর্চা করার পর ইসলাম ধর্ম গ্রহণ বলেও জানানো হয়েছে।

Categories
দেশ

সীমান্ত নিয়ে চীনের সঙ্গে আলোচনা হলে অন্য প্রতিবেশী দেশের সঙ্গেও হওয়া উচিত: সংসদে বললেন ফারুক আব্দুল্লাহ

সীমান্ত নিয়ে চীনের সঙ্গে আলোচনা হলে অন্য প্রতিবেশী দেশের সঙ্গেও হওয়া উচিত: সংসদে বললেন ফারুক আব্দুল্লাহ

 

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও ন্যাশনাল কনফারেন্সের প্রধান ডা. ফারুক আব্দুল্লাহ বলেছেন, যেভাবে চীনের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করা হচ্ছে যে তারা যাতে (লাদাখ থেকে) পিছু হটে যায় সেভাবে আমাদের অন্য প্রতিবেশিদের সঙ্গেও কথা বলা উচিত। শনিবার এভাবে পাকিস্তানের নাম না করে সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভায় বক্তব্য রাখার সময়ে তিনি ওই মন্তব্য করেন।

সংসদে ডা. ফারুক আব্দুল্লাহ বলেন, ‘সীমান্তে সংঘর্ষ বাড়ছে এবং এরফলে মানুষ মারা যাচ্ছে। ওই পরিস্থিতি থেকে বেরোনোর জন্য যেকোনও রাস্তা প্রয়োজন। চীনের মতো আমাদের অন্য প্রতিবেশিদের সঙ্গেও কথাবার্তা বলা উচিত।’

তিনি বলেন, ‘জম্মু-কাশ্মীরের পরিস্থিতি আজ এমন যে যেখানে উন্নয়ন হওয়া উচিত ছিল কিন্তু সেখানে কোনও অগ্রগতি নেই। আজও আমাদের সন্তান এবং ব্যবসায়ীদের কাছে ৪ জি সুবিধা নেই, যা আমাদের দেশের অন্যান্য জায়গায় রয়েছে। যখন সমস্ত কিছু আজ ইন্টারনেটের মাধ্যমে হয় তখন তারা কীভাবে শিক্ষাগ্রহণ করতে পারে? ভারত উন্নতি করছে, জম্মু-কাশ্মীরের কী উন্নয়ন হওয়া উচিত নয়?’

ডা. ফারুক আব্দুল্লাহ আরও বলেন, আমি খুশি যে সেনাবাহিনী স্বীকার করেছে, শোপিয়ানে ভুলবশত তিন জন নিহত হয়েছিল। আমি আশা করি সরকার এ ক্ষেত্রে ভাল ক্ষতিপূরণ দেবে।

গত ১৮ জুলাই সন্ত্রাসী সন্দেহে সেনাবাহিনীর গুলিতে নিহত হন জম্মু-কাশ্মীরের রাজৌরির বাসিন্দা ইমতিয়াজ আহমেদ, আবরার আহমেদ এবং মুহাম্মাদ ইবরার। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই তিন জনের ছবি ছড়িয়ে পড়তেই তাদের পরিবারের লোকজন ওই যুবকদের শনাক্ত করেন। তাঁরা বলেন, কাজের খোঁজে শোপিয়ানে গিয়েছিলেন ওই তিন যুবক। ১৭ জুলাই থেকে তাঁদের সঙ্গে আর যোগাযোগ করা যায়নি। পরের দিন সেনার গুলিতে মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিক্ষোভ শুরু হয়। ভুয়ো সংঘর্ষে ওই যুবকদের হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি ওঠে। ওই ঘটনার তদন্তে নেমে অবশেষে সম্প্রতি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, শোপিয়ানে ভারতীয় জওয়ানরা যে আর্মড ফোর্সেস স্পেশাল পাওয়ার্স অ্যাক্ট (আফস্পা) লঙ্ঘন করেছেন, প্রাথমিক তদন্তে তা ধরা পড়েছে। দোষী প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত জওয়ানদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান।

সংসদে সেই প্রসঙ্গের জের টেনে ডা. ফারুক আব্দুল্লাহ বলেন, ‘সেনাবাহিনী মেনে নিয়েছে যে, ভুলবশত শোপিয়ানে ওই যুবকদের হত্যা করা হয়েছে। এতে খুশি আমি। আশাকরি সরকার নিহতদের পরিবারকে প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ দেবে।’

কেন্দ্রীয় সরকার গত বছর ৫ আগস্ট জম্মু-কাশ্মীরে সেরাজ্যের বাসিন্দাদের জন্য বিশেষ সুবিধা সম্বলিত ৩৭০ ধারা বাতিল করার পরে ফারুক আব্দুল্লাহকে বন্দি করা হয়। অবশেষে দীর্ঘ প্রায় ৭ মাস পরে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়। তাঁর মুক্তির দাবিতে ভারতের বিরোধী নেতারা সোচ্চার হওয়ার পরে অবশেষে তাঁকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেয় রাজ্য প্রশাসন। মুক্তি পাওয়ার পরে এই প্রথম তিনি সংসদের চলতি অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন।

Categories
দেশ

অযোধ্যার মসজিদ তৈরি হতে পারে কোন গম্বুজ ছাড়াই পবিত্র কাবা শরীফের আদলে

অযোধ্যার মসজিদ তৈরি হতে পারে কোন গম্বুজ ছাড়াই পবিত্র কাবা শরীফের আদলে

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: অযোধ্যার বাবরী মসজিদের জমিতে রামমন্দির নির্মাণের পক্ষেই রায় দিয়েছিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, মসজিদ নির্মাণের জন্যও এই অযোধ্যাতেই পাঁচ একর জমি দিতে হবে। সেই নির্দেশ মেনেই অযোধ্যার ধান্নিপুরে ৫ একর জমি দেওয়া হয় মসজিদের জন্যে। জানা গেছে, সে মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। মক্কার পবিত্র কাবা শরীফের আদলেই তৈরি হতে পারে এই মসজিদ।

মাস খানের আগে মসজিদ নির্মাণের ট্রাস্টও ঘোষণা করা হয়। ‘ইন্দো-ইসলামিক কালচারাল ফাউন্ডেশন’ নামের ওই ট্রাস্টের আওতায় শুরু হয় মসজিদের নির্মাণ কাজ। ট্রাস্টের সম্পাদক তথা মুখপাত্র আতহার হুসেন বলেন, “১৫ হাজার বর্গফুট জায়গা নিয়ে গড়ে উঠবে এই মসজিদ। বাবরি মসজিদের আয়তনও এমনটাই ছিল। তবে বাবরির থেকে একেবারে আলাদা আদলে তৈরি হবে মসজিদটি। স্থপতি এসএম আখতার জানিয়েছেন, এটা কাবা মসজিদেরর মতো চৌকো গড়নের হতে পারে।”

তবে ট্রাস্টের পক্ষে জানানো হয়েছে, এখনও সবটাই আলোচনার স্তরে আছে। কাবা শরীফের যেমন কোনও গোল মাথা বা গম্বুজ নেই, তেমনই হতে পারে অযোধ্যার মসজিদও। এ বিষয়ে স্থপতিবিদকেই সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আতহার হুসেন।

তিনি আরও বলেন, “এই মসজিদটি বাবরির নামে হবে না। এটা অন্য কোনও রাজা-মহারাজের নামেও হবে না। আমি ব্যক্তিগত ভাবে চাই, একে ধান্নিপুরের মসজিদ বলেই চিনুক সকলে।”

পাশাপাশি আতহার হুসেন জানিয়েছেন, ট্রাস্টের তরফে একটি অনলাইন পোর্টাল খোলা হয়েছে। তার মাধ্যমে মসজিদ ও মিউজিয়ামের জন্য অর্থ দান করতে পারেন সকলে। মসজিদ চত্বরের ভিতরে হাসপাতাল ও রিসার্চ সেন্টারও হবে। তাতেও অনেক অর্থের প্রয়োজন। ওই পোর্টালে দেশ-বিদেশের ইসলামিক স্কলারদের বিভিন্ন লেখা রয়েছে। এখনও পোর্টালটি সম্পূর্ণ প্রস্তুত হয়ে আত্মপ্রকাশ করেনি। হলে তবেই অনুদান গ্রহণ করা শুরু করা যাবে।

Categories
দেশ

বিহারে কংগ্রেস-আরজেডির পতনের কারণ ভুল নীতি: বিধানসভা নির্বাচনে লড়াইয়ের বার্তা ওয়াইসির

বিহারে কংগ্রেস-আরজেডির পতনের কারণ ভুল নীতি: বিধানসভা নির্বাচনে লড়াইয়ের বার্তা ওয়াইসির

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: মাস দুয়েকের মধ্যেই বিহারের বিধানসভা নির্বাচন। সেই নিয়ে প্রস্তুতি চলছে। কোমর বেঁধে লড়াই শুরু বিহারের মসনদ দখলের। সেই লড়াইয়ে বিজেপি যেমন নীতিশ কুমারের জনতা দল ইউনাইটেডের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে লড়ছে, তেমনই কংগ্রেস লড়াই করছে লালুর রাষ্ট্রীয় জনতা দলের সঙ্গে জোট বেঁধে। আর এই জোট নিয়েই এবার কটাক্ষ করলেন এআইএমআইএমের প্রধান আসাদুদ্দিন ওয়াইসি। ভুল নীতিই বিহারে কংগ্রেস-আরজেডির সরকারের পতন!

বিহার নির্বাচনে ওয়াইসির দলের অভ্যুত্থান ঘটে। সমাজবাদী জনতা দল ডেমোক্রেটিক-এর সঙ্গে জোট বেঁধে লড়েছেন নির্বাচন। এবারও একই পথে হাঁটবেন তিনি। এমনকি সাম্প্রদায়িকতা ও সাম্প্রদায়িক দলের বিরুদ্ধে যেসব দল লড়াই করতে চায় তাঁদের এই জোটে আহ্বান জানান এআইএমআইএমের প্রধান।

তিনি বলেন, “আমরা কোনো রাজনৈতিক দলকে ভয় পাই না। আমাদের দল ২০১৫ সালে কিষানগঞ্জ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছিল। আরজেডির ব্যর্থতার কারণেই বিহারে আজ বিজেপি এত ওপরে উঠেছে। আমি হায়দরাবাদে বিজেপি ও শিবসেনাকে পরাজিত করেছি।”

এরপরই তিনি যোগ করেন, “মহারাষ্ট্রে কংগ্রেস দল শিবসেনার কোলে বসে আছে। কংগ্রেসের অন্যায়ের ফলেই দেশের মানুষের রোষের মুখে পড়ছে।” ব্যারিস্টার আসাদউদ্দিন ওয়াইসির দল ‘মিম’ রাজ্যের ২২ টি মুসলিম অধ্যুষিত জেলায় ৩২টি বিধানসভা আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছে।

বিহারে মুসলিম জনসংখ্যা ১৬ শতাংশ।বিহার বিধানসভার ২৪৩ আসনের মধ্যে কমপক্ষে চার ডজন বা ৪৭ টি আসনে মুসলিম জনসংখ্যার হার ২০ থেকে ৪০ শতাংশ হওয়ায় তারা ওই সকল কেন্দ্রের নির্বাচনে প্রার্থীদের জয়-পরাজয় নির্ধারণ করে।

Categories
দেশ

মোদি সরকারের বিতর্কিত কৃষি বিলের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে মিছিল ও পথ অবরোধ

মোদি সরকারের বিতর্কিত কৃষি বিলের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে মিছিল ও পথ অবরোধ

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: কেন্দ্রের আনা নয়া কৃষি বিলের বিরোধিতা করে দিনভর দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ দেখালেন কৃষকরা। দিল্লি, পঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ-সহ বিভিন্ন জায়গায় চলল, মিছিল, ট্র্যাক্টর মিছিল, পথ অবরোধ।

নয়া বিল আইনে পরিণত হলে মিনিমাম সাপোর্ট প্রাইস (MSP) পাবেন না এই আশঙ্কায় বিক্ষোভে সামিল হয়েছে বিভিন্ন কৃষক সংগঠন। পঞ্জাব, হরিয়ানা, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, ছত্তিগসগঢ়-সহ বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে বিক্ষোভ। ছত্তিসগঢ়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেলের দাবি, খুব শিগগিরই এই বিক্ষোভ রাজ্যের বাইরে আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে পড়বে।

ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের হরিয়ানা ইউনিট কেন্দ্রের আনা কৃষি বিলের প্রতিবাদে রবিবার বেলা ১২টা থেকে বিকেল ৩টে পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ দেখায়। আগে থেকেই তত্‍‌পর ছিল পুলিশ। যে রাস্তা দিয়ে বিক্ষোভের কথা ছিল, সেখান থেকে যানবাহনের রুট ঘুরিয়ে নেওয়া হয়। আম্বালা, কুরুক্ষেত্র, শোনিপত, জিন্দ, সিসরা, ফতেহাবাদ, হিসার ও ভিওয়ানিতে রাখা হয়েছিল চেকিং। ক্ষুব্ধ কৃষকদের আলোচনায় বসার ডাক দিয়েছেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খাট্টার।

পঞ্জাব যুব কংগ্রেস আবার কৃষি বিলের প্রতিবাদে ট্র্যাকটর মিছিলের আয়োজন করে। পঞ্জাব থেকে দিল্লি পর্যন্ত যাবে সেই মিছিল। রবিবার সকালে মোহালি থেকে শুরু হয়েছে সেই মিছিল। শনিবারও পঞ্জাবে বিক্ষোভ দেখান কৃষকরা। পোড়ানো হয় কুশপুতুল। বিক্ষোভ চলে দেশের অন্যান্য রাজ্যেও।

রবিবার রাজ্যসভায় কৃষিবিল পেশ হতেই বিরোধীরা একজোট হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ দিন বিল পেশ হওয়ার কিছু সময়ের মধ্যেই রাজ্যসভায় কংগ্রেস সাংসদ প্রতাপ সিং বাজোয়া স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ‘চাষিদের জন্য মৃত্যু পরোয়ানায় সই করবে না কংগ্রেস।’ আর এরপরই বিক্ষোভের রাশ নিয়ে নেয় তৃণমূল কংগ্রেস। ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল সাংসদরা। ছিঁড়ে ফেলেন বিলের প্রতিলিপি। সংসদের রুল বুক। এই বিষয়টি অত্যন্ত লজ্জার বলে অভিহিত করে শাসক শিবির।

বিরোধী বিক্ষোভে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত বন্ধ ছিল রাজ্যসভার অধিবেশন। এরপর দেড়টায় ফের অধিবেশন শুরু হতেই বিরোধীরা পুরনো অবস্থানই নিতে থাকেন। ভোটাভুটি করতে বিরোধীদের শান্ত হতে বলেন প্যানেল চেয়ারপার্সন। কিন্তু বিরোধীরা বিক্ষোভ দেখাতেই থাকেন। এরমধ্যেই ধ্বনি ভোটে পাশ হয়ে যায় বিল।

Categories
বিশ্ব

বাগদাদে দূতাবাস খুললে ইসরাইলের পতন হবে: হুঁশিয়ারি ইরাকের নেতার

বাগদাদে দূতাবাস খুললে ইসরাইলের পতন হবে: হুঁশিয়ারি ইরাকের নেতার

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: ইরাকের প্রভাবশালী নেতা মুক্তাদা আস-সাদর বলেছেন, বাগদাদের মাটিতে ইসরাইল দূতাবাস খুললে নিজেই তার পতন ডেকে আনবে।

ইরাকের অভ্যন্তরে ইসরাইল একটি কূটনৈতিক মিশন দূতাবাস খোলার পরিকল্পনা করছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর বের হওয়ার পর ইরাকের এ নেতা এই হুশিয়ারি দিলেন।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) মুক্তাদা সাদর সতর্ক করে বলেন, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আল্লাহর শত্রু, যার মাথায় ইরাক নিয়ে কূটচিন্তা রয়েছে। ইরাকে দূতাবাস খুলে তিনি তার সে কূটকৌশল বাস্তবায়ন করতে চান।

মুক্তাদা সাদর ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীকে হুঁশিয়ার করে বলেন, যদি তিনি এমন কাজ করেন তাহলে পবিত্র কুরআনের বাণী অনুসারে দখলদার এ শক্তির পতন হবে।

সম্প্রতি আরব দেশ বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ইহুদীবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেছে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরকারি বাসভবন হোয়াইট হাউসে আনুষ্ঠানিকভাবে এক চুক্তির মধ্য দিয়ে এই সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা হয়। এ ঘটনাকে ফিলিস্তিনিদের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে দেখছে মুসলিম দেশগুলো।

Categories
রাজ্য

ভাটপাড়া–নৈহাটি সমবায় ব্যাংকের কোটি কোটি টাকা দূর্নীতির অভিযোগ: চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারিত সাংসদ অর্জুন সিং

ভাটপাড়া–নৈহাটি সমবায় ব্যাংকের ২০ কোটি টাকা দূর্নীতির অভিযোগ: চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারিত সাংসদ অর্জুন সিং

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: মাঝে একটা বছর। কিন্তু তারমধ্যেই বদলে যাচ্ছে ছবিটা। ২০১৯ সালে নিজে ভোটে জিতে হয়েছিলেন এলাকার সাংসদ। ছেলেকে জিতিয়ে এনেছিলেন নিজেরই ছেড়ে আসা বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে। কার্যত গোটা এলাকায় কায়েম করেছিলেন একছত্র অধপতি। কিন্তু ২০২০ পড়তে না পড়তেই একের পর এক ছবি ক্রমশ বদলাতে শুরু করেছে। প্রথমে হাতছাড়া হয়েছে পুরসভা, তারপর হারিয়েছেন পুরপ্রধানের পদ, দায়ের হয়েছে একের পর এক আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ, এবার হারালেন ভাটপাড়া-নৈহাটি সমবায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদ। এই ধাক্কা যে তাঁর কাছে বেশ বড় ধাক্কা তা নিয়ে সন্দেহ নেই ব্যারাকপুরের বাহুবলী বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের। কার্যত সময় যতই গড়াচ্ছে নিজের সাম্রাজ্যের মাটি ততই পায়ের তলা থেকে হারিয়ে ফেলছেন এই বিজেপি নেতা কাম সাংসদ।

বছর দুয়েক আগে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ব্যারাকপুর মহকুমার ভাটপাড়া–নৈহাটি সমবায় ব্যাংকের প্রায় ২০ কোটি টাকা ঋণ অবৈধভাবে পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। সেই দুর্নীতির তদন্তে উঠে আসে যে, ২০১৮ সালের অক্টোবরে দু’‌দফায় মোট ১৩ কোটি টাকা ঋণ হিসেবে দেওয়া হয় ভাটপাড়া পুরসভার ঠিকাদার তথা ঋণগ্রহীতা অভিজিৎ চক্রবর্তীকে। অথচ সেই পুরো টাকাটাই চলে যায় অন্য অ্যাকাউন্টে। সেই ঘটনায় নাম জড়ায় ব্যাঙ্কের তৎকালীন সিইও চন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের। এরপর চন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য ও খড়দার বাসিন্দা অভিজিৎ চক্রবর্তী দুইজনকেই গ্রেফতার করে পুলিশ। সেই মামলাতেই নাম জড়ায় অর্জুন সিংয়েরও। কারন যে টাকা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল, তা ছিল আসলে ভাটপাড়া চেয়ারম্যানের রিলিফ ফান্ডের।

কার্যত সরকারি নিয়ম ভেঙেই যে ওই রিলিফ ফান্ড তৈরি করা হয়েছিল, সেই বিষয়ে সমস্ত নথি জোগাড় করে ফেলে পুলিশ। আর তাতেই রহস্য ফাঁস হয়ে যায়। বিজেপি সাংসদ ও তাঁর ভাইপো সৌরভ সিং-এর বাড়িতে এই ঘটার জেরে একাধিকবার হানা দেয় পুলিশ। গত কয়েকমাস ধরেই পুলিশের সঙ্গে এই ঘটনা ও মামলা টানাপোড়েন চলছিল অর্জুন সিংয়ের। অর্জুন সিংয়ের শ্যামনগরের পেট্রল পাম্পেও হানা দিয়ে ইবি সমস্ত নথি খতিয়ে দেখে ও নমুনা সংগ্রহ করে। এফআইআরও হয় তাঁর বিরুদ্ধে। তারপরেই ভাটপাড়া-নৈহাটি সমবায় ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান পদ থেকে তাঁকে অপসারিত করার দাবি উঠেছিল। সেই দাবিকে মান্যতা দিয়েই রবিবার দুপুরে ওই ব্যাঙ্কের পরিচালন সমিতির সভা বসে। সেখানেই ১২-০ ভোটে তাঁকে অপসারিত করা হয়।

Categories
দেশ

মোদি সরকারের নতুন বিল: সরকারি অনুমতি ছাড়াই কর্মী ছাঁটাই করতে পারবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান

মোদি সরকারের নতুন বিল: সরকারি অনুমতি ছাড়াই কর্মী ছাঁটাই করতে পারবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: এবার থেকে বেসরকারি শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলি নিজের মর্জির মালিক! সরকারি অনুমতি ছাড়াই কর্মী নিয়োগ ও ছাঁটাই করতে পারবে। লোকসভায় পেশ করা বিলে এমনই প্রস্তাব দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। তবে যে সব সংস্থায় ন্যূনতম ৩০০ কর্মী রয়েছেন, তাঁরাই এই আইনের আওতায় আসবে। এই আইন কার্যকরী হলে শ্রমিকদের কাজ হারানোর পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে যে শিল্প প্রতিষ্ঠানে কর্মী সংখ্যা একশোর কম তাঁরা অনুমতি ছাড়াই নিয়োগ করতে পারে। আবার সরকারকে না জানিয়েই ছাঁটাই করতে পারে। এবার এই নিয়মের পরিধি রবাড়াতে চাইছে কেন্দ্র সরকার। শনিবার লোকসভায় কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী সন্তোষ গাঙ্গোয়ার ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেশন কোড বিল ২০২০’ পেশ করেন। তাতেই বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

নয়া বিলের ধারা ৭৭ (১) অনুযায়ী, যে শিল্প প্রতিষ্ঠানের (মরশুমকালীন নয় বা যেখানে মাঝে মধ্যে কাজ হয়, সেই প্রতিষ্ঠান নয়) ন্যূনতম কর্মী সংখ্যা ৩০০ বা তার বেশি, যে সংস্থায় কর্মীরা পূর্ববর্তী ১২ মাসে দৈনিক গড় কর্মদিবসের ভিত্তিতে কাজ করছেন, সেই সংস্থাগুলিতে ছাঁটাই এবং ঝাঁপ পড়ে যাওয়ার অংশটি কার্যকর হবে।

প্রসঙ্গত, গত বছর লোকসভায় বিলটি পেশ করা হয়েছিল। পরে তা শ্রম বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কাছে পাঠানো হয়। কিন্তু বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের বিরোধিতার মুখে নিয়মটি ২০১৯ সালের বিলে রাখা হয়নি। চলতি বছরের গোড়ার দিকে আবার সরকারের অনুমতি ছাড়াই ৩০০-র কম সংখ্যক কর্মী বিশিষ্ট সংস্থাগুলির খরচ কমানোর জন্য ছাঁটাই বা সংস্থা বন্ধের অনুমতি দিয়েছিল সংসদীয় কমিটি। তবে বিলের বিরোধিতায় সরব হয়েছে কংগ্রেস-সহ একাধিক বিরোধী দল।

Categories
দেশ

বিরোধীদের প্রবল বিরোধিতা সত্ত্বেও লোকসভার পর রাজ্যসভায়ও পাশ হয়ে গেল বিতর্কিত কৃষি বিল

বিরোধীদের প্রবল বিরোধিতা সত্ত্বেও লোকসভার পর রাজ্যসভায়ও পাশ হয়ে গেল বিতর্কিত কৃষি বিল

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: লোকসভার পর রাজ্যসভায় পাশ বিতর্কিত কৃষি বিল। বিরোধীদের তুমুল হইচই, ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ, রুল বুক ছেঁড়ার চেষ্টা। সব কিছুর মধ্যে রবিবার দুপুরে রাজ্যসভায় পাস হয়ে গেল বিতর্কিত তিনটির মধ্যে দুটি কৃষি বিল। এবার রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের পর তা শুধু আইন হওয়ার অপেক্ষা। বিরোধীরা দাবি করেছে, ‘‌গণতন্ত্রকে হত্যা করে’‌ বিল পাস করিয়েছে সরকার।

রবিবার সকাল থেকেই কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর বিল রাজ্যসভায় পেশ করার পর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সংসদের উচ্চ কক্ষের আবহাওয়া।

তীব্র বাদানুবাদ, সরকার এবং বিরোধী সাংসদদের তর্কবিতর্কের মধ্যে বিল ধ্বনি ভোটে পাস করার জন্য চেষ্টা হতেই বিরোধী সাংসদরা অধিবেশনের মধ্যেই ওয়েলে নেমে হইচই শুরু করেন। স্লোগান দিতে থাকেন সরকারের বিরুদ্ধে। রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশের সামনে গিয়ে তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’‌ব্রায়েন তাঁকে সদনের রুল বুক দেখাতে যান। তাঁদের শান্ত হতে বলে এবং নিজের আসনে ফিরে যেতে অনুরোধ করেন ডেপুটি চেয়ারম্যান। কিন্তু তাতে কর্ণপাত করেননি তাঁরা।

রুল বুক ছিঁড়ে ফেলে ডেপুটি চেয়ারম্যানের মাইক্রোফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। ডেরেক অভিযোগ করেন, সদনের সব নিয়ম ভেঙে ফেলেছে সরকার। দেশ যাতে সদনের ভিতরের ঘটনা দেখতে না পায় সেজন্য রাজ্যসভা টিভির ফিড ছেঁটে সেটাকে সেন্সর করা হয়েছে। ধাক্কাধাক্কিতে মাইক্রোফোন ভেঙে যায়। বিল পাস হওয়ার পরই হইচইয়ের কারণে সোমবার পর্যন্ত মুলতুবি হয়ে যায় রাজ্যসভা।

Categories
দেশ

মোদি সরকারের বিতর্কিত কৃষি বিলের প্রতিবাদে ২৫ সেপ্টেম্বর দেশজুড়ে ধর্মঘটের ডাক বিভিন্ন কৃষক সংগঠনের

মোদি সরকারের বিতর্কিত কৃষি বিলের প্রতিবাদে ২৫ সেপ্টেম্বর দেশজুড়ে ধর্মঘটের ডাক বিভিন্ন কৃষক সংগঠনের

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: লোকসভায় পাশের‌ পর আজ রাজ‍্যসভায় পেশ করা হবে মোদী সরকার প্রবর্তিত তিনটি নতুন কৃষি বিল। এই কৃষি বিল বাতিলের দাবিতে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে উত্তাল রয়েছে পাজাব ও হরিয়ানা। এই বিতর্কিত বিলের প্রতিবাদে আজ রাজ‍্যের সমস্ত মুখ‍্য সড়ক অবরোধ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে হরিয়ানার কৃষক সংগঠন ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন (বিকেইউ)। বেলা ১২টা থেকে শুরু হয়ে তিনঘন্টা ধরে এই অবরোধ চলবে। এই একই ইস‍্যুতে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বরের পরিকল্পিত ধর্মঘটেও অংশ নেবে তারা।

যে তিনটি কৃষি অর্ডিন্যান্স ঘিরে এই বিক্ষোভ সেগুলো হলো – ফার্মার্স প্রোডিউস ট্রেড অ‍্যান্ড কমার্স (প্রমোশন অ‍্যান্ড ফেসিলিটেশন) অডিন‍্যান্স, ২০২০; ফার্মার্স (এমপাওয়ারমেন্ট অ‍্যান্ড প্রজেকশন) এগ্রিমেন্ট অন ‌প্রাইস অ‍্যাসুরেন্স অ‍্যান্ড ফার্ম সার্ভিস অর্ডিন্যান্স, ২০২০; দ‍্য এসেন্সিয়াল কমোডিটিস (অ‍্যামেন্ডমেন্ট) অর্ডিন্যান্স, ২০২০। কৃষকরা সবথেকে বেশি উদ্বিগ্ন প্রথম অর্ডিন্যান্সটিকে নিয়ে। বিক্ষোভকারীদের আশঙ্কা এই বিল পাশ হলে ন‍্যূনতম সহায়ক মূল‍্যের চেয়েও অনেক কম মূল্য পাবে তারা। এই বিলের বিরুদ্ধে গত সপ্তাহে সংসদের উদ্দেশ্যে পদযাত্রা শুরু করেছিল কৃষকরা। কিন্তু দিল্লি সীমান্তে তাদের আটকে দেওয়া হয়।

বিকেইউর রাজ‍্য সভাপতি রতন মান বলেছেন, “সরকার যেভাবে কৃষকদের এই আন্দোলনকে দমন করার চেষ্টা করছে, ‘রাজনৈতিক স্বার্থে এই আন্দোলন’ অ‍্যাখ‍্যা দিয়ে সমস‍্যাকে নজর আন্দাজ করছে,‌ তা লজ্জাজনক। যে লক্ষ লক্ষ কৃষকরা বিজেপিকে ভোট দিয়েছিলেন তারা এখন এই সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছে। কৃষকদের ওপর নির্মম অত‍্যাচার সত্ত্বেও আন্দোলন থেকে সরে যাননি তারা। তারা জানেন এই অর্ডিন‍্যান্সগুলি তাদের সামাজিক এবং আর্থিক সুরক্ষার জন্য হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকার যতক্ষণ না এই বিল‌ প্রত‍্যাহার না করে আমরা থামবো না।”

তিনি জানিয়েছেন, যমুনানগর টোল প্লাজাতে আজ অবরোধ করবেন আজ তারা। এছাড়াও কুরুক্ষেত্র-যমুনানগর সড়ক, কুরুক্ষেত্র-পেহয়া সড়ক, কুরুক্ষেত্র-কিরমচ রোড, আম্বালা-হিসার রোড, শাহবাদ-পঞ্চকুলা রোড অবরোধ করবেন কৃষকরা।

হরিয়ানার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল ভিজ বিকেইউকে এই অবরোধ না করার অনুরোধ করেছেন। বিরোধীদের বিরুদ্ধে কৃষকদের বিভ্রান্ত করার অভিযোগ তুলেছেন তিনি। হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টার ও উপমুখ্যমন্ত্রী দুষ‍্যন্ত চৌটালা একাধিক বক্তব্যের মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছেন এই অর্ডিন্যান্স কৃষকদের স্বার্থের বিরুদ্ধে নয়, কিন্তু কৃষকরা তাদের দাবিতে অনড়।