Categories
দেশ

করোনার বলি প্রথম কোন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী: মারা গেলেন রেল প্রতিমন্ত্রী সুরেশ অঙ্গাদি

করোনার বলি প্রথম কোন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী: মারা গেলেন রেল প্রতিমন্ত্রী সুরেশ অঙ্গাদি

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন কেন্দ্রীয় রেল প্রতিমন্ত্রী সুরেশ অঙ্গাদি। এ মাসের গোড়াতেই তাঁর শরীরে কোভিডের সংক্রমণ ধরা পড়েছিল। কিন্তু শুরুতে তাঁর শরীরে কোনও উপসর্গ ছিল না। পরে ক্রমশই রোগের জটিলতা বাড়ে। তাঁকে নয়াদিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সে ভর্তি করা হয়। বুধবার সন্ধ্যায় সেখানেই মৃত্যু হয়েছে রেল প্রতি মন্ত্রীর।

Categories
দেশ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সৈন্য ওয়াহিদ আলি ১০৫ বছর বয়সে পরোলোক গমন করলেন

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সৈন্য ওয়াহিদ আলি ১০৫ বছর বয়সে পরোলোক গমন করলেন

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: ওয়াহিদ আলী ১০৫ বছর বয়সে রবিবার মারা গেছেন। তিনি বৃটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীর সদস্য হিসেবে বার্মায় যুদ্ধ করেছেন। ভারত ভাগ হওয়ার পর তার বড় ছেলেসহ পরিবারের বেশিরভাগ সদস্য পাকিস্তান চলে গেলেও তিনি ভারতের উত্তর প্রদেশের বেরেলিতে পৈত্রিক ভিটায় থেকে যান। দীর্ঘ রোগ ভোগের পর অবশেষে তিনিও বিদায় নিলেন।

তার জানাজা ও দাফন হয় উত্তরপ্রদেশের শাজাহানপুর জেলার কাতরা শহরে। এতে বহুসংখ্যক চাকরিরত ও অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য অংশ নেন। শাজাহানপুর পুলিশ তাকে বিদায়ী গার্ড অব অনার দেয়।

ওয়াহিদ আলী ছিলেন বৃটিশ ইন্ডিয়ান
আর্মির অর্ডিন্যান্স কোরের সিপাহী। অস্ত্রশস্ত্র, হার্ডওয়্যার ও বিস্ফোরকের ব্যাপারে তার দক্ষতা ছিলো অসাধারণ। ১৯৪৭ সালে তিনি অবসরে যান। ওই বছরই ভারত স্বাধীন হয়। তখন আলীর সাত সন্তানের মধ্যে বড় ছেলে ইনতেজারসহ পরিবারের অনেকে পাকিস্তান চলে যায়।

তার ছেলে শহিদ বলেন, জন্মভূমির প্রতি টান আমার বাবাকে কোথাও যেতে দেয়নি। তিনি কখনো দেশ ছেড়ে যেতে চাননি।  পাঁচ বছর আগে শহিদের মা মারা যান। তার বাবার পেনশনের মাসিক ৬,০০০ রুপি ছিলো তাদের ভরনপোষনের অন্যতম অবলম্বন। শহিদ বলেন যে তার বাবা ছিলো সুভাষ চন্দ্র বোসের ভক্ত এবং মিয়ানমারে থাকাকালে তার সঙ্গে দেখাও করেছিলেন তিনি।

Categories
দেশ

কৃষি বিলের বিরুদ্ধে উত্তাল সারা দেশ: প্রতিবাদের পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টে আইনী লড়াইয়ের পথে কেরল

কৃষি বিলের বিরুদ্ধে উত্তাল সারা দেশ: প্রতিবাদের পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টে আইনী লড়াইয়ের পথে কেরল

 

 

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: নতুন কৃষি বিল নিয়ে উত্তাল দেশ । কৃষি বিলের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছে দেশজুড়ে কৃষকেরা। উত্তাল হয়েছে সংসদ। রাজ্যসভায় এই বিল নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে গিয়ে সাসপেন্ড হয়েছেন আট সাংসদ। পাল্টা বিরোধীরাও রাজ্যসভার অধিবেশন বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

 

দেশের ১৮টি বিরোধী দল রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লিখে ওই বিলে সাক্ষর না করার অনুরোধ করেছে। কিন্তু এবার শুধু বিরোধিতাই নয় এই বিলের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে নামতে চলেছে বাম শাসিত রাজ্য কেরল। কেরল সরকারের দাবি, ১৯৫৫ সালের আইন সংশোধন করে যা করা হয়েছে তা কৃষকদের স্বার্থ বিরোধী।

 

 

নতুন এই কৃষি বিল রাজ্যের ক্ষমতাও খর্ব করবে। রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী ভি এস সুশীল কুমার সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, কৃষিকাজ, কৃষিবিদ্যা,গবেষণা, কৃষি ফসল রক্ষা রাজ্যের অধিকারের মধ্যে পড়ে। তিনি বলেন কেন্দ্র এই বিল নিয়ে রাজ্যগুলোর সাথে কোনরকম আলোচনা করেননি এই নতুন বিল ব্যবসায়ীদের পেট ভরানোর জন্য করা হয়েছে।মঙ্গলবার রাজ্যসভায় শেষ বিলটি পাস করিয়ে নেয় কেন্দ্র ঠিক অনেকটা যেন ফাঁকা মাঠে গোল করে নেওয়ার মতোই।এর ফলে ডাল, আলু, পেঁয়াজের মতো রোজকার প্রয়োজনীয় জিনিস অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকায় আর থাকল না।

 

এর অর্থ হলো অত্যাবশ্যকীয় পণ্য না হওয়ার দরুন ওইসব পণ্য মজুতের ক্ষেত্রে কোনও সীমা থাকল না। অর্থাৎ ব্যবাসায়ী ও মজুতকারীরা সুবিধে পাবেন। সরকারের বক্তব্য অবশ্য ওইসব পণ্য উৎপাদন, সাপ্লাই ও মজুতের সীমার না থাকার ফলে কৃষকদের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাও ওইসব পণ্যের ব্যবসার ক্ষেত্রে সুবিধে পাবে। পাশাপাশি আসবে বিদেশি বিনিয়োগও।

 

 

Categories
রাজ্য

ফুরফুরা শরীফ আঞ্জুমানে জমিয়তে উলামার উদ্যোগে রক্তদান শিবির ও বস্ত্র বিতরণ

ফুরফুরা শরীফ আঞ্জুমানে জমিয়তে উলামার উদ্যোগে রক্তদান শিবির ও বস্ত্র বিতরণ

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: ফুরফুরা শরীফ আঞ্জুমানে জমিয়তে উলামার উদ্যোগে রক্তদান শিবির ও দুঃস্থদের বস্ত্র বিতরণ। করোনা পরিস্থিতিতে রক্তের সংকট মেটাতে আবারো রক্তদান শিবিরের আয়োজন করল ফুরফুরা শরীফ আঞ্জুমানে জমিয়তে উলামা।

উল্লেখ্য করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে দেশে রক্ত সংকট দেখা দিয়েছে, অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মত প্রথম থেকেই একের পর এক রক্তদান শিবিরের আয়োজন করে আসছে আঞ্জুমান। ঠিক একইভাবে মঙ্গলবার হাওড়া জেলা ডোমজুড় থানার বানিয়াড়া শাখা কমিটির উদ্যোগে রক্তদান শিবির ও কয়েশ দুস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করল।

এদিনের শিবিরে শতাধিক মানুষ রক্তদানে নাম লেখালেও ৬০ জন মানুষের রক্ত সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা। এদিন রক্তদানে মানুষের উৎসাহ উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো। উদ্যোক্তারা জানান এই অনুষ্ঠান খুব সুন্দর ভাবে সফল হয়েছে।আমরা আমাদের এই কাজে ফুরফুরা শরীফের পীরজাদের পাশে পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছি। আঞ্জুমান জমিয়তে উলামা কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশ মত আমরা পরবর্তীতে এ ধরনের সমাজসেবামূলক আরও কাজ করব। অনুষ্ঠান শেষে সংগঠনের তরফ থেকে কয়েক’শ দুস্থদের হাতে কম্বল তুলে দেওয়া হয়।

এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, আঞ্জুমানের সর্বভারতীয় সভাপতি ফুরফুরা শরীফের পীরজাদা কুহাফা সিদ্দিক, সর্বভারতীয় সম্পাদক পীরজাদা সানাউল্লাহ সিদ্দিকী ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য পীরজাদা মুয়াররেখিন সিদ্দিকী, মহ: মুকুল মোল্লা, মহ: রাইহান মোল্লা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এলাকায় বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ সহ বানিয়াড়া শাখা কমিটির সদস্যরা।

Categories
রাজ্য

বিজেপি শিবিরে বড় ধাক্কা: তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন খোদ দিলীপ ঘোষ ঘনিষ্ঠ ৪ নেতা

তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন খোদ দিলীপ ঘোষ ঘনিষ্ট ৪ বিজেপি নেতা

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: বিজেপি ছেড়ে নেতাকর্মীদের তৃণমূলে যোগদান যেন নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু নেতাকর্মীই কেন, বিজেপি বিধায়ক-প্রাক্তন মুখপাত্ররাও নাম লেখাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলে। এবার তৃণমূলের কোপ পড়ল খাস বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের লোকসভা কেন্দ্র খগড়পুরে। দিলীপ বাবুর ‘ডানহাত’-সহ আরও তিন দাপুটে বিজেপি নেতা ও বহু কর্মী এদিন যোগ দেন তৃণমূলে। যা বিজেপির কাছে নিঃসন্দেহে চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়াল।

বুধবার খড়গপুরের চার প্রভাবশালী বিজেপি নেতা কলকাতার তৃণমূলে ভবনে এসে দলবদল করেন। তাঁরা হলেন সংসদ প্রতিনিধি কমিটির সদস্য রাজদীপ গুহ, বিজেপির খড়গপুর উত্তর মণ্ডল প্রাক্তন সভাপতি অজয় চট্টোপাধ্যায়, খড়গপুরে বিজেপির শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি শৈলেন্দ্র সিং ও খড়গপুরের হেভিওয়েট বিজেপি নেতা সজল রায়। তাঁদের হাতে তৃণমূলের পতাকা তুলে দেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।

ওই যোগদানের পর চন্দ্রিমা দেবী বলেন, ‘দিলীপ বাবুর গড় ঝুরঝুর করে ভেঙে পড়ছে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের খড়গপুরে বিজেপির কোনও অস্তিত্ব থাকবে না। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বেশ কিছু মানুষ গত লোকসভা ভোটে আমাদের সমর্থন করেননি। এখন তাঁরা আমাদের দলে যোগ দিচ্ছেন। বিজেপির উপর থেকে মানুষের আস্থা উঠে গিয়েছে।’ এখানেই না থেমে তাঁর সংযোজন, ‘বাংলার মানুষকে বিজেপি প্রতিনিয়ত অপমান করে চলেছে। আসন্ন নির্বাচনে আমাদের তাই আগের থেকে বেশি সমর্থন করবে মানুষ।’

Categories
দেশ

কোনও চাকরিই আর স্থায়ী নয়: মোদি সরকার বিরোধীশূন্য সংসদে পাশ করিয়ে নিল ৩ টি শ্রম বিল

কোনও চাকরিই আর স্থায়ী নয়: মোদি সরকার বিরোধীশূন্য সংসদে পাশ করিয়ে নিল ৩ টি শ্রম বিল

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: বিরোধীশূন্য রাজ্যসভার অধিবেশনের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ৭টি বিল মঙ্গলবার পাস করিয়ে নিয়েছিল নরেন্দ্র মোদীর সরকার৷ এবার বুধবার বিরোধীশূন্য সংসদ অভিবেশনে রাজ্যসভায় পাস ৩টি শ্রম বিল৷ কেন্দ্রের শ্রম আইন পাস হয়ে গেলেই বেসরকারি সংস্থা কর্মী ছাঁটাইয়ে ঢালাও অনুমতি পাবে৷

এছাড়াও সরকারি চাকরিতে আর কোনও ভাবেই স্থায়ী নিয়োগ হবে না৷ চুক্তির ভিত্তিতে এবার থেকে কেন্দ্রীয় সরকারি পদে নিয়োগের পথ আরও প্রশস্ত হয়ে যাবে৷ কোনও চাকরিই আর স্থায়ী হবে না৷

আজ বিরোধীশূন্য অধিবেশনে ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেশনস কোড ২০২০, অকুপেশনাল সেফটি, হেলথ অ্যান্ড ওয়ার্কিং কন্ডিশনস কোড ২০২০ ও কোড অন সোশ্যাল সিকিউরিটি ২০২০ বিল পাস করিয়ে নেয় কেন্দ্র৷ সংসদে পাস হাওয়ার পর ওই ৩ বিলে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ সই করলেই তা আইনে পরিণত হয়ে যাবে৷ কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রী সন্তোষ গাঙ্গোয়ারের দাবি, এই বিল কর্মীদের ‌সুরক্ষিত কাজের পরিবেশ তৈরি করে দেবে৷ আইনে শ্রম নীতিতে সংস্কার আসবে৷

এর তিনটি বিলের মধ্যে রয়েছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেশনস কোড ২০২০৷ তাতে সাফ জানিয়ে দেওয়া আছে, বেসরকারি সংস্থাগুলি সরকারের অনুমতি ছাড়া কর্মীদের ছাঁটাই করতে পারবে৷ আগে ১০০ জনের কম কর্মী থাকা সংস্থাগুলি অনুমতি ছাড়া ছাঁটাই করতে পারত৷

কিন্তু, এখন কেন্দ্রের তরফে সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ৩০০ করা হয়েছে৷ অর্থাৎ ৩০০ জনের কম কর্মী থাকা সংস্থা সরকারের অনুমতি ছাড়া কর্মী ছাঁটাই বা ক্লোজার করতে পাবনে৷ নতুন বিলে ‘মাস ক্যাজুয়াল লিভ’কেও শাস্তি হবে ধার্য করা হয়েছে৷ অর্থাৎ ধর্মঘট করা যাবে না৷ ধর্মঘট করলে গণহারে চড়া জরিমানা ও শাস্তি দিতে পারবে সংস্থা৷

Categories
দেশ

লকডাউনে ১ কোটিরও বেশি মানুষ পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরেছিল: উঠে এল শ্রম মন্ত্রণালয়ের রিপোর্ট

লকডাউনে ১ কোটিরও বেশি মানুষ পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরেছিল: উঠে এল শ্রম মন্ত্রণালয়ের রিপোর্ট

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: ক্রমেই বেড়ে চলেছে করোনা আতঙ্ক। প্রায় এক সপ্তাহ আগে কেন্দ্রীয় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রক লোকসভায় জানিয়েছিল, লকডাউনের সময় বাড়ি ফিরতে গিয়ে কতজন পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে সেই পরিসংখ্যান কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে নেই। শুধু তাই নয়, পরিযায়ী শ্রমিকদের সম্পর্কে আরও কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেননি শ্রমমন্ত্রী সন্তোষকুমার গাংওয়ার।

তিনি জানিয়েছিলেন‌, পরিযায়ীদের সম্পর্কে এই সব তথ্য সরকারের কাছে নেই। তাঁর এমন উত্তরের পর সমালোচনায় মুখর হয় বিরোধীরা। অবশেষে সোমবার শ্রমমন্ত্রী জানিয়েছেন, কোভিড-১৯ অতিমারীর ফলে হওয়া লকডাউনের সময় মার্চ থেকে জুন মাসের মধ্যে পায়ে হেঁটেই বাড়ি ফিরেছেন ১ কোটিরও বেশি পরিযায়ী শ্রমিক ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা। ওই সময়ে মোট ১.৬ কোটি মানুষ নিজেদের রাজ্যে ফিরে এসেছিলেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

রাজ্যসভায় তৃণমূলের ডেরেক ও ব্রায়ানের প্রশ্নের উত্তরে রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল বলেন যে স্পেশাল ট্রেনে ফেরার সময় ৯৭ জনের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে ময়নাতদন্ত হয় ৮৭টি কেসে। তার মধ্যে ৫১জনের রিপোর্ট সংশ্লিষ্ট রাজ্য পুলিশের থেকে মিলেছে। মৃত্যুর কারণ হিসাবে উঠে এসেছে হার্ট অ্যাটাক, ব্রেন হেমারেজ, লিভার ফেলিওর ইত্যাদি।

শ্রম মন্ত্রণালয়ের তরফে বলা হয় পয়লা মে থেকে অগস্ট ৩১ অবধি ৪৬২১টি ট্রেন চালিয়েছে কেন্দ্র। বাড়ি ফিরেছেন ৬৩.১৯ লাখ মানুষ।

বিভিন্ন বিষয়ে কেন্দ্রের তথ্যের অলভ্যতা সম্পর্কিত মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন বিরোধী সাংসদরা। কেন্দ্রকে খোঁচা দিয়ে কংগ্রেস নেতা শশী থারুর বলেছেন, এনডিএ-র অর্থ হল ‘নো ডেটা অ্যাভলেবল’। ‘

Categories
দেশ

কৃষি বিলের বিরুদ্ধে সংসদের ঘরে বাইরে বিক্ষোভ: দেশজুড়ে ফুটে উঠছে কৃষক আন্দোলনে ঐক্যের ছবি

কৃষি বিলের বিরুদ্ধে সংসদের ঘরে বাইরে বিক্ষোভ: দেশজুড়ে ফুটে উঠছে কৃষক আন্দোলনে ঐক্যের ছবি

 

 

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: কৃষি বিলের বিরুদ্ধে সংসদ চত্বরে প্রতিবাদ জারি বিরোধীদের। প্রত্যেকের হাতেই প্ল্যাকার্ড। তাতে লেখা ‘কৃষক বাঁচাও, শ্রমিক বাঁচাও, গণতন্ত্র বাঁচাও।’ কৃষি বিলের বিরোধিতায় আজ সংসদ চত্বরে এভাবেই বিক্ষোভ দেখালন বিরোধী দলের সাংসদরা। বিকেল পাঁচটায় তাঁদের এক প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতির সঙ্গেও দেখা করবেন।

 

 

কৃষি বিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চলছেই। গতকালই রাজ্যসভার অধিবেশন বয়কট করেছে বিরোধী দলগুলি। জানিয়ে দিয়েছে, তারা কৃষি বিল মেনে নেবে না। এনিয়ে আজ রাজ্যসভায় কংগ্রেস দলনেতা গুলাম নবি আজাদ সহ পাঁচজনের এক প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গে দেখা করবেন।

 

 

২০ সেপ্টেম্বর রাজ্যসভায় ‘কৃষিপণ্য লেনদেন ও বাণিজ্য উন্নয়ন’ এবং ‘কৃষিপণ্যের দাম নিশ্চিত করতে কৃষকদের সুরক্ষা ও ক্ষমতায়ন চুক্তি’ সংক্রান্ত বিল পেশ হয়। চূড়ান্ত হই হট্টগোলের মধ্যেই ধ্বনি ভোটে পাশ হয়ে যায় বিল দু’টি। বিরোধীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন।

 

 

তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন সহ অন্য সাংসদরা বিক্ষোভ দেখান। হাউজের রুল বুক ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ ওঠে। এরপরই আট সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়। বিরোধীশূন্য সংসদে পাশ হয়ে যায় তৃতীয় কৃষি বিলটিও। পিঁয়াজ, আলু, ভোজ্য তেল অত্যাবশকীয় পণ্যের তালিকা থেকে বাদ পড়ে।

 

 

গতকাল রাজ্যসভার অধিবেশন চলাকালীন গুলাম নবি আজাদ তিনটি দাবি পেশ করেন। আটজন সাংসদের বিরুদ্ধে সাসপেনশন প্রত্যাহার করতে হবে। সরকারের নির্ধারিত ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের কম দামে শস্য সংগ্রহ করতে পারবে না বেসরকারি সংস্থাগুলি, এই বিষয়ে নিশ্চিত করে কেন্দ্রকে একটি বিল আনতে হবে। এম এস স্বামীনাথন কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নির্ধারণ করতে হবে। এই দাবি না মেটা পর্যন্ত তাঁরা অধিবেশন বয়কট করবেন বলে জানিয়ে দেন।

 

 

আজ সংসদ চত্বরে প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ দেখায় বিরোধী দলগুলি। সেখানে রয়েছেন গুলাম নবি আজ়াদ। ছিলেন তৃণমূলের ডেরেক ও’ব্রায়েন , এনসিপি-র প্রফুল প্যাটেল সহ অন্যরা। এদিকে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গে বিকেল পাঁচটায় দেখা করবেন বিরোধীরা। করোনা বিধি মেনেই এই বৈঠক হবে।

Categories
দেশ

টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের সেরা ১০০ প্রভাব বিস্তারকারী মুখের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর পাশেই জায়গা করে নিল শাহীনবাগের দাদী

টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের সেরা ১০০ প্রভাব বিস্তারকারী মুখের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর পাশেই জায়গা করে নিল শাহীনবাগের দাদী

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: রাজধানী দিল্লীতে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বাতিলের দাবিতে আন্দোলন মঞ্চ আর নেই ।শুধু রয়ে গেছে অসাংবিধানিক শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের স্মৃতি। আজ আবারো সেই শাহীনবাগের স্মৃতি ফিরিয়ে দিল সেই লোকসমাগমের সবার চেনা মুখ । শাহীন বাগের সেই ধর্না মঞ্চের ভিড়ের মাঝে সবার নজর ছিল এক ৮২ বছর বয়সী দাদীর উপর । হ্যাঁ শাহীন বাগের বিলকিস দাদী। যিনি সকাল থেকে রাত জীর্ণ শরীরে বয়সের ছাপ নিয়ে সাহস জুগিয়েছেন দেশবাসীকে।

সম্প্রতি টাইম ম্যাগাজিনের বিশ্বের সেরা ১০০ প্রভাব বিস্তারকারী মুখের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি । সংবাদ সংস্থা মিন্টের এক প্রতিবেদনে বিলকিস বলেছিলেন যে তিনি অখন্ড ভারতের জন্যই প্রতিবাদ করেছিলেন।

শাহিনবাগের দাদি ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও ভারত থেকে এই ১০০-র তালিকায় রয়েছেন বলিউড অভিনেতা আয়ুষ্মান খুরানা, গুগল সিইউ সুন্দর পিচাই। মঙ্গলবার রাতে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে TIME ম্যাগাজিন।

শাহিন বাগের ‘বিরিয়ানি-ভোজ’ নিয়ে নিন্দুক তথা বিজেপি নেতাদের জবাব দিয়েছিলেন কলকাতার মঞ্চে। বলেছিলেন, ‘‘আমরা তো নিজের দেশে বিরিয়ানি খাচ্ছি। আপনাদের মতো পাকিস্তানে বিরিয়ানি খেতে যাই না!’’ শুনে কলকাতা বলেছে, ‘বুঝেগি নফরত কি আগ, শাহিন বাগ শাহিন বাগ’!

তিনি শাহিনবাগে জড়ো হওয়া প্রতিবাদী মহিলাদের ভিড়ের মাঝেই বসে থাকতেন। যাঁরা প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ দেখিয়ে চলেছেন। TIME ম্যাগাজিনের বর্ণনায় বিলকিসের দৃঢ়তা প্রকাশ্যে এসেছে। শহিনবাগ চত্বরে একহাতে তসবীহ ও অন্যহাতে ভারতের জাতীয় পতাকা নিয়ে প্রান্তিক ভারতীয়র কণ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন ৮২ বছরের দাদি। প্রতিদিন সকাল আটটা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত শাহিনবাগেই বসে থাকতেন তিনি।

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন পাশের প্রতিবাদে মুখর হয়েছিল এই বৃদ্ধা। এই আইন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের ভারতীয় নাগরিকত্বের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। দিল্লির চড়া শীতেও হাজারো মহিলাদের সঙ্গে শাহিনবাগের আন্দোলনে শামিল হয়েছিলেন দাদি বিলকিস। জীবন সায়াহ্নে পৌঁছেও এভাবেই ছাত্রনেতাদের আশা শক্তি ও প্রতিরোধের প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন তিনি।

Categories
রাজ্য

মুর্শিদাবাদের রাণীনগরের ৭২টি বাড়ির বাথরুমের নিচে কথিত বাঙ্কার: পুলিশ রিপোর্ট

মুর্শিদাবাদের রাণীনগরের ৭২টি বাড়ির বাথরুমের নিচে কথিত বাঙ্কার: পুলিশ রিপোর্ট

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: আল-কায়েদা সন্দেহে মুর্শিদাবাদের রাণীনগর থেকে ধৃত আবু সুফিয়ানের বাড়ির বাঙ্কার বা সুরঙ্গ কিংবা শৌচালয় সেফটি ট্যাংক নিয়ে মুর্শিদাবাদ পুলিশের একটি বিশেষ দল অনুসন্ধান শুরু করে। সারাদিন তারা তদন্ত তল্লাশি করল আবু সুফিয়ানের গ্রাম রাণীনগরে, আবু সুফিয়ানের বাড়ির এক কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত প্রতিটি বাড়িতে পুলিশ সদস্য যায় এবং এরকম বাঙ্কার বা সুড়ঙ্গ কার কার বাড়িতে আছে খোঁজ নেয় পুলিশ। আশ্চর্যের হলেও শুধু রাণীনগরে আবু সুফিয়ানের বাড়ির মতো বাঙ্কার বা সুরঙ্গ ৭২টি বাড়িতে রয়েছে বলে জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। খোঁজ পেয়ে যেগুলো নিয়ে রাজ্য সরকারকে রিপোর্টও পাঠিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে এলাকায় ছোট ছোট জমিতে বাড়ি তৈরি হওয়ায়, বাড়ির ভিতরেই সেপটিক ট্যাংক তৈরি করা করে তার উপরে স্নানঘর ও শৌচালয় নির্মাণ করা হয়। আগে মাটি খুঁড়ে শৌচালয়ের চেম্বার তৈরি করে কংক্রিট ঢালাই হয় উপরেও কংক্রিট ঢালাই ঢাকনা দেওয়া হয়। ঠিক এইভাবে স্নানালয় ও শৌচালয় নিচে চেম্বারে উপর বাথরুম পাওয়া গিয়েছে কমপক্ষে ৭২ টা বাড়িতে। আবু সুফিয়ানের বাড়িতে এটি তৈরি হলে সংখ্যাটা দাঁড়াতো ৭৩। তবে আবু সুফিয়ানের বাথরুমটি অসম্পূর্ণ ছিল।

জেলা পুলিশের এক শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন এনআইএ প্রথম দিন আবু সুফিয়ানকে গ্রেপ্তারের সময় তার বাড়ি তল্লাশি করে তন্নতন্ন করে সব দেখে। এই কথিত বাঙ্কার বা সুরঙ্গ নিয়ে একটি শব্দও খরচ করেনি। অথচ একদিন পর থেকে বাংলার বৈদ্যুতিন ও প্রিন্ট মিডিয়ায় এটা নিয়ে এত বেশী সময় নিউজপ্রিন্ট করেছে যে যা চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে এসে দাঁড়িয়েছে, পুলিশকে তদন্ত করে আলাদা রিপোর্ট করতে হয়েছে।

সৌজন্যে: পুবের কলম