প্রশান্ত কিশোরের জন্য ৫০০ কোটি, তাহলে তিন মাসের বিদ্যুত বিল মুকুব হবে না কেন? মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন সুজনের

    প্রশান্ত কিশোরের জন্য ৫০০ কোটি, তাহলে তিন মাসের বিদ্যুত বিল মুকুব হবে না কেন? মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন সুজনের

     

    নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: করোনা পরিস্থিতিতে গোটা দেশ জুড়ে লকডাউন। ভোগান্তির মুখে সাধারণ মানুষ। এই পরিস্থিতিতে তিনমাসের জন্য বিদ্যুতের বিলে ছাড় দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাম ও কংগ্রেস পরিষদীয় দল। এই মর্মে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যপাধ্যায়ের কাছে চিঠি দিয়েছে তারা। এছাড়াও করোনা পরিস্থিতিতে রাজ্যবাসীর জন্য সরকার বিশেষ কিছু করছে না, এমনও অভিযোগ শোনা গেছে বাম পরিষদীয় নেতা সুজন চক্রবর্তীর কথায়। রাজ্য সরকার ক্লাবগুলিতে কয়েকশো কোটি টাকা দিচ্ছে, ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরকে দিচ্ছে ৫০০ কোটি, অথচ করোনা মোকাবিলায় বরাদ্দ মাত্র ২০০ কোটি? প্রশ্ন তুলেছেন সুজন৷

    দেশজুড়ে লকডাউন। সাধারণ মানুষ আর্থিক সঙ্কটের সম্মুখীন হচ্ছেন। এই অবস্থায় বিদ্যুৎ বাবদ খরচ চালাতে সমস্যায় পড়ছেন বহু মানুষ। তাই আগামী তিনমাসের জন্য বিদ্যুৎ বিলে ছাড়ের অনুরোধ জানানো হয়েছে বাম ও কংগ্রেস পরিষদীয় দলের তরফে। বর্তমানে সঙ্কটের পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের স্বার্থে এই দাবি জানিয়েছে তারা। এই প্রসঙ্গে বামপরিষদীয় নেতা সুজন চক্রবর্তী প্রশ্ন তুলেছেন শাসক দলের ভূমিকা নিয়েও।

    তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার ১৩০০ কোটি টাকা খরচ করছে ক্লাবের জন্য, পিকে-র জন্য এদের বাজেট ৫০০ কোটি টাকা। আমাদের দুর্ভাগ্য যে, মাত্র ২০০ কোটি টাকা বাজেট করোনা মোকাবিলায়। তাছাড়া মুখ্যমন্ত্রীর প্রচার সংক্রান্ত খরচও বোধহয় আলাদা রয়েছে। সরকারের কি কোনও দায়িত্ব নেই? রাজ্য সরকার মানুষের জন্য কী করেছে এখনও পর্যন্ত? কিছু করেনি। আমরা বলেছিলাম, প্রতি মাসে অন্তত ২,০০০ টাকা করে দেওয়া হোক। এখনও দেয়নি সরকার। প্রচেষ্টা প্রকল্পের ১,০০০ টাকা ঘোষণা করেও স্থগিত করেছে। গত দেড়মাসে সরকার একটা টাকা দেয়নি মানুষকে।’

    এছাড়াও বহু সংগঠিত কর্মী রাজ্যের বাইরে অসহায় অবস্থায় পড়ে আছেন। তাঁদের জন্যও সরকার কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ জানিয়েছেন সুজন চক্রবর্তী। করোনার বর্তমান জটিল পরিস্থিতি যেটুকু কাজ হচ্ছে, তা করছেন রাজ্যবাসীই। নিজেরা চাঁদা তুলে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন রাজ্যবাসী, জানালেন বাম পরিষদীয় নেতা।