অখিলেশ যাদবের ইভিএম পাচারের অভিযোগের ভিত্তিতে বারাণসীতে সাসপেন্ড এক আধিকারিক

অখিলেশ যাদবের ইভিএম পাচারের অভিযোগের ভিত্তিতে বারাণসীতে সাসপেন্ড এক আধিকারিক

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: বারাণসীর গণনা কেন্দ্র থেকে সত্যিই চুরি হয়েছিল ইভিএম যন্ত্র!‌ মঙ্গলবার সেই অভিযোগই তুলেছিলেন অখিলেশ যাদব। এবার সেই সূত্র ধরে সাসপেন্ড হলেন বারাণসীর এক অফিসার। জানা গিয়েছে, বারাণসীর অতিরিক্ত জেলা শাসক এন কে সিংকে সাসপেন্ডের নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। অভিযোগ, বিধি না মেনেই প্রশিক্ষণের জন্য ইভিএম সরবরাহ করেছেন তিনি। শহরের পুলিশ কমিশনারও মেনে নিয়েছেন ভুলের কথা।

এদিন একটি বিবৃতি দিয়ে বারাণসীর জেলাশাসক কৌশল রাজ শর্মা জানিয়েছেন, বুধবার সকালে ইভিএম–গুলো প্রশিক্ষণের জন্য নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। তার বদলে কাউকে না জানিয়ে মঙ্গলবার রাতেই সেগুলো গন্তব্যে রওনা করে দেন সাসপেন্ড হওয়া অফিসার। মূলত সরকারি কর্মীদের গণনা নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্যই পাঠানো হয়েছিল সেই ইভিএম। ইতিমধ্যে ভিডিও ভাইরাল। সমাজবাদী পার্টি কিছু ভিডিও পোস্ট করেছে। তাতে দেখা গিয়েছে, রাতের অন্ধকারে ট্রাকে চাপিয়ে পাঠানো হচ্ছে ইভিএম। সপা সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব অভিযোগ করেন, বিজেপি–র নির্দেশেই এসব করেছে প্রশাসন। তিনি বলেন, বারাণসীতে একটি ট্রাককে ধরেছেন তাঁর দলের কর্মীরা। দু’‌টি ট্রাক পালিয়ে গিয়েছে। ‘‌যদি সন্দেহজনক কিছু নাই থাকে, তাহলে ট্রাকগুলো পালাল কেন?‌ প্রার্থীর অনুমতি ছাড়া ইভিএম নিয়ে যাওয়া বেআইনি।’‌

তিনি এই অভিযোগও করলেন, যে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্যসচিব জেলাশাসকদের ডেকে একটি বৈঠক করেছেন। সেখানে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যেসব কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী হারবে, সেখানে গণনার গতি কমিয়ে দিতে হবে। এখন ইভিএম পাচার হচ্ছে আর জেলাশাসকরা মিথ্যে যুক্তি সাজাচ্ছেন। অখিলেশ এও বলেন, ২০১৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ৫০টি আসনে বিজেপি ৫ হাজারেরও কম ভোটে জিতেছে। সেগুলোতে কারচুপি হয়েছে। অভিযোগ মানেনি বারাণসীর জেলাশাসক। কৌশল বলেন, ‘‌যেগুলো নির্বাচনে ব্যবহার করা হয়েছে, সেগুলো সিল করে স্ট্রং রুমে রাখা রয়েছে। পাহারায় রয়েছে সিআরপিএফ। সিসিটিভ ক্যামেরা বসানো রয়েছে। সেই ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করছে সব দল।’‌ পুলিশ কমিশনার দীপক আগরওয়াল জানিয়েছেন, কিছু ভুল হলেও যেসব ইভিএম–এ ভোট হয়েছে, সেগুলো মোটেও ট্রাকে তুলে পাঠানো হয়নি।