ভোট ঘোষণা হতেই নজরবন্দি অনুব্রত মণ্ডল! জনগণের কাছে ক্ষমা চাইলেন বীরভূমের বেতাজ বাদশা

    ভোট ঘোষণা হতেই নজরবন্দি অনুব্রত মণ্ডল! জনগণের কাছে ক্ষমা চাইলেন বীরভূমের বেতাজ বাদশা

    নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: ভোট ঘোষণা হতেই শুরু হয়ে গিয়েছে জোরদার প্রচার! ডান-বাম সমস্ত দলই নেমে পড়েছে ময়দানে। আজ শনিবার বীরভূমের বোলপুরে ‘কোয়াক ডাক্তারদের’ নিয়ে কর্মী সম্মেলন করেন অনুব্রত মন্ডল। আর সেখান থেকে ফের একবার খেলা হবে স্লোগান দেন অনুব্রত মন্ডল! তবে তাৎপর্যপূর্ণভাবে এদিনে বীরভূমের বেতাদ বাদশার সভায় উপস্থিত ছিল নির্বাচন কমিশনের একাধিক আধিকারিক। যদিও তাতে কিছু তাঁর যে যায় আসে না তা হাবেভাবে স্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছেন কেষ্টা!

     

    শুক্রবার ভোট ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আর এরপরেই অনুব্রত মন্ডল বলেছিলেন, কাল থেকে খেলা হবে…! অর্থাৎ আজ শনিবার থেকেই খেলার ময়দানে তিনি নামবেন বলে কার্যত হুঙ্কার ছেঁড়ে ছিলেন অনুব্রত। আর এরপরেই আজ শনিবার অনুব্রত মন্ডলের সভায় পৌঁছে গেল নির্বাচন কমিশন। জানা গিয়েছে,কমিশনের দুই আধিকারিক অনুব্রত মন্ডলের গোটা সভার ভিডিওগ্রাফি করেছেন। আর তাতেই জেলাজুড়ে প্রশ্ন, তাহলে কি ভোট ঘোষণা হতেই নজরবন্দি করা হল কেষ্টা মন্ডলকে। অন্তত অভিজ্ঞতা বলছে, প্রতি ভোটেই অনুব্রত মন্ডলকে নজরবন্দি করে রাখে কমিশন। কিন্তু এদিন যেভাবে গোটা সভা ক্যামেরাবন্দি করা হল। তাতে এই প্রশ্নটাই উঠতে শুরু করেছে।

    গৃহবন্দি করার প্রসঙ্গে অনুব্রত মন্ডলকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা! এই প্রশ্নের উত্তরে অনুব্রত মণ্ডলের মন্তব্য, ‘আমি চোর না ডাকাত যে আমাকে ঘরবন্দি করবে? যত আইন সব ওরা জানে? সব আইন ওই দাড়িওয়ালার কাছে আছে? আমাদের কাছে কিছু নেই? সাধারণ মানুষ কি বোকা? নির্বাচন কমিশনের সামনে খেলা হবে নাকি? খেলা সবসময় হবে। রাতে হবে। বিকেলে হবে। ভোটের দিন বড় খেলা হবে! কার্যত কমিশনের আধিকারিকদের সামনেই এহেন হুঁশিয়ারি দেন । একই সঙ্গে বলেন, দুজন দিয়ে কি হবে। আরও কয়েকজনকে না পাঠালে সম্ভব নাকি। অর্থাৎ নজরবন্দি কিংবা গৃহবন্দি যাই কমিশন তাঁকে করুক না কেন তাতে তাঁর যে কিছু যায় আসে না ফের একবার বুঝিয়ে দিয়েছেন অনুব্রত মন্ডল।

    অন্যদিকে বীরভূমের সভা থেকে জোড়হাতে’ ক্ষমা চান অনুব্রত মন্ডল। যদি তিনি কিছু ‘ভুল’ বলে থাকেন, তবে তারজন্য যেন তাঁকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়। হঠাত এমন মন্তব্য অনুব্রতের মুখে! অনেকই অবাক হয়ে পড়েন তা শুনে। অন্যদিকে সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে অনুব্রত মণ্ডল বলেন, ‘যদি আমি কিছু ভুল বলে থাকি, তাহলে আমি জোড়হাত করে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আপনারাই ভগবান। আপনারাই আল্লা। যাঁরা গ্রামীণ ডাক্তার, হোমিওপ্যাথি ডাক্তার, আপনারা সবাই মিলে এই ভোটটা করিয়ে দেবেন । আপনাদের কাছে জোড়হাত করে বলছি।’