একক দক্ষতায় রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়লেন বেন স্টোকস

একক দক্ষতায় রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়লেন বেন স্টোকস

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: এমন একটা ইনিংসের জন্য ঠিক কি কি বিশেষণ দেওয়া যেতে পারে জানা নেই। তবে বেন স্টোকসের রবিবারের কীর্তি টেস্টের সর্বকালের সেরা ইনিংসগুলোর মধ্যেই এখন থেকে বিবেচিত হবে।
নিঃসন্দেহে। বিশ্বকাপ ফাইনাল আর অ্যাশেজের মহারণ। একদম আলাদা আলাদা প্রেক্ষাপট। দুটো জায়গাতেই নিজের অবিস্মরণীয় দ্যুতি ছড়ালেন ইংল্যান্ডের অল রাউন্ডার। ১৪ জুলাই চাপের মুখে একা দলকে বিশ্বসেরা করেছিলেন। এদিনও ঠিক সেই কাজটাই করলেন। তবে এবার সাদা পোশাকে। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া পরিস্থিতিতে দিলেন ধৈর্যের কঠিনতম পরীক্ষা। রক্ষা করলেন ব্রিটিশ ক্রিকেটের আব্রু। অধিনায়ক ফিরে গিয়েছিলেন, দলের ৯ উইকেট পড়ে গিয়েছিল। সবাই ভেবেই নিয়েছিল সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগোনো অস্ট্রেলিয়ার কাছে শুধু সময়ের অপেক্ষা। হয়ত অন্যরকম ভেবেছিলেন বছর ছাব্বিশের এই ছেলেটা। তাই তো শেষ উইকেটেও ৭৩ রানের পার্টনারশিপ গড়ে সিরিজে সমতায় ফিরিয়ে আনলেন দলকে।

২১৯ বলে ১৩৫ রানের ইনিংস। ১১টি বাউন্ডারি ও ৮টি ওভার বাউন্ডারি। চতুর্থ ইনিংসে ৩৫৯ রান তাড়া করে ম্যাচ জয়। উফ! ভাবা যায় নাকি। রান তাড়া করতে নেমে টেস্টের ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে সফল জয় বার্মি আর্মিদের। লিডসের ২২ গজে উইনিং শটও এল স্টোকসের ব্যাটে, তাও আবার বাউন্ডারির মাধ্যমে। এরপরই হাতদুটো দু পাশে ছড়িয়ে হুঙ্কার।

বছর দেড়েক আগে এই মানুষটাই নাইট ক্লাবে মারপিট করে নির্বাসিত হয়েছিলেন জাতীয় দল থেকে। ক্রিকেট কেরিয়ার নিয়েই সংশয় তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ফিরে এসেছিলেন। আর এসেই ইংল্যান্ডকে প্রথমবার বিশ্বসেরা করেছেন। এবার ফের ত্রাতা হয়ে উঠলেন অ্যাশেজে। হুঙ্কারের মধ্যে দিয়েই হয়তো বুঝিয়ে দিতে চাইছিলেন মনের কথা, “আমি এখনো ফুরিয়ে যাইনি”।