বাসন্তীর চড়াবিদ্যার পেটুয়াখালীর পরিস্থিতি থম থমে, তৃণমূলের গোষ্ঠী দন্দ্ব কোন এক অনিশ্চিত আশঙ্কা

    বাসন্তীর চড়াবিদ্যার পেটুয়াখালীর পরিস্থিতি থম থমে, তৃণমূলের গোষ্ঠী দন্দ্ব কোন এক অনিশ্চিত আশঙ্কা

    ডাঃ নজীবর রহমান গাজী, বঙ্গ রিপোর্ট, বাসন্তীঃ যুব  মাদার সংঘাত বন্ধ করার কোন ভূমিকা নেই । তৃণমূলের এই গোষ্ঠী দন্দ্বের গোপন কোন রহস্য ? ২০২১ বিধান সভা নির্বাচনে তার প্রমাণ আমরা পেয়ে যাব। নেতৃত্বের বক্তব্য পরস্পর বিরোধী। অনেক ক্ষয়ক্ষতি কেস, জান, মালের ক্ষতি। বাতাসে বারুদের গন্ধ, নিঃশ্বাসে বিষ বাষ্প। আত্মীয় বন্ধু বান্ধব যেন একে অপরের চরম শত্রু।

    এহেন রাজনৈতিক কর্মকান্ড চলছে। উন্নয়ন শিকেয় উঠেছে। এ বলে আমায় দেখ, তো ও বলে আমায় দেখ। একি ছাতার নিচে থেকে এক আজব ধংস্বাত্বক খেলায় মেতে উঠেছে পশ্চিম বাংলার শাসক দলের কর্মীরা।

    শান্তি নামক বস্তুটির শতকরা বেশিরভাগই লোপ পেয়েছে। রাস্তাঘাট, গৃহনির্মাণ সব স্তব্ধ। ঘোট জোট উভয় গোষ্ঠীর লোকজন বহাল তবিয়তে পান, বিড়ি, জর্দা শান্তি, বিমল সব মুখে মুখে।
    মাদার করলে যুব খারাপ। যুব করলে মাদার খারাপ। চালাক লোকগুলো ঝোপ বুঝে কোপ মারার ঠিক মেরে দিচ্ছে। বোকা হাভাতে লোকগুলো গুলো পিছন পিছন ঘুরছে। তারা না পারছে ঢোক গিলতে না পারছে ফেলতে, ঠিক যেন মাঝখানে লটকে আছে।

     

    খাটে না খোটেনা লোকগুলোর সংসার চলে যায় দিব্যি। সবাই একটা দেশে বিল্পব করছে যেন। আর আমাদের সমাজের কোন অভাব অভিযোগ অনটন থাকবেনা। কোন কালে এক ভেড়ার ছানা সিংহ মশাই এর খাবার জল ঘোলা করার অপরাধ দেখতে পেল।
    সিংহ মহাশয়ের বিচার ছানাটা অপরাধী।
    অপরাধের শাস্তি তাকে পেতেই হবে।
    কি শাস্তি হল আপনারা জানেন।

    রাজনৈতিক কোন্দল, ব্যাক্তিগত হিংসা, দূর্নীতি, উন্নয়ন, বরাদ্ধ টাকার বেহিসাবী এই সব স্বজন
    পোষন আর অবিবেচনা মূলক বিদ্বেষ। পূর্ণ আচরন পারস্পরিক ঘৃনা ছড়াচ্ছে,
    রাজনৈতিক মঞ্চ একটা প্লাটফর্ম।

    খুব সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে কেল্লা ফতে,
    কুপোকাত করতে পারলে গোটা সাম্রাজ্য টা আমার এই তো মদ্দা কথা। কেন হচ্ছেনা আমাদের রাস্তা, পুকুর খনন, গৃহনির্মাণ,
    ভোটার কার্ড সংশোধন, আর সব থেকে বড় কথা কি জানেন পঞ্চায়েত গেলে পরিচয় লাগে যুব না মাদার?  কোননেতার অধীন আর দিন দিন গাঁজা মদ প্রসার লাভ করছে যা একটা আবগারী লাইসেন্স বাগাতে পারলে
    চৌদ্দ গোষ্ঠীর ঠ্যাঙ নাচানোর মওকা হয়ে যাবে আর বাজিমাত, ভাবতে পারেন।

    সাধু সাবধান আমাদের ছেলে মেয়েদের আমাদের সমাজের আমরা ক্ষতিকর প্রভাব বিস্তার করতে শেখাচ্ছি।
    পান্তা আনতে নূন জোটেনা আমাদের।
    আমরা আমাদের কোথায় নিয়ে যাচ্ছি!
    সবাই ভাল কাজ করেছে শুধুমাত্র আপনি করছেন না কেন ভেবেছেন ? কলকাতায় কাজ করে সংসার টা চালান।বাচ্ছা কাচ্চাদের একটু লেখা পড়া শেখানোর সুযোগ করে দিন।
    উৎকন্ঠার মধ্যেই দিন কাটানো স্বাস্থ্যের জন্য
    ক্ষতিকর।সর্বত্রই গোষ্ঠীর কোন্দল,আমাদের ক্ষতি হবেনা এমন আশ্বাস আমরা পেতে

    পারি কি? আমাদের রাস্তাঘাট, গৃহনির্মাণ সব হবে! বাসন্তীর তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে আমরা এই
    দাবী রাখছি ।

    আমাদের এই দাবি পূরণ করা হবে তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে আমরা কি নিশ্চয়তা পেতে পারি? আর তাই যদি হয় সাংবাদিক সম্মেলন করে হলেও বাসন্তীর মানুষকে তা জানানোর দাবি আমরা জনগণ রাখছি।