বিজেপির নেতা খুনে এলাকায় বোমাবাজিঃ থানায় গেলো বিজেপির জেলা নেতৃত্ব

    বিজেপির নেতা খুনে এলাকায় বোমাবাজিঃ থানায় গেলো বিজেপির জেলা নেতৃত্ব

    নিজস্ব সংবাদদাতা, বঙ্গ রিপোর্ট, বীরভূম: শনিবার রাতে লাভপুরের দ্বারকা অঞ্চলের হাতিয়া গ্রামে বিজেপির নেতা ডালু সেখ খুন হবার পর রবিবারও সকালে তৃনমূলের বিরুদ্ধে বোমাবাজি হয়। সকাল থেকেই লাভপুরের হাতিয়া গ্রামে বিজেপির উপর হামলার অভিযোগ উঠলো তৃনমূলের বিরুদ্ধে৷ সকাল থেকেই বোমা পড়তে থাকে। ছোঁড়া হয় ইঁটের টুকরোও।

    https://youtu.be/Rbxb4il6Afc

    এই ঘটনায় আহত হয়েছেন ৪ জন, পুলিশ আটক ২ জনকে। বিজেপি নেতার খুনের ঘটনায় বিজেপির দু- আড়াইশো কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে বিজেপি জেলা নেতৃত্ব লাভপুর থানায় যায়। জেলা সভাপতি শ্যামাপদ মুর্খাজী বলেন, পুলিশের সাথে কথা বলে আমরা সদর্থক সাড়া পেয়েছি। তারা আইনানুগ ব্যবস্হা নেবে এবং দোষীদের গ্রেপ্তার করবে বলে জানিয়েছে।

    বিজেপির আরো অভিযোগ, তৃনমূল প্রশাসনের একটা অংশকে নিয়ে সন্ত্রাস সৃষ্টি করে টিকে থাকতে চাইছে। সংখ্যালঘু মুসলিম ভোট এখন বিজেপির দিকে চলে আসছে। জোর করে সংখ্যালঘুদের দলে ধরে রাখতে তৃনমূল এসব করছে বলে বিজেপির অভিযোগ। ঘটনায় বিজেপির অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃনমূল। তৃনমূলের অভিযোগ এটা বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল ও নজরকাড়তেই এসব করছে। লাভপুরের হাতিয়া সহ গোটা এলটকায় ছিলো চাপা উত্তেজনা আর আতঙ্ক। গোটা এলাাকায় ব্যাপক পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

    এক পুলিশ কর্তার কথায়,এমনিতেই লাভপুর রাজনৈতিক ভাবে স্পর্শকাতর এলাকা। বিজেপি নেতার কন্যা অপহরনের নাটক কান্ডের পর থেকেই তৃনমূল ও বিজেপি দুটি দলের মধ্যে চাপানউতোর চরমে চলছে। তার উপরে লাভপুরের বিধায়ক মনিরুল ইসলাম বিজেপিতে যোগ দেওয়াই অন্য মাত্রা পেয়েছে। নিহত ডালু সেখ মনিরুল ইসলামের অনুগামী বিজেপির লোক বলে দাবী দলের। শনিবার রাতে বাড়ীর সামনে থেকে ডালু সেখ খুন হবার পর রবিবার এলাকা রয়েছে থমথমে। পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।