বিধ্বস্ত আফগানিস্তানকে মিলিয়ন মিলিয়ন মানবিক সাহায্যের ঘোষণা চীন আমেরিকার

বিধ্বস্ত আফগানিস্তানকে মিলিয়ন মিলিয়ন মানবিক সাহায্যের ঘোষণা চীন আমেরিকার

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: আফগানিস্তানে শুরু হয়েছে তালিবানি শাসন। গত সপ্তাহে আফগানিস্তানে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করেছে তালিবান। তবে আফগানিস্তান এখনও যুদ্ধ বিধ্বস্ত। এই অবস্থায় আফগানিস্তানের সাহায্যে এগিয়ে আসার জন্য আবেদন করেছে রাষ্ট্রসংঘ। এরপরেই সোমবার গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা আমেরিকার। আফগানিস্তানের মানুষকে আর্থিক সুবিধা দিতে এই সাহায্যের ঘোষণা করেছে আমেরিকা। ৬৪ মিলিয়ন ডলার সাহায্য ঘোষণা করেছে আমেরিকা।

আফগানিস্তানের সংবাদমাধ্যম TOLO News সূত্রে খবর, মার্কিন রাষ্ট্রদূত লিন্ডা থম্পসন এই অর্থনৈতিক সাহায্যকে মানবিক সাহায্য হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি রাষ্ট্রসংঘে জানিয়েছেন, আফগানিস্তানের পরিস্থিতি গুরুতর। এমন পরিস্থিতিতে আমেরিকা মানবিক মূল্যবোধের কথা মাথায় রেখে সহায়তার জন্য ৬৪ মিলিয়ন ডলার সাহায্যের প্রতিশ্রতি দিয়েছে।

আমেরিকার আগে চিন সরকারও আফগানিস্তানের জন্য সাহায্য ঘোষণা করেছিল। চিন ৩১ মিলিয়ন ডলার আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছিল। এর মধ্যে রয়েছে খাবার সরবরাহ ও করোনা ভ্যাকসিন।

রাষ্ট্রসংঘে এদিন মহাসচিব আন্তেনিও গুতারেস বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদের আফগানিস্তানের মানুষদের সাহায্যে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে, তিনি তালিবানের উদ্দেশে বলেন, যাতে সাহায্য করার অনুমতি দেওয়া হয়। চিন শুরু থেকেই তালিবানের ব্যাপারে ইতিবাচক সুর বজায় রেখেছে। চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ওয়াই সম্প্রতি মার্কিন বিদেশসচিব অ্যান্টিন ব্লিঙ্কেনকে ফোনালাপে বলেছেন, আন্তর্জাতিক মঞ্চের উচিত তালিবানের সঙ্গে কথা বলে তাদের ‘ইতিবাচক ভাবে’ পথ দেখানো।

এর আগে কাবুলের তখতে তালিবান বসতেই বেজিং সরাসরি তালিবানকে সমর্থন জানিয়েছিল। বেজিংয়ের তরফ থেকে বলা হয়েছিল, ‘তালিবান আর আগের মতো নেই। কট্টরপন্থা কমার পাশাপাশি কূটনৈতিক বুদ্ধি বেড়েছে তালিবান যোদ্ধাদের। যুক্তি দিয়ে বিচার করার প্রবণতাও বেড়েছে’। চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র হুয়া চুনিয়াং বলেছিলেন, ‘কোনও সমস্যা নিয়ে আলোচনার সময় শুধুমাত্র অতীত নিয়ে ভাবলে চলবে না। বর্তমানে কী ঘটছে সেটাও দেখতে হবে। শুধুমাত্র শুনে কিছু বলাটা ঠিক না, স্বচক্ষে দেখাও তো জরুরি’।