ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামে কমিউনিস্ট বনাম আর এস এস

ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামে কমিউনিস্ট বনাম আর এস এস

কলমে —সৌ তি ক দাস

সময়টা উগ্র দেশপ্রেমের, হবুচন্দ্র রাজা আর তার গবুচন্দ্র মন্ত্রী’র প্রতি সীমাহীন অন্ধ আনুগত্যের। সময়টা আসলে রোজ সন্ধ্যার ঝাঁ-চকচকে টিভি স্টুডিও’র ফ্ল্যাশলাইটের চুঁইয়ে পড়া আলোতে নিজেকে সম্পৃক্ত করে দেশপ্রেমের জোয়ারে গা ভাসিয়ে স্টাটারে কাশ্মীর, মেন কোর্সে পাকিস্তান-মন্দির-মসজিদ আর ডেজার্ট এ গরু – শুয়োরের তীব্র বাদানুবাদের উগ্র দেশপ্রেমের অর্গাজমে গা ভাসিয়ে কোলবালিশটা জড়িয়ে ধরে এক আত্মতৃপ্তিতে ভরা ঘুম দেওয়া।
সময়টা আসলে হোয়াটসঅ্যাপ ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি করা ভক্তদের রাতদিন পাড়ার মোড়ের মাথায় দাঁড়িয়ে ফেক নিউজ এর উপর ডক্টরেট করা থিসিস গুলো সকলকে ধরে ধরে শোনানো। সময়টা আসলে দেশের ইতিহাস, দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাস ভুলিয়ে দিয়ে দেশদ্রোহী গুলোকে দেশপ্রেমী হিসেবে তুলে ধরার।

আচ্ছে দিন এর নতুন ভারতে নব্য দেশপ্রেমিকগণ সকালে ঘুম থেকে ওঠা থেকে শুরু করে রাতে শুতে যাওয়ার আগে পর্যন্ত ৫৬ ইঞ্চি ছাতি ফুলিয়ে সারাদিন দেশপ্রেমের বুলি আওড়ালেও ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে আরএসএসের একজন নেতার নাম ও বলতে পারেনা, স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে আরএসএস এর বিন্দুমাত্র ভূমিকার কথা বলতে পারেনা।

আরএসএস-এর প্রতিষ্ঠা ১৯২৫ সালে৷ প্রতিষ্ঠাতা ডঃ হেডগেওয়ারের পরে এম এস গোলওয়ালকর আরএসএস-এর পরিচালক হন৷ এই গোলওয়ালকর ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলন সম্পর্কে আর এস এস-এর দৃষ্টিভঙ্গি প্রসঙ্গে চিন্তাচয়ন এর ১ম খন্ডের ১২৫ তম পৃষ্টাতে লিখে গেছেন,

‘‘ব্রিটিশ বিরোধিতাকে ভাবা হচ্ছে দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদের সমার্থক৷ এই প্রতিক্রিয়াশীল দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের সমগ্র স্বাধীনতা আন্দোলন, তার নেতৃবর্গ ও সাধারণ মানুষের উপর বিনাশকারী প্রভাব ফেলেছিল।”

অর্থাৎ আর এস এস-এর কাছে ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলন ছিল একটি ‘প্রতিক্রিয়াশীল আন্দোলন’৷ ফলে এই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে চলা আর এস এস যে সর্বদাই জাতীয় স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে রাখবে এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই৷

বিজেপি ও আর এস এস এর প্রাণপুরুষ বিনায়ক দামোদর সাভারকার এর জীবনীতেই এই বক্তব্যের অনেক প্রমান পাওয়া যায়। আন্দামানের কারাগারে সাভারকার বন্দী থাকার সময় তিনি ৬ বার মুচলেকা দেন ব্রিটিশ সরকারের কাছে, ১৯১১ সালের ৩০ আগস্ট তিনি ক্ষমাভিক্ষার আবেদন করে লেখেন –

“আমার মুক্তি আমাকে নতুন জন্ম দেবে ! মুক্তি আমার এতটাই হৃদয় ছুঁয়ে যাবে যে আমি ব্যাক্তিগত ভাবে আপনাদের সাথে জড়িয়ে যাবো এবং রাজনীতিগত ভাবে আপনাদের কাজে আসবো ।”

এরপর ১৯১৪ সালের ১৪ নভেম্বর সাভারকর আবার ক্ষমাভিক্ষার আবেদন করে লেখেন –

‘‘ …সরকার যদি তাদের বহুমুখী দয়ার দানে আমাকে একটু মুক্ত করে দেন তবে আমি আর কিছু পারি বা না পারি চিরদিন সাংবিধানিক প্রগতি এবং ব্রিটিশ সরকারের আনুগত্যের অবিচলিত প্রচারক হয়ে থাকব৷ …সরকার আমাকে যত কাজ করতে বলবে, সেই মতো প্রায় সব কাজ আমি করতে প্রস্তুত৷ কেন না আমার আজকের পরিবর্তন যেহেতু বিবেকের দ্বারা পরিচালিত, তাই আমার ভবিষ্যতের আচরণও সেই রকমই হবে৷ অন্যভাবে যা পাওয়া যেতে পারে সে তুলনায় আমাকে জেলে আটকে রাখলে কিছুই পাওয়া যাবে না৷ শক্তিশালীর পক্ষেই একমাত্র ক্ষমাশীল হওয়া সম্ভব৷ কাজেই অনুতপ্ত সন্তান পিতৃতুল্য সরকারের দরজায় ছাড়া আর কোথায় ফিরে যাবে? মহামান্য হুজুর অনুগ্রহ করে বিষয়গুলি বিবেচনা করবেন এই আশা রইল।’’ ¹

১৯২১ সালে ছাড়া পাওয়ার পর সাভারকার ইংরেজ শাসকের বিরুদ্ধে আর কখনো কিছু বলেননি। তিনি’ই একমাত্র স্বাধীনতা সংগ্রামী, যিনি ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে মাসিক পেনশন পেতেন কোনো এক অজ্ঞাত কারণ বসতো।

দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের পটভূমিতে দাঁড়িয়ে ১৯৩০ সালের গান্ধীজির লবণ সত্যাগ্রহের সরাসরি বিরোধিতা করে আরএসএস-এর প্রতিষ্ঠাতা হেডগেওয়ার তাঁর জীবনী গ্রন্থ ‘সংঘবিকাশ কে বীজে’র ২০ নম্বর পৃষ্টাতে লিখেছেন,

‘‘১৯৩০ সালে মহাত্মা গান্ধী আইন অমান্যের ডাক দিয়েছিলেন৷ সব জায়গায় খবর পাঠানো হয়েছে সংঘ এই সত্যাগ্রহে অংশগ্রহণ করবে না৷ এর অর্থ হল সংঘের কোনও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এতে অংশগ্রহণ করতে পারবে না।”

১৯২৮ সালে সাইমন কমিশন বিরোধী আন্দোলন, ১৯২৯ সালে ভগৎ সিং এবং বটুকেশ্বর দত্তের দিল্লি অ্যাসেম্বলিতে বোমা নিক্ষেপ করা, ১৯৩১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি উত্তরপ্রদেশের এলাহাবাদে আলফ্রেড পার্কে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত বিপ্লবী নেতা চন্দ্রশেখর আজাদের শহীদ হওয়া, ১৯৩১ সালে ২৩ মার্চ ‘ভগৎ সিং- শুকদেব-রাজগুরু’র ফাঁসি, ১৯৩০ সালে কলকাতার রাইটার্স বিল্ডিং-এ ‘বিনয়-বাদল-দীনেশ’র ঐতিহাসিক অলিন্দ যুদ্ধ, ১৯৩০-৩২ সালে চট্টগ্রামে মাস্টারদা সূর্য সেনের বীরত্বপূর্ণ লড়াই, প্রীতিলতা’র শহীদ হওয়া, ১৯৪২’র ভারত ছাড়ো আন্দোলন, ১৯৪৫ সালে আজাদ হিন্দ ফৌজের অফিসারদের বিচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন, ১৯৪৬ সালে নৌ-বিদ্রোহ, ওই বছরের ২৯ জুলাই দেশব্যাপী ধর্মঘট এর প্রতিটি ঘটনাতেই জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে পুরো দেশবাসী যখন গর্জে উঠেছিল, আমাদের দেশের মহান বিপ্লবীদের পাশে দাঁড়িয়েছিল ঠিক সেই সময় আর এস এস তাদের প্রভু ব্রিটিশদের খুশি করতে সবকটি ঘটনাতেই নিষ্ক্রিয় ছিল। এমনকি ভারত ছাড় আন্দোলন সম্পর্কে গোলওয়ালকর এও পর্যন্ত বলেছিলেন– ‘‘এই সংগ্রামের খারাপ ফল হতে বাধ্য৷’’

অথচ এদের উত্তরসূরিরাই আজ দেশের মানুষকে সার্টিফিকেট বিলি করছে কে দেশপ্রেমিক আর কে দেশপ্রেমিক না !

১৯৪০ সালের ডিসেম্বর মাসে যখন গান্ধী ভারত ছাড়ো আন্দোলনের উদ্দেশ্যে সত্যাগ্রহ শুরু করেছেন, সেই সময়ে বৃটিশ সরকারের গৃহমন্ত্রালয়ের লেখা একটি নোট থেকে জানা যায় যে আরএসএসের নেতারা গৃহমন্ত্রকের সচিবের সাথে দেখা করেন এবং “সঙ্ঘের সদস্যরা আরও বেশিমাত্রায় সিভিক গার্ড হিসেবে যোগদান করবে – এই মর্মে সচিবকে আশ্বস্ত করেন”। এই সিভিক গার্ড নামক পদটি তৈরি হয়েছিল ব্রিটিশ সরকারের “আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা”র প্রয়োজন মেটাতে।

সুভাষচন্দ্র বসু যখন ভারত ছাড়ো আন্দোলনের মধ্যেই ব্রিটিশ বিরোধী অভ্যুত্থানের বীজ দেখে বিদেশ থেকেই তাকে স্বাগত জানাচ্ছেন ঠিক তখন বিজেপির প্রাণপুরুষ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী ৪২-এর ভারত ছাড়ো আন্দোলনের বিরোধিতা করে বলেছিলেন, ‘‘আমি মনে করি না, গত তিন মাসের মধ্যে যেসব অর্থহীন উচ্ছৃঙ্খলতা ও নাশকতামূলক কাজ করা হয়েছে, তার দ্বারা আমাদের দেশের স্বাধীনতা লাভের সহায়তা হবে”। ²

কিভাবে এই আন্দোলন দমন করা যায় তার একটা তালিকাও তিনি ব্রিটিশ সরকারের কাছে পেশ করেছেন ৷ এই শ্যামাপ্রসাদ কে নিজেদের প্রাণপুরুষ বলে মানা বিজেপি-আরএসএস আজ নেতাজিকে ব্যবহার করে দেশপ্রেমী সাজার চেষ্টা করছে।

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর নেতৃত্বে যখন আজাদ হিন্দ ফৌজ বীরত্বের সাথে লড়াই করছিল, সেই সময় শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী ইংরেজ সাম্রাজ্যবাদকে সহায়তা করার জন্য আগ বাড়িয়ে বললেন, ‘‘বঙ্গদেশকে রক্ষা করিবার জন্য একটা গৃহ–বাহিনী গঠনের অধিকার আমাদের দেওয়া হউক” ³ ৷

এমনকি এই শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী মুসলিম লিগের আমন্ত্রণ গ্রহণ করে ফজলুল হকের প্রধানমন্ত্রীত্বে কোয়ালিশন মন্ত্রীসভা পর্যন্ত গঠন করেছিল। এই কোয়ালিশন মন্ত্রীসভা ব্রিটিশ বিরোধিতার জন্য তৈরি হয়নি ৷ সাভারকরের ‘পরম শ্রদ্ধেয়’ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী বলেছিলেন, ‘‘এখন যুদ্ধকালীন অবস্থায় জাতীয় গভর্নমেন্ট এমনভাবে গঠিত হবে যাতে মিত্রপক্ষের সঙ্গে নিবিড় সহযোগিতায় যুদ্ধ করা সম্ভব হয়” ⁴ ৷

কল্পনা করতে পারছেন !

সুভাষ-মাস্টারদা-ভগৎ-রামপ্রসাদ-আসফাকুল্লা-হাবিবুর-বিনয়-বাদল-দীনেশ-প্রীতিলতা-আজাদ-ক্ষুদিরাম-
কল্পনা যে মাতৃভুমির আজাদীর জন্য নিজেদের জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে ব্রিটিশ দের বিরুদ্ধে লড়াই করে গিয়েছিলেন সেই ব্রিটিশ দের পাশে দাঁড়িয়ে ভারতীয় বিপ্লবীদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য এই আর এস এসের সদস্যরা ব্রিটিশদের সিভিক গার্ডে যোগদান করতো।

অথচ এদের উত্তরসূরিরাই আজ দেশের মানুষকে সার্টিফিকেট বিলি করছে কে দেশপ্রেমিক আর কে দেশপ্রেমিক না।

আসলে মিথ্যে দেশপ্রেম‍টা চিরকালই আর এস এসের রক্তের সাথে মিশে আছে। তাই তো ইতিহাস বইয়ের পাতা তন্ন তন্ন করে খুঁজে ফেললেও ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশ্রহনকারী একজন আর এস এস নেতার নামও ওরা বলতে পারেনা।

কিন্তু দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে কমিউনিস্টদের লড়াইয়ের কথা ইতিহাসের পাতা তে সোনার অক্ষরে লেখা আছে। সেই আত্ম বলিদানের, সেই গর্বের ইতিহাস লেখা আছে ভগৎ সিংয়ের ইনকিলাব জিন্দাবাদ স্লোগানের মাঝে, চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার দখলের রোমহর্ষক ইতিহাসে, মুজাফফর আহমেদের মীরাট ষড়যন্ত্র মামলা’র ইতিহাসে, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর কমরেড আজাদ হিন্দ বাহিনীর একনিষ্ঠ সদস্য আজীবন কমিউনিস্ট পার্টি করা লক্ষ্মী সায়গল এর জীবনীতে, চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার দখলের অন্যতম নায়ক কমরেড গণেশ ঘোষের ১৬ বছর সেলুলার জেলে সশ্রম কারাদণ্ডের আত্মত্যাগে, চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার দখলের নায়িকা কমরেড কল্পনা দত্তের ৬ বছর এর দ্বীপান্তর এর ইতিহাসের মাঝে, জালালাবাদ পাহাড়ের যুদ্ধে কনিষ্ঠতম সৈনিক আজীবন কমিউনিস্ট পার্টি করা কমরেড সুবোধ রায়ের জীবনসংগ্রামের মাঝে, ভগৎ সিং এর সহযোগী লাহোর ষড়যন্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া কমরেড শিব ভার্মার সাহসিকতায় কিম্বা বা ব্রিটিশ সরকারের চোখে চোখ রেখে কমরেড হরেকৃষ্ণ কোনার, সতীশ পাকড়াশী,অরুণা আসাফ আলী, বি টি রণদিভে, ই এম এস নাম্বুদিরিপাদ, মুজাফফর আহমেদ, শওকত উসমানী দের ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের জন্য শরীরের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াইয়ের আত্মত্যাগে।

আসলে ইতিহাস আরএসএস কে’ও মনে রেখেছে আবার কমিউনিস্ট দের ও মনে রেখেছে, পার্থক্য একটাই কেউ ব্রিটিশ সরকার কে মুচলেখা দিয়ে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে ভারতীয় বিপ্লবীদের ধরিয়ে দিয়েছে আবার কেউ সারাজীবন নিজের আদর্শের জন্য দেশের জন্য ব্রিটিশদের সাথে লড়াই করে নিজের জীবন বিসর্জন দিয়েছেন।
আর পৃথিবীর ইতিহাস সাক্ষী আছে কমিউনিস্ট দের সাথে লড়াইতে হিটলার’রা কোনোদিন জিততে পারেনি, তাই সেদিনকার হিটলার হোক বা আজকের হিটলার’রা কমিউনিস্ট দের শেষ করতে বারে বারে যারা এসেছে ইতিহাসের পাতা থেকে তারাই মুছে গেছে।

আপনি কি ভাবছেন !
আপনি ভাবছেন ওরা ৩০৩ আর আমরা তো সংসদীয় রাজনীতিতে প্রায় মুছে যাওয়া একটা দল !
আজ্ঞে আপনাকে তাহলে আরো একবার মনে করিয়ে দি বিধবা বিবাহের পক্ষে সই ছিল মাত্র ৯৮৭ টি
আর বিপক্ষে সই ছিল ৩৬৭৬৩ টি ।

বাকিটা ইতিহাস ।

তাই শিরদাঁড়াটা সোজা করে আরো একবার উঠে দাঁড়াও কমরেড, ছাতিটা ফুলিয়ে গর্ব করে আরো একবার চিৎকার করে বলে ওঠো …
ইনকিলাব জিন্দাবাদ।

পৃথিবীর ইতিহাস সাক্ষী আছে কমিউনিস্টরা ইতিহাস থেকে কোনোদিন মুছে যায়না কারণ ইতিহাস কমিউনিস্টরাই তৈরী করে।

©সৌ তি ক