করোনা কালে আর এক বিপর্যয়! মোদি সরকারের আমলে মাথাপিছু আয়ে ভারতকে পেছনে ফেলল বাংলাদেশ

করোনা কালে আর এক বিপর্যয়! মোদি সরকারের আমলে মাথাপিছু আয়ে ভারতকে পেছনে ফেলল বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: দেশজুড়ে করোনা সংকটের মধ্যেই আরেক বিপর্যয়, মাথাপিছু আয়ের দিক থেকে ভারতকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ, যারা কিনা একসময়ে অর্থনৈতিক দিক থেকে পিছিয়ে থাকা দেশ হিসেবে গণ্য হতো। মোদি সরকারের আমলে ভারতের মাথাপিছু আয় যেখানে ১ হাজার ৯৪৭ ডলার, সেখানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২২৭ ডলার। বাংলাদেশ প্ল্যানিং মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশে মাথাপিছু আয় বেড়েছে।

গত বছরের অক্টোবরে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলে প্রকাশিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক মনে করেছিল যে, ২০২০ সালে চলতি বাজারমূল্যে মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে পেছনে ফেলবে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি ১ হাজার ৮৮৮ ডলারে পৌঁছাবে। অন্যদিকে ভারতে এটি কমে হবে ১ হাজার ৮৭৭ ডলার। সেইসময় রিপোর্টটি প্রকাশের পর বাংলাদেশ ও ভারতে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছিল।

বাংলাদেশের প্লানিং মন্ত্রী জানিয়েছেন, দেশে মাথাপিছু আয় বেড়ে ২ হাজার ২২৭ মার্কিন ডলার হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা বছরে ১ লাখ ৮৮ হাজার ৮৭৩ টাকা। বার্ষিক তথ্য বিশ্লেষণ করলে এই তথ্য সামনে আসছে যে, বাংলাদেশের শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত প্রত্যেক মানুষ প্রতি মাসে আয় করে ১৫ হাজার ৭৩৯ টাকা। প্রসঙ্গত, গত বছরের তথ্য অনুযায়ী, এত দিন বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ছিল ২ হাজার ৬৪ মার্কিন ডলার। সুতরাং মাথাপিছু আয় বেড়েছে ১৬৩ ডলার, আগের বারের থেকে ৯ শতাংশ বেশি।

ভারতের প্রাক্তন প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা অরবিন্দ সুব্রহ্মনিয়ম অবশ্য বলেন, এক দেশের সঙ্গে অন্য দেশের পরিসংখ্যানগুলো সবসময় তুলনা করা যায় না। কারণ, বিনিময়হারের ভিত্তিতে কল্যাণের বিষয়টির তুলনা যথাযথ নয়। এটি অভ্যন্তরীণ মূল্যস্ফীতি ও উৎপাদনে বৃদ্ধির তুলনামূলক চিত্র ঠিকভাবে তুলে আনতে পারে না। কিন্তু এই ভাবে সরকারের ব্যর্থতা ঢাকা যায় কিনা, প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।
ভারত সরকারের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, করোনাভাইরাস মহামারির কারণে দেশে মাথা পিছু আয় হ্রাস পেয়েছে।