কাশ্মীর থেকে অযোধ্যা: ভায়া দিল্লি

কাশ্মীর থেকে অযোধ্যা: ভায়া দিল্লি

কলমে: প্রতিভা সরকার
বঙ্গ রিপোর্ট ডিজিটাল ডেস্ক: মণিরাম দাস ছাউনিতে চলছে ১,১১,০০০ লাড্ডু বানিয়ে শেষ করবার মহা তোড়জোড়। আজ, অর্থাৎ ৫ আগস্ট রামলালার মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীজি। তারপর ভজনপূজনের পর সেগুলো ভাগ বাটোয়ারা হবে সারা দেশ থেকে আগত ভক্তদের মধ্যে। বাদবাকি প্যাকেট-বন্দি হয়ে যাবে দেশের প্রধান প্রধান মন্দিরগুলিতে। আগেই ব্যারিকেড কণ্টকিত অযোধ্যায় একডজন পুরোহিত মিলে সেরে ফেলেছে গৌরী-গণেশ পুজো। ১৭৫ জন ভিভিআইপি নিমন্ত্রিতের তালিকাও সম্পূর্ণ। দূরদর্শনে লাইভ টেলিকাস্ট শুরু হবে আর কিছুক্ষণের মধ্যেই।

 

প্রধানমন্ত্রী প্রথমেই যাবেন হনুমানগড়ি মন্দিরে। মঞ্চে ওঠার আগে রামলালার পুজো সেরে নেবেন। তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হবে ২২ কেজি ৬০০ গ্রাম ওজনের একটি রৌপ্যনির্মিত ইঁট। ভূগর্ভে সেটিকে শায়িত করবার সঙ্গে সঙ্গে সূচিত হবে বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সংখ্যালঘুর উপাসনাস্থল গুঁড়িয়ে দিয়ে সেই জায়গায় সংখ্যাগুরুর আরাধ্যের মন্দিরনির্মাণ। তাই অযোধ্যা এখন আলো-ঝলমল, কোলাহলমুখর, কর্মব্যস্ত। বাড়ি বাড়ি ঘুরে এতদিন প্রচার চলেছে যেন ৫ তারিখে দিয়া জ্বালায় সবাই, ভজন গায়, নিরামিষ শুদ্ধাহার করে। পোর্ট থেকে রামমন্দিরের ঠিকানা অবধি কয়েক কিলোমিটার রাস্তার পাশে প্রত্যেক বাড়ির দেয়ালজোড়া চিত্রিত রামায়ণের কাহিনি। আর কয়েক মিটার বাদে বাদেই প্রধানমন্ত্রীর বিশাল কাট-আউট বা ছবি। রামলালার প্রতিদ্বন্দ্বী, সরি প্রতিচ্ছায়া, বাল নরেন্দ্র।

 

মুশকিল হচ্ছে, রামভক্ত ছাড়াও অন্য বিশ্বাস, অন্য ধর্মের লোকও তো রয়েছে অযোধ্যায়। কোনো গোলমাল ছাড়াই ৫ আগস্ট কেটে যাক এই আশায় মুহূর্ত গুনছে তারা। তবু বিশ্বাসী হিন্দুর ঘরের দেয়ালে কাবা বা কারবালা প্রান্তরের ছবি এঁকে দিলে মেনে নেওয়া হত তো? অপছন্দের খাদ্যগ্রহণের অনুরোধ মান্য হত তো?

 

প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যায়।

শুধু সংখ্যার জোরে অতিমারির রক্তচক্ষুকে তুচ্ছ করে এই যে জমায়েত আর রোশনাই, রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এর পেছনে নজর ঘোরাবার মানসিকতা কাজ করছে। মনোযোগ অন্যত্র টেনে নিয়ে যাবার পুরোনো কৌশল। অতিমারিতে দেশবাসীর অসহায় অবস্থা, অর্থনৈতিক দুরবস্থা এবং গালোয়ান উপত্যকায় লেজেগোবরে হবার দুর্ভাগ্য থেকে সকলের নজর ঘোরাবার জন্যই এই ধুমধাড়াক্কা, লক্ষাধিক লাড্ডু আর অগুন্তি মুদ্রার রূপোর ইঁট।

 

অথচ রামশিলান্যাসের ঠিক একদিন আগেই নতুন করে করোনা সংক্রমণের নিরিখে বিশ্বের সমস্ত দেশকে পেছনে ফেলে দিয়েছে ভারত। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বয়ানে ৩ আগস্ট সারা দিনরাত, ২৪ ঘণ্টায় এ দেশে কোভিড আক্রান্ত হয়েছে মোট ৫২ হাজার ৯৭২ জন মানুষ। গোটা পৃথিবীতে আর কোনো দেশে এই হারে দৈনিক সংক্রমণ হয়নি।

 

গালোয়ানে হাতাহাতি লড়াইতে বিশজন সৈন্য মারা গেল, কাঁটা দেওয়া ডান্ডার ঘায়ে ক্ষতবিক্ষত হয়ে কতজন চিকিৎসাধীন রইল। কিন্তু চিনের বিরুদ্ধে আমাদের নেতারা নিশ্চুপ রইলেন। কিছু বললেও কতো ঠারেঠোরে। যেন চিনের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক অতীতদিনের ভাসুর-ভাদ্রবৌয়ের। তাই চিনের নাম মুখে উচ্চারণ করা যাবে না। না কি আমাদের সীমানায় চিনের কোনো ছাউনি নেই। কখনও ছিল না। তাহলে ঠোকাঠুকিটা হল কী নিয়ে ! চিনা সেনাছাউনির অবস্থান নিয়ে উপগ্রহ-চিত্রগুলি মিথ্যা? আর ভুতে এসে ভারতীয় সেনা মেরে দিয়ে গেল? বিভিন্ন সংবাদপত্রে যা খবর তাতে, চিন এখনও গ্যাঁট হয়ে বসে আছে (‘চিনকে ফের সেনা সরাতে বলল দিল্লি’, আনন্দবাজার পত্রিকা, ৩ অগাস্ট, ২০২০)। লাদাখ থেকে নির্বাচিত একমাত্র জনপ্রতিনিধিও চিন সেনা প্রত্যাহার না করায় মিডিয়ার কাছে তার অসন্তোষ ব্যক্ত করেছেন। সীমান্ত উল্লঙ্ঘন হলে তা জানার হক দেশবাসীর আছে। অথচ ‘না কোই ঘুসা হ্যায়, না কোই ঘুসেঙ্গে’ বলে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী আনন্দনাড়ু তুলে দিলেন চিনের হাতে। এই তো স্বয়ং প্রশাসনিক প্রধান বলে দিয়েছেন ভারতের সীমান্তে কোনো অনুপ্রবেশ হয়নি, হবেও না। তাহলে আর মিছিমিছি আমাদের দোষ দেওয়া কেন বাপু !

 

আসলে বেশি নাড়াচাড়া করতে গেলেই বোতল থেকে জিন বেরিয়ে আসতে চাইছে। সে জিনের নাম কাশ্মীর। গতবছর ৫ আগস্ট যে প্রদেশের বিশেষ মর্যাদা সম্পূর্ণ কেড়ে নিয়ে, লে-লাদাখকে বিচ্ছিন্ন করে দু-খানা ইউনিয়ন টেরিটরি বানিয়ে ফেলেছে আমাদের মহামহিম সরকার-বাহাদুর। চিনের বিগড়ে বসার পেছনে নানা কারণের কথা বলছেন রাজনৈতিক বোদ্ধারা। তাতে এটিও আছে ইউনিয়ন টেরিটরি মানে কেন্দ্রের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান। সমস্ত প্রশাসন, সৈন্যবাহিনী, শক্তি ও তাবৎ প্রোটোকল নিয়ে একেবারে লাদাখ ইউনিয়ন টেরিটরির লাগোয়া চিন সীমান্তে ভারত নিঃশ্বাস ফেলবে, এটা ড্রাগনের মনঃপূত নয়। ভারত যে এখন মার্কিনি অক্ষের অংশ, যারা চারদিকের সীমান্তে সমস্যা সৃষ্টি করে তাকে ঘিরে ফেলতে চাইছে, সে হিসাব চিন ভালোই রাখে। ফলে লাইন অব কন্ট্রোল থেকে কিছুটা পিছিয়ে এতদিন অবস্থান করলেও, এবার তড়িঘড়ি লাইন অব কন্ট্রোল নামে ধোঁয়াশা ব্যাপারটির দ্রুত ফয়সালা চাইছে সে। কারণ এই লাইন অব কন্ট্রোল ভারত এবং চিনের কাছে এক এবং ঐক্যমতপূর্ণ নয়। দুজনেই বলে গালোয়ান উপত্যকা আমার, দুজনেই বলে প্যাংগং লেক আমার অধিকারে।

লে-লাদাখকে বিচ্ছিন্ন করাও একরকম ছিল। কিন্তু চিনের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখেই কংগ্রেস আমলে যে সীমান্ত-রাস্তা শুরু হয়েছিল অরুণাচল থেকে লাদাখ অবধি, সেই সংযোগ-পথের কাজ শেষ হবার আগেই আস্ফালন শুরু করলেন আমাদের নেতারা। প্রধানমন্ত্রী গলা চড়ালেন, সাথসঙ্গতে অমিত শাহ প্রকাশ্যে হুমকি দিলেন আকসাই চিন আর পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে দখলে আনার জন্য তিনি নিজের জীবন দিয়ে দেবেন। চিন আতঙ্কিত হল। এবং পরের টুকু কাঁটাওয়ালা মুগুরের ইতিহাস। কিন্তু ভারতীয় হিসেবে এটুকু চাওয়া তো থাকবেই যে সত্য গোপন না করেই বৈদেশিক আক্রমণ প্রতিহত করা হোক, শক্ত হাতে সীমান্ত সমস্যার মোকাবিলা করা হোক, আর হ্যাঁ, একজন জওয়ান মারা গেলেও সে ক্ষতি দেশের এবং কেন সেই মৃত্যু সে প্রশ্নের জবাব চাইবার অধিকার গণতান্ত্রিক দেশে আপামর জনসাধারণের আছে।

এটা কি শুধুই সমাপতন যে একবছর আগে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেবার দিনটি অর্থাৎ ৫ আগস্টকেই বাছা হয়েছে রামমন্দিরের শিলান্যাসের জন্য? নাকি মরার ওপর খাঁড়ার ঘায়ের মতো সম্পূর্ণ বঞ্চিত ও হতোদ্যম কাশ্মীরের ক্ষতে আঙুল দিয়ে খুঁচিয়ে দেশজোড়া সংখ্যালঘুকে বোঝানো হল তার দৌড় কতটা? তৈরি করা হল দুষ্টের দলন শিষ্টের পালন জাতীয় একটি মিথ? বলার চেষ্টা হল কি যে তুমি যদি মুসলমান-বিদ্বেষী হও তবে রামলালা স্বয়ং তোমার রক্ষাকর্তা? সরাসরি সেলিব্রেশন বিক্ষোভের জন্ম দিতে পারে, সুতরাং আইস, আমরা অপ্রত্যক্ষভাবে দুষ্ট-দলন দিবসটিকে যথোচিত মর্যাদায় পালন করিয়া ছাড়ি।

এই প্রেক্ষিতগুলি টিঁকিয়ে রাখতে চায় বলেই কাশ্মীরের হাঁড়ির হাল করে ছেড়েছে ভারত সরকার। লক ডাউনে ডিপ্রেসন বেড়ে যাচ্ছে, অর্থকষ্ট, খাদ্যাভাব, ছাঁটাইয়ের মা-বাপ নেই, চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই, যাবতীয় এইসব নাকে কাঁদুনি মনে হবে কাশ্মীরের অবস্থা জানলে। ৫ আগস্ট সেই দিন, যেদিন থেকে দিল্লির সঙ্গে জম্মু-কাশ্মীরের সম্পর্ক হয়ে গেল মালিক ও দাসের, শাসক ও শাসিতের। বাকস্বাধীনতা, মুক্তচিন্তা, সুশীল সমাজের প্রতিবাদ, চলাফেরার স্বাধীনতার যেটুকু বেঁচেবর্তে ছিল, সবটাই যেন মুহূর্তে হাওয়ায় উবে গেল। উলটোবাগে হাঁটলে কী হতে পারে, কীই বা হচ্ছে? এ বছরের মার্চ মাসে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক পার্লামেন্টের দুই কক্ষেই ঘোষণা করে যে ২০১৯-এর ৫ আগস্ট থেকে ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০-র মধ্যে কাশ্মীরে ৭৩৫৭ জনকে অ্যারেস্ট করা হয়েছে। হিউম্যান রাইটস বডিগুলির মতে সংখ্যাটা আরও অনেক বেশি—১৩০০০।

ইচ্ছে করে বাকি দেশের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছে। যাতে সরকারি ন্যারেটিভের কোনো কাউন্টার-ন্যারেটিভ না ছড়াতে পারে। কিছু বাছাই করা আমলা ও পুলিশ অফিসারের হাতে কেন্দ্রীভূত সব ক্ষমতা। যাকে ইচ্ছে তার ওপরেই বিনা বাক্যব্যয়ে নামিয়ে আনা যায় দমনপীড়ন। ফলে যা হবার তাই হচ্ছে। ভয়ে আতঙ্কে কাঁটা হয়ে থাকা ভূস্বর্গে অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে। গত আগস্ট থেকে এই অবধি ইন্টারনেট না থাকায় কাশ্মীর চেম্বার অব কমার্সের ক্ষতি নাকি ৪০,০০০ কোটি টাকা। লক্ষ লক্ষ মানুষ, যারা আইটি অথবা ট্যুরিজম সেক্টরে ছিল তাদের চাকরি চলে গেছে। ঘরে ঘরে বেকার। ইন্টারনেট মাঝে এলেও তার দৌড় ২জি অবধি। গল্প তো এখানেই শেষ নয়। এরপর এল অতিমারি। ট্যুরিজমের সঙ্গে ট্রান্সপোর্ট এবং হ্যান্ডিক্রাফটস বিজনেসের বারোটা বেজে গেল। অনলাইনে পড়াশোনা করবার ব্যাপারই রইল না। বাইরে পড়াশোনা বা চাকরির আবেদনপত্রও পাঠানো বন্ধ। চিকিৎসাপত্রও লাটে। আসন্নপ্রসবাকে বা মারাত্মক জখমকে হাসপাতালে পাঠাবার এবং চিকিৎসার বন্দোবস্তে না পাওয়া যাবে ইন্টারনেট পরিসেবা, না ট্রান্সপোর্ট। পাহাড়ি রাস্তায় রোগীসহ স্ট্রেচার যে কী গুরুভার!

 

কিন্তু এইসব হয়রানির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলবে কে, কেই বা জনমত গঠন করবে। স্থানীয় মিডিয়ার অবস্থা খুঁটিয়ে দেখলে বোঝা যায় কী সর্বনাশের মধ্য দিয়ে কাশ্মীরের রক্তক্ষয়ী যাত্রা। কোনো কিছুতেই স্বাধীন মতামত দেওয়া ভয়ংকর বিপজ্জনক। জেলযাত্রা, প্রাণসংশয় কোনো কিছুই অসম্ভব নয়। মরার ওপর খাঁড়ার ঘা নামিয়ে এনেছে জম্মু ও কাশ্মীর মিডিয়া পলিসি, ২০২০। ডিপার্টমেন্ট অব ইনফরমেশন অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনসের ছোটো-বড়ো অফিসাররাই যে-কোনো সাংবাদিক, সম্পাদক, সংবাদপত্রের মালিককে অনৈতিক, জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী, দেশদ্রোহী ও ফেক বিষয়বস্তু ছাপার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করতে পারে এবং আইনি ব্যবস্থা নিতে পারে। এর মধ্যেই অনেক সাংবাদিককে থানায় ডেকে পাঠানো হয়েছে, জবাবদিহি চাওয়া হয়েছে, সবচেয়ে সাংঘাতিক, অন্ততপক্ষে ছ-জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ইউএপিএ এবং ইন্ডিয়ান পিনাল কোডের অন্যান্য ধারা দেওয়া হয়েছে।

যে দিকে তাকানো যাবে, ছবিটা এক। কাশ্মীরি মুসলমানের অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক অধিকার হরণই যেন ওয়ান পয়েন্ট অ্যাজেন্ডা। এবং ঝিকে মেরে বউকে শেখানোর মতো তাই দিয়ে গোটা দেশের সংখ্যালঘুদের বুঝিয়ে দেওয়া তাদের ‘অওকাত’ কত। ২ এপ্রিল জম্মু-কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর জি সি মুর্মুর সঙ্গে আমলাদের বৈঠকের একটি ছবি প্রকাশিত হয়। তাতে উপস্থিত ১৯ জন আমলার মধ্যে একজন মাত্র কাশ্মীরি মুসলমান। অথচ কাশ্মীরের ৯৭% মানুষ ইসলাম ধর্মাবলম্বী। মানুষের স্মৃতিতে ফিকে হয়নি এখনও আর্টিকেল ৩৫এ ছেঁটে দেবার কথা যা সরকারের হাতে পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট কারা তা ঠিক করবার ক্ষমতা তুলে দিয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে যা কখনও হয়নি সেই জমির অধিকার এবং সরকারি চাকরির অধিকার চলে যাচ্ছে বহিরাগতদের হাতে। পরিবর্তিত হয়ে যাচ্ছে জনবিন্যাস এবং ভূমিপ্রকৃতি। শুধু হাতে নয় ভাতেও মরছে কাশ্মীরি ভূমিপুত্র।

হয়তো বোঝা গেল কেন ৫ আগস্টের ভূমিপূজন বিজেপির কাছে এত গুরুত্ববহ। এটি আসলে হিন্দুত্বের বিজয়দিবস। একটি অঙ্গরাজ্যকে গিলোটিনে তোলবার কলঙ্ক তাতে মুছবে কি?