জয়ী হলে মুসলিমদের পাশে থাকবেন: বার্তা মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী বাইডেনের

জয়ী হলে মুসলিমদের পাশে থাকবেন: বার্তা মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী বাইডেনের

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার প্রধান প্রতিপক্ষ জো বাইডেন বিরামহীনভাবে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে জো বাইডেন প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে মুসলমানদের যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণে ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত তথাকথিত “মুসলিম নিষেধাজ্ঞা” আইন প্রত্যাহার করবেন। অপরদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী জো বাইডেন-এর প্রতি সমর্থন জানিয়েছে দেশটির মুসলিম কমিউনিটি।

সোমবার এ কমিউনিটির একদল প্রভাবশালী নেতা তার প্রতি এ সমর্থন ব্যক্ত করেন। মুসলিম পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি এমগেজ আয়োজিত সমাবেশে বাইডেন বক্তব্য রাখছিলেন।

এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এনপিআর। এদিকে বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, সমর্থন জানানো ব্যক্তিদের তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য ইলহান ওমর এবং আন্দ্রে কারসন, মিনেসোটা-র অ্যাটর্নি জেনারেল কেইথ এলিসন-এর নামও রয়েছে। ইলহান ওমর ইতিপূর্বে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্সকে সমর্থন দিয়েছিলেন।

তবে সম্প্রতি স্যান্ডার্স দলীয় প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে বাইডেনকে মেনে নিলে ইলহান ওমর-ও তাকে সমর্থন দেন। বাইডেন-কে সমর্থন জানিয়ে পাঠানো মার্কিন মুসলিম নেতৃবৃন্দের একটি চিঠি হাতে পেয়েছে এপি। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘আমাদের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে হোয়াইট হাউস থেকে ট্রাম্পকে হটিয়ে দেওয়া এবং এমন কাউকে তার জায়গায় স্থলাভিষিক্ত করা যে আমাদের জাতিকে সুস্থ করে তোলার কাজ শুরু করতে পারবেন।
বাইডেন বলেন, মুসলমান সম্প্রদায়ের প্রথমে অনুধাবন করতে হবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্যাতন, যা দেশটিতে থাকা কালো ও বাদামী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে চালানো হয়েছে।

ট্রাম্প চার বছর ধরে আমেরিকার মুসলমান সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে অব্যাহত চাপ ও তাদের অসম্মান করছেন। ২০১৭ সালে ট্রাম্প প্রথমেই ইরান, ইরাক, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান, সিরিয়া এবং ইয়েমেনের মুসলমানদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে নির্বাহী আদেশ জারি করেন। বাইডেন বলেন, ট্রাম্প তার কথাবার্তা, নীতি নৈতিকতা এবং কাজকর্মের মাধ্যমে দেশে ঘৃণার আগুন ছড়িয়ে দিয়েছেন।