খুষ্টিগিরীতে মহা সমারোহে ঈদ উল আযহা’ র নামাজ

খুষ্টিগিরীতে মহা সমারোহে ঈদ উল আযহা’ র নামাজ

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: আজ  বীরভূমের পাড়ুই থানার খুষ্টিগিরীতে হজরত আব্দুল্লাহ কেরমানী (রহঃ) এঁর মাজার শরীফ প্রাঙ্গণে সকাল ৮ ঘটিকায় পবিত্র ‘ঈদ উল আযহা’র নামাজ অজস্র মানুষের সমাগমে অনুষ্ঠিত হল। খুষ্টিগিরী দরগাহ শরীফের পীর হজরত সৈয়দ শাহ বজলে রহমান কেরমানী এই পবিত্র ঈদ উল আযহা প্রসঙ্গে বলেন―ঈদ-উল-আযহা উৎসব ― ত্যাগ, সংযম ও আত্মদানের উৎসব।

ইব্রাহিম (আঃ) আল্লাহতালার আদেশ পালন তথা সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য নিজ প্রিয় পুত্রকে কোরবানী করতে উদ্যত হয়েছিলেন। তাঁর আচরণে প্রমাণিত হয়েছিল পুত্রের ভালোবাসা থেকেও আল্লাহতালার প্রতি ভালোবাসা বড়। তাঁরই মহান ত্যাগের স্মৃতিতে মুসলিম জাতি প্রতি বছর ১০ই জিলহজ্জ্ব ঈদ-উল-আজহার নামাজ পাঠ করেন ও নিজ নিজ গৃহে পশু কোরবানী করেন। কোরবানীর পশুর গলায় ছুরি দেওয়ার আগে নিজেদের মধ্যে গুপ্ত পশুত্বের গলায় ছুরি দিতে হবে; বিসর্জন দিতে হবে কাম-ক্রোধ-লোভ-মোহ-পরনিন্দা-পরশ্রীকাতরতা।

মানবতাবোধ-শৃঙ্খলাবোধ ও সম্প্রীতি রক্ষায় হতে হবে সচেষ্ট। তবেই সার্থক হবে উৎসর্গের উৎসব ― কোরবানী। বিশ্বময় বিরাজ করবে মহান আল্লাহপাকের মেহেরবানী।

ঈদ-উল-আযহার নামাজ শেষে বিভিন্ন গ্রামের ও দূর দুরান্তের পুণ্যার্থীরা হজরতকে সালাম ও শ্রদ্ধা জানান। একে অপরকে হাতে-হাত মিলিয়ে ও বুকে-বুক মিলিয়ে প্রীতি বিনিময় করেন।

হজরত সইয়েদেনা শাহ আব্দুল্লাহ কেরমানী (রহঃ) ও তাঁর বংশধরগনের মাজার শরীফ ভক্তেরা জিয়ারত করেন, দোয়া-আশীর্বাদ চেয়ে নিজ নিজ বাড়ি ফিরে যান। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে আজকের ঈদ উৎসব পালিত হওয়ায় মসজিদের ইমাম শামসের আলম সাহেব দরগাহ শরীফের পক্ষ থেকে সকলকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।