অনলাইনে পড়াশোনার সুবিধা পায় না প্রচুর শিশু! ফলে স্কুল খোলা অত্যন্ত জরুরি: এইমস প্রধান

অনলাইনে পড়াশোনার সুবিধা পায় না প্রচুর শিশু! ফলে স্কুল খোলা অত্যন্ত জরুরি: এইমস প্রধান

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: শিশুদের জন্য কোভিডরোধী টিকা এখনও বাজারে আসবে, কবে আসবে সে ব্যাপারে নিশ্চিত করে কেউ বলতেও পারছে না। আর তা বাজারে চলে এলেও শিশুদের টিকাকরণ করতে ৯ মাস সময় লেগে যাবে। তত দিন স্কুল বন্ধ রাখা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করলেন এইমসের প্রধান ডা. রনদীপ গুলেরিয়া।

ইন্ডিয়া ট্যুডেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গুলেরিয়া জানান যে তিনি স্কুল খোলার বিষয়টিকে সমর্থন করেন। কারণ শিশুদের বিকাশের জন্য শারীরিক ভাবে মেলামেশা করা অত্যন্ত জরুরি।

গুলেরিয়া বলেন, “এখন কেরলে স্কুল খোলার কোনো দরকার নেই। কিন্তু দিল্লিতে স্কুল খুলতে হবে কারণ এখানে সংক্রমণের হার অত্যন্ত কম। দিল্লিতে স্কুল খোলার এটাই আদর্শ সময়। অনলাইনে পড়াশোনার সুবিধা পায় না প্রচুর শিশু। ফলে স্কুল খোলা অত্যন্ত জরুরি।”

স্কুল কী ভাবে খুলতে হবে সেটাও জানান গুলেরিয়া। তিনি বলেন, স্কুলের শিক্ষক, অশিক্ষক-সহ সব কর্মীকে টিকার পুরো ডোজ নিয়ে নিতে হবে। স্কুলে শিশুরা যখন ঢুকবে তখন এবং টিফিনের সময় স্কুলের আশেপাশে কোনো রকম ভাবে যাতে ভিড় না হয় সেই ব্যাপারটা স্কুল কর্তৃপক্ষকে নিশ্চিত করতে হবে। স্কুলে কোনো ভাবে কোভিড সংক্রমণ ছড়াতে শুরু করলে সাময়িক ভাবে সেই স্কুল বন্ধ করে দিতে হবে বলেও জানান গুলেরিয়া।

সেপ্টেম্বরের শেষে শিশুদের জন্য টিকার ব্যবস্থা হতে পারে বলে মনে করছেন গুলেরিয়া। তিনি বলেন, “শিশুদের জন্য কোভ্যাক্সিন ব্যবহারের ছাড়পত্র চেয়ে এ মাসেই আবেদন করতে পারে ভারত বায়োটেক। কেন্দ্র ছাড়পত্র দিয়ে দিলে এ মাসের শেষেই শিশুদের টিকাকরণ শুরু হয়ে যাবে।”