চির প্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাব ইস্টবেঙ্গল গোকুলামের কাছে হেরে গিয়েছে এই খবরটা শুনেই মাঠে নেমেছিল কিবু ভিকুনার দল

চির প্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাব ইস্টবেঙ্গল গোকুলামের কাছে হেরে গিয়েছে এই খবরটা শুনেই মাঠে নেমেছিল কিবু ভিকুনার দল

মাহাবুবুজ্জামান,বঙ্গ রিপোর্ট, কোলকাতা:
স্প্যানিশ কোচ আলাদা কোনো পেপটক দিয়েছিলেন কিনা জানা নেই, তবে প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজেই খেলা শুরু করেছিলেন চামোরো, বেইতিইয়ারা। খেলার শেষে যার ফলও এল। রিয়াল কাশ্মীরকে ৩-১ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয় দল হিসেবে ডুরান্ডের ফাইনালে উঠে গেল মোহনবাগান। ইনজুরি টাইমে ম্যাচ ১-১ গোলে ড্র ছিল। অতিরিক্ত সময় এসে দলের হয়ে জোড়া গোল করেন সুহের।

খেলার ১৩ মিনিটের মাথায় দর্দান্ত শট মারেন বেইতিয়া। যদিও তা আটকে দিয়েছিলেন কাশ্মীর গোলরক্ষক। ২৩ মিনিটের মাথায় কাশ্মীরের দলটির হয়ে অতর্কিত আক্রমণ করেছিলেন সুভাষ সিং। কিন্তু শঙ্করের দুরন্ত সেভ সে যাত্রায় উতরে দেয় দলকে। এরপর ৩৫ মিনিটের মাথায় ফের একবার গোলের চেষ্টা করেছিলেন বেইতিয়া। কিন্তু সেবারও বল বারের ওপর দিয়ে উড়ে যায়। তবে প্রথমার্ধের আগেই গোল পেয়ে যায় সবুজ মেরুন শিবির। চামোরর পা থেকে আশা গোলে ৪১ মিনিটের মাথায় ম্যাচে এগিয়ে যায় বাগান। বাগান অধিনায়ক গুরজিন্দরের মাঝমাঠ থেকে দেওয়া পাস রিসিভ করে হাওয়াতেই শট মেরে বল জালে ঢোকান চামোরো।

দ্বিতীয়ার্ধে শুরু থেকেই চালিয়ে খেলা শুরু করে কাশ্মীরের ফুটবলাররা। বিশেষ করে বাজো বেশ কয়েকবার বাজে ট্যাকল করেন। খেলার ৬৮ মিনিটের মাথায় স্ট্রাইকিং লাইন আরও শক্ত করতে সুহেরকে নামান ভিকুনা। বদলে মিডফিল্ডার রোমারিওকে বসিয়ে দেন তিনি। ৭৩ মিনিটের মাথায় বেইতিইয়াকে বসিয়ে নামানো মিডফিল্ডার মুনোজকে। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের বাঁশি বাজার পর ৪ মিনিট ইনজুরি টাইম দেওয়া হয়। এরপরই ঘটে সেই কাকতালীয় ঘটনা।

ইস্টবেঙ্গলের মতো বাগানকেও ইনজুরি টাইমের ৯৩ মিনিটেই গোল হজম করতে হল। শঙ্করের ভুলে দুরন্ত হেডে কাশ্মীরকে সমতায় ফেরান ক্রিজো। খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেই দলের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন সুহের। এরপর অনেকবার চেষ্টা করেও কাশ্মীর ফুটবলাররা গোল পাননি। ১১০ মিনিটের মাথায় সুহেরের বল পোস্টে লেগে ফিরে আসে। কিন্তু এর দু মিনিট পরেই আবার গোল পায় বাগান।

এবার আর কোনো ভুল করেননি কেরালার স্ট্রাইকারটি। ১১২ মিনিটের মাথায় মোরান্তের পাস থেকে বল নিয়ে জোরালো শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন সুহের। এরপর আর ম্যাচে ফেরার কোনো আশাই বেঁচে ছিল না। আগামী শনিবার গোকুলামের বিরুদ্ধে ডুরান্ডের ফাইনালে নামবে মোহনবাগান।