মুসলমানরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে তাহলে শত্রুদের মোকাবেলায় অবশ্যই বিজয়ী হবে: জার্মান নওমুসলিম

মুসলমানরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে তাহলে শত্রুদের মোকাবেলায় অবশ্যই বিজয়ী হবে: জার্মান নওমুসলিম

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: ইসলামের বিরুদ্ধে নানা প্রচারণা, ষড়যন্ত্র এবং সামরিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পদক্ষেপ সত্ত্বেও এই ধর্মের অগ্রগতি দিনকে দিন বাড়ছে। বর্তমানে ইসলাম ইউরোপসহ পাশ্চাত্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্ম। ইসলামের শিক্ষাগুলোই পাশ্চাত্যের মানুষকে এ ধর্মের দিকে আকৃষ্ট করছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।মুসলমানরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে তাহলে শত্রুদের মোকাবেলায় অবশ্যই বিজয়ী হবে: জার্মান নওমুসলিম ক্যাথেরিন হুফার।

যেমন, মুসলমানদের উন্নত সামাজিক জীবন, ভ্রাতৃত্ব ও সব ধরনের বৈষম্য বা অন্যায় বিরোধী অবস্থান পশ্চিমাদেরকে এ ধর্মের দিকে আকৃষ্ট করছে। নারীর প্রতি ইসলামের সম্মানজনক স্বীকৃতি পাশ্চাত্যের শিক্ষিত নারী সমাজকেও আকৃষ্ট করছে এই মহান ধর্মের দিকে। এইসব নারী ব্যাপক গবেষণার মাধ্যমেই এ ধর্ম গ্রহণ করেছেন।

তাদের কেউ কেউ গবেষণা প্রতিষ্ঠানেরই কর্মী ছিলেন। গবেষণার মাধ্যমে ইসলামের সত্যতাকে উপলব্ধি করে এই মহান ধর্ম গ্রহণ করেছেন এমন নারীদের মধ্যে জার্মান নারী ক্যাথেরিন হুফারও অন্যতম। তিনি বলেছেন, “আমি জন্ম নিয়েছিলাম ১৯৬৮ সালে জার্মানির স্টুটগার্ট শহরে এক ক্যাথলিক পরিবারে। আমার পরিবার খ্রিস্ট ধর্মের অনুষ্ঠানগুলো পালনকে বেশ গুরুত্ব দিত এবং প্রতি রোববার গির্জার প্রার্থনা অনুষ্ঠানে যোগ দিত।

ইসলাম সম্পর্কে কিছুকাল পড়াশোনার পর এ ধর্মের প্রতি গভীর আকর্ষণ অনুভব করতে থাকেন জার্মান নওমুসলিম নারী ক্যাথেরিন হুফার। এ অবস্থায় তিনি হিজাব ও নামাজ সম্পর্কে গবেষণা করতে থাকেন। এসব বিষয়ে কিছুদিন গবেষণার পর মিসেস হুফার ইসলামের প্রতি ঈমান আনেন। তিনি এ প্রসঙ্গে বলেছেন, “যখন হিজাব পরলাম তখন আগের চেয়েও বেশি নিরাপত্তা অনুভব করলাম।