হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন ভাঙড়ের তৃণমূল নেতা নান্নু হোসেন

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন ভাঙড়ের তৃণমূল নেতা নান্নু হোসেন

 

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: মারা গেলেন ভাঙড় বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী রেজাউল করিমের নির্বাচনী এজেন্ট, দঃ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের সদস্য বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা নান্নু হোসেন। বামেদের এক সময়ের শক্ত ঘাঁটি ভাঙড়ে জোড়াফুল ফোটাতে যাঁরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম এই নান্নু হোসেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৩ বছর। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবারের লোকজন।

পরিবার সূত্রে খবর, শনিবার রাতে আচমকাই বুথে ব্যথা ও প্রবল শ্বাসকষ্ট শুরু হয় নান্নুর। রাতেই কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। রবিবার ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ মৃত্যু হয় তাঁর। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ভাঙড়ের রাজনৈতিক মহলে। তাঁর সহকর্মী আরাবুল ইসলাম এক বার্তায় ভলেন- ভাঙ্গড়ের রাজনীতিতে আমার দীর্ঘ দিনের সহকর্মী হাজী নান্নু হোসেন মহাশয় পরলোক গমন করেছেন। ওনার বিদেহী আত্মার চির শান্তি কামনা করি।

১৯৮৮ সালে কংগ্রেস কর্মী হিসেবে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেছিলেন নান্নু। পরে তৃণমূলে যোগ দেন তিনি। শুরু থেকেই তৃণমূলের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা হিসাবেই নান্নুকে দেখেছেন ভাঙড়ের মানুষ। ২০০৬ সালে ভাঙড়ের মাটিতে ঘাসফুল ফোটান নান্নু ও তাঁর সহযোগীরা। সেই সময় পাশে ছিলেন তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলামও। কিন্তু দিন যত এগিয়েছে নান্নু-আরাবুল বন্ধুত্বে ফাটল ধরতে শুরু করে। ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড় থেকে নান্নু নির্দল প্রার্থী হিসাবে লড়েন। তৃণমূলের টিকিটে দাঁড়িয়েছিলেন আরাবুল ইসলাম। ১২ হাজারের বেশি ভোটে হেরে যায় আরাবুল জয়লাভ করে সিপিএমের বাদল জমাদার ।

নির্দল প্রার্থী হিসেবে দাড়ালেও তৃণমূল ছাড়েননি নান্নু। পরবর্তীকালে জেলা পরিষদের সদস্যও হন তিনি। ভাঙড়ের রাজনীতিতে বরাবর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি। তৃণমূলের সংগঠন দেখার পাশাপাশি ভাঙড়ের প্রত্যেকটি নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতেন নান্নু।