ছাত্র যুব আন্দোলনের উল্লেখযোগ্য নাম প্রতীক উর রহমান: সংযুক্ত মোর্চা সমর্থিত সিপিআইএম দলের প্রার্থী

    ছাত্র যুব আন্দোলনের উল্লেখযোগ্য নাম প্রতীক উর রহমান: সংযুক্ত মোর্চা সমর্থিত সিপিআইএম দলের প্রার্থী

    নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: ডায়মন্ড হারবারের ভূমিপুত্র। জন্ম ১৯৯০ সালের ১০ই মে। ২০০৭ সালে ডায়মন্ড হারবার হাইস্কুলে উচ্চমাধ্যমিক পড়ার সময় প্রতীক ছাত্র রাজনীতির সংস্পর্শে আসে। এবং নিশ্চিত ভাবেই শিক্ষা ও সংগ্রামের পথ ধরে ছাত্র আন্দোলন মানেই ছিল SFI. ২০০৮ সালে প্রতীক ভর্তি হয় ডায়মন্ড হারবার ফকিরচাঁদ কলেজে। অনেক লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে মজবুত সংগঠন গড়ে তোলায় নেতৃত্ব দেয় প্রতীক। ২০০৯-১০ সালে প্রতীক উর ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়।

    ২০১১ সালের ছাত্র-সংসদ নির্বাচনে তৎকালীন বিধায়কের নেতৃত্বে ভয়ঙ্কর আক্রমনের শিকার হয় ছাত্ররা৷প্রতিকউরকে মেরে ফেলে দেওয়া হয় কলেজের পাঁচিলের পিছনে জলাশয়ে,মুখ গুঁজে পড়ে থাকা বাচ্চা ছেলেটা মরেই গেছিলো -আমরা তাই ভেবেছিলাম কিন্তু মানুষকে বাঁচানোর দায়িত্ব যার নেশা সেই ফিনিস্ক পাখি আবার জেগে উঠবে এটা অবিস্বাস্য নয়৷

    তথাকথিত পরিবর্তনের জামানায় কলেজ ক্যাম্পাসে তৃণমূলের আক্রমণের প্রধান লক্ষ্য হয়ে ওঠে SFI এবং নিশ্চিত ভাবে প্রতীক উর। বহুবার আক্রান্ত ও রক্তাক্ত হওয়ার পরেও লড়াই থেকে এক ইঞ্চিও পিছু হটেনি ছেলেটা। ২০১২ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক এবং ২০১৬ সালে এল এল বি ডিগ্রি অর্জন করে প্রতীক উর। ওয়েস্ট বেঙ্গল বার কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচিত হয় ২০১৯ সালে।

    ক্যাম্পাস থেকে রাজপথ হয়ে জেলার ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্ব হয়ে ওঠে প্রতীক উর। ২০১৫ সালে SFI দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার সভাপতির দায়িত্ব সামলানোর পর ২০১৭ সালে প্রতীক SFI পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়। ছাত্র রাজনীতির মধ্য দিয়েই পার্টিতে প্রবেশ প্রতীক উরের। ২০১৯ সালে প্রতীক পার্টির রাজ্য কমিটির স্থায়ী আমন্ত্রিত সদস্য নির্বাচিত হয়। প্রতীক কোনো সেলিব্রিটি মুখ নয়। প্রতীক ভোটের বাজারে পরিযায়ী পাখিও নয়, ও আগাগোড়া রাজনীতির লোক। পার্টির একজন সর্বক্ষণের কর্মী ও রাজ্যের ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ প্রতীক উর।

    প্রতীক এর এক সহকর্মী বলেন- গোটা রাজ্যের কলেজ-ক্যাম্পাস গুলোতে গণতন্ত্র নেই, পড়াশোনার পরিবেশ নেই। কলেজে ভর্তি হতে গেলে কাটমানি দিতে হয় তৃণমূলের মাতব্বরদের। কর্মসংস্থানের কোনো দিশা নেই। শিল্পায়ন নেই রাজ্যে। সরকারি শূণ্যপদে কোনো নিয়োগ নেই। জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া। মানুষের যন্ত্রণ দুর্বিষহ। এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অগ্রণী মুখ প্রতীক উর৷ প্রতীক উর প্রতিদিন রাস্তায় থেকে এই লড়াই লড়েছে। এবার পাল্টাতে হবে। ছাত্র-যুব-মহিলা-শ্রমিক-কৃষকের অধিকার সুনিশ্চিত করতে হবে। তাই প্রতীক উরকে বিধানসভায় চাই।

    প্রতীকদের দল বলছে বিধানসভায় চাই সংযুক্ত মোর্চার সরকার। যেই সরকার প্রতি বছর SSC-TET পরীক্ষা নেবে, স্বচ্ছভাবে নিয়োগ করবে। যে সরকার ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিলে সরকারি ভর্তুকি দেবে। যে সরকার লেখাপড়ার খরচ কমাবে। যে সরকার শিল্পায়ন করবে, বেকারের চাকরির ব্যবস্থা করবে। যে সরকার ধর্মের নামে নয়া জিগিরের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর হিম্মত দেখাবে। সেই সরকারের বিধায়ক নির্বাচিত হোক প্রতীক উর।

    প্রতীক উর সু-বক্তা। ও মিছিল সাজায়। আবার বন্ধুদের সাথে চুটিয়ে আড্ডা দেয়। অবসর সময়ে গান শোনে। প্রতীক উর চায়- যেন সবাই দু-বেলা নিশ্চিন্তে খেতে পায়, সবাই শ্রমের দাম পায়, সবাই পড়াশোনার অধিকার পায়। আপনার বাড়ির ছেলেটার দিকে তাকান। আপনি ওর মধ্যেই খুঁজে পাবেন প্রতীক উরকে।

    প্রতীক উপর রহমান বলেন আঁধার কাটিয়ে আলোর দিকে ফেরার লগ্ন এখন। এই রাজ্যটাকে নতুন করে গড়ে তোলার চ্যালেঞ্জ এখন। এই কাজ আমরাই পারবো। আমরাই বিকল্প, আমরাই ধর্মনিরপেক্ষ, আমরাই ভবিষ্যৎ। উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে রাজ্যটাকে। সে পথে আপনার সাথীকে চিনে নেওয়ার নির্বাচন এবার। এবং সেই এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে প্রতীক উর আপনাদের ভরসা দেবেই।ভরসা থাকুক হৃদয়জুড়ে লাল নিশানে।