স্বস্তিতে রাজ্য সরকার: ২০১৪ সালের শিক্ষক নিয়োগের উপর স্থগিতাদেশ তুলে নিল হাইকোর্ট

    স্বস্তিতে রাজ্য সরকার: ২০১৪ সালের শিক্ষক নিয়োগের উপর স্থগিতাদেশ তুলে নিল হাইকোর্ট

    নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: বিধানসভা নির্বাচনের আগে শিক্ষক নিয়োগ জট কাটল কলকাতা হাইকোর্টে। স্বস্তিতে রাজ্য। ২০১৪ সালের শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়ার উপর যে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চ।

    সেই স্থগিতাদেশ তুলে দিল কলকাতা হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ। ফলে নিয়োগের ক্ষেত্রে আর কোন বাধা রইলো না। তবে নিয়ম মেনে মেধাতালিকা প্রকাশ করতে হবে স্কুল সার্ভিস কমিশনকে।

    গত ১৫ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে প্রকাশিত মেধাতালিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এবং নিয়োগে বেনিয়ম ও অস্বচ্ছতার অভিযোগে ছ’টি মামলা দায়ের হয় হাইকোর্টে।

    সেই মামলায় মামলকারীর আইনজীবীদের দাবি ছিল, কোনও মেধা তালিকা প্রকাশ না করেই নিয়োগ করার প্রক্রিয়া চলছে। দুটি ছুটির দিনে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ সাতটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে নিয়োগের একেকটি ধাপ শেষ করে ফেলেছেন নিয়োগ কর্তারা। এমন বহু নমুনা রয়েছে যেখানে, নিয়োগে অস্বচ্ছতার উদাহরণ তাদের হাতে আছে বলে আদালতে দাবি করেন আইনজীবীরা।

    তার পরিপ্রেক্ষিতে স্থগিতাদেশ জারি করেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে ডিভিশন বেঞ্চে দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার। তার প্রেক্ষিতেই এদিন স্থগিতাদেশ তুলে দেয় আদালত। ডিভিশন বেঞ্চে স্পষ্ট নির্দেশ নিয়ম মেনে প্যানেল প্রকাশ করতে হবে স্কুল সার্ভিস কমিশনকে।

    পর্ষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৩ ডিসেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ ১৬ হাজার ৫০০ শূন্য পদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করে। যাঁরা টেট উত্তীর্ণ এবং যাঁদের প্রশিক্ষণ রয়েছে, একমাত্র তাঁরাই আবেদন করতে পারবেন বলে জানিয়েছিল পর্ষদ। এর পর শুরু হয় বাকি প্রক্রিয়া। মেধা তালিকায় জায়গা পেয়েছেন ১৫ হাজার ২৮৪ জন। জানুয়ারি মাসে ৭ দিন ধরে ইন্টারভিউ হয়।

    পর্ষদ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এই নিয়োগের ক্ষেত্রে প্যারা টিচারদের ১০% সংরক্ষণ রাখা হয়। এছাড়াও এত কম সময়ের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ এযাবত কালে কোন নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে পারিনি বলেই পর্ষদ সূত্রের দাবি।