‘তালাশনামা’ হতে চলেছে আন্তর্জাতিক উপন্যাস: লেখক ইসমাইল দরবেশ ও তাঁর সৃষ্টি নিয়ে কিছু কথা 

‘তালাশনামা’ হতে চলেছে আন্তর্জাতিক উপন্যাস: লেখক ইসমাইল দরবেশ ও তাঁর সৃষ্টি নিয়ে কিছু কথা 

নবিউল ইসলাম, লালগোলা (মুর্শিদাবাদ)

পিছিয়ে পড়া বাঙালি মুসলমান জীবনের টানাপোড়েন, প্রেম-ভালবাসা, বিশ্বাস-অবিশ্বাসের জটিলতা, ক্রুর গ্রামীণ রাজনীতি, চিরকালীন সম্প্রীতির সম্পর্কে সংশয়ী নেগেটিভ ভাবনার বর্তমান উদ্ভূত সমস্যা ‘তালাশনামা’র পরতে পরতে ছড়িয়ে আছে। মসজিদের তরুণ ইমাম তাহিরুল, আধুনিক শিক্ষিত সমাজ-বদলের স্বপ্নদেখা যুবক মারুফ, হিন্দু ধর্মের যুবক প্রেমিক সুমন উপন্যাসের মুখ্য চরিত্র। গোটা উপন্যাস জুড়ে প্রধান নারী চরিত্র রিজিয়াকে নিয়ে গল্পের জাল বিস্তার করেছেন লেখক। রকি নামের খল চরিত্রটি উপন্যাসের কাহিনীকে জটিল করে তুলেছে। লেখক খুব সহজ-সরল ভাষায় নারী-লোলুপ রকির পরিকল্পিত লালসার শিকার রিজিয়ার মানসিক যন্ত্রণার মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করেছেন। রিজিয়াকে নিয়ে রকির যৌনাকাঙ্খা চরিতার্থ এবং রিজিয়ার প্রেমিক মসজিদের তরুণ ইমাম তাহিরুল, অন্যদিকে রিজিয়ার আরেক শ্রদ্ধাষ্পদ অমুসলিম যুবক সুমন— উপন্যাসের মূল ভরকেন্দ্র তৈরি হয়েছে এদের নিয়েই। অনেকগুলি উপকাহিনিও আছে। রেশমা-নাজিরের জীবন-যাপন, হাজি বুরহানুদ্দিন ও তার নাতবউ জেসমিনের অপত্যস্নেহের সম্পর্ক, নাস্তিক হাসান আলির জীবন-দর্শন সহ অনেক কথাই তুলে ধরেছেন বাস্তবসম্মত ভাবে। ইসমাইল দরবেশের উপন্যাসটি বুননে ও মননে ঋদ্ধ করছে পাঠককে।

 

‘তালাশনামা’র প্রথম প্রকাশ

 

২০২১-এর ২৪ ফেব্রুয়ারি কোলকাতার অভিযান পাবলিশার্স থেকে ৪৬৪ পৃষ্ঠার উপন্যাস ‘তালাশনামা’ প্রকাশিত হয়েছে। বইটির ক্রয় মূল্য ৫০০ টাকা। প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই উপন্যাসটি বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে পাঠকমনে। বিক্রয়ের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য। দিন দিন পাঠক বেড়েই চলেছে ‘তালাশনামা’র। অনেকেই বলছেন, সমস্যা-জর্জরিত বাঙালি মুসলমান সমাজ নিয়ে এরকম উপন্যাস বাংলা ভাষায় এর আগে লেখা হয়নি।

 

‘তালাশনামা’ প্রকাশের পরের ঘটনা

 

তালাশনামা প্রকাশের পর এনবিটিভি নামক ফেসবুক চ্যানেল লেখকের লাইভ সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে। ‘আলিয়া সংস্কৃতি সাংসদ’ তাদের সাপ্তাহিক সাহিত্যচর্চা ফেসবুক লাইভ অনুষ্ঠানে কেবলমাত্র ‘তালাশনামা’ উপন্যাসকে নিয়ে দীর্ঘ দুই ঘন্টা পাঠকদের নিয়ে আলোচনা করে। সেখানে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রধান ড. সাইফুল্লা দাবি করেন, স্বাধীনতার পর এপার বাংলায় মুসলিম সমাজ-জীবন নিয়ে পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস সম্ভবত আর লেখা হয়নি। আরও উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল, আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের এমএ ক্লাসের কয়েকজন ছাত্র ফোর্থ সেমিস্টার পরীক্ষার জন্য ‘তালাশনামা’কে তাঁদের পাঠ্যপুস্তক হিসেবে বাছাই করেছেন।

 

প্রখ্যাত ইংরেজি অনুবাদক মি. রামাস্বামী deshruprantor.com-এ তথ্যচিত্র পরিচালক ও সমাজকর্মী সৌমিত্র দোস্তিদারের একটি আর্টিকেল থেকে জানতে পারেন ‘তালাশনামা’র কথা। ২৪ জুলাই তিনি একটি কপি সংগ্রহ করেন। ‘তালাশনামা’ পড়ে তিনি অভিভূত হন। ২৭ জুলাই ‘তালাশনামা’র লেখক ইসমাইল দরবেশ এবং এই উপন্যাসের প্রকাশক অভিযান পাবলিশার্সের কর্ণধার মারুফ হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মি. রামাস্বামী। এর দু’দিন পরে HarperCollins-এর এডিটর রাহুল সোনিকে ‘তালাশনামা’র কথা জানানো হয়। রাহুল সোনি বইটির sample translation পাঠাতে বলেন। ২৪ সেপ্টেম্বর HarperCollins-এর acquisition মিটিং-এ ‘তালাশনামা’র অনুবাদের প্রস্তাব পেশ করেন রাহুল সোনি। অনুবাদের প্রস্তাব পাশ হয়। স্থির হয় অফিসিয়াল কাগজপত্র এবং অনুবাদের কাজ সম্পন্ন করে ২০২৩ সালের গোড়ার দিকে ইংরেজি ভাষায় বিশ্বময় পাঠক দরবারে পৌঁছে যাবে ‘তালাশনামা’। উর্দু এবং মালয়ালম ভাষাতেও অনুবাদের পরিকল্পনা রয়েছে আগামী দিনে।

 

HarperCallins সম্বন্ধে কিছু কথা

 

প্রকাশনা জগতে ২০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী পুরনো সংস্থা। ভারতে ২৫ বছর আগে তাদের প্রকাশনা শুরু। HarperCollins-এর প্রধান অফিস আমেরিকার নিউইয়র্কে। এছাড়া তাদের নিজস্ব অফিস রয়েছে যুক্তরাজ্য, নিউজিল্যান্ড, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, চীন এবং ভারতে। মার্ক টোয়েন, আগাথা ক্রিস্টি, এইচ জি ওয়েলস প্রভৃতি বিশ্ববন্দিত লেখকদের বই প্রকাশিত হয়েছে এই প্রকাশনা থেকে। ভারতের গুলজার, খুশবন্ত সিং, সত্যজিৎ রায়, দীপক চোপরা, সুধা মূর্তি এরকম অনেক বিখ্যাত মানুষের বই প্রকাশ করেছে HarperCollins। এবার এই বিশ্ববিখ্যাতদের তালিকায় HarperCollins নিয়ে এলো পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার ৪২ বছর বয়সী উপন্যাসিক ইসমাইল দরবেশকে। লেখকের ‘তালাশনামা’ উপন্যাস বাংলা সাহিত্যে একটি মাইলস্টোন হতে যাচ্ছে নিঃসন্দেহে।

 

‘তালাশনামা’র তত্ত্বতালাশ

 

২০১৭ সালে ইসমাইল দরবেশ হজ্ব পালন করতে মক্কায় যান। তাঁর তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন মারুফ হোসেন নামের একজন তরুণ। মক্কায় গিয়ে এই মারুফ হোসেনের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে ইসমাইল দরবেশের। দু’জনের মধ্যে ইসলাম ধর্ম ও বাঙালি মুসলমানদের নিয়ে অনেক কথা হয়। বিশেষত বাঙালি মুসলমানদের নিয়ে মারুফ অনেক আলোচনা করেন। বাঙালি মুসলমানদের অশিক্ষা, তাদের দারিদ্রের অন্যতম কারণ বলে অনেকরকম যুক্তিপূর্ণ ব্যাখ্যা করেন মারুফ। ইসমাইল মনে করেন, এ তো তাঁরই মনের কথা বলছেন মারুফ। এইসব আলোচনা থেকেই ‘তালাশনামা’র ভাবনা জারিত হতে থাকে ইসমাইল দরবেশের মনে। মনে মনে স্থির করেন কিছু একটা লিখতে হবে। লেখা শুরু হয় ধারাবাহিক ‘তালাশনামা’। তখন অবশ্য তালাশনামা নাম ছিল না।

 

‘তালাশনামা’ ও ফেসবুক

 

২০১৬ সালে ফেসবুকে অ্যাকাউন্ট খোলেন ইসমাইল দরবেশ। ছোটখাটো পোস্ট ও সাধারণ কিছু স্ট্যাটাস দিতেন ফেসবুকে। আস্তে আস্তে বন্ধুর সংখ্যা বাড়তে থাকে। কবি আবু সাফওয়ান আব্দুল্লাহ, কাজি আরিফ, সুবিদ আব্দুল্লাহ, উজাইর সিদ্দিকীসহ বহু বন্ধু, সাহিত্য-বন্ধু হয়ে ওঠেন। ‘তালাশনামা’র ধারাবাহিক কিস্তি লেখা শুরু করেন এই ফেসবুকেই। প্রথম কিস্তি থেকেই পাঠকপ্রিয়তা লক্ষ করেন। সপ্তাহে একটি করে কিস্তি লিখে ফেসবুকে দিতেন। প্রতি কিস্তিতেই অসংখ্য পাঠকের মন্তব্য তাঁকে প্রাণিত করতো। পরের কিস্তি পড়ার জন্য পাঠকের অধীর আগ্রহ বুঝতে পারতেন ইসমাইল দরবেশ। পাঠকের আগ্রহ আর মনের তাগিদ থেকে প্রায় আটত্রিশ পর্ব লিখে ফেলেন ফেসবুকে।

 

‘তালাশনামা’, সৌমিত্র দোস্তিদার ও অভিযান পাবলিশার্সের কর্ণধার মারুফ হোসেন

 

তথ্যচিত্র পরিচালক ও সমাজকর্মী সৌমিত্র দোস্তিদারের নজরে আসে ফেসবুকে ইসমাইল দরবেশের লেখা। সব পর্বগুলো তিনি ক্রমান্বয়ে পড়েছেন। তিনিই প্রথম লেখাগুলোকে উপন্যাস আকারে বের করার পরামর্শ দেন। ইসমাইল উৎসাহিত বোধ করেন তাঁর পরামর্শে। কিন্তু কারা কিভাবে বই বের করবে তাতে একেবারেই অনভিজ্ঞ তিনি। তাঁর অনভিজ্ঞতার কথা সৌমিত্র দস্তিদারকে অকপটে জানিয়ে দেন। কিন্তু সৌমিত্র থেমে থাকেন না। ইসমাইলকে সঙ্গে করে নিয়ে যান অভিযান পাবলিশার্সের কর্ণধার মারুফ হোসেনের কাছে। মারুফ হোসেন সব কিছু দেখেশুনে বই করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। ইসমাইল দরবেশকে কিছু শর্ত দেন মারুফ। শর্তের মধ্যে অন্যতম শর্ত হল, পরের পর্বগুলো আর ফেসবুকে প্রকাশ করা যাবে না। এই শর্তে মান্যতা দেন ইসমাইল। শুরু হয় পরের পর্বগুলো লেখার কাজ। লেখার কাজও শেষ হয় দ্রুত। প্রচারও হতে থাকে যে, ধারাবাহিক ‘উপন্যাস’টি অভিযান পাবলিশার্স থেকে বই আকারে বের হচ্ছে।

 

‘তালাশনামা’ ও একটি ক্রিটিক্যাল সিচুয়েশন

 

ফেসবুকে ‘তালাশনামা’র আটত্রিশটি পর্ব প্রকাশিত হয়েছিল। বাকি আরও প্রায় কুড়ি পর্ব লিখে ফেলেন, যা ফেসবুকে পোস্ট করেননি। এই নতুন কুড়ি পর্ব মোবাইলে ঠিকমতো সংরক্ষণ করে রাখেননি ইসমাইল দরবেশ। ছয় বছরের কন্যা মোবাইল নিয়ে খেলতে গিয়ে একদিন এই কুড়িটি পর্ব ডিলিট হয়ে যায়। এগুলো ছিলো ৪৬৪ পৃষ্ঠার উপন্যাসের প্রায় এক তৃতীয়াংশ। সামনে বইমেলা। ফলে লেখক এবং অভিযান পাবলিশার্সের কর্ণধার মারুফ হোসেন মহা সমস্যায় পড়েন। এদিকে বই প্রকাশের কথা প্রচার হয়ে যাওয়ায় বন্ধু মহলে খারাপ লাগছিল ইসমাইল দরবেশের। তাঁর মনের অবস্থা মারুফ হোসেনকে জানালে তিনি একটি উপায় বের করেন। মারুফ ইসমাইল দরবেশের কাছে জানতে চান তাঁর কতগুলি ছোটগল্প লেখা আছে। কিছু গল্প বাছাই করে আপাতত একটি গল্প সংকলন বের হোক অভিযান পাবলিশার্স থেকে। সময় নিয়ে উপন্যাসের হারিয়ে যাওয়া অংশ লিখে ফেলতে হবে। তাই হলো। ‘কংসবধের নেপথ্যে’ নামে একটি গল্প সংকলন প্রকাশিত হল, যেটি ইসমাইল দরবেশের জীবনের প্রথম বই। প্রথম বইটিও পাঠক গ্রহণ করেছিল স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে।

 

লেখা শুরু ‘তালাশনামা’র হারানো অংশ

 

ইসমাইল দরবেশ ফোনে আমাকে বলছিলেন, ‘তালাশনামা’র এই হারানো অংশ পুনরায় লেখা খুব কঠিন কাজ মনে হচ্ছিল। যে আবেগ দিয়ে প্রথমে লিখেছিলেন সেই আবেগ ফিরিয়ে আনতে মনের মধ্যে নানারকম দ্বন্দ্ব আর জটিলতা দেখা দেয়। বিশেষত সেই সংলাপ, সেই পরিবেশ বর্ণনা কিছুতেই মনে পড়ছিল না। বেশ কয়েকজন বন্ধুর কড়া আবেদনে আবার শুরু করেন। তাঁকে লিখতেই হবে এই জেদি মানসিকতা দ্বন্দ্ব আর জটিলতা থেকে তাঁকে উতরে দেয়। রাত জেগে, হাটে, মার্কেটে যখন সময় পেয়েছেন তিনি লিখে সম্পন্ন করেন হারানো কুড়িটি পর্ব। সম্পূর্ণ হয় উপন্যাস লেখা। নাম রাখেন ‘তালাশনামা’। উপন্যাসের বিষয়বস্তুর দিকে লক্ষ করেই এই নাম। ২০২১-এর ২৪ ফেব্রুয়ারি অভিযান পাবলিশার্স থেকে প্রকাশিত হয় বাংলা সাহিত্যের মাইলস্টোন ‘তালাশনামা’।

 

‘তালাশনামা’ ও তিন জন মারুফ

 

‘তালাশনামা’য় মারুফ হোসেন নামে একটি চরিত্র আছে। এই তরুণ বয়সী আধুনিক শিক্ষিত মারুফ প্রতিবাদী, সমাজ বদলের স্বপ্ন দেখেন। মক্কায় হজ্ব করতে গিয়ে লেখক ইসমাইল দরবেশের হৃদয়ে যে মারুফ হোসেন ‘তালাশনামা’র বীজ সঞ্চারিত করেছিলেন উপন্যাসের মারুফ তারই ছায়ায় নির্মিত। সেই জন্য লেখক মনের তাগিদ থেকেই চরিত্রের নাম মারুফ রেখেছেন। তৃতীয় মারুফ হলেন ‘তালাশনামা’র প্রকাশক অভিযান পাবলিশার্সের কর্ণধার মারুফ হোসেন। ইসমাইল দরবেশ বলছিলেন, ‘মারুফ ভাইয়ের সঙ্গে আগে পরিচয় ছিল না, ওই দুই মারুফের সঙ্গে নামে মিলে যাওয়া— এটাকে কাকতালীয় বলতে পারেন, আমার জীবন মারুফময়।’ কাকতালীয় হলেও এই প্রকাশক মারুফ হোসেনও ‘তালাশনামা’র ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হয়ে থাকবেন।

 

ইসমাইল দরবেশ

 

পারিবারিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক নাম মহম্মদ ইসমাইল। লেখার জগতে ইসমাইল দরবেশ। এই নামেই এখন সাহিত্য জগতে তার পরিচিতি। জন্ম ১৯৭৮ সালের ২৫ নভেম্বর হাওড়া জেলার ডোমজুড় থানার ডাঁশপাড়া গ্রামে। নরসিংহ দত্ত কলেজ থেকে স্নাতক। এমএ ভর্তি হয়েও পারিবারিক ব্যবসা রেডিমেড পোষাকের কারখানা দেখাশোনার জন্য পড়া অসম্পূর্ণ থেকে যায়। শখ ছিলো সাংবাদিক হওয়ার সেটাও আর হয়ে ওঠেনি। ছোট থেকেই লেখালেখির প্রতি টান। মা ফাতিমা বেগমের বইপত্র পড়ার অভ্যেস ইসমাইলকে আকর্ষিত করে। দাদা হাজি মহম্মদ ইব্রাহিম নানারকম বই কিনতেন। মনোযোগ দিয়ে সেসব বই পড়তেন ইসমাইল বাল্যকাল থেকেই। এসব থেকেই কবিতা-গল্প লেখার প্রতি তার আগ্রহ জন্মায়। দাদার বন্ধু শঙ্কর খেলো পত্রিকা করতেন। তাঁর কাছেও প্রেরণা পান। বিয়ে করেন ২০১০ সালে। তিন সন্তানের জনক। ২০১৬ সালে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খোলার পর লেখাতে গতি আসে বলে জানালেন স্মিতভাষী, অন্তর্মুখীন মহম্মদ ইসমাইল, বিশ্ববন্দিত হতে যাওয়া ‘তালাশনামা’র লেখক ইসমাইল দরবেশ।

 

সূত্র : লেখকের সাথে ফোনালাপ এবং ফেসবুক, গুগল থেকে পাওয়া তথ্য সংগ্রহ করে লেখা। HarperCollins-এর তথ্যগুলো তাদের ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া হয়েছে।