হিজাব পরার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দরজা বন্ধ! এটা ভয়ংকর সিদ্ধান্ত: ক্ষোভ উগরে দিলেন নোবেলজয়ী মালালা

হিজাব পরার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দরজা বন্ধ! এটা ভয়ংকর সিদ্ধান্ত: ক্ষোভ উগরে দিলেন নোবেলজয়ী মালালা

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: বিতর্কের রেশ ক্রমশ দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তজার্তিক স্তরে পৌঁছেছে৷ এবার হিজাব বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন মালালা ইউসুফজাই৷ ক্ষোভ প্রকাশ করে মালালা বলেন, ‘‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মেয়েদের পড়াশোনা ও হিজাবের মধ্যে একটাকে বেছে নিতে বলছে৷ যা ভয়ংকর৷’’ এর পরই ভারতের রাজনীতিকদের উদ্দেশে তার বার্তা, ‘মুসলিম মহিলাদের কোণঠাসা করার চেষ্টা এ বার বন্ধ করুন আপনারা।’

সর্বভারতীয় অনলাইন সংবাদ মাধ্যমের খবর লিঙ্ক টুইট করে মালালা লেখেন, ‘‘কলেজ আমাদের পড়াশোনা এবং হিজাবের মধ্যে একটি বেছে নিতে বাধ্য করছে”। মেয়েদের হিজাব পরে স্কুলে যেতে দিতে অস্বীকার করা ভয়ঙ্কর। নারীর অবজেক্টিফিকেশন বজায় থাকে-কম বা বেশি পরার জন্য। ভারতীয় নেতাদের অবশ্যই মুসলিম নারীদের প্রান্তিককরণ বন্ধ করতে হবে।’’

কলেজে হিজাব বিতর্কের মাধে মঙ্গলবার হিজাব নিয়ে কর্ণাটকের আরও একটি ঘটনা সামনে আসে৷ যা নিয়ে সমাজের বিশিষ্টরা থেকে শুরু করে নেটনাগরিকের একাংশ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন৷ গেরুয়া উত্তরীয় পরা একদল উন্মত্ত ছাত্র এক মুসলিম ছাত্রীকে ঘিরে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দেয়। সেই চিৎকারের জেরে কলেজ চত্বরের আর কোনও শব্দই শোনা যাচ্ছি না। তবে সেই স্লোগানে খুব একটা বিচলিত হননি ছাত্রী। ঠান্ডা মাথায় বোরখা পরা ছাত্রীটি পাল্টা বললেন, ‘আল্লাহু আকবর’। গোটা ঘটনার ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

ছাত্রীটি পরে জানান, ‘আমি কলেজে এসেছিলাম। স্কুটি রেখে ক্লাসের দিকে যাচ্ছিলাম। একদল ছাত্র আমাকে কলেজে ঢুকতে দিচ্ছিল না। বোরখা পরা থাকলে কলেজে ঢুকতে দেবে না বলে জানিয়েছিল ওরা।’