জাতীয় সুরক্ষা আইনকে ছাত্র ও সাধারণ নাগরিকদের দমনের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে সরকার : সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি

জাতীয় সুরক্ষা আইনকে ছাত্র ও সাধারণ নাগরিকদের দমনের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে সরকার : সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে দমন করার চেষ্টা করছে রাষ্ট্র। ঠিক এভাবেই প্রকাশ্যে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আঙ্গুল তুললেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি মদন বি লোকুর। জাতীয় সুরক্ষা আইন এবং ইউএপিএ আইনকে ছাত্র ও সাধারণ নাগরিকদের দমনের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে সরকার বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এক ভার্চুয়াল আলোচনাচক্রে প্রাক্তন বিচারপতি এম বি লোকুর বলেন, “রাষ্ট্র লৌহমুষ্টিতে মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে দমন করছে। হঠাৎ করে প্রচুর রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দায়ের হচ্ছে। সাধারণ মানুষ কিছু বললেই রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনা হচ্ছে। চলতি বছরেই এ পর্যন্ত ৭০টি মামলা হয়েছে। কাফিল খান প্রসঙ্গে বলেন, তাঁর বক্তব্যও ভুল ভাবে তুলে ধরা হয়েছিল। আদালত বলেছে, দেশের ঐক্য ও সংহতি বাড়ানোর পক্ষেই বলেছিলেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা দমনের আরও একটি কৌশল হল, কেউ সমালোচনামূলক কিছু বললেই তাঁর বিরুদ্ধে ভুয়ো খবর ছড়ানোর অভিযোগ আনা। প্রশান্ত ভূষন প্রসঙ্গে স্পষ্টত বলেন, আমার বিশ্বাস বিচার ব্যবস্থাকে ভেঙে দেওয়ার কোনও অভিপ্রায় প্রশান্ত ভূষণের ছিল না।

কিন্তু তাঁর বক্তব্যকে ভুল ভাবে তুলে ধরা হয়েছে। বিরোধীদের আওয়াজকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে ছাত্রদের জেলে ভরা হচ্ছে। ‘প্রিভেনটিভ ডিটেনশনের নামে ধরপাকড় প্রসঙ্গে বিচারপতি লোকুর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, যারা হিংসার কথা বলছে, ভাঙার কথা বলছে, তাদের ক্ষেত্রে কিছুই করা হচ্ছে না। এদিন বিচার ব্যবস্থায় আরও স্বচ্ছতা আনা দরকার বলেও মত ব্যক্ত করেন তিনি।