Categories
পাঠকের কলমে রাজ্য

পশ্চিমবঙ্গে মাদ্রাসার হাল হকীকত: মাদ্রাসা মূলত তিন ধরনের- খারিজি মাদ্রাসা, সিনিয়র মাদ্রাসা ও হাই মাদ্রাসা

পশ্চিমবঙ্গে মাদ্রাসার হাল হকীকত: মাদ্রাসা মূলত তিন ধরনের- খারিজি মাদ্রাসা, সিনিয়র মাদ্রাসা ও হাই মাদ্রাসা

পাঠকের কলমে বঙ্গ রিপোর্ট: কোন ইসলামীয় পন্ডিত বা রাজনৈতিক ইসলামের হাত ধরে এই বঙ্গে মাদ্রাসা শিক্ষা আসে নি। বরং এসেছে ব্রিটিশের হাত ধরে। ক্যালকাটা মাদ্রাসা বা মাদ্রাসা-ই-আলিয়া প্রতিষ্ঠা করে ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি। সালটা ১৭৮০। তখনও ফোর্ট উইলিয়ম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়নি। মূলত আশরফ ঘরের মুসলমানরাই এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ত। প্রথমে আরবী ইসলামীয় শাস্ত্র এবং কিছু বছরের মধ্যেই পাটিগনিত, জ্যামিতি, প্রকৃতিবিজ্ঞান, দর্শন, রেটোরিক, গ্রামারের মতো বিষয় গুলি অন্তর্ভুক্ত হয়। আরও কিছু বছর পরে ১৮২৬ এ চিকিৎসাশাস্ত্র চালু হয়। এই বিভাগটিই কলকাতা মেডিকেল কলেজ স্থাপিত হওয়ার পর সেখানে স্থানান্তরিত হয়। কলকাতা মাদ্রাসার অনুরূপ হুগলী মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন দানবীর হাজি মহসিন। শিক্ষাবিদ, বিচারপতি ও সুপন্ডিত সৈয়দ আমীর আলী এই মাদ্রাসা থেকেই পড়াশোনা করেছেন। দেশভাগের সময় ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কলকাতা মাদ্রাসার উপর কোপ পড়ে। গ্রন্থাগারের হাজার হাজার দূর্লভ সব বই ওপার বাংলায় চলে যায়। ধীরে ধীরে রক্ষনশীলদের হাতে পড়ে পুরো ব্যবস্থাটাই অচলায়তনে পরিনত হল।

বর্তমানে মাদ্রাসা মূলত তিন ধরনের – খারিজি মাদ্রাসা, সিনিয়র মাদ্রাসা ও হাই মাদ্রাসা। খারিজি মাদ্রাসার সঙ্গে বাকি দুটির আকাশ-জমিন তফাৎ। তবুও হিন্দুত্ববাদী সরকার, সংগঠন ও তাদের পোষ্য মিডিয়া তিনটেকে গুলিয়ে দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। মাদ্রাসায় অস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, মাদ্রাসা মানেই জঙ্গি তৈরির কারখান ইত্যাদি প্রভৃতি। এটা সম্ভব হচ্ছে অমুসলিমদের সিংহভাগের মাদ্রাসা নিয়ে অজ্ঞতা। এই অজ্ঞতার দেশই বিজেপির মত হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক দলের ইউটোপিয়া। অমুসলিমদের একাংশ সরল মনে এসব অপপ্রচার বিশ্বাস করে ফেলছেন হোয়াটস্যাপ ইউনিভার্সিটির দৌলতে। একটা রাজনৈতিক দলের প্রোপাগান্ডাকে নিউজ হিসাবে ধরে নেওয়ার আগে একটু বাস্তবটা জেনে নেওয়া ভাল। রমরমিয়ে যে বিদ্বেষের চাষ চলছে সেটা কিছুটা হলেও রোধ করা যাবে।

খারিজি মাদ্রাসা সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত নয়। এই ধরনের মাদ্রাসা নিয়ে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করছি। তার আগে সিনিয়র ও হাই মাদ্রাসার কথা বলি। সিনিয়র মাদ্রাসা সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত। প্রথাগত ও সাম্প্রতিক শিক্ষার পাশাপাশি সিলেবাসে ধর্মীয় শিক্ষার বিষয় গুলি গুরুত্ব সহকারে অন্তর্ভুক্ত। এই ধরনের মাদ্রাসার সংখ্যা খুবই কম। হাই মাদ্রাসাও সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত। এর সিলেবাস ও পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষা বোর্ডের সিলেবাস একই। হাই মাদ্রাসায় কেবল বাড়তি বিষয় হিসাবে আরবি ভাষা পড়ানো হয়। এ ধরণের মাদ্রাসায় শিক্ষক ও ছাত্রদের একটা বড় অংশই হিন্দু কমিউনিটি থেকে আসা। হাই মাদ্রাসা সবার জন্য উন্মুক্ত, কোন বিশেষ ধর্মের মানুষের জন্য নয়। সিনিয়র মাদ্রাসার তুলনায় হাই মাদ্রাসার সংখ্যা অনেক বেশি। শিক্ষক নিয়োগ সরকারিভাবেই হয়। এখান থেকে পাস করে বেরোনো আর পশ্চিমবঙ্গ বোর্ড থেকে পাস করে বেরোনো একই মূল্য।

এবার আসি খারিজি মাদ্রাসার কথায়। একসময়ের উন্নততর শিক্ষা ব্যবস্থা এখন খারিজি মাদ্রাসার নামে ধর্মীয় কুপমন্ডুকতার নজির হিসাবে টিকে রয়েছে। এটা বাস্তবতা। খারিজি মাদ্রাসাকে বাকি দুই মাদ্রাসার সঙ্গে গুলিয়ে দিয়ে অপপ্রচার চলে।এখন খারিজি মাদ্রাসা বলতে আমরা যা বুঝি সেটাও হরেক কিসিমের। ছয় খানা সিলসিলা (ধারা) রয়েছে। দেওবন্দ সিলসিলা, ফুরফুরা সিলসিলা, আহলে হাদিস সিলসিলা, বেরেলি সিলসিলা, জমিয়ত ইসলামি ইত্যাদি। এই মাদ্রাসা গুলোতে যেসব ছেলেমেয়েরা পড়ে তারা নিম্নবিত্ত পরিবার থেকে আসা। পড়ুয়ার সংখ্যাটা যে বিশাল তাও নয়। স্ন্যাপ ও গাইডেন্স গিল্ডের সমীক্ষায় উঠে এসেছে বাংলার মুসলমান সমাজের মাত্র 4% ছেলেমেয়ে খারিজীতে পড়ে। অথচ অপপ্রচার চালানো হয় যে মুসলিমরা ব্যাপক হারে ছেলেমেয়েকে মাদ্রাসায় পাঠাচ্ছে। এই প্রচার, এই ষ্টিরিওটাইপ সর্বৈব মিথ্যা।

যেসব পরিবার থেকে ওরা আসে তাদের পারিবারিক আয় মাসে আড়াই হাজার টাকার নীচে। বাংলায় এমন আয়ের পরিবার রয়েছে 38%. সিংহভাগই এতিম মিসকিন (অনাথ)। সেই অর্থে এই মাদ্রাসা গুলোকে অনাথ আশ্রম বলা যায়। অবস্থাসম্পন্ন মুসলিমদের জাকাত ফিতরার পয়সায় এদের খাওয়া পরার ব্যবস্থাটা হয়ে যায়। মাদ্রাসার বাচ্চাদের খাওয়াদাওয়া ভরনপোষনের জন্য কিছু আলেম কালেক্টর থাকে। মাদ্রাসার রসিদ বই নিয়ে তারা মুসলিমদের দরজায় দরজায় ঘোরে। যে যার সামর্থ্য মত সাহায্য করে। তাই মাদ্রাসার বাচ্চাদের ভরণপোষণের জন্য টাকা তুলে দেওয়া আলেমদের কাছে রসিদ বই থাকা অস্বাভাবিক কিছুই নয়। রসিদ কেটে টাকা নিয়ে গেছে এমন রসিদ আমার বাড়িতেও আছে। দূর্গাপূজো-কালিপূজোর চাঁদা দেওয়ার রসিদের সঙ্গেই আছে। অথচ অপপ্রচার চালানো হচ্ছে যে ধৃতদের কাছে “জেহাদি রসিদ” পাওয়া গেছে। শুধু অজ্ঞতা নয়, অজ্ঞতার উদযাপন চলছে এখন।

দানের পয়সাতেই মুখে ভাত ওঠে মাদ্রাসার অনাথ বাচ্চা গুলোর। খাওয়াপরার পাশাপাশি বাড়তি পাওনা হিসাবে রয়েছে দ্বীনি শিক্ষা। দেখা যাবে এরা মূলস্রোতের ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কুলছুট বাচ্চা। পরিচারিকার কাজ করা বিধবা বা স্বামী পরিতক্ত্যা মাকে পাড়ার লোকে উপদেশ দেয় “ডানপিটে ছেলেকে মাদ্রাসাই ভর্তি করে দাও। ছেলে সোজা হয়ে যাবে। ঝামেলা পইতে হবে না।” অভাবের তাড়নায় হোক বা সেই সুবাদে কিছুটা সোয়াব পাওয়ার ক্ষিদেই হোক, বা পিতৃহীন ছেলে ডানপিটে নেশাখোর হয়ে যাবে সেই ভয়েই হোক, মা ছেলেমেয়েকে খারিজি মাদ্রাসায় ভর্তি করে দেন। এভাবেই নিম্নবিত্ত পিতৃহীন বা অনাথ বাচ্চারা মাদ্রাসায় আসে। অর্থাৎ মাদ্রাসায় পড়ানোর বিষয়টা যতটা না ধর্মীয় তার থেকে অনেক বেশি আর্থসামাজিক। আর্থিক অবস্থা ভাল কিন্তু ছেলেকে মাদ্রাসায় পড়াচ্ছেন, এমন পরিবার পাবেন না বললেই চলে। বহু মৌলনা মৌলবি আমার পরিচিত, কেউই তাদের ছেলেমেয়েদেরকে খারিজিতে পড়ান না। সবাই সরাকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই পড়ান। ব্যতিক্রম অবশ্যই আছে, কিন্তু সেটা ব্যতিক্রমই। এক শিল্পপতি গোছের তাবলিগী আমিরকে চিনি, যিনি নিজে একটা মাদ্রাসা চালান, কিন্তু নিজের ছেলেকে বিদেশ থেকে ডাক্তারি পড়িয়ে এনে নার্সিংহোম খুলে দিয়েছেন। আজ সকালবেলাতেই এক ধর্মপ্রান টুপি দাড়ি ওয়ালা আলেমের সঙ্গে কথা হল। তাঁর দুই ছেলে দূর্গাপূরে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ে। এমন উদাহরণ ভুরিভুরি।

তবুও খারিজি মাদ্রাসা প্রচুর গড়ে উঠছে। এমন কিছু ছাত্র হয় না সেখানে। কোনক্রমে টিকে আছে। আর্থিকভাবে স্বচ্ছল পিতামাতারা তাদের ছেলেমেয়েদের খারিজি মাদ্রাসায় পাঠায় না। কোয়ালিটি এডুকেশন নেই। মৌলানা, কারি, হাফেজ বানানোর যে কোর্স গুলো চালু রয়েছে সেগুলোর কোন সাম্প্রতিকরণ হয় নি। বোধ ও বিকাশের বদলে মুখস্থনির্ভর ব্যবস্থা চালু রয়েছে। চার বছরের কোরান-ই-হাফিজ কোর্সটা অযৌক্তিকভাবে মুখস্থ নির্ভর। এই কোর্সে কোরানশরীফ না বুঝেই কয়েক বছরে মুখস্থ করিয়ে দেওয়ার রেওয়াজ চালু রয়েছে। শিক্ষক যারা রয়েছে তারা না জানে ভাল বাংলা না জানে ভাল আরবী। কোরান শরীফকে সহজ সরলভাবে শিশুদের কাছে ব্যাখ্যা করবে সেই দক্ষতাও নেই। কয়েকটি সালপঞ্জীসম্বলিত ইসলামী ইতিহাস ছাড়া ইতিহাস ব্যাখ্যা বিশ্লেষণে তারা অপারগ।

দেওবন্দ নিয়ন্ত্রিত যে ৯৫০+ খারিজী এই বঙ্গে রয়েছে তার সিলেবাস তৈরি করে “রাবেয়াতে মাদারিস”। অষ্টম শ্রেনি পর্যন্ত্য ইংরাজী শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। বাংলাও পড়ানো হয়। বাংলা বইটির নাম “হেরার আলো”। তবে সিলেবাসের গুনগত মান অত্যন্ত নিম্নমানের। শিক্ষাদানের পদ্ধতিও সেকেলে। যারা পড়ান তাদের যোগ্যতামান তেমন নেই। কিন্তু আমরা চাই মৌলানা ওয়াহিদুদ্দিন খানের মতো সমাজতাত্ত্বিক ধর্মবিসারদ কলামনিষ্ট। তেমন উৎকৃষ্ট প্রোডাক্ট এমন খারিজি মাদ্রাসা থেকে সম্ভব নয়। এখান থেকে পড়ে মসজিদের দুই তিন হাজার বেতনের ধর্মশ্রমিক ইমাম হচ্ছে কেবল। এটা ছাড়া তাদের সামনে আর কোন রুজির পথ খোলা থাকছে না।

পুরোপুরিভাবে একটা গয়ংগচ্ছ গতিতে চলছে এসব। অথচ কেন্দ্রীয় সরকার মাদ্রাসা এডুকেশন প্রকল্প থেকে বেশ কিছু মাদ্রাসাকে শিক্ষকপিছু ১২০০০ টাকা করে তিন জন শিক্ষককে বেতন দেয়। মাদ্রাসা গুলো সেই টাকায় আরও কিছু শিক্ষক নিয়োগ করে। তাদের বেতন দাঁড়ায় দুই থেকে তিন হাজার। আর আসে অবস্থাপন্ন মুসলিমদের থেকে জাকাত ফিতরার সাহায্য। গনহারে এত মাদ্রাসা তৈরি হচ্ছে। ছাত্র নেই। এর বদলে অল্প সংখ্যক মাদ্রাসায় কোয়ালিটি এডুকেশনের ব্যবস্থা করা যেতেই পারে। কারন পাবলিক ফান্ড রয়েছে। কোয়ান্টিটি নয়, কোয়ালিটি এডুকেশন দরকার। এটা বুঝতে হবে। পুঁজিবাদী বিশ্বের হেজেমনি মেনে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, প্রফেশনাল কোর্সের ব্যবস্থা করতে হবে, নচেৎ গতি নেই। দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি দুনিয়াবি শিক্ষার জন্য স্পেস দিতে হবে, না দিলে ভবিষ্যতে কর্মসংস্থানের জন্য যোগ্যতামান তারা অর্জন করতে পারবে না।

যুগের হাওয়া বুঝে বেশ কিছু মাদ্রাসায় কম্পিউটার শিক্ষার ব্যবস্থা চালু হয়েছে। তারা বুঝেছে পুঁজিতান্ত্রিক সমাজবিশ্বের সঙ্গে বেমানান যেকোন কিছুই মধ্যযুগীয় বলে দেগে দেওয়া হবে। তাই “সময়ের দাবি” মেনে অন্ধ ছাত্রছাত্রীদের ব্রেইলি পদ্ধতিতে শিক্ষাদানের ব্যবস্থা রয়েছে মেমারির মাদ্রাসায়। কিন্তু সেই কোয়ালিটি এডুকেশন খুবই সীমিত জায়গায়। এদের সিলেবাস বানিয়েছে “বাফেকুল মাদারিস”। বাফেকুলের সিলেবাস রাবেতুল মাদারিসের থেকে অনেক উন্নত। তবে আর্থিক সঙ্গতিহীন মাদ্রাসার পক্ষে বাফেকুলের সিলেবাস রূপায়ন করা অসম্ভব। একটি বিশেষ সমীক্ষার সুত্র অনুযায়ী বছরে গোটা বাংলায় অবস্থাপন্ন মুসলিমদের দানের পরিমান মোটামুটি ৪০০ কোটি। এই ছন্নছাড়া দান যদি একজায়গা করে একটি ফান্ড তৈরি করা যায় এবং সেটা আধুনিক শিক্ষা মিশন গুলোর পরিকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি মাদ্রাসা গুলিতে বৃত্তিমূলক শিক্ষার ব্যবস্থা করে শিক্ষামান বাড়ানো যায়, তাহলে সেটা ভাল উদ্যোগ হবে।

আমরা জানি, মধ্যবিত্ত স্বচ্ছল শিক্ষিত মুসলিমরা প্রচেষ্টায় আল আমীন মিশন গড়ে উঠেছে। বাংলা জুড়ে তার ৭০ টি প্রতিষ্ঠান। এখান থেকে পড়ে প্রতিবছর শয়ে শয়ে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার বেরুচ্ছে। এখানে কোচিং এর সুযোগ নিয়ে প্রশাসনিক আধিকারিকও তৈরি হচ্ছে। এছাড়াও মামুন মিশন, তৌহিদ মিশন, আজাদ মিশন ইত্যাদি একাধিক মিশন তৈরি হয়েছে আল আমীনের আদলে। স্বচ্ছল মুসলিমদের অর্থসাহায্যে এই প্রতিষ্ঠান গুলো দিন দিন উন্নতি করছে। কিন্তু খারিজি গুলোর হাল ফিরছে না। খারিজির সংখ্যা অনাবশ্যকভাবে না বাড়িয়ে সেই অর্থে সাম্প্রতিক ও কারিগরি শিক্ষার প্রতি জোর দিলে ভবিষ্যত জীবনে থিতু হওয়ার উপযুক্ত হিসাবে এতিম বাচ্চা গুলোকে গড়ে তোলা যাবে। হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ও মিডিয়ার অহেতুক অপপ্রচার থেকেও রেহাই মিলবে।

কলমে:
আশরাফুল আমিন সম্রাট
শিউড়ি, বীরভূম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *