ডোনাল্ড ট্রাম্পের সন্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি কেড়ে নিল বিশ্ববিদ্যালয়

ডোনাল্ড ট্রাম্পের সন্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি কেড়ে নিল বিশ্ববিদ্যালয়

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: ইতিমধ্যে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগে ট্রাম্পের টুইটার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়েছে। এবার কেড়ে নেয়া হল ডক্টরেট ডিগ্রি।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি বাতিল করে দিয়েছে সে দেশের লিহাই বিশ্ববিদ্যালয়।

গত ৩০ বছর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ট্রাম্পকে সম্মানসূচক এই ডিগ্রি দেওয়া হয়েছিল। সে সময় আবার তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষণও প্রদান করেছিলেন।

গোটা বিশ্বে সমালোচিত ডোনাল্ড ট্রাম্প! তাঁর টুইটার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার পর খুশির বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশের নির্বাসিত লেখক তসলিমা নাসরিনও।

মার্কিন সংসদ ভবন ক্যাপিটল হিলে ট্রাম্প সমর্থকদের ব্যাপক হামলা এবং হতাহতের ঘটনার পর ট্রাম্প নিজ দেশেই আরো বেশি করে একঘরে হয়ে পড়ছেন। এবং এরই ধারাবাহিকতায় তাঁর সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি এবার কেড়ে নেওয়া হয়েছে।

লিহাই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একটি বিবৃতিতে বলেছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ডিগ্রিটি বাতিল করা হয়েছে। এ বিষয়ে আর ব্যাখ্যা দেয়নি তারা।

বলা বাহুল্য, ক্যাপিটল হিলে সাম্প্রতিক তুমুল হামলায় পুলিশসহ প্রায় ৫ জন নিহত হয়েছেন।

হামলায় উসকানি দেওয়ার জন্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আইনি চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হবে, এমন ধারণা করা হচ্ছে।

সবদিক দিয়ে এবার চাপে পড়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এদিকে আবার ট্রাম্পের নিজ দলের বহু নেতা ট্রাম্পের ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন এবং অভিশংসন বা ইমপিচমেন্টের পক্ষে মত দিয়েছেন।

এমনকি তাঁর কাছ থেকে পরমাণু অস্ত্রের কোড কেড়ে নেয়ার দাবিও জোরদার হচ্ছে।

মূলত ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে উত্তপ্ত আমেরিকা।

স্পষ্টভাবে বললে, ট্রাম্পের পাগলামি দিনের পর দিন বেড়ে চলেছে। তাঁর আচরণের তুমুল নিন্দা প্রথম থেকেই করছেন লেখক তসলিমা। এগুলো মেনে নেয়া যায় না।

আগামি ২০ জানুয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতার মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তবে তাঁর ভয়ানক পাগলামির কারণে এর আগেই অপসারণ চাইছেন অধিকাংশ মার্কিন নাগরিক।এছাড়া উপায় নেই বলেই মনে করছেন তাঁরা।

ইতিমধ্যে ইরান ডোনাল্ড ট্র্যাম্পের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে।