যারা প্রকৃত অভিযুক্ত তাদের আনা হয়নি! টি আই প্যারেডে কাউকেই চিনতে পারলেন না আনিসের বাবা

যারা প্রকৃত অভিযুক্ত তাদের আনা হয়নি! টি আই প্যারেডে কাউকেই চিনতে পারলেন না আনিসের বাবা

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট:হাইকোর্টের নির্দেশের পরই সিটের (SIT) সদস্যদের সহযোগিতা করেন আনিসের বাবা। শুক্রবার। টি আই প্যারেডে কাউকেই চিনতে পারলেন না আনিসের বাবা। উলুবেড়িয়া জেলে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে টি আই প্যারেড হয়। সেখানে আজ আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত হন নিহত ছাত্র নেতার বাবা সালেম খান। দীর্ঘক্ষণ ধরে এদিন টি আই প্যারেড চলে। তবে আনিসের বাবা বাইরে বেরিয়ে এসে জানান, সেদিন যে পুলিশ কর্মী বুকে বন্দুক ঠেকিয়েছিল এখানে সে নেই। যারা প্রকৃত অভিযুক্ত তাদের টিআই প্যারেডে আনা হয়নি বলেই দাবি নিহত ছাত্রনেতার বাবার।

এদিন সকালেই সিট সদস্যরা আনিসের খানের আমতার বাড়িতে পৌঁছে যান। পুলিশের গাড়িতে সালেম খানকে নিয়ে আসার কথা বলা হয়। কিন্তু এদিন আনিসের বাবা জানিয়ে দেন, তিনি তাঁর আইনজীবীর সঙ্গেই উলুবেড়িয়া জেলা আদালতে যাবেন। এর পর আইনজীবী আসার পরেই সালেম খান টি আই প্যারেডের উদ্দেশে রওনা দেন। প্রায় আড়াইঘন্টা ধরে এদিন টি আই প্যারেড চলে।

আজ উলুবেড়িয়া জেলের ভিতরে মৃত আনিস খানের মোবাইল হস্তান্তর হয়। আনিসের মৃত্যুর সাতদিন পর মোবাইল সিটের হাতে তুলে দিল পরিবার। ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য হায়দরাবাদে পাঠানো হবে মোবাইল।

গত শুক্রবার রাতে ছাত্রনেতা আনিস খানকে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার তদন্তে পুলিশের উপর আস্থা নেই বলেই দাবি নিহতের পরিবারের। সিবিআই তদন্তের আরজিতেই সরব তাঁরা। এই পরিস্থিতিতে সিট গঠন করে দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । এদিকে, কলকাতা হাই কোর্টেও একটি মামলা দায়ের হয়। ওই মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই হাই কোর্টও সিটের তদন্তের উপরেই আস্থা রাখে। নিহতের কবর থেকে দেহ তুলে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত এবং অভিযুক্তদের শনাক্তকরণে টিআই প্যারেডের নির্দেশ দেয় আদালত। এছাড়াও আনিসের ব্যবহৃত মোবাইলটি সিটের হাতে তুলে দেওয়ার কথা বলা হয়।