ইমাম রশিদির কিশোর ছেলেকে খুনের সময় বাবুল কি করছিলেন? তৃণমূল যোগের পর প্রশ্ন কবির সুমনের

ইমাম রশিদির কিশোর ছেলেকে খুনের সময় বাবুল কি করছিলেন? তৃণমূল যোগের পর প্রশ্ন কবির সুমনের

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: শনিবার তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন আসানসোলের দু’বারের বিজেপি সাংসদ এবং প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। তার পর থেকেই ধারাবাহিক ভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় বাবুলকে তোপ দেগে চলেছেন কবীর সুমন।

বাবুল তখন বিজেপিতে। সেই সময়কার একাধিক ঘটনাকে তুলে ধরে বাবুলের সঙ্গে সংঘাতের উদাহরণ উঠে এসেছে কবীর সুমনের একের পর এক ফেসবুক পোস্টে।

রবিবার প্রথমে একটি ফেসবুক পোস্টে ফের সরব হন সুমন। লেখেন, “আমি রাজনীতির লোক নই। রাজনীতিতে থেকে দেখেছি ওটা আমার জায়গা নয়। তবু, আজ জীবনে প্রথম মনে হচ্ছে একটা দল খুলি। যার ভিত্তি হবে অহিংসা, ধর্মনিরপেক্ষতা, বাংলাবাদ আর সমাজতন্ত্র।

আমি ক্রুদ্ধ হইনি। তেমন অবাকও হইনি। শুধু বুঝতে পারছি আমার মতো লোকদের আসলে কোনো জায়গা নেই। কিন্তু আদ্যন্ত শ্রীরামকৃষ্ণবাদী এই আমি মনে করি ছোবল মারব না কিন্তু ফোঁস করব বৈকি।

চেষ্টা করতে হচ্ছে না, এমনিই মনে হচ্ছে আসানসোলের ইমাম রশিদির কিশোর ছেলের কথা যাঁকে মুসলিমবিদ্বেষী হিন্দুত্ববাদী ফ্যাসিস্টরা খুন করেছিল। বিজেপি সাংসদ শ্রীযুক্ত বাবুল সুপ্রিয় তখন কী করছিলেন।

কিছু না বলে কয়ে ছেড়ে দিতে পারছি না কিছুতেই।আমি রাজনীতির লোক নই। তাও। আমার সহনাগরিকরা, দোহাই আপনাদের – ভুলে যাবেন না। ভুলে গেলে অত্যাচারিতরা আবার অত্যাচারিত হবেন”।

বাবুল তৃণমূলে যোগ দিতেই তাঁকে স্বাগত জানান দলের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তাঁর এক টুইটের স্ক্রিনশট পোস্ট করে সুমন এ দিন ফেসবুকে ফের লেখেন, “একে বলে রাজনীতি। এই না হলে রাজনীতি। নতুন দল খুললেও এদের পরিবেশেই থাকতে হবে। গা গুলোয়-“।

শনিবার একটি পোস্টে সুমন লেখেন, “বিজেপি সাংসদ ও মন্ত্রী শ্রীযুক্ত বাবুল সুপ্রিয় কিছুকাল আগে আমায় নিয়ে ফেসবুকে ঠাট্টা করেছিলেন মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে স্থুল ইঙ্গিতপূর্ণ কথা লিখে। লিখেছিলেন ‘আপনার মমতাময়ী’। আমি তাঁকে কোনো কটুক্তি করিনি।

শুধু, ‘আপনার মমতাময়ী’ বলে গায়ে পড়ে বিদ্রুপ করা এই মুসলিমবিদ্বেষী, এনআরসি-পন্থী, বাংলা ও বাঙালি বিদ্বেষী বাবুল সুপ্রিয় মহোদয় এখন ‘তাঁর মমতাময়ী’ সম্পর্কে কী ভাবছেন তৃণমূলে তাঁর কাছের মানুষরা হয়তো জানতে চাইছেন”।