জমাটোর ডেলিভারি বয় ফৈয়াজ বললেন আমরা গরীব মানুষ তাই এ জাতীয় অপমান মানিয়ে নিতে হয়

জমাটোর ডেলিভারি বয় ফৈয়াজ বললেন আমরা গরীব মানুষ তাই এ জাতীয় অপমান মানিয়ে নিতে হয়

নিউজ ডেস্ক বঙ্গ রিপোর্ট: মোবাইলে অর্ডার এলেই সটান খাবার নিয়ে পৌঁছে যান ক্ষুদার্থদের দোরগোড়ায়। অন্যদিনের মতোই মঙ্গলবারও কাজে বেরিয়ে ছিলেন ফৈয়াজ। কিন্তু রাতারাতি দেশ জুড়ে চলা বিতর্কের সঙ্গে তিনি জড়িয়ে পড়বেন এমনটা কে জানতো।

মুসলিম ধর্মের মানুষ হওয়ার জন্য তার হাত থেকে কেউ খাবার নেবেন না। এত সব ঘটনার থেকে ফৈয়াজ অজ্ঞাত থাকলেও পরে খাবারের অর্ডার বাতিল করার কারণ জানতে পারায় তাঁর প্রতিক্রিয়া, ‘এমন ঘটনায় আমি আহত, তবে আমি কী করতে পারি। আমরা গরীব মানুষ তাই আমাদের এই জাতীয় ব্যবহারের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারি।’

অন্যান্য দিনের মতোই অর্ডার নিয়ে গ্রাহকের বাড়ির দিকে রওনা হতেই কিছুক্ষণের মধ্যেই বাতিল হয়ে যায় অর্ডার। সেই মুহুর্তে কারণ জানতে না পারলেও কিছুক্ষণ পর সোশ্যাল দুনিয়ার তাগিদে জানতে পারেন। খদ্দের ঘোর হিন্দুত্ববাদী। তিনি কোন মুসলিম ডেলিভারি বয়ের হাত থেকে খাবার নেবেন না। সেই মুসলিম ডেলিভারি বয়ের নাম ফৈয়াজ। এই ধর্মই তাঁর দোষ যার জেরে পেশাগত কারণে তাঁকে অপমানিত হতে হল এমনভাবে।

ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সমালোচনার ঝড় ওঠে দেশ জুড়ে। টুইটারে নেটিজেনদের নানান ধরনের মন্তব্য আসতে থাকে। মধ্যপ্রদেশের পণ্ডিত অমিত শুক্লার বিকৃত আচরণের জবাব দিয়ে জম্যাটো জানায়, ‘খাবারের কোন ধর্ম হয় না। খাবারই একটা ধর্ম।’ যা মন জয় করে নেয় দেশবাসীর। আপ্লুত হয় নেটিজেনরা। এমন মন্তব্যের জন্য আন্তরিক সাধুবাদ জানাই জমাটো কর্তৃপক্ষকে